প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   সময় এসেছে প্রচলিত সিস্টেমকে পরিবর্তন...

সময় এসেছে প্রচলিত সিস্টেমকে পরিবর্তন করার

২৯ মে ২০১৫ ০৭:২০ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

সাইফুর রহমান, হেযবুত তওহীদ:
আমরা অনেক দেখেছি অবরোধের নামে জ্বালাও-পোড়াও, ভাংচুর আর ককটেল আতঙ্ক। অপরপক্ষে সমানুপাতিকহারে গ্রেফতার, রিমান্ডের নামে বিরোধী দলের উপর দমন-পীড়ন। ঊভয়পক্ষের ক্ষমতার লড়াইয়ের মধ্যে পড়ে সাধারণ জনগণের প্রাণ ওষ্ঠাগত। এ যেন রাজনীতিকদের স্বাধীন বাংলা, সাধারণ জনগণের নয়। অন্য যেকোনো সময়ের তুলনায় বর্তমান বাংলাদেশ কঠিনতম সময় অতিক্রম করছে। সহিংসতা ও বর্বরতার দৃশ্য দেখতে দেখতে দেশের জনগণ অনেকটাই বিমূঢ় হয়ে পড়েছেন। এমন সহিংসতা বাঙ্গালির স্বাধীনতা পরবর্তী জাতীয় ইতিহাসে খুব কমই এসেছে। কাজেই এটাকে চিরাচরিত নিয়ম বলে উড়িয়ে দেবার কোনো কারণ নেই। একটু গভীরভাবে চিন্তা করলে এই সিদ্ধান্তে আসা কষ্টকর হবে না যে, এই সবগুলো ঘটনারই মূল হলো একটাই, তথাকথিত গণতন্ত্র। বলা হয়ে থাকে ১৯৭১ সালের অর্জিত স্বাধীনতার পরিপূর্ণতা এসেছে ১৯৯১ সালে। রক্তে রঞ্জিত রাজপথের উপর দিয়ে দেশ কাঁপানো আন্দোলনের ফলশ্র“তিতে গণতন্ত্র কার্যকর করার পরই নাকি এদেশের মানুষ প্রকৃত স্বাধীনতার নিঃশ্বাস নিতে পেরেছে। কথাটির সাথে বাস্তবতাকে হয়তবা অনেকেই মেলাতে পারবেন না। তাই তাদের সেই মতবাদকে স্বপ্রণোদিত হয়ে বাস্তবতার সাথে মিলিয়ে দেওয়ার প্রয়োজন বোধ কোরছি। এ বিষয়ে আশা করি সকলেই একমত হবেন যে, স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে রক্ষা করা কঠিন। যেহেতু আমাদের রাজনীতিকরা গণতন্ত্রকেই স্বাধীনতার গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান হিসেবে বিশ্বাস করেন হয়তোবা এই কারণেই গণতন্ত্র রক্ষা কোরতে ব্যস্ত হোয়ে পোড়েছেন। রাজনৈতিকভাবে বাংলাদেশ আজ দুই ভাগে বিভক্ত একথার সাথে দ্বিমত পোষণ করা মোটেও সম্ভব নয়। আর এই দুই ভাগের দৃষ্টিতে গণতন্ত্রও দুই রকমের। তারা উভয়ভাগই গণতন্ত্রের ধ্বজাধারী সেজে পরস্পরকে গণতন্ত্র বিধ্বংসী হিসেবে চিহ্নিত কোরতে ব্যস্ত। সরকার বোলছেন- গণতন্ত্রকে নস্যাৎ করার ষড়যন্ত্র হিসেবে বিরোধীদল হরতাল, অবরোধ, হামলা, ভাংচুর, জালাও-পোড়াও কোরছে। তারা নিরীহ মানুষদেরকে হত্যা কোরছে, জনসাধারণের জীবনজীবিকাকে হুমকীর মুখে ঠেলে দিচ্ছে, সারা দেশে বোমা, ককটেল আর লাঠি-সোটা দিয়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে মানুষকে জিম্মি করে ফায়দা লুটতে চাচ্ছে। তারা দেশের শত্রু, জাতির শত্রু, গণতন্ত্রের শত্রু। তাদেরকে রুখে দেওয়া এখন সরকারের মানবিক দায়িত্ব। তাই দেখা যায় জাতির স্বার্থে, গণতন্ত্রের স্বার্থে সরকারও হার্ডলাইনে যাচ্ছে। যত্রতত্র লাশ পড়ছে। যাদের লাশ পড়ছে তারাতো কর্তৃপক্ষের চোখে সমাজবিরোধী আগে থেকেই প্রমাণিত।
বিরোধীদলের দিকে তাকালে দেখা যায় তারা মোটেও সরকারকে বৈধ মনে করে না। তারা বহু পূর্বে থেকেই সরকারকে স্বৈরশাসক, ফ্যাসিবাদী আখ্যা দিয়ে রেখেছে। তাদের চোখে গণতন্ত্র হারিয়েছে অনেক আগেই। কাজেই তারা বাংলাদেশের হারিয়ে যাওয়া গণতন্ত্রকে পুণরুদ্ধার করার জন্য আন্দোলন-সহিংসতা কোরছেন। আর তাই এরশাদ আমলে যেমন কোমর বেঁধে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে নেমেছিলেন আজও ঠিক একই উদ্দেশ্যে নেমেছেন। তারা দেশবাসীর জন্য আন্দোলন কোরছেন, জীবন দিচ্ছেন। তাদের কথা যুক্তিও ফেলে দেওয়ার মতো নয়।
