প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   ফিলিস্তিনের বেদনাহত ইতিহাস

ফিলিস্তিনের বেদনাহত ইতিহাস

২২ মে ২০২৬ ০২:২২ পিএম
ওবায়দুল হক বাদল | সাংবাদিক ও কলামিস্ট

২০২৩ সালের পর এখন পর্যন্ত, গাজায় প্রায় ১ লক্ষ মানুষ নিহত হয়েছে, যাদের অধিকাংশাই শিশু ও নারী। আহত হয়েছে দেড় লাখের অধিক ফিলিস্তিনি। গাজার প্রায় সকলেই এখন বাস্তুচ্যুত। খাবার, পানি, ওষুধের সংকটে গাজা এখন এক মৃত্যুপুরী। বাস্তুচ্যুতদের খাবারের লাইনে গুলি করে হত্যা করা হচ্ছে, এমন নজির একুশ শতকের সভ্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলেছে। ফিলিস্তিন শুধু একটি ভূখণ্ডের নাম নয়, এটি বেদনা হত ইতিহাস, সংগ্রাম ও প্রতিরোধের এক দীর্ঘ ধারাবাহিক প্রতিচ্ছবি। প্রাচীনকাল থেকে শুরু করে আধুনিক যুগ পর্যন্ত বিশ্বের অন্যতম আলোচিত, বিতর্কিত ও রক্তাক্ত অঞ্চল এটি। ফিলিস্তিনের ইতিহাস শুধু মুসলিম বিশ্বের নয়, মানব সভ্যতারও একটি মৌলিক অধ্যায়।

প্রাচীন ফিলিস্তিন ও রোমান যুগ
৭০ খ্রিস্টাব্দে রোমান সাম্রাজ্য জেরুজালেম শহর ও ইহুদিদের দ্বিতীয় মন্দির ধ্বংস করে। এ সময় বহু ইহুদি হত্যা ও বিতাড়নের শিকার হয়। ১৩৫ খ্রিস্টাব্দে “বার-কোখবা বিদ্রোহ” দমন করে রোমানরা ইহুদিদের জেরুজালেম থেকে পুরোপুরি উৎখাত করে এবং বিশ্বের নানা প্রান্তে ছড়িয়ে পড়তে বাধ্য করে। ইতিহাসে এটি “ইহুদি ডিস্পারশন” নামে পরিচিত। তখন থেকেই ইহুদিরা ইউরোপসহ পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে।

এরপর ফিলিস্তিন অঞ্চল রোমানদের শাসনে থাকে। পরে বাইজান্টাইন ও পারস্য সাম্রাজ্যের মধ্যেও হাতবদল হয়। কিন্তু ৭ম শতকে ইসলাম উদিত হলে খলিফা ওমর (রা.) এর নেতৃত্বে মুসলিম বাহিনী তৎকালীন পরাশক্তি রোমান খ্রিস্টানদের কাছ থেকে ফিলিস্তিন জয় করে। মুসলিম শাসনে জেরুজালেম শান্তির নগরীতে রূপ নেয়। এরপর স্থানীয় খ্রিস্টানদের পাশাপাশি কিছু ইহুদিও এসে নিরাপদে বসবাস করতে থাকে।

