নাটোরের নলডাঙ্গায় ফজরের আজান দেওয়ার সময় মসজিদের মুয়াজ্জিনকে ধারালো চাকু দিয়ে পেটে আঘাত করেছে দুর্বৃত্তরা। আজান চলাকালীন হঠাৎ শব্দ বন্ধ হয়ে গেলে স্থানীয়রা মসজিদে গিয়ে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সোমবার (৫ অক্টোবর) ভোর ৪টা ৫০ মিনিটের দিকে নলডাঙ্গা থানার ৪ নম্বর পিপরুল ইউনিয়নের চর বাঙালপাড়া জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটে।
আহত মুয়াজ্জিনের নাম মো. সৈয়দ ইসলাম (৫০)। তিনি চর বাঙালপাড়া এলাকার মৃত শাহাদ হোসেনের ছেলে।
১২ শিক্ষক মিলে পাস করাতে পারলেন না কলেজের একমাত্র শিক্ষার্থীকে!

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ফজরের সময় মসজিদে আজান দিচ্ছিলেন সৈয়দ ইসলাম। আজান চলাকালীন হঠাৎ তা বন্ধ হয়ে যায়। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে আশপাশের লোকজন দ্রুত মসজিদে ছুটে যান। সেখানে গিয়ে তারা মেঝেতে রক্তাক্ত অবস্থায় মুয়াজ্জিনকে পড়ে থাকতে দেখেন।
স্থানীয়দের ধারণা, আজান দেওয়ার সময় কে বা কারা মসজিদের ভেতরে ঢুকে সৈয়দ ইসলামের পেটে ধারালো চাকু দিয়ে আঘাত করে পালিয়ে যায়। তবে হামলার কারণ বা জড়িতদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
ঘটনার পর আহত মুয়াজ্জিনকে তার ভাইসহ স্থানীয়রা উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
নলডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনোয়ার জাহান বলেন, আহত মুয়াজ্জিন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। ঘটনাটি নিয়ে পুলিশ প্রাথমিক অনুসন্ধান চালাচ্ছে। ভুক্তভোগীর পরিবার মামলা করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

















