প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   ইতিহাস বিকৃতির পেছনের কথা

ইতিহাস বিকৃতির পেছনের কথা

২২ মে ২০১৫ ০৪:৩৯ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

রিয়াদুল হাসান:
ইংরেজরা যখন ভারতবর্ষে আসে তখন সারা পৃথিবীর মধ্যে ধনে জনে সর্বশ্রেষ্ঠ ছিল ভারত উপমহাদেশ। তার সঙ্গে তুলনা করা যেত মুসলিমদেরই আরেক সাম্রাজ্য তুর্কী অটোমানদের। নিছক বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে ইংরেজরা এই এলাকায় পাড়ি জমায়, ভারত বিজয়ের কথা ব্রিটিশদের কল্পনারও বাইরে ছিল। মুসলিমরাও তাদেরকে সন্দেহের চোখে দেখে নি, নিজেদের স্বভাবজাত উদারতাবশত খ্রিষ্টানদেরকে তারা অতিথি হিসাবেই গ্রহণ করে নেয়, সন্দেহ না করার কারণ শক্তির বিচারে তখনও ব্রিটিশরা মোঘলদের তুলনায় সামান্য ছিল। কিন্তু পরে নিজেদের বাণিজ্যের নিরাপত্তার অজুহাতে ব্রিটিশরা ভারতে কুঠিবাড়ি স্থাপনের অনুমতি নিয়ে নেয় এবং সেখানে অস্ত্র ও সৈন্য সমাবেশ করতে থাকে। এক সময় তাদের ষড়যন্ত্রের মুখোশ উন্মোচিত হয়ে পড়ে, কিন্তু ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গেছে। তারা তখন এতটাই শক্তিশালী যে মোঘল বাদশাহরা তাদের পরাভব মেনে নিতে বাধ্য হয়। ব্যাপক ও নির্বিচার গণহত্যার মাধ্যমে সূচনা হয় ভারতীয়দের প্রায় তিন শতাব্দীর গোলামির যুগ।
আমেরিকা, দক্ষিণ আফ্রিকা আর অস্ট্রেলিয়াতেও ইউরোপীয় খ্রিষ্টানরা তাদের উপনিবেশ স্থাপন করেছে কিন্তু সেখানে তারা মুখোমুখি হয়েছে জংলী রেড ইন্ডিয়ান আর অ্যাবোরিজিনদের। জংলীদের উপর প্রভুত্ব করা আর ভারতের সুশিক্ষিত, বহুগুণ অগ্রসর জাতি মুসলিমদের উপরে প্রভুত্ব করা এক কথা নয়। তারা দিল্লীর পতন ঘটিয়ে এতদঞ্চলীয় হিন্দু-মুসলিম জনসংখ্যাটিকে সামরিক শক্তিবলে তাদের গোলামে পরিণত করল, তখন তারা এই জাতির উপর তাদের কর্তৃত্ব বজায় রাখার জন্য বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করল। তার মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো শিক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমে জাতির মধ্যে গোলামি মানসিকতা প্রবেশ করিয়ে দেওয়া। গোলামি মানসিকতা হচ্ছে নিজেকে সর্বদিকে প্রভুর তুলনায় তুচ্ছ, নগণ্য ও জঘন্য মনে করা অর্থাৎ হীনম্মন্যতা। তখন ভারতবর্ষের প্রধান শক্তি ছিল মুসলিমরা। তাই খ্রিষ্টানদের প্রধান লক্ষ্য ছিল পূর্বতন শাসক জাতির মনমগজকে ভালো করে ধোলাই করা। এটা করতে হলে মুসলিমদের ইতিহাস, শিক্ষা, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং অবধারিতভাবে তাদের প্রেরণার উৎস কোর’আন ও রসুলাল্লাহর জীবন ইতিহাস সম্পর্কে খ্রিষ্টানদের ব্যাপক গবেষণা করতে হয়। এটা তারা করে শাসনকে টিকিয়ে রাখার স্বার্থেই। এজন্য তারা ফার্সি, উর্দু, আরবী, সংস্কৃতি