কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার কোতোয়ালি, চৌদ্দগ্রাম ও মনোহরগঞ্জ থানা এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে ৩টি কুখ্যাত কিশোর গ্যাংয়ের ৫ জন মূলহোতাকে গ্রেফতার করেছে জেলা পুলিশ। আজ সোমবার (৫ অক্টোবর) সকালে কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
পুলিশ জানায়, প্রাথমিক অনুসন্ধানে গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন এলাকায় চাঁদাবাজি, মারামারি এবং এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেছে।
গ্রেফতারকৃতদের পরিচয় ও সংশ্লিষ্ট গ্যাংয়ের বিবরণ দিয়ে পুলিশ জানায়, কোতোয়ালি থানা এলাকা থেকে ‘স্ম্যাশ স্কোয়াড’ নামের কিশোর গ্যাংয়ের দুই মূলহোতা জিসান (১৯) ও সাইফুল ইসলাম (২০)কে গ্রেফতার করা হয়েছে। জিসান কোতোয়ালি থানার তেলিকোনা গোবিন্দ পুকুরপাড় এলাকার জিলানীর ছেলে এবং সাইফুল ইসলাম একই থানার আড়াইওড়া সমিতিরপাড়া এলাকার আব্দুল কুদ্দুস ও রুবি বেগমের ছেলে।
সম্পত্তি লিখে নেওয়ার অভিযোগ বুয়েট কর্মকর্তা ছেলের বিরুদ্ধে, আদালতে শতবর্ষী মা!

চৌদ্দগ্রাম থানা এলাকা থেকে ‘১২০৭’ নামের গ্যাংয়ের দুই মূলহোতা মো. তারেক হোসেন সৈকত (১৯) ও মো. জাফর আহমদকে (২৩) গ্রেফতার করা হয়েছে। তারেক হোসেন সৈকত চৌদ্দগ্রামের নলিশ্বর (ডাকঘর: খিরনশাল) গ্রামের আব্দুল মালেক ও কাহিনুর আক্তারের ছেলে। পুলিশ জানিয়েছে, তিনি একটি কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের সক্রিয় সদস্য। আর মো. জাফর আহমদ একই উপজেলার কোমারডোগা (মধ্যমপাড়া) গ্রামের মো. আলী ও জোস্না বেগমের ছেলে।
এ ছাড়া মনোহরগঞ্জ থানা এলাকা থেকে ‘পিএক্স ১০’ গ্যাংয়ের মূলহোতা মো. শাকিবকে (১৭) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শাকিব মনোহরগঞ্জ থানার পোমগাঁও মধ্যপাড়া এলাকার তবু মিয়া ও শিউলি বেগমের ছেলে।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ নিজ নিজ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে।
কুমিল্লা জেলা পুলিশ জানিয়েছে, কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য রোধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং জনমনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএম-এর নির্দেশনায় জেলার বিভিন্ন ইউনিট এসব অভিযান চালাচ্ছে। সাধারণ মানুষের জানমাল রক্ষা এবং সমাজকে অপরাধমুক্ত রাখতে কিশোর গ্যাংসহ সব ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে এই অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে। এ ক্ষেত্রে কাউকেই কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

















