প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   যে প্রার্থনা স্রষ্টা কবুল করেন...

যে প্রার্থনা স্রষ্টা কবুল করেন না

২২ মে ২০১৫ ০৪:৫৩ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

রাকীব আল হাসান:

বর্তমানে ধার্মিক ব্যক্তিদের একটি বিশেষ কাজ হচ্ছে সৃষ্টিকর্তার নিকট প্রার্থনা করা, দোয়া করা। এক শ্রেণির ধর্মীয় নেতারা, আলেম, মাশায়েখ, পুরোহিতরা এই দোয়া চাওয়াকে বর্তমানে একটি আর্টে, শিল্পে পরিণত করে ফেলেছেন। লম্বা ফর্দ ধরে লম্বা সময় নিয়ে স্রষ্টার কাছে এরা দোয়া করতে থাকেন। যেন এদের দোয়া মোতাবেক কাজ করার জন্য স্রষ্টা অপেক্ষা করে বসে আছেন। ইসলাম ধর্মের আলেম সাহেবরা মাঝে মাঝে বিশেষ প্রার্থনা বা মোনাজাতেরও ডাক দেন এবং তাতে এত লম্বা সময় ধরে মোনাজাত করা হয় যে হাত তুলে রাখতে রাখতে মানুষের হাত ব্যথা হয়ে যায়। অজ্ঞানতা ও বিকৃত আকিদার কারণে সকল ধর্মের অনুসারীরাই ভুলে গেছেন যে কোনো জিনিসের জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা না করে শুধু তাঁর কাছে চাইলেই তিনি তা দেন না, ওরকম প্রার্থনা তাঁর কাছে পৌঁছে না। আল্লাহ তাঁর শ্রেষ্ঠ নবীকে (সা.), যাঁকে তিনি প্রিয়তম বন্ধু বলে ডেকেছেন তাঁকে যে কাজের ভার দিয়ে পৃথিবীতে পাঠিয়েছিলেন সে কাজ সম্পন্ন করতে তাঁকে কী অপরিসীম পরিশ্রম করতে হয়েছে, কত অপমান-বিদ্রƒপ-নির্যাতন-পীড়ন সহ্য করতে হয়েছে- যুদ্ধ করতে হয়েছে- আহত হতে হয়েছে। তিনি ওসব না করে বসে বসে আমাদের ধর্মীয় নেতাদের মতো আল্লাহর কাছে দোয়া করলেই তো পারতেন। আল্লাহর কাছে বিশ্বনবীর (সা.) দোয়াই বড়, না আমাদের আলেম মাশায়েখ, পুরোহিতদের দোয়া বড়? শুধুমাত্র দোয়াতেই যদি কাজ হতো তবে আল্লাহর কাছে যার দোয়ার চেয়ে গ্রহণযোগ্য আর কারো দোয়া নেই- সেই রসুল (সা.) ঐ অক্লান্ত প্রচেষ্টা (জেহাদ) না করে সারাজীবন ধরে শুধু দোয়াই করে গেলেন না কেন? তিনি তা করেন নি, কারণ তিনি জানতেন যে প্রচেষ্টা (সর্বাত্মক সংগ্রাম) ছাড়া দোয়ার কোন দাম আল্লাহর কাছে নেই। তাঁর আগেও বহু নবী রসুল গত হয়েছেন যাঁদের সকলকেই সংগ্রাম করতে হয়েছে, জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে সঙ্কটের প্রবলতায় কম্পমান হতে হয়েছে। মুসাকে (আ.) আমালেকা, মাদায়েন প্রভৃতি জনপদবাসীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে হয়েছে, ঈসাকে (আ.) সম্মুখীন হতে হয়েছে ধর্মব্যবসায়ী ও শাসকশ্রেণির নির্যাতনের। কৃষ্ণ (আ.) কে যুদ্ধ করতে হয়েছে আপন মামার বিরুদ্ধে। কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধে যুধিষ্ঠিরের (আ.) পক্ষের প্রায় সকল সৈন্যের বিনাশ ঘটেছিল। পঞ্চপাণ্ডব ও কৃষ্ণ (আ.) জীবন বাজি রেখে এই যুদ্ধের শেষ পর্যন্ত অধর্মকে বিনাশ করার প্রয়াস করেছেন এবং সফল হয়েছেন, তাঁরা প্রচেষ্টা না করে প্রার্থনা করেন নি। প্রচেষ্টাহীন দোয়া দিয়ে যদি কাজ হতো তাহলে ন্যায়, সুবিচার প্রতিষ্ঠায় এই যুদ্ধ ও রক্তপাত ঘটানোর কী প্রয়োজন ছিল?
তবে সেই নবী রসুলগণ যে দোয়া করেন নি তা নয়, শেষ নবীও দোয়া করেছেন কিন্তু যথা সময়ে করেছেন অর্থাৎ চূড়ান্ত প্রচেষ্টার পর, সর্বরকম কোরবানির পর, জান বাজি রাখার পর যখন আমলের আর কিছু বাকি নেই তখন। বদরের যুদ্ধ শুরু হবার ঠিক আগের মুহূর্তে যখন মোজাহেদ আসহাব তাদের প্রাণ আল্লাহ ও রসুলের তরে কোরবানি করার জন্য তৈরি হয়ে সারিবদ্ধ হয়ে দাঁড়িয়েছেন, যুদ্ধ আরম্ভ হবার প্রাক্কালে, শুধু সেই সময় আল্লাহর হাবিব আল্লাহর কাছে দোয়া করলেন তাঁর প্রভুর সাহায্য চেয়ে। ঐ দোয়ার পেছনে কী ছিল? ঐ দোয়ার পেছনে ছিল আল্লাহর নবীর (সা.) চৌদ্দ বছরের অক্লান্ত সাধনা, সীমাহীন কোরবানি, মাতৃভূমি ত্যাগ করে দেশত্যাগী হয়ে যাওয়া, পবিত্র দেহের রক্তপাত ও আরও বহু কিছু এবং শুধু তাঁর একার নয়। ঐ যে তিনশ’ তের জন ওখানে তাঁদের প্রাণ উৎসর্গ করার জন্য নামাজের মতো সারিবদ্ধ হয়ে দাঁড়ানো ছিলেন, তাদেরও প্রত্যেকের পেছনে ছিল তাঁদের আদর্শকে, দীনকে প্রতিষ্ঠার জন্য অক্লান্ত প্রচেষ্টা, দ্বিধাহীন কোরবানি, নির্মম নির্যাতন সহ্য করা। প্রচেষ্টার শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে শেষ সম্বল প্রাণটুকু দেবার জন্য তৈরি হয়ে ঐ দোয়া করেছিলেন মহানবী (সা.)। ঐ রকম দোয়া আল্লাহ শোনেন, কবুল করেন, যেমন করেছিলেন বদরে। কিন্তু প্রচেষ্টা নেই, বিন্দুমাত্র সংগ্রাম নেই, ঘণ্টার পর ঘণ্টা হাত তুলে দোয়া আছে অমন দোয়া আল্লাহ কবুল করেন না। বদরের ঐ দোয়ার পর সকলে জেহাদে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন, অনেকে জান দিয়েছিলেন, আমাদের ধর্মীয় নেতারা দোয়ার পর পোলাও কোর্মা খেতে যান। খেয়ে আসার সময় পকেট ভর্তি টাকা নিয়ে আসেন। ঐ দোয়া ও এই দোয়া আসমান জমিনের তফাৎ।