ইত্যাদি প্রাচ্যদেশীয় ভাষায় অবিশ্বাস্য পাণ্ডিত্য অর্জন করল। এই পণ্ডিতদেরকে বোঝানোর জন্য ইংরেজি ভাষায় একটি শব্দই সৃষ্টি হলো- Orientalist বা প্রাচ্যবিদ। ইংরেজ শাসকরা যেন মুসলিমদের ইতিহাস ও শিক্ষা-সংস্কৃতি সম্পর্কে সহজে জ্ঞানলাভ করতে পারে এবং সে অনুযায়ী রাষ্ট্রনীতি নির্ধারণ করতে পারে সেজন্য মুসলিমদের লেখা প্রায় প্রতিটি বই তা যে ভাষাতেই হোক না কেন, সেগুলির অনুবাদ করে ফেলল। নিজেরাও লিখল রসুলাল্লাহর জীবন ইতিহাস, কোর’আনের তাফসির, ইসলামের ইতিহাস। ইংরেজরা এই কয়েক শতাব্দীতে কয়েক হাজার মৌলিক গ্রন্থ রচনা করেছেন যেগুলিতে তারা প্রাচ্যদেশীয় মানুষের অনুসৃত ধর্ম, ইতিহাস ও সংস্কৃতির পুঙ্খানুপুঙ্খ বিচার বিশ্লেষণ সন্নিবেশ করেছেন। স্বভাবতই এগুলি তারা লিখেছিল প্রধানত রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধির জন্য, তাই এগুলিতে ইতিহাসের ব্যাপকভাবে বিকৃতি-সাধন করা হয়েছে, নিজেদের ইসলাম বিদ্বেষ সেগুলিতে প্রতিফলিত হয়েছে।
মুসলিমদেরকে পদানত রাখার জন্য এই প্রাচ্যবিদ পণ্ডিতরা কী সাংঘাতিক পরিশ্রম ও ষড়যন্ত্র করেছিলেন তা বর্তমানে ইতিহাসের এক গোপন করা অধ্যায়। আমাদের দেশে বিকৃত ইতিহাস পরিবেশনের জন্য ইংরেজরা বহুলাংশে দায়ী হলেও তাঁদের কূটনৈতিক জ্ঞান ও সুদূরপ্রসারী চিন্তাধারার প্রশংসা করতেই হয়। তারা তস্কর হলেও প্রতিভাবান তস্কর একথা নিরপেক্ষ বিচারে না বলে উপায় নেই। তাঁরা বুঝেছেন, ইতিহাসে ভেজাল দিয়েই ভারতবাসীকে অন্ধকারে রাখা সম্ভব এবং এ ইতিহাসের মাধ্যমেই হিন্দু-মুসলমানের বিভেদ সৃষ্টি করা যাবে। সে উদ্দেশ্যেই ইতিহাস-স্রষ্টা মুসলিম জাতির অক্লান্ত পরিশ্রমের রচনা-সম্ভার আরবি, ফার্সি ও উর্দু ইতিহাসগুলোর প্রায় প্রত্যেকটি অধ্যয়ন, গবেষণা ও অনুবাদ করতে তাঁরা যে অধ্যবসায় ও পরিশ্রমশীলতার দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন তা অনস্বীকার্য এবং উল্লেখযোগ্য।
উদাহরণ দিয়ে বলা যায়-
(১) আব্বাস শেরওয়ানির লেখা তোহফায়ে আকবর শাহী, জিয়াউদ্দিন বারনীর লেখা তারিখে ফিরোজশাহী, আবদুর হামিদ খানের বাদশাহনামা এবং মুহাম্মদ আলীর লেখা চাচানামা, ফাতাহনামা ও মিনহাজুল মাসালিকের অনুবাদ করেছেন যুগ্মভাবে মি: ইলিয়ট ও মি: ডওসন।
(২) মিনজাউদ্দিন সিরাজের তাবাকাতে নাসিরির অনুবাদক এইচ.জি. রেভার্টি।
(৩) আলী হাসানের সিয়াসাতনামার অনুবাদক মি: শেফার।
(৪) ইউসুফের কিতাবুল খারাজের অনুবাদ করেছেন মি: ই. ফাগনন।
(৫) আবু তালেব লিখিত মালফুজাতে তাইমুরির অনুবাদ মি: মেজর ডাভি।
(৬) বায়হাকির তারিখে সুবুক্তগীনের অনুবাদক মি: ডব্লু এইচ. মোরাবি।
(৭) আবুল ফজলের আকবরনামার তৃতীয় খণ্ডের অনুবাদ করেছেন মি: হেনরী বেভারিজ।
(৮) আইন-ই-আকবরীর দ্বিতীয় ও তৃতীয় খণ্ডের অনুবাদ করেছেন মি: এইচ এস, জারেট এবং প্রথম খণ্ডের অনুবাদ করেছেন মি: এইচ, লো এবং স্যার ডব্লু হেইগ।
