প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   কবি নজরুলের জিজ্ঞাসা: তোর নামাজের...

কবি নজরুলের জিজ্ঞাসা: তোর নামাজের কী আছে দাম?

২২ মে ২০১৫ ১২:১৭ পিএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

নুরুল আবসার সোহাগ:

কবি নজরুল ইসলাম ছিলেন সত্যদীন ইসলামের পুনর্জাগরণে বিশ্বাসী অগ্রসৈনিক। তিনি আত্মা দিয়ে চেয়েছেন প্রকৃত ইসলাম আবার ফিরে আসুক, মোসলেম উম্মাহ তার হৃত গৌরব ফিরে পাক। তিনি ইসলামের ধারক-বাহকদেরকে খুব কাছে থেকে দেখেছেন। জাতির মুক্তির জন্য কি করা যায় এ জন্য তিনি তাদের কাছে ছুটে গিয়েছেন। কিন্তু তাদের অন্ধত্ব, কূপমণ্ডূকতা, স্বার্থপরতা দেখে চরম হতাশ হোয়েছেন এবং তাদের দ্বারা প্রত্যাখ্যাত হোয়েছেন। অত:পর ধর্মব্যবসায়ীদের দ্বারা ইসলামের কী অপূরণীয় ক্ষতি সাধিত হোয়েছে তা নিজের ক্ষুরধার লেখনীর মাধ্যমে প্রকাশ কোরেছেন। এটা তাকে কোরতে হোয়েছে, কারণ তিনি সত্যকে প্রকাশ কোরতে চেয়েছেন আর সত্য সর্বদাই চরম আগ্রাসী ও উদ্ধত, তা মিথ্যার মগজকে চুরমার কোরে দেয় (সুরা আম্বিয়া ১৮)।
বর্তমানে পৃথিবীতে বিরাজমান সবগুলি ধর্মই উপাসনা কেন্দ্রিক। মানবজাতির জাগতিক সুখ-শান্তি, নিরাপত্তা যে বিষয়গুলির উপর নির্ভর করে, সে বিষয়গুলি সম্পর্কে প্রচলিত ধর্ম নির্বিকার। ধর্মের আলোচ্য বিষয় যেন কেবলমাত্র জন্মের আগে আর মৃত্যুর পরের বিষয়গুলি নিয়ে। মধ্যের সময়টুকু নিয়ে কথা বলার অধিকার কেবলমাত্রই ধর্ম-নিরপেক্ষ রাষ্ট্রব্যবস্থার যা সম্পূর্ণরূপেই পশ্চিমা বস্তুবাদী সভ্যতার নিয়ন্ত্রণাধীন। তাদের তৈরি করা রাজনৈতিক মতবাদগুলি তারা অস্ত্র, অর্থ আর প্রচারের মাধ্যমে বিশ্বের উপর চাপিয়ে দিয়েছে যার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ প্রভাবে মানুষ দিন দিন বস্তুবাদী, আত্মাহীন জানোয়ারে পরিণত হোচ্ছে। সর্বপ্রকার অপরাধ লাফিলে লাফিয়ে বাড়ছে, নতুন নতুন অপরাধের সঙ্গে মানবজাতির পরিচয় হোচ্ছে। অর্ধপৃথিবী জুড়ে মোসলেম দাবিদার ১৬০ কোটির যে বিরাট জনগোষ্ঠী আছে তাদের উপর গত কয়েক শতাব্দী ধোরে চোলছে অত্যাচার, অবিচার, নির্যাতন ও আগ্রাসনের স্টিম রোলার। পৃথিবীতে যে কয়টি প্রধান জাতি আছে তার মধ্যে এই মোসলেম দাবিদাররাই নিকৃষ্টতম। অন্য সবগুলি জাতি মিলে তাদেরকে পৃথিবীর সর্বত্রই অপমানিত, অপদস্থ কোরছে, আক্রমণ কোরে হত্যা কোরছে, ধন-সম্পদ লুটে নিচ্ছে, তাদের বাড়ি-ঘর আগুন দিয়ে জ¦ালিয়ে দিচ্ছে, মা, মেয়ে, বোনদের ওপর পাশবিক অত্যাচার কোরে সতিত্ব নষ্ট কোরছে। মুসলিমদের নিজেদের মধ্যেকার ফেরকা-মাজহাব নিয়ে যে দাঙ্গা সহস্রাধিক বছর ধোরে চোলছে তাতেও লক্ষ লক্ষ মুসলিমের প্রাণ ও রক্ত ঝোরছে। ইরাকে, সিরিয়ায়, পাকিস্তানে ভিনদেশি শত্র“ নয়, তারা নিজেরাই নিজেদেরকে গণহত্যা কোরে চোলেছে। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হোচ্ছে আমাদের সমাজের যে শ্রেণিটি নিজেদেরকে আলেম বোলে পরিচয় দিয়ে থাকেন তারা মুসলিমদের এই দাসত্ব ও হীনতা সম্পর্কে সম্পূর্ণ নির্লিপ্ত। তারা ধর্ম-কর্ম ও সংসারধর্ম নিয়েই ব্যস্ত, এগুলির গুরুত্বই তারা সবার সামনে তুলে ধরেন। কারণ এসব ধর্মকর্ম দ্বারা তাদের অর্থপ্রাপ্তি ও জীবিকা নির্বাহ হয়। তারা ভুলে গেছেন যে আল্লাহর রসুল এসেছিলেন এবং উম্মতে মোহাম্মদী জাতির উন্মেষ ঘোটিয়েছিলেন সমগ্র পৃথিবীর মানুষকে শান্তি দেওয়ার জন্যই, মানব সমাজ থেকে ক্ষুধা, দারিদ্র্য, রোগশোক, হতাশা, সর্বপ্রকার অবিচার, অন্যায় ও বৈষম্যকে চিরতরে কবর দেওয়ার জন্য। এটা করাই ছিলো সেই মহান জাতির এবাদত। কিন্তু সেই জাতির আলেম সমাজ সেই লক্ষ্য উদ্দেশ্য বহু আগেই বাদ দিয়ে ধর্মকে একটি বৃত্তি হিসাবে গ্রহণ কোরে নিয়েছেন। এই ধর্মব্যবসা তাদেরকে কোথায় নিয়ে গেছে সেটাও তারা বুঝতে সক্ষম নন। তারা সমাজের একটি পরজীবী ও পরভোজী শ্রেণিতে পরিণত হোয়েছেন। তাদের নৈতিক মেরুদণ্ড বোলতে কিছুই অবশিষ্ট নেই, সমাজের কোনো প্রকার অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলার মত সাহসিকতা তাদের নেই, কারণ সমাজের ঐসব দুর্নীতিপরায়ণ, সন্ত্রাসী শ্রেণিটির কাছে তারা ভাতের জন্য মুখাপেক্ষী। তাদের এই হীনতার কারণ তারা দীনের বিনিময় গ্রহণ করেন এবং নিজেদের সম্পদ থেকে আল্লাহর রাস্তায় দান করেন না। আল্লাহর প্রতিষ্ঠিত একটি প্রাকৃতিক নিয়ম হোল, দান ও কোরবানি মানুষকে পবিত্র করে, আল্লাহর সান্নিধ্য এনে দেয় (সুরা তওবা ১০৩)। পক্ষান্তরে দীনের কোন কাজ কোরে পার্থিব বিনিময় গ্রহণ মানুষকে অপবিত্র করে। এই অপবিত্রতা এতই নিকৃষ্ট যে আল্লাহ তা হাশরের দিন পবিত্র কোরবেন না বোলে পবিত্র কোর’আনে জানিয়ে দিয়েছেন (সুরা বাকারা ১৭৫)। কিন্তু ধর্মব্যবসা এমনই একটি জঘন্য কাজ যা মানুষকে দীনের বিনিময় নিতে অভ্যস্ত কোরে তোলে এবং সম্পদ দান থেকে বিমুখ কোরে দেয়। ফলে সে আসমানের নীচে সর্বনিকৃষ্ট জীবে পরিণত হয়, তার ক্ষমার দরজাও বন্ধ হোয়ে যায়। উপরন্তু সে হোয়ে পড়ে চূড়ান্ত কৃপণ। আল্লাহর রাস্তায় সে এক কপর্দকও ব্যয় করার মানসিকতা হারিয়ে ফেলে কিন্তু ওয়াজে বক্তৃতায় তারা অন্যদেরকে ম
সজিদে, মাদ্রাসায়, এতিমখানায় দানের ফজিলত বোঝায় এবং সেই দান থেকেও নিজেদের হিস্যাটা বুঝে নেয়।