আরও পড়ুন

যোদ্ধাজাতির পাঠ: বাঁচতে হলে মরতে শিখো -এম আর হাসান

যোদ্ধাজাতির পাঠ: বাঁচতে হলে মরতে শিখো  এম আর হাসান

এদিকে ইউরোপসহ পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ইহুদিদের উপর কয়েক শতাব্দী ধরে চলে গণহত্যা। ইহুদিদের স্বভাবদোষ তাদের প্রতি মানুষের বিদ্বেষ উৎপাদন করত। এবং তাদের হত্যা করাকে সবাই বৈধ মনে করত। তারা পৃথিবীর যে প্রান্তে আশ্রয় নিয়েছে সেখানেই মার খেয়েছে। রাশিয়া ও ইউরোপের খ্রিস্টানরা তাদের সম্মিলিত ভাবে আক্রমণ করে নির্বিচারে গণহত্যা চালাত। কয়েক শতাব্দী ধরে ইহুদিদের উপর এমন আক্রমণ এতবার হয়েছে যে এই আক্রমণের একটি আলাদা নাম হয়ে গিয়েছিল। নতুন একটি শব্দের উৎপত্তি হয়েছিল ‘পোগ্রম’। ‘এই পোগ্রম’ শব্দটি দ্বারা বোঝানো হতো কোনো একটি নির্দিষ্ট জাতি নিধনে সম্মিলিত আক্রমণ।

সর্বশেষ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এডলফ হিটলারের নাৎসি বাহিনী এবং তাদের মিত্ররা প্রায় ষাট লাখ ইহুদিকে হত্যা করেছিল। যে গণহত্যা ইতিহাসে ‘হলোকাস্ট’ নামে পরিচিত। ইতিহাস বলে ইহুদিরা মূলত মুসলমানদের হাতেই নিরাপত্তার মধ্যে ছিল নিরাপদ ছিল।

সালাহউদ্দিন ও ক্রুসেড
একাদশ শতকে খ্রিস্টান ক্রুসেডাররা জেরুজালেম দখল করে এবং মুসলিমদের ওপর ব্যাপক গণহত্যা ও লুটপাট চালায়। ১১৮৭ সালে মুসলিম সেনানায়ক সালাহউদ্দিন আইয়ুবী জেরুজালেম পুনরুদ্ধার করেন। মুসলিমরা প্রতিশোধ পরায়ণ না হয়ে খ্রিস্টানদের প্রতি উদারতা দেখান এবং শান্তি বজায় রাখেন, যা ইতিহাসে বিরল মানবিকতার দৃষ্টান্ত হিসেবে গণ্য হয়।
ওসমানি শাসন ও ঔপনিবেশিক আগ্রাসন
১৬শ শতকে ফিলিস্তিন ওসমানি সাম্রাজ্যের অধীনে চলে যায় এবং ১৯১৭ সাল পর্যন্ত তা ছিল মুসলিম শাসনের অধীন। তবে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় ওসমানীয়দের পতনের পর ব্রিটিশরা গোটা আরব অঞ্চলকে ঔপনিবেশিক চুক্তির মাধ্যমে দখলে নেয়। ফিলিস্তিনও ব্রিটিশদের দখলে চলে যায়।

ইহুদি শরণার্থীদের আগমন ও ষড়যন্ত্রের সূচনা
১৯৩০ সালে ব্রিটিশরা ইউরোপের নানা দেশে নিপীড়নের শিকার ইহুদিদের ফিলিস্তিনের ‘কিবুতজ’ এ ঠাঁই দেয়। শরণার্থী হয়ে স্থান নিয়ে ব্রিটিশদের সহযোগিতায় ধীরে ধীরে সুকৌশলে তারা সেখানে কিছু আবাসিক এলাকা গড়ে তোলে। এরপর ১৯৩৯-৪৫ সালের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে পশ্চিমারা ইহুদিদের জন্য একটি “স্থায়ী আবাসস্থল” খোঁজে। অস্ট্রেলিয়ার বিশাল বিরাণ ভূমি পড়ে থাকলেও তারা ষড়যন্ত্রমূলকভাবে অস্ত্রে-শস্ত্রে দুর্বল ফিলিস্তিনকে তাদের লক্ষ্য বানায়। ১৯৪৫ সালের পর প্রায় ৫৭ লাখ ইহুদি ইউরোপ থেকে সরিয়ে এনে ফিলিস্তিনে পুনর্বাসিত করা হয়। ফিলিস্তিনিরা এর প্রতিবাদ করলেও ব্রিটিশ এবং পশ্চিমাদের সামরিক ও রাজনৈতিক সমর্থনে তা ব্যর্থ হয়। ফিলিস্তিনিদের জমি দখল করে সেখানে ইহুদি বসতি গড়ে তোলা হয়। এই সময় থেকেই আরবদের মধ্যে ক্ষোভ, বিক্ষোভ এবং সংঘাতের সূচনা ঘটে।