(৯) মাওয়ার্দির আল-আহকামে সুলতানিয়ার অনুবাদ করেছেন যুগ্মভাবে মি: স্ট্ররগ ও মি: আঘনিডস।
(১০) বালাজুরির ফাতহুল বুলদানের তরজমা করেছেন মি: ডি. কোজে।
(১১) আল বিরুনীর কিতাবুল হিন্দের অনুবাদ করেছেন মি: ই.সি.সাচান।
(১২) ইবনুল আসির লিখিত তারিখুল কামিলের অনুবাদক হচ্ছেন মি: টর্নবার্গ।
(১৩) মুসলিম মহিলা ঐতিহাসিক গুলবদন বেগম লিখিত হুমায়ুুননামার ইংরেজি অনুবাদ করেছেন মিসেস বেভারিজ।
(১৪) বাদশা জাহাঙ্গীরের লেখা তুজুকে জাহাঙ্গীরীর অনুবাদক যুগ্মভাবে মি: রজার ও মি: বেভারিজ।
(১৫) মির্জা হায়দারের লেখা তারিখে রশীদীর ইংরেজি করেছে মি: ই. ডি. রস।
(১৬) কাফি খানের মুনতাখাবুল লুবাবের অনুবাদ করেছেন স্যার ডব্লু হেইগ।
(১৭) হেদায়া’র মতো গ্রন্থের অনুবাদ করেছেন চার্লস হ্যামিল্টন।
(১৮) পর্যটক ইবনে বতুতার পর্যটনের কাহিনী লিখিত গ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদ করেছেন মি: এইচ. এ. আর গিবন প্রমুখ।
এগুলি সামান্য কয়েকটি উদাহরণ মাত্র, পাঠকের ধৈর্যচ্যুতির আশঙ্কায় এখানেই থামলাম। এই অনুবাদ গ্রন্থগুলিতে মূল তথ্যের সাথে কোন্ কায়দায় কোন্ ভেজাল কিভাবে সংমিশ্রণ করতে হয় এ বিষয়ে অধিকাংশ ক্ষেত্রে অনুবাদকগণ ‘নিপুণ শিল্পী’র পরিচয় দিয়েছেন। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হচ্ছে, ব্রিটিশ পরবর্তী ভারতীয় জনগোষ্ঠী তাদের পূর্বতন সরকারি ভাষা ফার্সিসহ আরবি ও উর্দুর সঙ্গে সম্পর্কহীন হয়ে পড়ায় মূল গ্রন্থগুলি পাঠ করে এর নির্যাস গ্রহণের ক্ষমতা হারিয়ে ফেলল। তখন তাদের ভরসা ইংরেজদের করা উপরোক্ত বইয়ের অনুবাদগুলি। সেগুলির সহায়তা নিয়েই এ অঞ্চলের ঐতিহাসিকগণ ইতিহাস রচনা করেছেন এবং এখনও করে যাচ্ছেন। তাদের কেবল ইসলামের ইতিহাস ও শিক্ষাই নয়, সনাতন ধর্মগ্রন্থ এবং বৌদ্ধ ধর্মগ্রন্থের মধ্যেও তারা বিকৃতি ও ভেজাল মিশিয়ে গেছেন, কারণ এ ধর্মের অনুসারীরাই এতদঅঞ্চলে সংখ্যাগরিষ্ঠ।
‘বাংলা ও বাঙালীর ইতিহাস’ বইয়ে শ্রী ধনঞ্জয় দাস মজুমদার লিখেছেন: “ইংরেজগণ তখন শাসকজাতি ছিলেন। ভারতের আর্যগোষ্ঠীর বহির্ভূত পণ্ডিত ও ঐতিহাসিকগণের মধ্যে বাংলার ইংরেজের সংস্কৃতিতে অভিজাত ও বেতনভুক্ত ঐতিহাসিক ও শাস্ত্রকারগণ তাঁদের ইচ্ছামত শাস্ত্রগ্রন্থের বহু তালপত্র বদলিয়ে তাঁদের ইচ্ছামত শ্লোক প্রক্ষিপ্ত করেন। আবার বহু তালপত্র ধ্বংস করিয়াছেন। এই শাসক গোষ্ঠীর ভারত শাসনের সুবিধার জন্য তাঁরা হিন্দুশাস্ত্রের বহু তথ্য গোপন, বহু তথ্য বিকৃত এবং বহু মিথ্যা প্রক্ষিপ্ত করিয়া যে মিথ্যা ইতিহাস প্রস্তুত করেছেন তাহার বহু প্রমাণ দেওয়া হয়েছে। বিভেদের সুযোগে ইংরেজ রাজত্ব চিরস্থায়ী করতে চেষ্টা করেন। এইজন্য তারা তাদের অনুগত হিন্দুদেরকে এইরূপ মিথ্যা ইতিহাস লিখতে অনুপ্রেরণা দিয়েছিল।” (পৃষ্ঠা ৬৬-৬৭)
