চ্যাম্পিয়ন্স লিগে আর্লিং হালান্ডের গোল করার ধারাবাহিকতা অব্যাহত রয়েছে। লাইপজিগের বিপক্ষে ৭৭ মিনিট পর্যন্ত ২-২ সমতা থাকলেও শেষ পর্যন্ত নায়ক হয়ে ওঠেন ম্যানচেস্টার সিটির এই নরওয়েজীয় স্ট্রাইকার। ম্যাচের ৭৮ মিনিটে এলিয়ট অ্যান্ডারসনের বাড়ানো ক্রস থেকে দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে গোল করে দলকে ৩-২ ব্যবধানের জয় এনে দেন তিনি।
রেড বুল অ্যারেনায় পাওয়া এই জয়ে তিন ম্যাচের জয়খরা কাটিয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। এর আগে প্রিমিয়ার লিগে টানা দুই পরাজয়ের পর লিগ কাপে ব্রাইটনের সঙ্গে ড্র করেছিল পেপ গার্দিওলার দল। লাইপজিগের বিপক্ষে সিটির হয়ে আরেকটি গোল করেন এনজো ফার্নান্দেজ। বাকি গোলটি আসে প্রতিপক্ষের আত্মঘাতী ভুলে।
লাইপজিগের বিপক্ষে হালান্ডের গোল করার অভ্যাস বেশ পুরোনো। বরুসিয়া ডর্টমুন্ড ও ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে জার্মান ক্লাবটির মুখোমুখি হয়ে বারবার গোল পেয়েছেন তিনি। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। সব মিলিয়ে লাইপজিগের বিপক্ষে ৯ ম্যাচে ১৩ গোল করেছেন এই স্ট্রাইকার। ক্যারিয়ারে অন্য কোনো দলের বিপক্ষে এত গোল করতে পারেননি তিনি।
এক ম্যাচে ৫৩ লাল কার্ড, আর্জেন্টিনার বিশ্বরেকর্ড ভাঙল ব্রাজিল!

তবে হালান্ডের গোলের দাপট শুধু লাইপজিগের বিপক্ষেই সীমাবদ্ধ নয়। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ইতিহাসেও গড়েছেন অনন্য এক নজির। টুর্নামেন্টে এখন পর্যন্ত ৬১ ম্যাচ খেলে তাঁর গোলসংখ্যা ৬২। অন্তত ২০টি ম্যাচ খেলেছেন এমন ফুটবলারদের মধ্যে একমাত্র হালান্ডেরই গোলসংখ্যা ম্যাচের সংখ্যাকে ছাড়িয়ে গেছে। অর্থাৎ চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রতি ম্যাচে তাঁর গোলের গড় ১.০২।
এই পরিসংখ্যানে হালান্ডের পেছনে রয়েছেন আর্জেন্টাইন তারকা লিওনেল মেসি। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ১৬৩ ম্যাচে ১২৯ গোল করেছেন মেসি। তাঁর গোলের গড় ০.৭৯। ফলে গোল করার গড়ে মেসিকে ছাড়িয়ে নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছেন ম্যানচেস্টার সিটির এই নরওয়েজীয় তারকা।
অন্যদিকে, ম্যাচে হালান্ড জয়ের নায়ক হলেও সিটির গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মার জন্য রাতটি স্বস্তির ছিল না। ৪৯ মিনিটে তাঁর ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে ম্যাচে সমতা ফেরায় লাইপজিগ।
এই জয়ের ফলে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে চার ম্যাচে তৃতীয় জয় তুলে নিয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। অন্যদিকে, প্রিমিয়ার লিগের পয়েন্ট তালিকায় শীর্ষে থাকা আর্সেনালের চেয়ে তিন পয়েন্ট পিছিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে তারা। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের আরেক ম্যাচে স্লাভিয়া প্রাহাকে ২-১ গোলে হারিয়েছে আর্সেনাল।
















