লেবাননে হামলা চললে কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিল ইরান। তবে সেই সতর্কবার্তা উপেক্ষা করেই মঙ্গলবার সকালে দক্ষিণ লেবাননের তায়ের বন্দর নগরীতে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। এই হামলায় অন্তত ৮ জন নিহত এবং ৩২ জন আহত হয়েছে।
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে দেশটির গণমাধ্যমগুলো এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। ইসরায়েলি বাহিনী হামলার কয়েক ঘণ্টা আগে তায়ের ও এর পাশের এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। এরপরই তারা সেখানে ভারী হামলা চালায়। হামলার ফলে কয়েকটি ভবন পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গিয়েছে।
এই হামলার আগে গত সোমবার ইরান ও ইসরায়েল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের আহ্বানে সাড়া দিয়ে পাল্টাপাল্টি হামলা বন্ধের ঘোষণা দিয়েছিল। ইরান জানিয়েছিল যে তারা ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সরাসরি হামলা বন্ধ রাখবে। তবে দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের আক্রমণ অব্যাহত থাকলে তারা আগের চেয়েও শক্তিশালী ও দাঁতভাঙা জবাব দেওয়ার হুমকি দিয়েছিল।
ইসলামী ব্যাংক দখলের পর এখন বেদখল হওয়ার যাতনা স্বাভাবিক: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ইরানের এমন হুঁশিয়ারির বিপরীতে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ জানিয়েছিলেন যে তার সেনাবাহিনী দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহর ঘাঁটিতে অভিযান চালিয়ে যাবে। তিনি আরও বলেছিলেন যে ইসরায়েল আক্রান্ত হলে বৈরুতেও হামলা চালানো হবে। মঙ্গলবার তায়ের নগরীতে হামলার মাধ্যমে ইসরায়েল তার সেই অনড় অবস্থানের কথা জানান দিল।
ইসরায়েলের দাবি ছিল যে হিজবুল্লাহ যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করেছে এবং তার জবাবেই এই হামলা চালানো হয়েছে। তায়ের শহরটি লেবাননের অন্যতম বড় নগরী এবং এখানে হিজবুল্লাহর শক্তিশালী অবস্থান রয়েছে। এছাড়া এখানে ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের জন্য জাতিসংঘের তিনটি বড় ক্যাম্পও আছে। যুদ্ধের এই ধরন মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফিরিয়ে আনার সব চেষ্টাকে আবারও বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে ফেলেছে।

















