পরীক্ষা শুরুর আগে দুই ঘণ্টা ইন্টারনেট ‘ধীর গতিতে’ রাখার নির্দেশ

স্টাফ রিপোর্টার:
চলমান এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস রোধে আড়াই ঘণ্টা ইন্টারনেট ধীর গতিতে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। পরীক্ষা শুরুর আধা ঘণ্টা পর (সকাল সাড়ে দশটা পর্যন্ত) পর্যন্ত ইন্টারনেট ধীরগতিতে চলবে। গতকাল দিবাগত রাত ১০টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত ইন্টারনেটে ধীর গতি এনে পরীক্ষা করে দেখা হয়। এর আগে গতকাল দেশের সব আইআইজিকে (ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারনেট গেটওয়ে) এই নির্দেশ পাঠায় নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি।
বিটিআরসির ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড অপারেশন বিভাগের সিনিয়র সহকারী পরিচালক আবদুল্লাহ আল আমিন স্বাক্ষরিত ওই নির্দেশনায় আইআইজিগুলোকে এএনএস অপারেটরগুলোকে ইন্টারনেটের ডাউনলোড (ডাউনস্ট্রিম) গতি ২৫ কেবিপিএস (কিলোবাইট পার সেকেন্ড) সরবরাহ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই নির্দেশনার ফলে মোবাইল ইন্টারনেট, আইএসপি এবং ওয়াইম্যাক্সসহ সব ধরনের ইন্টারনেট সেবায় কার্যকর হবে।
নির্দেশনায় আগামী ১২, ১৩, ১৫, ১৭, ১৮, ১৯, ২০, ২২ ও ২৪ ফেব্রুয়ারি পরীক্ষার দিন সকাল ৮টা থেকে সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত ইন্টারনেটের গতি কমিয়ে ২৫ কেবিপিএসে রাখতে বলা হয়েছে। এছাড়া ১৮ ফেব্রুয়ারি সকাল ছাড়াও দুপুর ১২টা থেকে আড়াইটা পর্যন্ত ইন্টারনেটের গতি কমিয়ে রাখার নির্দশ দেওয়া হয়েছে। প্রযুক্তি বিশ্লেষকরা বলছেন, এই গতিতে ইন্টারনেট চালু রাখা আর বন্ধ রাখা প্রায় একই কথা। এই গতিতে কোনও কিছু ডাউনলোড করা দূরে থাকুক, ইন্টারনেট ব্যবহার করাই কঠিন হবে। এই গতিতে ইন্টারনেট ব্যবহার একেবারে অসম্ভব একটি ব্যাপার।
প্রসঙ্গত, প্রশ্নফাঁস রোধে রবিবার সকালেও এক ঘণ্টার জন্য ইন্টারনেটের গতি কমিয়ে রাখার নির্দেশনা দিয়েছিল বিটিআরসি। যদিও সেই নির্দেশনা কার্যকর করতে করতেই সময় পার হয়ে যায়।