আদালত থেকে জামিন পেয়ে বের হওয়ার সময় অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির মুখে পড়েছেন চিত্রনায়িকা পরীমনি। গাড়িতে ওঠার আগে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে তাঁর গায়ে হাত দেওয়ার অভিযোগ তোলেন তিনি। এ নিয়ে ওই ব্যক্তির সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডায় জড়িয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন এই নায়িকা। তবে অভিযুক্ত ব্যক্তি দাবি করেন, তিনি পরীমনির গায়ে হাত দেননি, বরং মুঠোফোনে ভিডিও করছিলেন।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে। আদালত থেকে বের হয়ে গাড়ির দিকে যাওয়ার সময় সাংবাদিকেরা পরীমনিকে ঘিরে ধরেন। জামিন পাওয়ার পর তাঁর প্রতিক্রিয়া জানতে চান গণমাধ্যমকর্মীরা। তবে কোনো প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে গাড়ির দিকে এগিয়ে যান তিনি।
এ সময় হঠাৎ এক ব্যক্তির দিকে ক্ষুব্ধ হয়ে এগিয়ে যান পরীমনি। তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘তুই আমার হাত দিয়েছিস ক্যান!’ জবাবে মুঠোফোন হাতে থাকা ওই ব্যক্তি বলেন, ‘আমি আপনার গায়ে হাত দিব কেন? আমি ভিডিও করছি।’ এ সময় পরীমনির সহকারীরাও দাবি করেন, ওই ব্যক্তি তাঁর গায়ে হাত দিয়েছেন।
চিত্রনায়িকা পরীমনির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি!

প্রায় ৩০ সেকেন্ড ধরে দুজনের মধ্যে এ নিয়ে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় চলে। একপর্যায়ে পরীমনিকে বলতে শোনা যায়, ‘কত বড় সাহস, গায়ের মধ্যে হাত দেয়, সাহস দেখায়।’ পরে উপস্থিত ব্যক্তিরা ওই ব্যক্তিকে সরিয়ে দিলে ক্ষোভ নিয়েই গাড়িতে উঠে দ্রুত আদালত প্রাঙ্গণ ত্যাগ করেন পরীমনি। অন্যদিকে, ওই ব্যক্তি বারবার দাবি করেন, তিনি পরীমনির গায়ে হাত দেননি।
এর আগে ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদের করা মারধর, ভাঙচুর ও ভয়ভীতি দেখানোর মামলায় বুধবার পরীমনির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়। এর এক দিন পর বৃহস্পতিবার আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন তিনি।
বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত প্রাঙ্গণে একটি সাদা ব্যক্তিগত গাড়ি থেকে নামেন পরীমনি। ১১টা ৫৫ মিনিটে আদালতে হাজির হয়ে আত্মসমর্পণ করেন। শুনানি শেষে বিচারক মাহফুজুর রহমান ৫০০ টাকা মুচলেকায় তাঁর জামিন মঞ্জুর করেন।

