আমরা যামানার এমামের অনুসারীরা সুস্পষ্টভাবে বোলছি যে, নামাজ রোজা করা মানুষের প্রকৃত এবাদত নয়। যখন মানবতা ভূলুণ্ঠিত, আর্ত মানুষের ক্রন্দনে আকাশ-বাতাস ভারাক্রান্ত, নিষ্পাপ শিশুর রক্তে সিক্ত পৃথিবীর মাটি, ধর্ষিতার লজ্জায় জগত অন্ধকার তখন যারা মসজিদে বসে হালকায়ে যিকিরের রব তুলছেন, যারা নিভৃত গৃহকোণে এতেকাফ কোরছেন, যারা হজ্বে গিয়ে সাফা-মারওয়া কোরছেন, যারা গভীর রাতে উঠে তাহাজ্জুদ গুজারি হোচ্ছেন তারা মনে রাখবেন এ সব পণ্ডশ্রম। যে মসজিদ-মন্দিরকে ধর্মব্যবসার কেন্দ্রে পরিণত করা হোয়েছে সেখানে আল্লাহ নেই। তিনি হাদিসে কুদসীতে বলেছেন, ‘আমি ভগ্নপ্রাণ ব্যক্তিদের সন্নিকটে অবস্থান করি।’ অন্যত্র বলেছেন, ‘বিপদগ্রস্তদেরকে আমার আরশের নিকটবর্তী করে দাও। কারণ আমি তাদেরকে ভালোবাসি।’ (দায়লামী ও গাজ্জালী)। অথচ ধর্মব্যবসায়ীরা এই নির্যাতিত মানুষের শান্তি-অশান্তির দায়িত্ব শয়তান, অত্যাচারী দুর্বৃত্তদের হাতে ছেড়ে দিয়ে নিজেরা পার্থিব স্বার্থ হাসিলের জন্য মসজিদ, মন্দির, গির্জায়, প্যগোডায় ঢুকে বোসে আছেন। তাদের উদ্দেশ্যে কবি নজরুল তার শহীদী ঈদ কবিতায় এই প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন যে,
নামাজ-রোজার শুধু ভড়ং,
ইয়া উয়া প’রে সেজেছ সং,
ত্যাগ নাই তোর এক ছিদাম!
কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা কর জড়,
ত্যাগের বেলাতে জড়সড়!
তোর নামাজের কি আছে দাম?
ধর্ম এসেছে মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য। যে সমাজে মানুষের কোনো অধিকার নেই, তার রক্তের কোনো মূল্য নেই সেখানে একজন মোমেনের প্রথম এবাদত হোচ্ছে মানুষকে এই বিভীষিকাময় অবস্থা থেকে উদ্ধার করা। এর আগে নামাজ রোজা কোরে আসমান জমিন ভর্তি কোরে ফেললেও লাভ নেই। আল্লাহ বোলেছেন, “প্রত্যেক সালাত আদায়কারীর সালাতই আমি কবুল কোরি না। আমি শুধু সেই ব্যক্তির সালাত কবুল কোরি, যে আমার মহত্বের নিকট নম্রতা প্রকাশ করে, আমার নিষিদ্ধ কাজ করা থেকে নিজের প্রবৃত্তিকে সংযত কোরে রাখে, আমার অবাধ্যতার কাজ বারংবার করা থেকে বিরত থাকে, ক্ষুধার্তকে খাদ্যদান করে, উলঙ্গকে বস্ত্রদান পরিধান করায়, বিপদগ্রস্তের প্রতি দয়াপরবশ হয় এবং আগন্তুক অতিথিকে আশ্রয় দান করে এবং এইসব করে আমারই উদ্দেশ্যে (হাদিসে কুদসী, হারিসা ইবনে ওয়াহাব (রা.) হতে দায়লামী)।
তাহোলে নামাজ রোজা কি কোরতে হবে না? হ্যাঁ, নামাজ রোজা তাদেরই জন্য যারা মানবজীবনে শান্তি প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে নিরত থাকবে। এসব প্রশিক্ষণ তাদের সেই কাজ করার চরিত্র সৃষ্টি কোরে দেবে। যেমন একটি বাড়িতে খুঁটি দেওয়া হয় ছাদকে ধোরে রাখার জন্য। যদি ছাদই না দেওয়া হয়, তাহোলে শুধু খুটি গেঁড়ে কোন লাভ নেই। আগে আমাদের প্রকৃত এবাদতে ফিরে যেতে হবে। মানবজাতিকে সেদিকেই ডাকছে হেযবুত তওহীদ।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

