সকল অন্যায়ের বিরুদ্ধে বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর

কবিতা- মুফতি জঙ্গিবাদীর দাওয়াত – রিয়াদুল হাসান

“এই যে তরুণ কেন অকারণ
জীবনের অপচয়,
শ্রেষ্ঠ সে জন যার যৌবন
জেহাদের পথে যায়।
পড়োনি কোরানে লেখা সবখানে
জেহাদের নির্দেশ?
আমাদের নবী হাজার সাহাবী
এই পথে হন শেষ।
জেহাদ না করে শহীদ কী করে
হয় বলো ভাই শুনি,
শহীদের তরে পথ চেয়ে মরে
হুরপরী আসমানী।
দেখছ না তুমি পৃথিবীর জমি
লাল কার খুন মেখে,
ভাসে কার লাশ, কার বিশ্বাস
লাঞ্ছিত দিকে দিকে?”
এইখানে থেমে ডাইনে ও বামে
দেখেন জঙ্গিবাদী,
বললেন ধীরে ফিসফিস করে
কেউ শুনে ফেলে যদি–
“হে তরুণ! শোনো, পথ নেই কোনো
জেহাদের পথ ছাড়া,
এই সরকার হলো কুফফার
তাগুতের ধামাধরা।
তার চারিদিকে দেখ ঝাঁকে ঝাঁকে
ইসলামবিদ্বেষী,
তাদের কাউকে মেরে দুনিয়াকে
সাফ করো পাপরাশি।
অস্ত্র তোমার নাই বেশুমার
শান দাও চাপাতি,
ধরা পড়ে গেলে কোনো কৌশলে
হবেই আত্মঘাতী।”
বলল তরুণ হেসে অকরুণ–
“আমি অত বোকা নই
জেহাদের নামে সন্ত্রাসে নেমে
কারো হাতিয়ার হই।
রসুল তো হক রাষ্ট্রনায়ক
নন পাতি-মুফতি,
দ- দেয়ার ছিল অধিকার
সামরিক শক্তি।
তেরোটি বছর রাতদিনভর
অপমান নিপীড়ন-
সয়েছেন তারা তবু দিশেহারা
হন নি একটু ক্ষণ।
একটাই কথা একটি বারতা
সত্যের সৈনিক,
জীবনবিধাতা হুকুমকর্তা
একজনই লা শরীক।
এই কলেমাতে হলো একসাথে
আরবের জনতা
ছিল না ফেরকা, ভিন্ন তরিকা
ছিল শুধু একতা।
এখনও আবার সেই কলেমার
পতাকার ছায়াতলে
এক করো শত ভাগে বিভাজিত
মুসলিম দলে দলে।
তারাই আবার হবে দুর্বার
সত্য মুসলমান,
ফিরে পাবে সেই মান অচিরেই
ঘুচবে অসম্মান।”

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.