১৯৪৭: জাতিসংঘের বিভাজন প্রস্তাব
১৯৪৭ সালে জাতিসংঘ ফিলিস্তিনকে দুই ভাগে বিভক্ত করার প্রস্তাব দেয়। একটি ইহুদি রাষ্ট্র (ইসরায়েল), অপরটি আরব রাষ্ট্র (প্যালেস্টাইন)। ফিলিস্তিনিরা এবং আরব দেশগুলো এর প্রতিবাদ জানায়। কিন্তু পশ্চিমাদের সমর্থনে ইহুদিরা ১৯৪৮ সালে ‘ইসরায়েল’ নামে রাষ্ট্র ঘোষণা করে। এর ফলে প্রথম আরব-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরু হয়। এই যুদ্ধে ইসরায়েল প্রায় ৮ লাখ ফিলিস্তিনিকে নিজভূমি থেকে বিতাড়িত করে। যাকে ‘নাকবা’ (বিপর্যয়) বলা হয়। হাজার হাজার গ্রাম ও শহর ধ্বংস করে ফেলা হয় এবং ফিলিস্তিনিরা শরণার্থী শিবিরে জীবনযাপন শুরু করে। দখলদার ইহুদিরা স্থায়ী হয় আর স্থানীয়রা দেশ ছেড়ে শরণার্থী শিবিরে যায়।

১৯৬৭: ছয়দিনের যুদ্ধ ও জেরুজালেম দখল
১৯৬৭ সালে ইসরায়েলের সাথে মিশর, জর্ডান ও সিরিয়ার ছয়দিনব্যাপী যুদ্ধ হয়। পশ্চিমাদের শক্তিতে ইসরায়েল এ যুদ্ধে জর্ডানের পশ্চিম তীর, মিশরের গাজা ও সিনাই উপত্যকা ও সিরিয়ার গোলান মালভূমি দখল করে নেয়। সম্পূর্ণ জেরুজালেমও চলে যায় ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে। ফিলিস্তিনিদের ওপর দমন-পীড়ন বাড়তে থাকে। এদিকে পশ্চিমারা ইসরায়েলের সকল অপরাধকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সমর্থন দিতে থাকে। এমনকি সকল প্রকার সহযোগিতাও করতে থাকে।

১৯৭৩: ‘ইম কিপুর যুদ্ধ’
১৯৭৩ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধ, যা ‘ইম কিপুর যুদ্ধ’ নামে পরিচিত, মিশর ও সিরিয়া যৌথভাবে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অভিযান চালায়। প্রাথমিক সাফল্য পেলেও শেষপর্যন্ত ইসরায়েল পশ্চিমাদের সহযোগিতায় পাল্টা হামলায় পরিস্থিতি উল্টে দেয়। তবে ফিলিস্তিনিদের ভাগ্যের পরিবর্তন হয় না।

ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ ও হামাস
প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশনের (পিএলও) প্রতিষ্ঠাতা ইয়াসির আরাফাতের নেতৃত্বে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা সংগ্রাম চলে বহু বছর ধরে। ১৯৮৭ সালে ফিলিস্তিনিরা ‘ইন্তিফাদা’ (গণজাগরণ) শুরু করে। ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গণবিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে গাজা ও পশ্চিম তীরে। এরপর ইয়াসির আরাফাতের নেতৃত্বে ১৯৯৩ সালের অসলো চুক্তির মাধ্যমে পশ্চিম তীর ও গাজা উপত্যকায় ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের অধীনে স্বায়ত্বশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়। কিন্তু চুক্তিতে স্বাধীন রাষ্ট্রের কোনো উল্লেখ বা ইঙ্গিতও ছিল না।

ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা অর্জনের লক্ষ্যে এই সময় আবু ইয়াসিন এর নেতৃত্বে ‘হামাস’ নামে একটি সংগঠন আত্মপ্রকাশ করে। যারা দখলদার ইসরায়েলের বিরুদ্ধে স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু করে। ভৌগোলিকভাবে বিচ্ছিন্ন ইসরায়েলের দুই প্রান্তে অবস্থিত পশ্চিম তীর ও গাজা উপত্যকায় (যার মধ্যকার দূরত্ব ৭৫ কি. মি.) গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। পশ্চিম তীরে বিজয়ী হয় পিএলওর মাহমুদ আব্বাস ও গাজায় হামাসের আবু ইয়াসিন। দুই ভূখণ্ডে দুইজনের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়। পশ্চিম তীর ইসরায়েলিদের কর্তৃত্ব মেনে নিলেও গাজার হামাস স্বাধীনতা সংগ্রাম অব্যাহত রাখে। পশ্চিমারা স্বাধীনতাকামী এই সংগঠনটিকে বরাবরই সন্ত্রাসী সংগঠন বলে প্রোপাগান্ডা চালাতে থাকে।

২০১৪ সালে মসজিদ আল আকসায় নামাজরত মুসলিমদের উপর ইসরায়েলি সেনাদের হামলায় উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়। নারী সৈনিকের লাথিতে শিশুসহ মুসল্লিদের অপমান ও হামলার দৃশ্য বিশ্বজুড়ে ক্ষোভের জন্ম দেয়। এসময় হামাস ইসরায়েলের বিরুদ্ধে রকেট হামলা চালায়। এদিকে ইসরায়েল গাজায় ভয়াবহ বিমান হামলা শুরু করে। হাজারো মানুষ নিহত হয় যার বেশিরভাগই নারী ও শিশু।

২০২৩-২৪: গণহত্যার আরেক নাম ‘গাজা’
২০২৩ সালের অক্টোবরে হামাস ইসরায়েলে সর্ববৃহৎ হামলা চালালে ইসরায়েলও গাজায় নৃশংস সামরিক অভিযান চালায়। শুরু হয় যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি সমর্থনে ফিলিস্তিনিদের উপর গণহত্যা। জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক মহলের আহ্বান উপেক্ষা করে যুদ্ধের সকল রীতি-নীতি ভঙ্গ করে নির্বিচারে গণহত্যা চালায়, বোমা বর্ষণ থেকে বাদ যায় না স্কুল, হাসপাতাল, ত্রাণ বহর, শরণার্থী ক্যাম্পও।

২০২৩ সালের পর এখন পর্যন্ত, গাজায় প্রায় ১ লক্ষ মানুষ নিহত হয়েছে, যাদের অধিকাংশাই শিশু ও নারী। আহত হয়েছে দেড় লাখের অধিক ফিলিস্তিনি। গাজার প্রায় সকলেই এখন বাস্তুচ্যুত। খাবার, পানি, ওষুধের সংকটে গাজা এখন এক মৃত্যুপুরী। বাস্তুচ্যুতদের খাবারের লাইনে গুলি করে হত্যা করা হচ্ছে, এমন নজির একুশ শতকের সভ্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলেছে। ফিলিস্তিনের ইতিহাস কেবল ইহুদি-আরব সংঘাত নয়, এটি বৈশ্বিক রাজনীতির নিষ্ঠুর বাস্তবতা, যেখানে একটি জাতিকে তার মাতৃভূমি থেকে উচ্ছেদ করে অস্ত্র ও অর্থবলে একটি অন্যায়ের রাষ্ট্র গড়ে তোলা হয়েছে।