২৪ বছর পর ভাইরাল নায়ক মান্নার সেই বক্তব্য, ‘আমি কোনো অশ্লীল দৃশ্যে অভিনয় করিনি’

২৪ বছর পর ভাইরাল নায়ক মান্নার সেই বক্তব্য, ‘আমি কোনো অশ্লীল দৃশ্যে অভিনয় করিনি’
২০০২ সালে মুক্তি পাওয়া ‘ফায়ার’ সিনেমা নিয়ে ২৪ বছর পর আবারও আলোচনায় ঢাকাই সিনেমার প্রয়াত চিত্রনায়ক মান্না। সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছে তার একটি পুরোনো ভিডিও, যেখানে…
 ৭ অক্টোবর ২০২৬    বিনোদন

মেসির বিদায়ে বাংলাদেশের তারকাদের আবেগঘন পোস্ট!

মেসির বিদায়ে বাংলাদেশের তারকাদের আবেগঘন পোস্ট!
আর্জেন্টিনার নীল-সাদা জার্সিতে শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে ফেলেছেন লিওনেল মেসি। বেনিনের বিপক্ষে ৩-০ গোলের জয়ে এক গোল ও দুটি অ্যাসিস্ট করে বিদায়ী ম্যাচটিকে স্মরণীয় করে…
 ৭ অক্টোবর ২০২৬    বিনোদন

বিশ্বকাপ ফাইনালে কী হয়েছিল? এবার মুখ খুললেন মেসি!

বিশ্বকাপ ফাইনালে কী হয়েছিল? এবার মুখ খুললেন মেসি!
আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানিয়েছেন আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি লিওনেল মেসি। বিদায়ী ম্যাচে বেনিনকে ৩-০ গোলে হারানোর পর আবেগঘন বক্তব্যে নিজের দীর্ঘ আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের নানা অধ্যায় তুলে ধরেন…
 ৭ অক্টোবর ২০২৬    খেলাধুলা

বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত হয়ে নেতা বললেন ‘আলহামদুলিল্লাহ’!

বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত হয়ে নেতা বললেন ‘আলহামদুলিল্লাহ’!
শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মতিউর রহমান সাগরকে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ, অসাংগঠনিক কর্মকাণ্ড, দলীয় ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে প্রাথমিক সদস্য পদসহ দলীয়…
 ৭ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

ইন্দোনেশিয়ায় ওষুধ-তৈরি পোশাকের বাজার বাড়াতে চায় বাংলাদেশ!

ইন্দোনেশিয়ায় ওষুধ-তৈরি পোশাকের বাজার বাড়াতে চায় বাংলাদেশ!
ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করতে চায় বাংলাদেশ। এ লক্ষ্য অর্জনে বাণিজ্য ঘাটতি কমানো, তৈরি পোশাক, ওষুধ ও কৃষিপণ্যের রপ্তানি বাড়ানো…
 ৭ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

ওসিকে হুমকি দেয়া সেই বিএনপি নেতা সাগর বহিষ্কার

ওসিকে হুমকি দেয়া সেই বিএনপি নেতা সাগর বহিষ্কার
নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) হুমকি দেওয়া এবং জুলাই বিপ্লবের এক শহীদের চাচাকে ‘ফ্যাসিস্ট’ আখ্যা দিয়ে থানায় নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে নড়িয়া উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক…
 ৭ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

ফ্যামিলি কার্ডের কথা বলে বিধবার টিপসই, তৈরি হলো ভুয়া কাবিননামা!

ফ্যামিলি কার্ডের কথা বলে বিধবার টিপসই, তৈরি হলো ভুয়া কাবিননামা!
ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে এক বিধবা নারীর জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি, ছবি ও টিপসই নেওয়ার পর তার নামে ভুয়া কাবিননামা তৈরির অভিযোগ…
 ৭ অক্টোবর ২০২৬    ময়মনসিংহ

মধ্যরাতে আগুনে পুড়ল ময়মনসিংহের ঐতিহ্যবাহী সিনেমা হল!