তাহোলে কী অবস্থা দাঁড়ালো? সরকার আর বিরোধীদল উভয়ই গণতন্ত্রের জন্য মারামারি, কাটাকাটি, গোলাগুলি, বোমাবাজি, হরতাল, গ্রেফতার বা রিমান্ড ইত্যাদি কোরছেন। তারা প্রত্যেকেই নিজেদেরকে জনগণের পক্ষের শক্তি দাবি করে পরস্পরকে ঘায়েল কোরতে আপ্রাণ চেষ্টা কোরে চোলেছেন। কিন্তু এতে জনগণের কি উপকার হচ্ছে? এক পক্ষ জনতার দাবির কথা বলে হরতাল দিচ্ছে, বোমা মারছে, ককটেল ফাটাচ্ছে, যাত্রীবাহী বাসে আগুন দিচ্ছে আবার আরেক পক্ষও সেই একই দাবি, গণতন্ত্র রক্ষার কথা বলে তাদেরকে দমন করছে। দু:খের বিষয় হোল এই অমানবিক কাজগুলো জনতার কল্যাণে, জনতার স্বাধীনতা আনয়নের জন্য চালানো হোলেও পরিণাম ভোগ করতে হচ্ছে জনতাকেই। সাধারণ রিক্সাচালক থেকে শুরু কোরে ১৪ বছরের শিশুও এই নৃশংস কর্মকাণ্ডের ফল ভোগ করা থেকে রেহাই পাচ্ছে না। সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ যাদের একদিন কাজ বন্ধ থাকলে পরিবার পরিজন নিয়ে উপোস থাকতে হোচ্ছে। সকল ভয়-ডর পশ্চাতে ফেলে যারা রাস্তায় জীবিকার সন্ধানে বের হোচ্ছেন তারাও প্রতিটি মুহূর্তে তাদের জীবন নিয়ে আতঙ্কে ভুগছেন, জীবন দিচ্ছেন, আহত হচ্ছেন, অঙ্গ হারাচ্ছেন। কারণ, রাজপথ এখন আর জনসাধারণের অবাধ বিচরণের উপযুক্ত নয়, রাজপথ এখন রাজনৈতিক কর্মীদের যুদ্ধ ময়দান। গণতন্ত্র রক্ষার যুদ্ধ! জনসাধারণের গণতান্ত্রিক স্বাধীনতা রক্ষার যুদ্ধ! জনকল্যাণের এই যুদ্ধে ৫/১০ টা জনতার লাশ তাদের কাছে আনুষঙ্গিক ক্ষয়ক্ষতি মাত্র!
-সরকার ও বিরোধীদল উভয়েই গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলনে নেমেছেন, কারণ বাংলাদেশের মানুষ গণতন্ত্র চায়। তারা গণতান্ত্রিক সিস্টেমের ফাঁদে পড়ে একের পর এক জীবন হারিয়ে চোলেছে কিন্তু তবুও গণতন্ত্রের বাইরে গিয়ে কোনো কিছুকে গ্রহণ করার কথা ভুলেও চিন্তুা করে না। তাদের চাওয়ার বাস্তবায়নেই মূলত সরকার ও বিরোধীদল গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলনে নেমেছেন। কাজেই এটা জনগণের জন্য একটি আশার আলো।
এই পরিস্থিতি থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য অনেকে বোলছেন তৃতীয় শক্তির উত্থানের কথা। কিন্তু প্রশ্ন হোচ্ছে তৃতীয় শক্তি অন্য কোন দল যদি ক্ষমতায় আসে তবে সে যে একই আচরণ করবে না তার কী নিশ্চয়তা আছে? যে দলই ক্ষমতায় আসুক তার নাম হবে সরকারি দল, বাকিরা হবে বিরোধী দল। সুতরাং দৃশ্যপটে শুধু নায়ক পরিবর্তন হবে, ঘটনা প্রবাহের বিশেষ কোন পরিবর্তন আসবে না এটা নিশ্চিত বলা যায়। এখানে বি. এন. পি বা আওয়ামীলীগ কোন বিষয় নয়, বিষয় হোল সিস্টেম। প্রচলিত গণতান্ত্রিক সিস্টেমে যে দলই ক্ষমতায় আসুক, আর যে পক্ষই বিরোধী দলে থাকুক তাদের তো এই গণতান্ত্রিক আচরণ (হরতাল, অবরোধ, ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ; গ্রেফতার, রিমান্ড, মিথ্যা মামলা, হয়রানি ইত্যাদি) কোরতেই হবে।
সুতরাং আজ সময় এসেছে দলাদলি ও বিভেদের এই প্রচলিত সিস্টেম তথা গণতন্ত্রকে নির্বাসন দিয়ে ১৬ কোটি মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হবার। যদি আমরা শান্তি, প্রগতি, উন্নতি চায় তবে অবশ্যই সত্য, ন্যায় ও হকের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে, আল্লাহর দেওয়া সিস্টেম গ্রহণ কোরতে হবে।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