পশ্চিমা বিশ্ব যখন মানবাধিকারের কথা বলে, তখন ফিলিস্তিনিদের রক্তে তাদের নৈতিকতা রঞ্জিত হয়। ইসরায়েলের বর্বর হামলায় গাজায় হাজার হাজার নারী, শিশু ও নিরস্ত্র মানুষ নিধনের নির্মম দৃশ্য দেখেছে পুরো বিশ্ব। এই গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রকাশ্য সমর্থন ও সামরিক মদদে। কিন্তু সবচেয়ে বেদনাদায়ক হলো মুসলিম বিশ্বের নির্লিপ্ততা। বিশ্বজুড়ে মুসলমানদের হৃদয় ক্ষত-বিক্ষত হলেও মুসলিম রাষ্ট্রগুলো কার্যকর কোনো প্রতিবাদ তো দূরের কথা, একে অন্যকে দোষারোপ করে কেবল বিবৃতি ও দোয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থেকেছে।

অথচ ইসলাম আমাদের শিখিয়েছে, “মুসলমান মুসলমানের ভাই।” এক ভাই আক্রান্ত হলে অপর ভাই তার পাশে দাঁড়াবে এটাই ঈমানের দাবি। এ জন্য নবী করিম (সা.) মুমিনের পারস্পরিক অবস্থাকে একটি শরীরের সঙ্গে তুলনা করে বলেছেন, ‘মুমিনদের উদাহরণ তাদের পারস্পরিক ভালোবাসা, দয়ার্দ্রতা ও সহানুভূতির দিক থেকে একটি মানবদেহের মতো। যখন তার একটি অঙ্গ আক্রান্ত হয়, তখন তার সমস্ত দেহ ডেকে আনে তাপ ও অনিদ্রা।’ -মুসলিম, হাদিস : ৬৪৮০

যে উম্মতকে রসূল (সা.) “এক দেহ, এক প্রাণ” হিসেবে গড়ে তুলেছিলেন, সেই উম্মত আজ দলাদলি, বিভাজন ও মাজহাবের নামে নানা ফেরকায় ছিন্নভিন্ন। কেউ কারো পাশে দাঁড়ায় না, বরং অনেক সময় শত্রুর সঙ্গে হাত মিলিয়ে আপন ভাইয়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়। এটা কি সেই উম্মতের পরিচয়, যারা নিজেদের ‘উম্মতে মুহাম্মদী’ বলে দাবি করে? আল্লাহ বলেছেন, “তোমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে আল্লাহর রজ্জু (দীন) আঁকড়ে ধরো, আর পরস্পরে বিচ্ছিন্ন হয়ো না।” -সূরা আলে ইমরান: ১০৩

কিন্তু বাস্তবে আমরা তাঁর এই নির্দেশের সম্পূর্ণ বিপরীতে চলেছি। আজ মুসলিম জাতির উপর চলমান এই উৎপীড়ন, দখল, গণহত্যা আমাদের ঐক্যহীনতা, আত্মপরিচয় বিস্মৃত হওয়া এবং আল্লাহর দীন থেকে বিচ্যুত হওয়ার পরিণতি। গাজা শুধু একটি ভূখণ্ড নয়; এটি মুসলিম ভ্রাতৃত্বের পরীক্ষার ক্ষেত্র। মুসলিম বিশ্ব সেই পরীক্ষায় ব্যর্থ হয়েছে।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

অপপ্রচারের শিকার উজিরপুরের ‘গয়েশ্বর’ খ্যাত পলাশ কুণ্ডু, প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

অপপ্রচারের শিকার উজিরপুরের ‘গয়েশ্বর’ খ্যাত পলাশ কুণ্ডু, প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
উজিরপুর (বরিশাল) প্রতিনিধি: বরিশালের উজিরপুরে আওয়ামী লীগ সরকারের দীর্ঘ দুঃশাসনের সময় রাজপথে বিএনপির কর্মসূচিতে সক্রিয় থাকায় দলীয় নেতাকর্মীদের কাছে ‘গয়েশ্বর চন্দ্র রায়’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছিলেন…
 ৩ নভেম্বর ২০২৬    বরিশাল

চ্যাটজিপিটির পরামর্শে ওষুধের মাত্রা কমিয়ে মৃত্যু, ওপেনএআইয়ের বিরুদ্ধে মামলা!

