জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর কুষ্টিয়ায় হামলা ও তার গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছেন দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি অভিযোগ করেছেন, কুষ্টিয়ার লালন শাহের মাজারে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও এনসিপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে বিএনপির নেতাকর্মীরা। একই সঙ্গে হামলাকারীদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তিনি।
রোববার (৪ অক্টোবর) রাতে নিজের ফেসবুক ওয়ালে দেওয়া এক পোস্টে নাহিদ ইসলাম এসব কথা বলেন।
পোস্টে নাহিদ ইসলাম লেখেন, ‘আবারও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা হয়েছে। এবার কুষ্টিয়ায় মাজারের ভেতরে প্রবেশ করে পাটওয়ারীসহ এনসিপির নেতাকর্মীদের ওপর সশস্ত্র হামলা করেছে বিএনপির সন্ত্রাসীরা।’
মাদক নির্মূলে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সামাজিক পরিবর্তনও জরুরি: ববি হাজ্জাজ

তিনি আরও লেখেন, বিএনপি সরকার গঠনের পর নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর এটি পঞ্চমবারের মতো হামলা। একজন নেতাকে কতটা ভয় পেলে ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীরা এতটা উন্মাদ হতে পারে—এমন প্রশ্নও তোলেন তিনি।
নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, অবিলম্বে হামলাকারীদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনতে হবে। ভয়ভীতি বা দমন-পীড়ন চালিয়ে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীদের কণ্ঠ স্তব্ধ করা যাবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
রোববার সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে কুষ্টিয়ার কুমারখালীর ছেঁউড়িয়ায় লালন শাহের মাজার প্রাঙ্গণে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা ও তার গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। তাকে লক্ষ্য করে ডিম নিক্ষেপের পাশাপাশি লাঠিসোঁটা নিয়ে কয়েকজন তেড়ে আসার অভিযোগ করেন তার সঙ্গে থাকা নেতাকর্মীরা। পরে তার গাড়িতে ইট নিক্ষেপ করে গ্লাস ভাঙচুর করা হয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
ঘটনার পর মাজার প্রাঙ্গণে কিছু সময় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে নিরাপদে রাখতে তার সঙ্গে থাকা নেতাকর্মীরা তাকে ঘিরে রাখেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে নিরাপদে সরিয়ে নেয়। রাত ৮টার দিকে তিনি মাজার প্রাঙ্গণ ত্যাগ করে কুমারখালী থানার উদ্দেশে রওনা হন বলে জানা গেছে।
এনসিপির স্থানীয় নেতারা হামলার জন্য ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের দায়ী করলেও কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোজাক্কির রহমান রাব্বী অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, ছাত্রদল এ ধরনের হামলা সমর্থন করে না এবং সংগঠনের কেউ জড়িত থাকলে তার দায় তাকেই নিতে হবে।

