আল্লাহ বলেছেন, “যে যতখানি চেষ্টা করবে তার বেশি তাকে দেয়া হবে না (কোর’আন, সুরা নজম, আয়াত-৩৯)।” মসজিদে, বিরাট বিরাট মাহফিলে, লক্ষ লক্ষ লোকের এজতেমায় যে দফাওয়ারী দোয়া করা হয়, যার মধ্যে মসজিদে আকসা উদ্ধার অবশ্যই থাকে- তাতে যারা দোয়া করেন তারা দোয়া শেষে দাওয়াত খেতে যান, আর যারা আমীন আমীন বলেন তারা যার যার ব্যবসা, কাজ, চাকরি ইত্যাদিতে ফিরে যান, কারোরই আর মসজিদে আকসার কথা মনে থাকে না। ওমন দোয়ায় বিপদ আছে, হাত ব্যথা করা ছাড়াও বড় বিপদ আছে, কারণ অমন দোয়ায় আল্লাহর সাথে বিদ্রƒপ করা হয়। তার চেয়ে দোয়া না করা নিরাপদ। যে পড়াশোনাও করে না পরীক্ষাও দেয় না- সে যদি কলেজের প্রিন্সিপালের কাছে যেয়ে ধর্ণা দেয় যে, আমার ডিগ্রী চাই, ডিগ্রী দিতে হবে। তবে সেটা প্রিন্সিপালের সঙ্গে বিদ্রƒপের মতোই হবে। আমাদের দোয়া শিল্পীরা, আর্টিস্টরা লক্ষ লক্ষ লোকের এজতেমা, মাহফিলে দোয়া করেন- হে আল্লাহ! তুমি বায়তুল মোকাদ্দাস ইহুদিদের হাত থেকে উদ্ধার করে দাও এবং এ দোয়া করে যাচ্ছেন ইসরাইল রাষ্ট্রের জন্ম থেকে, ঐ সময়ে যখন দোয়া করা শুরু করেছিলেন তখন দোয়াকারীরা আজকের চেয়ে সংখ্যায় অনেক কম ছিলেন এবং ইসরাইল রাষ্ট্রের আয়তনও এখনকার চেয়ে অনেক ছোট ছিল। যেরুজালেম ও মসজিদে আকসা তখন ইসরাইল রাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্ত ছিল না। এই মহা মুসলিমদের প্রচেষ্টাহীন, আমলহীন দোয়া যতোই বেশি লোকের সমাবেশে এবং যতোই বেশি লম্বা সময় ধরে হতে লাগল ইহুদিদের হাতে আরবরা ততোই বেশি মার খেতে লাগল আর ইসরাইল রাষ্ট্রের আয়তনও ততোই বাড়তে লাগল। আজ শুনি কোন জায়গায় নাকি ২০/২৫ লক্ষ মুসলিম একত্র হয়ে আসমানের দিকে দু’হাত তুলে দুনিয়ার মুসলিমের ঐক্য, উন্নতি ইত্যাদির সাথে তাদের প্রথম কেবলা বায়তুল মোকাদ্দাসের মুক্তির জন্য দোয়া করে। আর আজ ইসরাইল রাষ্ট্রের আয়তন প্রথম অবস্থার চেয়ে তিন গুণ বড় এবং পূর্ণ যেরুজালেম শহর বায়তুল মোকাদ্দাসসহ মসজিদে আকসা তাদের দখলে চলে গেছে এবং মুসলিম জাতির ঐক্যের আরও অবনতি হয়েছে এবং সকল জাতির হাতে আরও অপমানজনক মার খাচ্ছে। অর্থাৎ এক কথায় এরা এই বিরাট বিরাট মাহফিলে, এজতেমায়, মসজিদে, সম্মেলনে যা যা দোয়া