মাদারীপুর সরকারি কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের ঘোষণা এমপি জাহান্দার আলীর

মাদারীপুর সরকারি কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের ঘোষণা এমপি জাহান্দার আলীর
মাদারীপুর সরকারি কলেজের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের নবীনবরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আজ মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে…
 ১৪ জুলাই ২০২৬    ঢাকা

শ্রীপুরে পোশাক কারখানায় হঠাৎ অর্ধশতাধিক শ্রমিক অসুস্থ, ছুটি ঘোষণা

শ্রীপুরে পোশাক কারখানায় হঠাৎ অর্ধশতাধিক শ্রমিক অসুস্থ, ছুটি ঘোষণা
গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের টেপিরবাড়ি এলাকায় অবস্থিত ‘কালার অ্যান্ড কোং লিমিটেড কারখানায় প্রায় অর্ধশতাধিক শ্রমিক হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। পরে পরিস্থিতি বিবেচনায় কর্তৃপক্ষ আজ কারখানার…
 ৭ জুলাই ২০২৬    ঢাকা

টাঙ্গাইলে পরিত্যক্ত কূপে ছাগলছানা বাঁচাতে গিয়ে বাবা-ছেলেসহ চারজনের মৃত্যু

টাঙ্গাইলে পরিত্যক্ত কূপে ছাগলছানা বাঁচাতে গিয়ে বাবা-ছেলেসহ চারজনের মৃত্যু
টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলায় একটি পরিত্যক্ত কূপে পড়ে যাওয়া ছাগলছানা উদ্ধার করতে গিয়ে একই পরিবারের ও প্রতিবেশীদের চারজন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। আজ শনিবার (২০…
 ২০ জুন ২০২৬    ঢাকা

কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপে স্বর্ণপদক জিতলেন পটুয়াখালীর নুর-ই-জান্নাত

কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপে স্বর্ণপদক জিতলেন পটুয়াখালীর নুর-ই-জান্নাত
পটুয়াখালী প্রতিনিধি: ঢাকার শহীদ নূর হোসেন জাতীয় ভলিবল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘শিহান হুমায়ুন কবির জুয়েল মেমোরিয়াল ৫ম কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬’-এ স্বর্ণপদক জিতেছেন পটুয়াখালীর মেয়ে নুর-ই-জান্নাত। শুক্রবার (১৯…
 ২০ জুন ২০২৬    বরিশাল

বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থার ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থার ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন
বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থা বাংলাদেশের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ৫১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে। নবগঠিত এই কমিটিতে শওকত সরদারকে সভাপতি, সোলায়মান পলাশকে সাধারণ সম্পাদক…
 ১৯ জুন ২০২৬    জাতীয়

মহাখালীতে সাবেক ছাত্রনেতাদের আলোচনা ও দোয়া মাহফিল

মহাখালীতে সাবেক ছাত্রনেতাদের আলোচনা ও দোয়া মাহফিল
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকারের সাফল্য কামনা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসাধীন বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও সাবেক সংসদ সদস্য নাজিমুদ্দিন আলমের সুস্থতা কামনায় আলোচনা ও দোয়া…
 ১৯ জুন ২০২৬    ঢাকা

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক: যা থাকছে ১৪ দফার চুক্তিতে

