পবিত্র ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে সাভার ও আশুলিয়ার বিভিন্ন পোশাক কারখানায় ছুটি শুরু হয়েছে। সোমবার দুপুরের পর থেকেই নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা মানুষের ভিড় বাড়তে শুরু করেছে। সাভারের বিভিন্ন বাসস্ট্যান্ড ও গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে যাত্রীদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।
শিল্পাঞ্চল পুলিশ-১ এর সূত্র অনুযায়ী, সাভার, আশুলিয়া ও ধামরাই এলাকায় ১ হাজার ৭০৫টি শিল্প প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সোমবার প্রায় ৩১ শতাংশ কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। ধাপে ধাপে অন্যান্য কারখানাগুলো বন্ধ হলে সামনের দিনগুলোতে যাত্রীদের চাপ আরও বাড়তে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক ও নবীনগর-চন্দ্রা সড়কে সোমবার বিকেল পর্যন্ত বড় ধরণের কোনো যানজটের সৃষ্টি হয়নি। তবে নবীনগর ও বাইপাইলসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে যানবাহনের ধীরগতি ছিল। সাভার হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহজাহান মিয়া জানান, কিছু জায়গায় যানবাহনের চাপ থাকায় যাতায়াতের ধরণ কিছুটা ধীর হয়েছে, তবে দীর্ঘ যানজট কোথাও তৈরি হয়নি।
পশ্চিমবঙ্গে পশুর হাটে মন্দা ও কোরবানি নিয়ে আতঙ্ক

যাত্রীদের পক্ষ থেকে পরিবহনের বাড়তি ভাড়া নিয়ে ব্যাপক অভিযোগ উঠেছে। অনেক যাত্রী অভিযোগ করেন যে বাসগুলোতে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে দ্বিগুণ ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। পটুয়াখালীগামী রেশমা জানান, টিকিট কেটে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করলেও বাসের দেখা পাচ্ছিলেন না এবং তার কাছ থেকে ভাড়াও বেশি নেওয়া হয়েছে। রাজবাড়ীর যাত্রী মুরাদ জানান যে তার কাছ থেকে দ্বিগুণ ভাড়া নেওয়া হয়েছে।
পোশাক শ্রমিক সুমি আক্ষেপ করে জানান, তারা অল্প আয়ের মানুষ হলেও প্রতি বছর ঈদে বাড়ি যাওয়ার সময় দ্বিগুণ ভাড়া দিতে হয়। এই ধরণের হয়রানি বন্ধ করা জরুরি বলে তিনি মনে করেন। এছাড়া কলেজ শিক্ষার্থী চৈত্র জানান, ৫০০ টাকার ভাড়া তার কাছ থেকে ৮০০ টাকা নেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগী যাত্রীরা এই ভাড়া নৈরাজ্য বন্ধে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি দাবি করেছেন।
হাইওয়ে পুলিশ জানিয়েছে, ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নিরাপদ করতে তারা রাস্তায় তৎপর আছেন। অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিষয়টি তদারকি করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। যাতায়াতের ধরণ সহজ করতে পুলিশের বিশেষ টিম কাজ করছিল।

