করছেন, আল্লাহ তার ঠিক উল্টোটা করছেন। যত বেশি দোয়া হচ্ছে, ততো উল্টো ফল হচ্ছে। সবচেয়ে হাস্যকর হয় যখন এই অতি মুসলিমরা গৎ বাঁধা দোয়া করতে করতে ‘ফানসুরনা আলাল কওমেল কাফেরিন’-এ আসেন। অর্থ হচ্ছে “হে আল্লাহ! অবিশ্বাসীদের (কাফেরদের) বিরুদ্ধে (সংগ্রামে) আমাদের সাহায্য কর (সুরা বাকারা-২৮৬)।” আল্লাহর সাথে কি বিদ্রƒপ। অবিশ্বাসীদের বিরুদ্ধে সংগ্রামের লেশমাত্র নেই, দীন প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম নেই, যেখানে অন্যায়ের বিরুদ্ধে সত্য প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম চলছে তাতে যোগ দেয়া দূরের কথা, তাতে কোন সাহায্য পর্যন্ত দেয়ার চেষ্টা নেই, শুধু তাই নয় গায়রুল্লাহর, দাজ্জালের তৈরি জীবনব্যবস্থা জাতীয় জীবনে গ্রহণ করে নিজেরা যে শেরক ও কুফরীর মধ্যে আকণ্ঠ ডুবে আছেন, এমন কি তার বিরুদ্ধে যেখানে সংগ্রাম নেই সেখানে কুফরের বিরুদ্ধে সংগ্রামে আল্লাহর সাহায্য চাওয়ার চেয়ে হাস্যকর আর কী হতে পারে? এ শুধু হাস্যকর নয়, আল্লাহর সাথে বিদ্রƒপও। তা না হলে দোয়ার উল্টো ফল হচ্ছে কেন? যারা দোয়া করাকে আর্টে পরিণত করে, কর্মহীন, প্রচেষ্টাহীন, আমলহীন, কোরবানিহীন, সংগ্রামহীন দোয়া করছেন তারা তাদের অজ্ঞতায় বুঝছেন না যে তারা তাদের ঐ দোয়ায় আল্লাহর ক্রোধ উদ্দীপ্ত করছেন, আর তাই দোয়ার ফল হচ্ছে উল্টো। তাই বলছি ঐ দোয়া করার চেয়ে দোয়া না করা নিরাপদ।
মহাভারতে একটি কথা আছে, “গৃহে যখন আগুন লাগে যজ্ঞে আহুতি দিয়ে তখন পুণ্যলাভ হয় না”। অর্থাৎ গৃহে আগুন লাগলে প্রথম কর্তব্য সেই আগুন নিভিয়ে গৃহের সকলকে রক্ষা করা। আর সেই আগুন নিভানোর জন্য প্রার্থনা নয় প্রচেষ্টাই আগে প্রয়োজন, এর পর প্রার্থনা। আপনি যদি প্রচেষ্টা ত্যাগ করে শুধু প্রার্থনা করতে থাকেন তবে আগুনে পুড়ে গৃহের সকলেই মারা যেতে পারে এবং এর জন্য দায়ী থাকবেন আপনিই।
দাজ্জালের বিধান মেনে নেওয়ার ফলে সমগ্র মানবজাতি যখন অন্যায়, অবিচার, হিংসা, বিদ্বেষ, হানাহানি, রক্তপাত, হত্যা, ধর্ষণ তথা চরম অধর্মে লিপ্ত তখন আমাদের প্রধান কর্তব্যই হলো মানবজাতিকে এই চরম অশান্তি থেকে বাঁচানোর জন্য সংগ্রাম করা, সর্বাত্মক প্রচেষ্টা করা। প্রচেষ্টা না করে শুধু প্রার্থনা করলে এই কাজে সফলতা আসবে না।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

