২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের কাছে আর্জেন্টিনার হারের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল নানা ষড়যন্ত্র তত্ত্ব। ম্যাচের ফল নিয়ে তৈরি হওয়া এসব গুঞ্জনকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজ। স্পেনের কাছে হারকে স্বাভাবিকভাবে মেনে নিয়ে প্রতিপক্ষকে অভিনন্দন জানানোর কথাও বলেছেন তিনি। একই সঙ্গে ফাইনালে হারের পেছনে দলের খেলোয়াড়দের শারীরিক ক্লান্তিকে বড় কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন এই ফুটবলার।
স্পেনের কাছে ফাইনালে হারের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের অভিযোগ ও গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। এমনকি বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছিলেন এনজোর পরিবারের সদস্যরাও। এ প্রসঙ্গে ‘লস এদুল’-এর সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে এনজো বলেন, তার বাবা-মা ফোন করে জানতে চেয়েছিলেন, ম্যাচে আসলে কী ঘটেছিল। তবে বাস্তবে তেমন কিছুই ঘটেনি বলে জানান তিনি।

এনজো বলেন, ‘আমার বাবা-মা ফোন করে জানতে চাইছিলেন, আসলে কী ঘটেছিল। কিন্তু কিছুই ঘটেনি। সবই মিথ্যা, সম্পূর্ণ বানানো গল্প। স্পেন আমাদের ন্যায্যভাবেই হারিয়েছে। প্রতিপক্ষকে অভিনন্দন জানাতে হবে।’
মন্টেনেগ্রোকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে বাংলাদেশ!

ফাইনালে আর্জেন্টিনার হারের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে শারীরিক ক্লান্তির বিষয়টিও তুলে ধরেন এই মিডফিল্ডার। তার মতে, কেপ ভার্দে ও সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে অতিরিক্ত সময়ে খেলা দুটি ম্যাচের ধকল দলের খেলোয়াড়দের ওপর প্রভাব ফেলেছিল। ফলে ফাইনালে মাঠে নামার সময় অনেকেই পুরোপুরি ফিট ছিলেন না।

এনজোর ভাষায়, দলের প্রায় অর্ধেক খেলোয়াড় কোনো না কোনো শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। শেষ কয়েক সপ্তাহ তাদের জন্য বেশ ক্লান্তিকর ছিল। ফাইনালে পৌঁছানোর পর সবাই নিজেদের ফিট রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন।
তবে ম্যাচটি টাইব্রেকারে গড়ালে আর্জেন্টিনার জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী ছিলেন এনজো। তার বিশ্বাস, পেনাল্টি শুটআউট হলে আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজের কারণে জয় পেত দল। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘পেনাল্টিতে গেলে আমরা জিততাম। অবশ্যই। আমাদের দলে দিবু ছিল। আমরা জানতাম, পেনাল্টিতে সে কখনো ব্যর্থ হয় না।’
সূত্র: লস এদুল
















