সকল অন্যায়ের বিরুদ্ধে বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর

সকল প্রকার অশান্তি থেকে বাঁচার উপায়

0

মিজানুর রহমান:

আফ্রিকা থেকে শুরু করে ইন্দোনেশিয়া পর্যন্ত মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ সকল দেশে আজ একটি অস্থিতিশীল অবস্থা বিরাজ করছে। ঘন ঘন সরকার পরিবর্তন, আন্দোলন, ভাংচুর, হরতাল, জ্বালাও পোড়াও ইত্যাদির মাধ্যমে প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি, প্রাণহানি হচ্ছে। আমাদের দেশও এর বাইরে নয়। সারা বছর ধরে চলে সরকার আর বিরোধীদলের ইঁদুর বেড়াল খেলা, সরকার পতনের আন্দোলন, দাবি দাওয়া আদায়ের জন্য হরতাল, ঘেরাও, বিক্ষোভ, বলির পাঠা জনগণের জানমালের ক্ষয়ক্ষতি সাধন। পাঁচ বছর অন্ত্যে অনুষ্ঠিত হয় নির্বাচনী খেলা, ক্ষমতায় আসে অপর সংখ্যাগরিষ্ঠ দল। তারা এসে আবার পূর্ববর্তী সরকারের মতোই দুর্নীতি, লুটপাট, স্বজনপ্রীতি, চাঁদাবাজি, অর্থ-সম্পদ বিদেশে পাচার ইত্যাদি করতে থাকে। চলে বিরুদ্ধবাদীদের উপর দমন পীড়ন। এভাবে একেরপর এক পরিবর্তিত হয় সরকার, কিন্তু সিস্টেম থেকে যায় আগের মতোই। ফলে সাধারণ মানুষের জীবন চলে আগের নিয়মেই। একটি গাড়ি নষ্ট হলে ড্রাইভার পরিবর্তন কোনো সমাধান নয়, আগে দরকার গাড়ি মেরামত করা। চলমান এই রাজনৈতিক সংস্কৃতি দেখে দেখে মানুষ বিরক্ত, হতাশ। কিন্তু তাদের কাছে কোনো উত্তম বিকল্প নেই। তাই তারা একবার কড়াই থেকে চুলায় লাফিয়ে পড়ছে, আবার বাঁচার জন্য লাফিয়ে কড়াইতে উঠছে। এতে করে দিনে দিনে মানুষের যন্ত্রণা বাড়ছে এবং বাড়বে। এই পরিস্থিতি থেকে মানবজাতির মুক্তির পথ কিন্তু আছে। যে পথটি জানতে আমাদের দৃষ্টি দিতে হবে ইসলাম-পূর্ব আরবের দিকে। আজ যেমন আমরা একটি ভৌগোলিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় বসবাস করি, সে সময় আরবে এমন কোনো সুসংহত ব্যবস্থা ছিল না। তারা ছিল বংশধারার ভিত্তিতে বিভিন্ন গোত্র-উপগোত্রে বিভক্ত। জীবন নিয়ন্ত্রিত হতো গোত্রপতিদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক। এই সব গোত্রগুলির মধ্যে তুচ্ছাতিতুচ্ছ কারণে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ বেঁধেই থাকত, যা পুরুষাণুক্রমে অব্যাহত থাকত। তারা ছিল বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে অবজ্ঞাত, জাহেলিয়াতের অন্ধকারে নিমজ্জিত, ক্ষুধার্ত ও নিঃস্ব বেদুইন হিসাবে পরিচিত। বাকি দুনিয়া তাদেরকে করুণার চোখে দেখত। আরবরা তাই কোনদিন

Leave A Reply