ভারতের বিখ্যাত নেতা স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ও এ প্রসঙ্গে লিখেছেন: “অনেক বৌদ্ধ গ্রন্থের দু’ একটি স্থল ঈষৎ পরিবর্তনপূর্বক কোথাও বা প্রমাণসূত্রটিকে বদলিয়ে সমগ্র গ্রন্থখানিকে ‘হিন্দু’ করে তোলা হয়েছে। পরবর্তীকালে ভাষার পরিমার্জনের সাথে সাথে বাঙ্গলার আদি কবি কৃত্তিবাসও ‘পরিমার্জিত’ হয়েছেন। কবির কাব্য পরি®কৃত করতে যেয়ে সংশোধকগণ আবর্জনা রাশির দ্বারা কৃত্তিবাসকে আচ্ছন্ন করে ফেলেছেন। এটা ছাড়া অন্যান্য পুরাণ, উপপুরাণ হতে মনোরম অংশও লিপিকারগণ বেছে এনে কৃত্তিবাসে জুড়ে দিয়েছেন।” (সমালোচনা সংগ্রহ-কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়, চতুর্থ সংস্করণ, পৃষ্ঠা: ২৮৩-২৮৪)
তাহলে ইতিহাস, সাহিত্য, প্রবন্ধ ইত্যাদিতে ভেজাল দেয়ার কথা প্রমাণিত হচ্ছে। এছাড়া আর একটি দিক হচ্ছেÑ ব্রিটিশ আমলে এবং তার পরবর্তীতে রচিত সরকারি ইতিহাসের সাথে বেসরকারি ইতিহাসের পার্থক্য কতটুকু। এ সম্বন্ধে রমেশচন্দ্র মজুমদারের ভাষায় বলছি: “এটা কিছুতেই ভুললে চলবে না যে, সরকারি ইতিহাস এবং পণ্ডিতসুলভ (Academic) ইতিহাসের মধ্যে আদর্শ উদ্দেশ্য এবং দৃষ্টিভঙ্গিতে পার্থক্য থাকবেই। সেইজন্য বেসরকারি ইতিহাসের একটি বিশেষ দায়িত্ব হলো সরকারি ইতিহাসের প্রকৃতির উপর দৃষ্টি রাখা। ভারতের জাতীয়তাবাদী ইতিহাস, স্বধীনতা সংগ্রামের ইতিবৃত্তও নিরপেক্ষ গবেষণার কষ্টিপাথরে যাচাই হওয়া উচিত। হয়তো তার ফলে, প্রচলিত কিছু অলীক ধারণা ধূলিসাৎ হবে। ব্যক্তি বিশেষের প্রতিষ্ঠার বুনিয়াদ ভেঙ্গে পড়বে। তার ফলেই প্রমাণ হবে প্রকৃত ইতিহাস রচনার সার্থকতা।”
এ প্রসঙ্গে ভারত উপমহাদেশের ইতিহাসের অন্যতম দিকপাল শ্রীমতী রোমিলা থাপার বলেন: -“স্কুল-কলেজের পাঠ্য ইতিহাসের বই সত্যিই সেকেলে এবং অজস্র ভুল তত্ত্ব ও তথ্যে ভরা। কিন্তু পাঠ্যপুস্তকের অনুমোদন সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকার কিংবা শিক্ষা পর্ষদের এখতিয়ার। অথচ ভারপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ইতিহাসের লোক ননÑহয় আমলা, নয় রাজনীতিবিদ, যাঁরা কখনও ইতিহাস পড়েন নি অথবা ৬০/৭০ বছর আগেকার দু’একটা বই মনে করে পড়ছেন। রাজনীতিবিদদের ইতিহাস চেতনার কথা আর নাই বা বললাম, ইতিহাসের মধ্যে নিজের দল গোষ্ঠী বা সম্প্রদায়ের স্বার্থ খোঁজাই এদের কাজ”
আর রবীন্দ্রনাথ বলেছেন, “ভারতবর্ষের যে ইতিহাস আমরা পড়ি এবং মুখস্ত করে পরীক্ষা দেই তা ভারতবর্ষের ইতিহাসের এক দুঃস্বপ্নের কাহিনী মাত্র।”
ভারত উপমহাদেশে ক্যান্সারের মতো সবচেয়ে বড় ব্যাধি হচ্ছে সাম্প্রদায়িকতা। এটাকে নির্মূল করতে হলে, আমাদের ধারণায় সর্বাগ্রে সঠিক ইতিহাস পরিবেশন অবশ্য কর্তব্য।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

