ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনের ফলাফল বিরোধী দলের জনপ্রিয়তা কমে যাওয়ার প্রমাণ বলে মন্তব্য করেছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। তিনি বলেছেন, নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেছেন। বিপরীতে বিরোধী দলের প্রার্থী পেয়েছেন তুলনামূলক অনেক কম ভোট। এ ফলাফলের মধ্য দিয়ে জনগণ বিরোধী দলের প্রতি নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে ঠাকুরগাঁওয়ের টাঙন ব্যারেজে আয়োজিত মৎস্য আহরণ উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, বিএনপি সরকার আট মাসে কী করেছে, আর কী করেনি, তার মূল্যায়ন করেছেন ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষ। তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার দেশের জন্য কী করছে, সেটিও জনগণ দেখছে। অন্যদিকে, যারা আজ বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে, তারাই বিভিন্ন সময়ে লংমার্চ ও রোডমার্চ করেছে। কিন্তু উপনির্বাচনের ফলাফলে জনগণ তাদের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছে।
‘তিন-চারটি প্রজন্ম নষ্ট করে দিয়েছেন ড. ইউনূস’: ফজলুর রহমান

তিনি আরও বলেন, নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেছেন। অন্যদিকে বিরোধী দলের প্রার্থী তুলনামূলক অনেক কম ভোট পেয়েছেন। তাঁর দাবি, বিরোধী দলের বিগত দিনের কর্মকাণ্ডের কারণে জনগণের মধ্যে তাদের জনপ্রিয়তা কমেছে।
পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার দেশব্যাপী খাল ও নদী খননের উদ্যোগ নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নিজেই এসব কার্যক্রম তদারকি করছেন। কোথাও কোনো অনিয়ম পাওয়া গেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অনুষ্ঠান শেষে টাঙন ব্যারেজের তিনটি জলকপাট খুলে দেওয়া হয়। এরপর স্থানীয় জেলে ও সাধারণ মানুষ মৎস্য আহরণ উৎসবে অংশ নেন।
এ সময় প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্ষার পর টাঙন ব্যারেজ খুলে দেওয়া হলে দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষ একত্রিত হয়ে মাছ ধরার উৎসবে মেতে ওঠেন। বর্তমান পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় জবাবদিহির আওতায় রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রতি মাসে প্রধানমন্ত্রীকে মন্ত্রণালয়ের কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে জবাবদিহি করতে হয়।
তিনি আরও বলেন, তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়নের পাশাপাশি নদী ও খাল খননের মাধ্যমে পানি সংরক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। তাহলেই নদীমাতৃক বাংলাদেশ আবার প্রাণ ফিরে পাবে। খাল খননের মাধ্যমে মাছের স্বল্পতাও দূর করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
জেলা প্রশাসক রফিকুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী কৃষ্ণ কমল সরকার, নির্বাহী প্রকৌশলী আতিকুর রহমানসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্থানীয় বাসিন্দারা।
















