সকল অন্যায়ের বিরুদ্ধে বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর

স্মার্টফোনে ত্বকের ক্ষতি…!

বিচিত্র ডেস্ক:
বলা হয়, পাবলিক টয়লেটের চেয়েও ১০ গুণ বেশি জীবাণু থাকে একটি স্মার্টফোনে। আর ফোনে কথা বলার সময়ে তা আমাদের গালে লেগে যায়। এর থেকে খুব সহজেই ব্রণের উপদ্রব হতে পারে। অন্যদিকে এটাও বলা হয়, ফোনের নীল আলো ত্বকের বয়স বাড়িয়ে দিতে পারে। নিউ ইয়র্কের ডার্মাটোলজিস্ট ড. এস্টে উইলিয়ামস সংবাদমাধ্যম হাফিংটন পোস্টকে জানিয়েছেন, ফোনের সাথে লেগে থাকা জীবাণু অতটা ক্ষতি না করলেও, তার সাথে ঘাম, তেল, মেকআপ এবং ধুলোবালি মিলে লোমকূপ বন্ধ করে দিতে পারে। এ থেকে ব্রণের প্রকোপ বাড়ে। এ কারণে ফোন পরিষ্কার রাখা জরুরি। কোনো রোগীর মুখের এক দিকের গালে যদি বেশি ব্রণ থাকে, তাহলে ডার্মাটোলজিস্টরা প্রথমেই তার ফোনে কথা বলার অভ্যাস নিয়ে প্রশ্ন করেন। সাধারণত যেদিকের গালে ফোন ধরে রাখা হয় সেদিকেও ব্রণ বেশি দেখা যায়।
এসব ক্ষেত্রে ডার্মাটোলজিস্টরা নিয়মিতো ফোন পরিষ্কার করার উপদেশ দেন। রাবিং অ্যালকোহল দিয়ে ফোন পরিষ্কার করলে তা থেকে জীবাণু, তেল, ময়লা সবই চলে যায়। এর পাশাপাশি ‘ফোনসোপ’ নামের একধরনের যন্ত্র আছে যা অতিবেগুনি রশ্মির সাহায্যে ফোন জীবাণুমুক্ত করে।
যাদের ত্বকে ইতোমধ্যেই ব্রণের উপদ্রব বেশি, তাদেরকে যথাযথ উপাদান ব্যবহার করে ত্বক পরিষ্কার করার পরামর্শ দেন নিউ ইয়র্কের মাউন্ট সিনাই হসপিটালের ডার্মাটোলজিস্ট ড. জশুয়া জিকনার। তিনি জানান, কান ও গালের সঙ্গে ফোন না লাগিয়ে ব্লুটুথ ইয়ারপিসের সঙ্গে কথা বলাটা এ ক্ষেত্রে ব্রণ কমাতে কার্যকর হতে পারে।
শুধু ত্বকের ক্ষতি নয়, স্মার্টফোন থেকে আসা নীল আলো বয়স বাড়িয়ে দেওয়ার পেছনেও দায়ী। ২০১৩ সালের এক গবেষণা বলে, স্মার্টফোন, ট্যাব বা ল্যাপটপ থেকে আসা এই নীল আলো সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির মতোই ত্বকের ক্ষতি করতে সক্ষম। তবে এই আলোতে বড় ধরনের ক্ষতি (যেমন ক্যান্সার) হয় এমন কোনো প্রমাণ নেই।

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.