প্রায় দুই বছর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বাইরে থাকা বাংলাদেশ নারী দলের সাবেক অধিনায়ক জাহানারা আলম আবারও জাতীয় দলের জার্সিতে খেলার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। মানসিক স্বাস্থ্যগত কারণে দল থেকে সরে দাঁড়ানোর পর এবার নতুন বোর্ডের কাছে ফেরার আগ্রহ জানিয়েছেন তিনি। তবে জাতীয় দলে ফিরতে হলে ফিটনেস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া, ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলা এবং ভালো পারফরম্যান্সের মাধ্যমে নিজেকে প্রমাণ করতে হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
প্রায় দুই বছর আগে সর্বশেষ বাংলাদেশের হয়ে আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছিলেন জাহানারা। এরপর মানসিক স্বাস্থ্যগত সমস্যার কথা উল্লেখ করে জাতীয় দল থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন তিনি। পরে অস্ট্রেলিয়ায় পাড়ি জমিয়ে সেখানে ক্লাব পর্যায়ের ক্রিকেটে যুক্ত হন।
গত বছরের ডিসেম্বরে জাহানারা প্রকাশ্যে অভিযোগ করেন, জাতীয় দলে থাকাকালে তিনি মানসিক ও যৌন হেনস্থার শিকার হয়েছিলেন। সেই ঘটনার প্রায় এক বছর পর নতুন বোর্ডের কাছে আবারও জাতীয় দলে ফেরার ইচ্ছা জানিয়েছেন এই পেসার।
‘কার্ড দেখানোর জন্য রেফারিরা আমাকেই টার্গেট করে’: ভিনিসিয়ুস

এ বিষয়ে বিসিবির নারী বিভাগের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বাবু জানান, জাহানারা বেশ কিছুদিন আগেই বোর্ডকে তাঁর ফেরার আগ্রহের কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘দেশের হয়ে আবার খেলার আগ্রহ তাঁর রয়েছে। তবে জাতীয় দলে ফিরতে হলে সাধারণ যে প্রক্রিয়া রয়েছে, তা অনুসরণ করতে হবে। প্রথমে ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলতে হবে, ফিটনেস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে এবং এরপর নিয়মিত ভালো পারফরম্যান্স দেখাতে হবে। এরপর নির্বাচকেরা সিদ্ধান্ত নেবেন।’
নারী দলের নির্বাচক সাজ্জাদ আহমেদও জাহানারার ফেরার বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব জানিয়েছেন। তাঁর ভাষ্য, দীর্ঘদিন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বাইরে থাকায় জাহানারাকে ফিটনেস পরীক্ষা দিতে হবে। এরপর ঘরোয়া ক্রিকেটে তাঁর দক্ষতা ও সামগ্রিক পারফরম্যান্স মূল্যায়ন করা হবে। ভালো খেলতে পারলে তাঁকে অবশ্যই বিবেচনায় নেওয়া হবে।
সাজ্জাদ আহমেদ আরও জানান, সামনে ঘরোয়া ক্রিকেটের নতুন মৌসুম শুরু হতে যাচ্ছে। জাহানারাকে কোন দলে অন্তর্ভুক্ত করা হবে, সে সিদ্ধান্ত নেবে বিসিবি। তবে জাতীয় দলে ফেরার পথে প্রথম ধাপ হিসেবে তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘরোয়া ক্রিকেটে ফিরতে হবে।
















