হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জে ক্যান্সারে আক্রান্ত শয্যাশায়ী বাবাকে ধারালো দা দিয়ে জবাই করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার মাদকাসক্ত ছেলের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার পর অভিযুক্ত ছেলে ইয়াফিন মিয়াকে (২০) আটক করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে ঘটনাস্থল থেকে হত্যায় ব্যবহৃত ধারালো দাটি জব্দ করা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুর আনুমানিক আড়াইটার দিকে উপজেলার শিবপাশা ইউনিয়নের আন্দাবাড়ি গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। নিহত শাহাবুদ্দিন মিয়া (৬০) ওই গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তার ছয় ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শাহাবুদ্দিন মিয়া দীর্ঘদিন ধরে ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে শয্যাশায়ী ছিলেন। তার চতুর্থ ছেলে ইয়াফিন মিয়া গত প্রায় দুই বছর ধরে মানসিক ভারসাম্যহীন ও মাদকাসক্ত অবস্থায় ছিল বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
ওসিকে হুমকি দেয়া সেই বিএনপি নেতা সাগর বহিষ্কার

আজ মঙ্গলবার দুপুরে পরিবারের অন্য সদস্যরা বাড়ির বাইরে থাকার একপর্যায়ে ইয়াফিন তার বাবার শোবার ঘরে প্রবেশ করে। পরে তার বড় ভাই ঘরে ঢুকে শাহাবুদ্দিন মিয়াকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে শিবপাশা বাজার থেকে অভিযুক্ত ইয়াফিনকে আটক করা হয়।
শিবপাশা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নলিউর রহমান তালুকদার ও সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য জয়নাল মিয়া বলেন, ছেলেটি মাদকাসক্ত ছিল। হঠাৎ করেই সে তার ক্যান্সারে আক্রান্ত বাবাকে দা দিয়ে জবাই করে হত্যা করেছে। ঘটনাস্থল থেকে হত্যায় ব্যবহৃত ধারালো দাটি পুলিশ জব্দ করেছে।
আজমিরীগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) বিশ্বজিৎ পাল বলেন, নিহত শাহাবুদ্দিন মিয়ার স্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তিনি দীর্ঘদিন ধরে ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন। তার চতুর্থ ছেলে ইয়াফিন প্রায় দুই বছর ধরে মানসিক ভারসাম্যহীন ছিল। মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তার ছেলে ইয়াফিনকে আটক করা হয়েছে।
















