নিজস্ব প্রতিবেদক, টাঙ্গাইল:
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলায় হেযবুত তওহীদের সদস্যদের ওপর চড়াও হয়ে ‘মবের’ মতো পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় একটি মাদ্রাসার ইমাম ও তার অনুসারীদের বিরুদ্ধে। রোববার (১১ জানুয়ারি) এ ঘটনা ঘটে। তবে স্থানীয় এলাকাবাসীর তীব্র প্রতিবাদ ও প্রতিরোধের মুখে অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যেতে বাধ্য হন।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী বিল্লাল হোসেন, জয়নাল আবেদীন ও মফিজুর রহমান জানান, রোববার হেযবুত তওহীদের সদস্যরা ওই এলাকায় শান্তিপূর্ণভাবে তাদের সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করছিলেন। এ সময় স্থানীয় ভাকুরিয়া পাড়া মাদ্রাসা মসজিদের ইমাম মাসুদ ও হুয়মানের নেতৃত্বে প্রায় দেড়শ থেকে দুইশ জনের একটি দল সেখানে উপস্থিত হয়ে কার্যক্রমে বাধা দেয়। তারা হেযবুত তওহীদ সদস্যদের উদ্দেশ্য করে কটূক্তি ও উসকানিমূলক আচরণ করে। একইসঙ্গে তারা হেযবুত তওহীদের সদস্যদের ওপর চড়াও হওয়ার চেষ্টা চালায় এবং মানুষকে সংগঠনটি সম্পর্কে বিভ্রান্তিমূলক তথ্য দিয়ে উসকানোর অপচেষ্টা করে।
তারা আরও জানান, ঘটনার একপর্যায়ে বিষয়টি নিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে স্থানীয় সাধারণ জনগণ তাৎক্ষণিকভাবে এর প্রতিবাদ জানান। উপস্থিত জনতা হেযবুত তওহীদের বক্তব্যের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে হট্টগোল সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। জনরোষ ও পরিস্থিতি বেগতিক দেখে অভিযুক্ত ইমাম মাসুদ ও তার সঙ্গীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে পালিয়ে যান।
এ বিষয়ে হেযবুত তওহীদের টাঙ্গাইল জেলা আমীর ডা. নাজমুল ইসলাম বলেন, “আমাদের সদস্যদের ওপর অন্যায়ভাবে হয়রানি ও হামলার চেষ্টা করা হয়েছে। আমরা সর্বদা শান্তিপূর্ণভাবে আমাদের কার্যক্রম পরিচালনা করি। এ ধরনের উসকানিমূলক ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করছি।”
এ ঘটনা এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। স্থানীয় সচেতন মহল বলছেন, মতভিন্নতা থাকতেই পারে, কিন্তু আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার সুযোগ কারও নেই। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।