ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে বিএনপির সম্মেলন ঘিরে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তীব্র আকার ধারণ করেছে। সম্মেলনের বিরোধিতা করে বিএনপির একাংশ সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ করে। বিক্ষোভকারীরা বাঞ্ছারামপুর-হোমনা সড়কে গাছ ফেলে ও আগুন জ্বালিয়ে যান চলাচল ব্যাহত করেন।
বুধবার (২০ নভেম্বর) সকালে উপজেলার উজানচর ইউনিয়নের কৃষ্ণনগর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বিক্ষোভ চলাকালে বাঞ্ছারামপুর-হোমনা সড়কে একটি মাইক্রোবাস ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে।
অবরোধকারীদের দাবি, সম্মেলনে দলীয় শৃঙ্খলা উপেক্ষা করে আওয়ামী লীগের লোকজনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে উপজেলা প্রশাসন সম্মেলন স্থলসহ আশপাশের এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করে। এস এম মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) সন্ধ্যা পর্যন্ত সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
দুষ্টের দমনে সাংবাদিকদের কলমকে তরবারির মতো ব্যবহারের আহ্বান

জানা গেছে, উপজেলা বিএনপির একাংশের উদ্যোগে ওই মাঠে সম্মেলন আয়োজনের ঘোষণা দেওয়া হয়। তবে এ সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে বিএনপির আরেকটি অংশ সেখানে আলোচনা সভার আয়োজন করে। দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চরমে পৌঁছালে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রশাসন কঠোর অবস্থান নেয়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ইকবাল হোসেন জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
এ ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। প্রশাসনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, কোনো প্রকার বিশৃঙ্খলা সহ্য করা হবে না। সবার প্রতি শান্তি বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।
বিএনপির এই অভ্যন্তরীণ বিরোধ কেবল স্থানীয় নয়, বরং এটি দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের প্রতি আস্থার সংকটের প্রতিফলন বলেও অনেকে মনে করছেন।