মধ্যরাতে আগুনে পুড়ল ময়মনসিংহের ঐতিহ্যবাহী সিনেমা হল!
ময়মনসিংহের গৌরীপুর পৌর শহরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ঐতিহ্যবাহী ঝলমল সিনেমা হলসহ অন্তত ২০টি দোকান পুড়ে গেছে। মঙ্গলবার গভীর রাতে আগুনের সূত্রপাতের পর তা দ্রুত আশপাশের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে…
 ৭ অক্টোবর ২০২৬    ময়মনসিংহ

হামের টিকার আওতায় ২ কোটি শিশু, আরও ৩৫ লাখকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য!

হামের টিকার আওতায় ২ কোটি শিশু, আরও ৩৫ লাখকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য!
সারা দেশে হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচির আওতায় ইতোমধ্যে দুই কোটি শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে। এবার টিকাদান থেকে বাদ পড়া শিশুদের খুঁজে বের করে আগামী এক মাসে…
 ৭ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

জুলাইযোদ্ধাদের দায়মুক্তি দিতে সংবিধানে আসছে নতুন বিধান!

জুলাইযোদ্ধাদের দায়মুক্তি দিতে সংবিধানে আসছে নতুন বিধান!
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অংশগ্রহণকারীদের আইনি ও সাংবিধানিক সুরক্ষা দিতে যাচ্ছে সরকার। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও সংবিধান সংশোধন কমিটির সভাপতি সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, সংবিধানের তফসিলে সুনির্দিষ্টভাবে জুলাইযোদ্ধাদের দায়মুক্তি ও…
 ৭ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ভারত, দিল্লি-এনসিআরেও তীব্র কম্পন!

ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ভারত, দিল্লি-এনসিআরেও তীব্র কম্পন!
রাতের নীরবতা ভেঙে ৪.৯ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে ভারতের উত্তরাখণ্ডের চামোলি জেলা। মঙ্গলবার রাতে আঘাত হানা এই ভূমিকম্পের কম্পন দিল্লি-এনসিআরসহ উত্তর ভারতের বিভিন্ন এলাকাতেও অনুভূত…
 ৭ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

বিদায়ী ম্যাচে মেসির হাতে উঠল হলুদ-লাল কার্ড!

বিদায়ী ম্যাচে মেসির হাতে উঠল হলুদ-লাল কার্ড!
আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচেও লিওনেল মেসিকে দেওয়া হলো হলুদ ও লাল কার্ড। তবে এগুলো কোনো শাস্তির কার্ড নয়; বেনিনের বিপক্ষে বিদায়ী ম্যাচ শেষে বিশেষ স্মারক…
 ৭ অক্টোবর ২০২৬    খেলাধুলা

এক বাড়ির জন্য ৪১ লাখ টাকার সেতু!

এক বাড়ির জন্য ৪১ লাখ টাকার সেতু!
পটুয়াখালীর বাউফলে একটি বাড়ির সামনে মাত্র ১১ মিটার দৈর্ঘ্যের সেতু নির্মাণে ৪১ লাখ ৬৩ হাজার ৯৯৯ টাকা ব্যয় হয়েছে। সেতুটি নির্মাণের পর এর প্রয়োজনীয়তা, প্রকল্প…
 ৭ অক্টোবর ২০২৬    বরিশাল

তুরস্ক গেলেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান!

তুরস্ক গেলেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান!
আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশ নিতে তুরস্কের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠেয় ‘সেকেন্ড ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন…
 ৭ অক্টোবর ২০২৬    নির্বাচিত

বাংলাদেশ সফরে আসছেন জাতিসংঘের প্রতিনিধি ফরিদা শহীদ

বাংলাদেশ সফরে আসছেন জাতিসংঘের প্রতিনিধি ফরিদা শহীদ
শিক্ষার অধিকার পরিস্থিতি পর্যালোচনায় আগামী ২৩ নভেম্বর বাংলাদেশ সফরে আসছেন জাতিসংঘের শিক্ষার অধিকারবিষয়ক বিশেষ র‍্যাপোর্টিয়ার ফরিদা শহীদ। সরকারের আমন্ত্রণে এ সফরে তিনি ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত…
 ৭ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়