কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও সোশ্যাল ইনফ্লুয়েন্সার সালমান মুক্তাদিরের ‘ছাত্রদলে কোনো ছাত্র নেই’ মন্তব্যের জবাব দিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির। তিনি দাবি করেছেন, দেশের দুই হাজারের বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রদলের সাংগঠনিক ও রাজনৈতিক কার্যক্রম রয়েছে এবং এসব প্রতিষ্ঠানে সংগঠনটির নেতাকর্মীদের সিংহভাগই নিয়মিত শিক্ষার্থী।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে সালমান মুক্তাদিরের বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানান নাছির উদ্দীন নাছির।
নাছির বলেন, সালমান মুক্তাদিরের বক্তব্য থেকে তার মনে হয়েছে, দেশের ছাত্ররাজনীতির বর্তমান বাস্তবতা সম্পর্কে হয়তো তার পূর্ণাঙ্গ ধারণা নেই। দীর্ঘ সময়ের রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে তরুণদের একটি অংশের মধ্যে যে রাজনীতিবিমুখতা তৈরি হয়েছিল, তার প্রভাব থেকেই এমন ধারণার জন্ম হতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
হামের টিকার আওতায় ২ কোটি শিশু, আরও ৩৫ লাখকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য!

ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক দাবি করেন, বর্তমানে দেশের দুই হাজারের বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রদলের সাংগঠনিক ও রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এসব প্রতিষ্ঠানে সংগঠনটির নেতাকর্মীদের সিংহভাগই নিয়মিত শিক্ষার্থী বলে দাবি তার।
তিনি আরও বলেন, গত ১৭ বছরের রাজনৈতিক আন্দোলনে ছাত্রদলের নিয়মিত শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন কর্মসূচিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তার দাবি, অনেক নেতাকর্মীকে পরীক্ষার হল ও শ্রেণিকক্ষ থেকে ধরে নিয়ে নির্যাতন করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এমনকি কারাগারে থাকা অবস্থাতেও ছাত্রদলের অনেক নেতাকর্মী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন।
নাছিরের ভাষ্য, শিক্ষা ও রাজনৈতিক অধিকার—দুটিই ধরে রাখার জন্য এসব শিক্ষার্থীর ত্যাগ ও সংগ্রামের ইতিহাস অস্বীকার করার সুযোগ নেই।
সর্বশেষ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন, ওই আন্দোলনেও ওয়াসিম আকরামসহ ছাত্রদলের অনেক নিয়মিত শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। তাদের আত্মত্যাগ দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নিয়মিত শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের বিষয়টি তুলে ধরে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সালমান মুক্তাদিরকে উদ্দেশ করে নাছির বলেন, তিনি যেন নিজের পছন্দমতো বাংলাদেশের যেকোনো কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের কার্যক্রম সম্পর্কে সরাসরি খোঁজ নেন। তার আশা, বাস্তবতা নিজের চোখে দেখলে সালমান মুক্তাদিরের ‘ভুল ধারণা’ দূর হবে এবং তিনি বুঝতে পারবেন, ছাত্রদলে নিয়মিত শিক্ষার্থীদের সংখ্যাই সিংহভাগ।

















