কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর নেতা, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান। মুক্তির পর তিনি বলেছেন, সত্য ও ন্যায়ের রাজনীতি কখনো পরাজিত হবে না। সময় লাগলেও চূড়ান্ত জয় সত্য ও ন্যায়েরই হবে।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকালে কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর কারাফটকে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।
আখতারুজ্জামান বলেন, আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছেন তিনি। এক মাসের কারাবাসের কষ্টের পরও সবার সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলার সুযোগ পেয়েছেন। এ সময় জনগণের পক্ষে কথা বলার তৌফিক দেওয়ায় আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।
পেট্রোবাংলার সতর্কবার্তা: চার দিন গ্যাস বন্ধের খবর গুজব, কমতে পারে সরবরাহ!

কারাবাস ও রিমান্ডের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি প্রশ্ন করেন, তাঁকে কেন রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিল এবং কেন চোখ বেঁধে জামায়াতে ইসলামী সম্পর্কে বিভিন্ন প্রশ্ন করা হয়েছিল। একটি রাজনৈতিক দলের অভ্যন্তরীণ তথ্য জানার জন্য পুলিশ ও গোয়েন্দা বিভাগের এমন পদক্ষেপের এখতিয়ার নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে আখতারুজ্জামান বলেন, দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভূমিকা নিয়ে ভাবতে হবে।
নিজের রাজনৈতিক আদর্শ তুলে ধরে তিনি বলেন, তাঁরা সত্য, ন্যায়, আল্লাহর সন্তুষ্টি ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার রাজনীতি করেন। তাঁর ভাষায়, ‘সত্যের রাজনীতি কখনো পরাজিত হবে না। ন্যায়ের রাজনীতি কখনো পরাজিত হবে না।’ এ দেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে তাঁরা সামনে এগিয়ে যেতে চান বলেও জানান তিনি।
এ সময় জনগণের পাশে থাকা এবং জনগণের অধিকার আদায়ের আন্দোলন চালিয়ে যেতে সবার কাছে দোয়া চান জামায়াতের এই নেতা।
মুক্তির সময় কারাফটকে উপস্থিত নেতাকর্মী ও সংসদ সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আখতারুজ্জামান বলেন, তাঁদের উপস্থিতি তাঁকে শক্তি জুগিয়েছে।
আগামী দিনের রাজনৈতিক কর্মসূচি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তাঁদের প্রতিবাদ অব্যাহত থাকবে। তবে পরবর্তী বক্তব্য ও কর্মসূচির বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর আমিরের সঙ্গে আলোচনা করে তাঁর নির্দেশনা নেওয়ার পর কথা বলবেন।
এ সময় জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের নেতারা উপস্থিত ছিলেন
