চ্যাটজিপিটির পরামর্শে ওষুধের মাত্রা কমিয়ে মৃত্যু, ওপেনএআইয়ের বিরুদ্ধে মামলা!
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক চ্যাটবট চ্যাটজিপিটির পরামর্শে মৃগীরোগের ওষুধের মাত্রা কমানোর পর খিঁচুনিতে মৃত্যু হয়েছে ৩১ বছর বয়সী এক তরুণীর। এ ঘটনায় চ্যাটজিপিটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ওপেনএআইয়ের বিরুদ্ধে…
 ৩ নভেম্বর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

বড়দিন উদযাপনে ২ কোটির বদলে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী!

বড়দিন উদযাপনে ২ কোটির বদলে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী!
খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শুভ বড়দিন উদযাপনে ৩ কোটি টাকা অনুদান দেওয়ার অনুমোদন দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ জন্য খ্রিষ্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের পক্ষ…
 ৩ নভেম্বর ২০২৬    জাতীয়

নেতানিয়াহুকে ক্ষমতা থেকে সরাতে একজোট বিরোধীরা, শুরু জোট গঠনের আলোচনা!

নেতানিয়াহুকে ক্ষমতা থেকে সরাতে একজোট বিরোধীরা, শুরু জোট গঠনের আলোচনা!
ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরাতে জোট গঠনের উদ্যোগ নিয়েছেন দেশটির চারটি বিরোধী দলের নেতা। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) হার্জলিয়ায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে দ্রুত জোট…
 ৩ নভেম্বর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

শ্রমিকদের আন্দোলন যৌক্তিক, ষড়যন্ত্র বলে পার পাওয়া যাবে না: নাহিদ

শ্রমিকদের আন্দোলন যৌক্তিক, ষড়যন্ত্র বলে পার পাওয়া যাবে না: নাহিদ
পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনকে যৌক্তিক উল্লেখ করে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ন্যায্য আন্দোলনকে ষড়যন্ত্র বলে পার পাওয়া যাবে…
 ৩ নভেম্বর ২০২৬    রাজশাহী

শাকিবের নতুন নায়িকা পাকিস্তানের কিনজা হাশমী!

শাকিবের নতুন নায়িকা পাকিস্তানের কিনজা হাশমী!
ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খানের নতুন সিনেমা ‘মহব্বত’-এ নায়িকা হিসেবে দেখা যেতে পারে পাকিস্তানের মডেল ও অভিনেত্রী কিনজা হাশমীকে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, সিনেমাটিতে শাকিবের বিপরীতে তার…
 ৩ নভেম্বর ২০২৬    বিনোদন

উলিপুরে অটোরিকশার ধাক্কায় বৃদ্ধের মৃত্যু

উলিপুরে অটোরিকশার ধাক্কায় বৃদ্ধের মৃত্যু
শাহ আলম, কুড়িগ্রাম:কুড়িগ্রামের উলিপুরে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় বাবর আলী (৬০) নামের এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলার হাতিয়া ইউনিয়নের কদমের…
 ৩ নভেম্বর ২০২৬    রংপুর

৬ ঘণ্টার জন্য টোলমুক্ত ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে!

৬ ঘণ্টার জন্য টোলমুক্ত ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে!
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আগামী ৭ নভেম্বর ছয় ঘণ্টার জন্য টোলমুক্ত রাখা হবে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে। ওই দিন সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা…
 ৩ নভেম্বর ২০২৬    রাজধানী

ডিসেম্বরে অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা মেনে নেওয়া হবে না: ডিএনসিসি প্রশাসক

ডিসেম্বরে অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা মেনে নেওয়া হবে না: ডিএনসিসি প্রশাসক
পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনের নামে রাজধানীর মিরপুরে অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম…
 ৩ নভেম্বর ২০২৬    রাজধানী

ধর্মের অপব্যবহার ও রাজনৈতিক ফায়দা লোটার বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির!