সংস্কারের নামে মাদ্রাসা শিক্ষার স্বকীয়তা নষ্ট করা যাবে না: বিএমএ

সংস্কারের নামে মাদ্রাসা শিক্ষার স্বকীয়তা নষ্ট করা যাবে না: বিএমএ
সংস্কারের নামে মাদ্রাসা শিক্ষার নিজস্ব স্বকীয়তা নষ্ট করা যাবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাংলাদেশ মাদ্রাসা অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) নেতারা। আজ রবিবার (১১ অক্টোবর) সকাল ১০টায় জাতীয়…
 ১১ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

কাউনিয়ায় দুর্গোৎসব উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সাথে বিএনপির মতবিনিময়

কাউনিয়ায় দুর্গোৎসব উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সাথে বিএনপির মতবিনিময়
কাউনিয়া (রংপুর) প্রতিনিধি:শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বী সম্প্রদায়ের সাথে কাউনিয়া উপজেলা বিএনপির এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ রবিবার (১১ অক্টোবর) বিকেলে দলীয় কার্যালয়ে এই…
 ১১ অক্টোবর ২০২৬    রংপুর

অধ্যক্ষকে পালাতে সহযোগিতার খবর অপপ্রচার দাবি করে গাইবান্ধায় বিএনপি নেতার সংবাদ সম্মেলন

অধ্যক্ষকে পালাতে সহযোগিতার খবর অপপ্রচার দাবি করে গাইবান্ধায় বিএনপি নেতার সংবাদ সম্মেলন
গাইবান্ধা প্রতিনিধি:গাইবান্ধা সদর উপজেলার দারিয়াপুর হাজি ওসমান গণি ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষকে পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করার অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন স্থানীয় বিএনপি নেতা ও দলের…
 ১১ অক্টোবর ২০২৬    রংপুর

ব্যাংকের টাকা চুরির অপরাধে গণ পরিষদের নেতা গ্রেফতার

ব্যাংকের টাকা চুরির অপরাধে গণ পরিষদের নেতা গ্রেফতার
ব্যাংকের টাকা চুরি মামলায় তিন বছরের সাজাপ্রাপ্ত গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এ কে এম ফরিদ আমিনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রোববার (১১ অক্টোবর) কুমিল্লার…
 ১১ অক্টোবর ২০২৬    চট্টগ্রাম

পটুয়াখালীতে হেযবুত তওহীদের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত, সংকট মোকাবিলায় ঐক্যের আহ্বান

পটুয়াখালীতে হেযবুত তওহীদের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত, সংকট মোকাবিলায় ঐক্যের আহ্বান
পটুয়াখালী প্রতিনিধি:পটুয়াখালী জেলা হেযবুত তওহীদের উদ্যোগে ‘বাংলাদেশের সংকট মোকাবিলায় আমাদের করণীয়’ শীর্ষক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ রবিবার (১১ অক্টোবর) বিকেল ৫টায় পটুয়াখালী সদর…
 ১১ অক্টোবর ২০২৬    বরিশাল

নিউমার্কেট থানা যুবদলের সদস্যসচিব কে এম চঞ্চলের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার, স্বপদে বহাল

নিউমার্কেট থানা যুবদলের সদস্যসচিব কে এম চঞ্চলের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার, স্বপদে বহাল
ঢাকা প্রতিনিধি:ঢাকা মহানগর দক্ষিণ নিউমার্কেট থানা যুবদলের সদস্যসচিব কে এম চঞ্চলের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি। একই সাথে তাকে স্বপদে বহাল…
 ১১ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

কারিগরি প্রশিক্ষণ শেষে সিসিলিতে চাকরির সুযোগ পেলেন আনসার-ভিডিপির প্রশিক্ষণার্থী

কারিগরি প্রশিক্ষণ শেষে সিসিলিতে চাকরির সুযোগ পেলেন আনসার-ভিডিপির প্রশিক্ষণার্থী
দিনাজপুর প্রতিনিধি:বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর দিনাজপুর আঞ্চলিক কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে রেফ্রিজারেশন অ্যান্ড এয়ার কন্ডিশনিং বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিয়ে আফ্রিকার দ্বীপরাষ্ট্র সিসিলিতে উচ্চ বেতনে…
 ১১ অক্টোবর ২০২৬    রংপুর

নাইক্ষ্যংছড়িতে আনসার সদস্যের তথ্যে ২ হাজার পিস ইয়াবাসহ মোটরসাইকেল উদ্ধার

নাইক্ষ্যংছড়িতে আনসার সদস্যের তথ্যে ২ হাজার পিস ইয়াবাসহ মোটরসাইকেল উদ্ধার
বান্দরবান প্রতিনিধি:বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারী ইউনিয়ন আনসারের সহকারী প্লাটুন কমান্ডার আবুল বশরের দেওয়া গোপন তথ্যের ভিত্তিতে সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযানে ২ হাজার পিস বার্মিজ…
 ১১ অক্টোবর ২০২৬    চট্টগ্রাম