দুষ্টের দমনে সাংবাদিকদের কলমকে তরবারির মতো ব্যবহারের আহ্বান

দুষ্টের দমনে সাংবাদিকদের কলমকে তরবারির মতো ব্যবহারের আহ্বান
মাদারীপুর প্রতিনিধি: মাদারীপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক ও কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক খোন্দকার মাশুকুর রহমান মাশুক সাংবাদিকদের সমাজ পরিবর্তনের কারিগর হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, সমাজ…
 ১২ জুন ২০২৬    ঢাকা

গাইবান্ধায় পানের হাট দখল নিয়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, এলাকায় উত্তেজনা

গাইবান্ধায় পানের হাট দখল নিয়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, এলাকায় উত্তেজনা
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় পানের হাট দখল ও নিয়ন্ত্রণ নেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ককটেল বিস্ফোরণও হয় বলে জানিয়েছেন…
 ১১ জুন ২০২৬    নির্বাচিত

শ্রীপুরে পল্লী বিদ্যুতের গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর, অবরুদ্ধ কর্মকর্তাদের উদ্ধার করল পুলিশ

শ্রীপুরে পল্লী বিদ্যুতের গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর, অবরুদ্ধ কর্মকর্তাদের উদ্ধার করল পুলিশ
শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি: গাজীপুরের শ্রীপুরে এমসি বাজার এলাকায় এক সাবেক ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে পল্লী বিদ্যুতের কর্মকর্তা ও লাইনম্যানদের ওপর হামলা, মারধর এবং গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ…
 ১১ জুন ২০২৬    ঢাকা

কিশোরগঞ্জে ট্রাকচাপায় অটোরিকশার ২ যাত্রী নিহত, আহত ৩

কিশোরগঞ্জে ট্রাকচাপায় অটোরিকশার ২ যাত্রী নিহত, আহত ৩
কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলায় পণ্যবাহী ট্রাকের চাপায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার দুই যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত তিনজন। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) ভোরে উপজেলার শ্রীরামদী…
 ১১ জুন ২০২৬    ঢাকা

নদীভাঙনে ছোট হচ্ছে বরিশালের মানচিত্র: বছরে বাস্তুহারা লক্ষাধিক মানুষ

নদীভাঙনে ছোট হচ্ছে বরিশালের মানচিত্র: বছরে বাস্তুহারা লক্ষাধিক মানুষ
নদীবেষ্টিত জেলা বরিশালের চারদিক দিয়ে বয়ে চলেছে কীর্তনখোলা, পদ্মা ও মেঘনাসহ অসংখ্য নদী। এসব নদীর অব্যাহত ভাঙনে প্রতি বছর বদলে যাচ্ছে জেলার মানচিত্র। মাইলের পর…
 ১০ জুন ২০২৬    নির্বাচিত