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক: যা থাকছে ১৪ দফার চুক্তিতে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি সম্প্রসারণের লক্ষ্যে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত এবং কার্যকর হয়েছে। ফ্রান্সের এভিয়ান-লে-বাঁ এলাকায় অনুষ্ঠিত জি৭ সম্মেলনে অংশ নেওয়ার সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট…
 ১৮ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

কুমিল্লায় কোদালের কোপে বড় ভাইকে হত্যা, ছোট ভাই গ্রেফতার

কুমিল্লায় কোদালের কোপে বড় ভাইকে হত্যা, ছোট ভাই গ্রেফতার
কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় পারিবারিক বিরোধের জেরে বড় ভাইকে কোদাল দিয়ে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার আপন ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে। বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে উপজেলার জগতপুর…
 ১৮ জুন ২০২৬    চট্টগ্রাম

বিশ্ববাজারে আবার ঊর্ধ্বমুখী স্বর্ণের দাম, নেপথ্যে যে কারণ

বিশ্ববাজারে আবার ঊর্ধ্বমুখী স্বর্ণের দাম, নেপথ্যে যে কারণ
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্পাদিত অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তির জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমেছে। এর ফলে বিশ্ববাজারে মূল্যস্ফীতির চাপ কমার ঘুরে দাঁড়িয়েছে স্বর্ণের বাজার। আজ…
 ১৮ জুন ২০২৬    অর্থনীতি

নারীদের বৃহত্তর অংশগ্রহণে জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

নারীদের বৃহত্তর অংশগ্রহণে জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক সংকট ও মানবিক চ্যালেঞ্জের প্রেক্ষাপটে মানবিক সহায়তা জোরদার করা এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় নারীদের আরও বেশি অংশগ্রহণ নিশ্চিত…
 ১৮ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

নোয়াখালীতে বীর বিক্রম আবদুল মালেকের পরিবারের জমি দখলের চেষ্টা, থানায় অভিযোগ

নোয়াখালীতে বীর বিক্রম আবদুল মালেকের পরিবারের জমি দখলের চেষ্টা, থানায় অভিযোগ
নোয়াখালী প্রতিনিধি: নোয়াখালী সদর উপজেলার এওজবালিয়া ইউনিয়নে প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মালেক বীর বিক্রমের পরিবারের জমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা করার অভিযোগ উঠেছে। এই…
 ১৭ জুন ২০২৬    চট্টগ্রাম

এআইয়ের প্রভাব: চাকরির বাজারে মূল্যহীন ১২ হাজার ডিগ্রি বাতিল করল চীন

এআইয়ের প্রভাব: চাকরির বাজারে মূল্যহীন ১২ হাজার ডিগ্রি বাতিল করল চীন
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশের কারণে চীন তাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রায় ১২ হাজার কলা, মানবিক ও ভাষাবিষয়ক ডিগ্রি বাতিল করেছে। দেশটি এখন প্রযুক্তি ও এআইভিত্তিক…
 ১৭ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

প্রথমবার ইউএনএইচসিআর নির্বাহী কমিটির ব্যুরোর সভাপতির দায়িত্বে বাংলাদেশ

প্রথমবার ইউএনএইচসিআর নির্বাহী কমিটির ব্যুরোর সভাপতির দায়িত্বে বাংলাদেশ
জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনারের (ইউএনএইচসিআর) নির্বাহী কমিটির (এক্সকম) ব্যুরোর সভাপতি হিসেবে প্রথমবারের মতো দায়িত্ব গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ। জেনেভায় জাতিসংঘ কার্যালয়ে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত নাহিদা…
 ১৭ জুন ২০২৬    জাতীয়

আদিতমারীতে নিখোঁজ শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, সন্দেহভাজনের বাড়িতে আগুন

আদিতমারীতে নিখোঁজ শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, সন্দেহভাজনের বাড়িতে আগুন
লালমনিরহাটের আদিতমারীতে নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর নন্দিনী (৭) নামের এক শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকালে উপজেলার ভেলাবাড়ি ইউনিয়নের ফলিমারী…
 ১৬ জুন ২০২৬    রংপুর

কোরআনের প্রতিশ্রুতি বনাম বর্তমান মুসলিম বিশ্ব

কোরআনের প্রতিশ্রুতি বনাম বর্তমান মুসলিম বিশ্ব
বর্তমান মুসলিম বিশ্বের এই করুণ পরিণতি কোনো নিয়তির নির্মম পরিহাস নয়, বরং তা আল্লাহর বিধান থেকে দূরে সরে যাওয়ারই অবশ্যম্ভাবী ফসল। আমরা নামের শেষে মুসলিম…
 ১৬ জুন ২০২৬    বিশেষ নিবন্ধ