সংস্কারের নামে মাদ্রাসা শিক্ষার স্বকীয়তা নষ্ট করা যাবে না, বিএমএর আলোচনা সভা

সংস্কারের নামে মাদ্রাসা শিক্ষার স্বকীয়তা নষ্ট করা যাবে না, বিএমএর আলোচনা সভা
সংস্কারের নামে মাদ্রাসা শিক্ষার নিজস্ব স্বকীয়তা নষ্ট করা যাবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাংলাদেশ মাদ্রাসা অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) নেতারা। আজ রবিবার (১১ অক্টোবর) সকাল ১০টায় জাতীয়…
 ১১ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

‘লড়াই চলবে, মোদি সরকারের পতন শিগগিরই’: ককরোচ জনতা পার্টি

‘লড়াই চলবে, মোদি সরকারের পতন শিগগিরই’: ককরোচ জনতা পার্টি
ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। দলটির নেতারা বলেছেন, তাদের লড়াই থামবে না; বরং…
 ১১ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

বাঙলা কলেজে একাডেমিক কাজে পরিবহন না পেয়ে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা

বাঙলা কলেজে একাডেমিক কাজে পরিবহন না পেয়ে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা
রিপোর্ট: আশিকুর রহমান রকিব, ক্যাম্পাস প্রতিনিধিঃ সরকারি বাঙলা কলেজে তিনটি বাস থাকা সত্ত্বেও সিলেবাসভুক্ত বাধ্যতামূলক মাঠকর্ম পরিচালনায় পরিবহন-সুবিধা না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন ভূগোল ও পরিবেশ…
 ১১ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

পুলিশকে রাতে একা চলাচলে নিষেধ, কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে নিরাপত্তা? – কথক দা

পুলিশকে রাতে একা চলাচলে নিষেধ, কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে নিরাপত্তা? – কথক দা
একটি রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী; যারা সাধারণ মানুষের রক্ষাকবচ, তারা নিজেরাই যখন সমাজে নিরাপদ নয় তখন সেই রাষ্ট্রের সার্বিক নিরাপত্তা অবস্থা কেমন তা সহজেই অনুমান করা…
 ১১ অক্টোবর ২০২৬    বিশেষ নিবন্ধ

রসুল (সা.) ছিলেন সত্যের মূর্তপ্রতীক, নায়েবে নবী দাবিদারদের চরিত্রের এ কি দশা! -ওবায়দুল হক বাদল

রসুল (সা.) ছিলেন সত্যের মূর্তপ্রতীক, নায়েবে নবী দাবিদারদের চরিত্রের এ কি দশা! -ওবায়দুল হক বাদল
আমাদের শেষ নবী, আখেরি নবী রহমাতাল্লিল আলামিন হুজুরে পাক আহমদে মোস্তফা (সা.) ছিলেন সত্যের মূর্তপ্রতীক। তাঁর জীবদ্দশায় একটি মিথ্যা শব্দ উচ্চারণের নজির নেই। নিজের ব্যক্তিস্বার্থ…
 ১১ অক্টোবর ২০২৬    বিশেষ নিবন্ধ

সামাজিক অপরাধ দূরীকরণে ধর্ম -শারমিন সুলতানা চৈতী

সামাজিক অপরাধ দূরীকরণে ধর্ম  -শারমিন সুলতানা চৈতী
  প্রকৃত ধর্মের শিক্ষা এমন এক শক্তি যা পুরো সমাজকে পরিবর্তন করতে পারে। আল্লাহর পক্ষ থেকে যে দীন এসেছে তার মূল উদ্দেশ্যই হচ্ছে মানুষের কল্যাণ…
 ১১ অক্টোবর ২০২৬    বিশেষ নিবন্ধ

রাষ্ট্রীয় খরচে দেশে আনা হবে রিয়াদে নিহত দুই বাংলাদেশির মরদেহ, ৪ জন আইসিইউতে

রাষ্ট্রীয় খরচে দেশে আনা হবে রিয়াদে নিহত দুই বাংলাদেশির মরদেহ, ৪ জন আইসিইউতে
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলায় নিহত দুই বাংলাদেশির মরদেহ রাষ্ট্রীয় খরচে দেশে ফিরিয়ে আনা হবে। এ ঘটনায় আহত আরও চার বাংলাদেশি…
 ১১ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়