ধর্মের অপব্যবহার ও রাজনৈতিক ফায়দা লোটার বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির!
ধর্মকে পুঁজি করে রাজনৈতিক ফায়দা লোটার অপচেষ্টা এবং ধর্মের অপব্যবহারের বিরুদ্ধে সবাইকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ইসলাম শান্তি,…
 ৩ নভেম্বর ২০২৬    জাতীয়

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আইনি নোটিশ, ১৫ দিনের মধ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি!

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আইনি নোটিশ, ১৫ দিনের মধ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি!
পানিসম্পদমন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানিকে নিয়ে দেওয়া বক্তব্যকে মিথ্যা, বানোয়াট ও মানহানিকর দাবি করে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নাসীরুদ্দীন…
 ৩ নভেম্বর ২০২৬    নির্বাচিত

আনসার-ভিডিপির ওমরাহ কাফেলার আনুষ্ঠানিক যাত্রা, ভিসা ও টিকিট বিতরণ

আনসার-ভিডিপির ওমরাহ কাফেলার আনুষ্ঠানিক যাত্রা, ভিসা ও টিকিট বিতরণ
ঢাকা প্রতিনিধি:বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদর দপ্তরের অডিটোরিয়ামে পবিত্র ওমরাহ পালনের লক্ষ্যে মনোনীত কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সদস্যদের মাঝে ভিসা, বিমান টিকিট ও উপহারসামগ্রী বিতরণ…
 ৩ নভেম্বর ২০২৬    ঢাকা

সরকারি কার্যালয় নাকি ব্যক্তিগত বাসা, কুড়িগ্রাম পরিবার পরিকল্পনা অফিসে রান্নার সরঞ্জাম ও বিছানা

সরকারি কার্যালয় নাকি ব্যক্তিগত বাসা, কুড়িগ্রাম পরিবার পরিকল্পনা অফিসে রান্নার সরঞ্জাম ও বিছানা
শাহ আলম, কুড়িগ্রাম:সরকারি দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নির্ধারিত কুড়িগ্রাম জেলা পরিবার পরিকল্পনা উপপরিচালকের কার্যালয় যেন পরিণত হয়েছে ব্যক্তিগত বাসাবাড়িতে। অফিসের কক্ষগুলোতে প্রয়োজনীয় নথিপত্র ও দাপ্তরিক…
 ৩ নভেম্বর ২০২৬    রংপুর

বোমা হামলার হুমকির পর বুলেটপ্রুফ কাচের ভেতর থেকে ভক্তদের সামনে অমিতাভ!

বোমা হামলার হুমকির পর বুলেটপ্রুফ কাচের ভেতর থেকে ভক্তদের সামনে অমিতাভ!
মুম্বাইয়ের জুহুতে নিজ বাসভবন ‘জলসা’র বাইরে প্রতি রোববার ভক্তদের সঙ্গে দেখা করার দীর্ঘদিনের রীতি রয়েছে বলিউড অভিনেতা অমিতাভ বচ্চনের। তবে গত রোববার সেই চেনা আয়োজনেই…
 ৩ নভেম্বর ২০২৬    বিনোদন

মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ই-অ্যাপয়েন্টমেন্ট কার্যক্রমের উদ্বোধন

মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ই-অ্যাপয়েন্টমেন্ট কার্যক্রমের উদ্বোধন
এস. এম. জাহিদুল, ঢাকা:রাজধানীর মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনুষ্ঠানিকভাবে অনলাইন ই-অ্যাপয়েন্টমেন্ট (E-Appointment) কার্যক্রম চালু হয়েছে। এর ফলে এখন থেকে রোগীরা ঘরে বসেই অনলাইনে টিকিট কেটে…
 ৩ নভেম্বর ২০২৬    ঢাকা