গাইবান্ধা প্রতিনিধি:
গাইবান্ধা সদর উপজেলার দারিয়াপুর হাজি ওসমান গণি ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষকে পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করার অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন স্থানীয় বিএনপি নেতা ও দলের সাংগঠনিক সম্পাদক নুর আলম সিদ্দিক পিটন।
আজ রবিবার (১১ অক্টোবর) আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে তিনি তার বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগকে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেন।
জানা গেছে, সম্প্রতি কলেজটিতে বিভিন্ন পদে নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষা শেষে নিয়োগকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে কাজ করেও চাকরি না পাওয়ায় আক্ষেপ প্রকাশ করেন স্থানীয় লিলি বাসফোর। তার মানবিক বিষয়টি বিবেচনার জন্য নিয়োগ কমিটির কাছে সুপারিশ করেন বিএনপি নেতা নুর আলম সিদ্দিক পিটন।
সংস্কারের নামে মাদ্রাসা শিক্ষার স্বকীয়তা নষ্ট করা যাবে না: বিএমএ

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কলেজে উত্তেজনা ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে একপর্যায়ে কলেজের অধ্যক্ষকে লাঞ্ছিত করার চেষ্টার অভিযোগ ওঠে। সে সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পিটন কার্যকর ভূমিকা পালন করেন বলে তার পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে গিয়ে নুর আলম সিদ্দিক পিটন বলেন, “আমি দায়িত্বশীল একজন রাজনৈতিক নেতা। আমার দায়িত্ব বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা নয়, বরং অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করা। এই কলেজের নিয়োগ কমিটি কিংবা ম্যানেজিং কমিটির কোনো পদেই আমি নেই।”
তিনি আরও বলেন, “আমি নিজেও চাই, কলেজের নিয়োগে কোনো ধরনের অনিয়ম বা নিয়োগ-বাণিজ্য হয়ে থাকলে তার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত হোক। সাংবাদিকদের কাছে যদি কলেজে নিয়োগের জন্য টাকা লেনদেনের কোনো তথ্য বা প্রমাণ থাকে, তাহলে তা আমাকে দেখান। প্রমাণ পেলে আমিও নিয়োগ বাতিলের দাবিতে মানববন্ধনে যোগ দেব।”
সংবাদ সম্মেলনে তিনি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনো অনিয়ম হয়েছে কি না, তা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করার দাবি জানান। একই সঙ্গে ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাকে জড়িয়ে প্রচারিত বক্তব্যের সঠিক তথ্য তুলে ধরার জন্য সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য, কলেজের নিয়োগ প্রক্রিয়া এবং লিলি বাসফোরের চাকরি না পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা চলছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য ও নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হলে ঘটনার প্রকৃত চিত্র স্পষ্ট হবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
















