চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:
জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও চ্যানেল ২৪-এর আঞ্চলিক সম্পাদক কামাল পারভেজকে মুঠোফোনে হুমকি দেওয়ার ঘটনায় ওয়াকিল হোসেন ওরফে বগাকে গ্রেফতার, তার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলাগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছে চট্টগ্রাম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (সিআরএ)।
এ ছাড়া সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, স্বাধীনভাবে সংবাদ পরিবেশনের অনুকূল পরিবেশ তৈরি এবং সংবাদকর্মীদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনায় যথাযথ আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার দাবিতে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমিশনারের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেছে সংগঠনটি। আজ মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে নগরীর লালদীঘি এলাকায় সিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে কমিশনার হাসান মোহাম্মদ শওকত আলীর হাতে এই স্মারকলিপি তুলে দেন সিআরএর নেতারা।
সিআরএর আহ্বায়ক কমিটির সদস্যসচিব সাইফুদ্দিন রমিজের নেতৃত্বে স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির সাবেক সভাপতি সোহাগ আরেফীন, সহদপ্তর সম্পাদক জহির উদ্দিন বাবর, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক রিদুয়ান হৃদয় এবং আপ্যায়ন সম্পাদক সাফায়েত মোরশেদসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
নাগেশ্বরীতে সারের ডিলার নিয়োগ বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ ও স্মারকলিপি

স্মারকলিপিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে নিরাপত্তাহীনতা, হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের মতো ঘটনাগুলোকে গুরুত্বের সাথে বিবেচনার আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে কামাল পারভেজকে হুমকি দেওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত ওয়াকিল হোসেন ওরফে বগাকে গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে তার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলাগুলোর সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
সাংবাদিকেরা সমাজের নানা অসংগতি, অনিয়ম ও জনদুর্ভোগের চিত্র তুলে ধরে জনস্বার্থে কাজ করেন। এ দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে কোনো সংবাদকর্মী যেন হুমকি, হয়রানি কিংবা নিরাপত্তাহীনতার শিকার না হন, তা নিশ্চিত করা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। সাংবাদিকদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে স্বাধীন সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের পরিবেশও বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
এ পরিস্থিতিতে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে সিআরএ। সংগঠনটির এই উদ্যোগের মধ্য দিয়ে সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনভাবে কাজ করার পরিবেশ বজায় রাখার বিষয়টি আরও জোরালোভাবে সামনে এসেছে।

