ইসরায়েল-ইরান সংঘাত থামার আগেই শুরু হলো যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের নতুন উত্তেজনা

ইসরায়েল-ইরান সংঘাত থামার আগেই শুরু হলো যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের নতুন উত্তেজনা
ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সাম্প্রতিক হামলা ও পাল্টা হামলার পর পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হলেও নতুন করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা শুরু…
 ১০ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

ইসলামী ব্যাংক দখলের পর এখন বেদখল হওয়ার যাতনা স্বাভাবিক: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ইসলামী ব্যাংক দখলের পর এখন বেদখল হওয়ার যাতনা স্বাভাবিক: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ইসলামী ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে জাতীয় সংসদে কঠোর বক্তব্য দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মঙ্গলবার বাজেট অধিবেশনে বিরোধী দলীয় নেতার আনা একটি নোটিশের ওপর আলোচনায়…
 ৯ জুন ২০২৬    জাতীয়

সরিষাবাড়িতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা বিতরণ

সরিষাবাড়িতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা বিতরণ
সরিষাবাড়ি (জামালপুর) প্রতিনিধি: জামালপুরের সরিষাবাড়িতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বিশেষ উন্নয়ন সহায়তা কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন সামগ্রী ও শিক্ষাবৃত্তি বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে প্রশাসনিক…
 ৯ জুন ২০২৬    ঢাকা

জৈনা বাজার ঔষধ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির নতুন কমিটি গঠন

জৈনা বাজার ঔষধ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির নতুন কমিটি গঠন
শ্রীপুর (গাজীপুর) সংবাদদাতা: গাজীপুরের শ্রীপুরে জৈনা বাজার ঔষধ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন এবং পরিচিতি সভা হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১১টায় উপজেলার জৈনা বাজারে সমিতির…
 ৯ জুন ২০২৬    ঢাকা

ইরানের হুঁশিয়ারি উপেক্ষা করে লেবাননে ইসরায়েলের হামলা, নিহত ৮

ইরানের হুঁশিয়ারি উপেক্ষা করে লেবাননে ইসরায়েলের হামলা, নিহত ৮
লেবাননে হামলা চললে কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিল ইরান। তবে সেই সতর্কবার্তা উপেক্ষা করেই মঙ্গলবার সকালে দক্ষিণ লেবাননের তায়ের বন্দর নগরীতে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি…
 ৯ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

শ্রীপুরের সাবেক মেয়র আনিছুর রহমানের মৃত্যু, শোকে মারা গেলে ছোট বোন

শ্রীপুরের সাবেক মেয়র আনিছুর রহমানের মৃত্যু, শোকে মারা গেলে ছোট বোন
শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি: গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র আনিছুর রহমান ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। রোববার দুপুরে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি শেষ…
 ৭ জুন ২০২৬    ঢাকা

সড়কে বর্জ্য দেখে ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী, দুই সিটি কর্মকর্তা বরখাস্ত

সড়কে বর্জ্য দেখে ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী, দুই সিটি কর্মকর্তা বরখাস্ত
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় কোরবানির পশুর বর্জ্য ও ময়লা জমে থাকায় ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের দুই আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। শুক্রবার…
 ৩০ মে ২০২৬    জাতীয়

দেশে হামে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৫৭৫

দেশে হামে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৫৭৫
দেশে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১০ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে দুই জন নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত ছিল এবং বাকি…
 ৩০ মে ২০২৬    জাতীয়

কোরবানির দুই দিনে আহত হয়ে ঢামেকে ২৭২ জনের চিকিৎসা

কোরবানির দুই দিনে আহত হয়ে ঢামেকে ২৭২ জনের চিকিৎসা
কোরবানির পশু জবাই ও মাংস কাটার সময় আহত হয়ে ঈদের দিন ও পরের দিন মিলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ২৭২ জন চিকিৎসা নিয়েছেন। এদের…
 ৩০ মে ২০২৬    জাতীয়

রাজধানীর আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ৬ শিশুর মৃত্যু

রাজধানীর আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ৬ শিশুর মৃত্যু
রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একসঙ্গে ছয় শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। বুধবার সকালে এই হৃদয়বিদারক খবরটি জানাজানি হওয়ার পর পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি…
 ২৭ মে ২০২৬    জাতীয়