প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   জাতিকে মধ্যপ্রাচ্য থেকে শিক্ষাগ্রহণ করতে...

জাতিকে মধ্যপ্রাচ্য থেকে শিক্ষাগ্রহণ করতে হবে

৩০ মে ২০১৫ ০৬:৪৮ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

জাতিসংঘের হিসাবমতে, সিরিয়ার গৃহযুদ্ধে এ পর্যন্ত ২ লাখ ২০ হাজারের বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন আরও অন্তত ৭০ লাখ। বিভিন্ন দেশে শরণার্থীর জীবন কাটাচ্ছেন তারা। শিক্ষাহীনভাবে বেড়ে উঠছে শিশুরা। দারিদ্র্যের যাঁতাকলে পিষ্ট হচ্ছে তাদের জীবন।
মোহাম্মদ আসাদ আলী:
“আমরা কেউই আসলে ভাবতে পারিনি এ সংকট আমাদের আজকের পরিস্থিতিতে নিয়ে আসবে। শান্তিপূর্ণ গণআন্দোলনে সরকারের কঠোর পদক্ষেপই একে সহিংস লড়াইয়ে পরিণত করে। এর পরিণতি আজ ভয়ংকর হয়ে দেখা দিয়েছে। এখান থেকে উত্তরণে কোনো আশার আলো আর নেই।” সিরিয়ায় গৃহযুদ্ধের ৫ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে দেশটির ভয়াবহ পরিস্থিতি সম্পর্কে এভাবেই অভিমত ব্যক্ত করেন সিরীয় শিক্ষাবিদ ও বিশ্লেষক মারওয়ান কাবালান। দেশটির ভয়াবহতার চিত্র এককথায় হৃদয়বিদারক। প্রতিনিয়ত বেঁচে থাকার লড়াই সেখানে। একেকটি দিন পার হওয়া মানেই একেকটি নতুন জীবন। সেখানে জীবন মানেই যুদ্ধ। ভাইয়ের বিরুদ্ধে ভাইয়ের যুদ্ধ। ৪ বছর অতিক্রম হওয়া সত্ত্বেও সংকট সমাধানের ক্ষীণ আশাও দেখছেন না গৃহযুদ্ধ পীড়িত দেশটির জনগণ।
জাতিসংঘের হিসাবমতে, সিরিয়ার গৃহযুদ্ধে এ পর্যন্ত ২ লাখ ২০ হাজারের বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন আরও অন্তত ৭০ লাখ। বিভিন্ন দেশে শরণার্থীর জীবন কাটাচ্ছেন তারা। শিক্ষাহীনভাবে বেড়ে উঠছে শিশুরা। দারিদ্র্যের যাঁতাকলে পিষ্ট হচ্ছে তাদের জীবন। বিশ্ব দাতা সংস্থাগুলো বলছে, সংকট নিরসনে জাতিসংঘ পুরোপুরি ব্যর্থ। খুবই স্বাভাবিক। একটি জাতি যখন নিজেরাই নিজেদের বিরুদ্ধে অস্ত্র হাতে নেয়, একে অপরকে নিশ্চিহ্ন করে ফেলার প্রতিজ্ঞা করে তখন সে জাতিকে নিশ্চিত ধ্বংসের পথ থেকে ফেরানোর সাধ্য কারও থাকে না।
সিরিয়ার এই ধ্বংসলীলা কীভাবে শুরু হয়েছিল? মধ্যপ্রাচ্যে গণতান্ত্রিক সংস্কারের দাবিতে গড়ে ওঠা কথিত আরব বসন্ত আন্দোলনের রেশ ধরে সিরিয়ার সরকারের বিরুদ্ধে গণআন্দোলন শুরু করে পশ্চিমা মদদপ্রাপ্ত বিরোধী পক্ষ। বিরোধীরা ক্রমেই উগ্রপন্থার দিকে অগ্রসর হলে সরকারও ক্রমশ কঠোরতা প্রদর্শন করতে থাকে। এক পর্যায়ে আন্দোলনকারীদের উপর অস্ত্র ব্যবহার করতে বাধ্য হয় সরকার। দমননীতি গ্রহণের স্বাভাবিক পরিণতিই হচ্ছে সহিংসতা বৃদ্ধি। মুহূর্তের মধ্যে গণজাগরণমূলক আন্দোলনটির সঙ্গে সরকার যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। সুযোগ পেয়ে বিদ্রোহীদের অস্ত্র ও অর্থ দিয়ে প্রত্যক্ষভাবে সহায়তা দিতে শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রসহ পাশ্চাত্যের দেশগুলি এবং মধ্যপ্রাচ্যের আরব রাষ্ট্রগুলো। শুরু হয় ধ্বংসের পথে হতভাগা সিরীয়দের রক্তাক্ত যাত্রা।
মধ্যপ্রাচ্যের আরেকটি ঐতিহ্যবাহী দেশ ইরাক। সাম্রাজ্যবাদের নির্মম আঘাতের দগদগে ঘা নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল দেশটি। কিন্তু অনৈক্য, শিয়া-সুন্নি সংঘাত এবং সাম্রাজ্যবাদের কূটচাল ধ্বংসপ্রাপ্ত সিরিয়ার পাশে দাঁড় করাল ইরাককেও। আবারও পশ্চিমাদের পদতলে দলিত হবার পথে এগোচ্ছে দেশটি। এদিকে লিবিয়ার অবস্থাও ভয়াবহ। আরব বসন্তের রেশ ধরে সেখানেও সরকারবিরোধী গোষ্ঠী গাদ্দাফী সরকারের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক আন্দোলনের ডাক দিলে সরকার অস্ত্রের ভাষায় তার জবাব দেয়। আর সেই সুযোগে বিরোধীদের হাতে অস্ত্র উঠিয়ে দেয় পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদীরা। শুরু হয় গৃহযুদ্ধ। গাদ্দাফী সরকার উৎখাত হয়, কিন্তু যুদ্ধ থেমে থাকে না। বর্তমানে লিবিয়ায় কোনো প্রতিষ্ঠিত সরকার নেই। একেক অঞ্চল শাসন করছে একেক গোষ্ঠী। সারাক্ষণ গুম, খুন, বোমা হামলা, অপহরণের আশঙ্কায় তটস্থ থাকতে হচ্ছে দেশটির সাধারণ জনগণকে। লিবিয়ার মানুষের জন্য পশ্চিমাদের উতলে পড়া দরদ আজ উবে গেছে। তারা এখন ভুলেও লিবিয়ার কথা মুখে আনে না। বস্তুত দীর্ঘদিনের জমে থাকা জাতীয় অনৈক্য, মানুষের তীব্র সরকারবিরোধী মনোভাব এবং ঐক্য গঠনের পরিবর্তে সরকারি দমন-পীড়নই লিবিয়ার এ দুর্দশার জন্য দায়ী।
জাতীয় অনৈক্যের পরিণতিতে ভ্রাতৃঘাতী লড়াই এবং পশ্চিমাদের স্বার্থ উদ্ধারের এই স্রোতে সর্বশেষ গা ভাসিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের আরেকটি ঐতিহ্যবাহী দেশ ইয়েমেন। দেশটির সরকারের বিরুদ্ধে বিরোধী মতাদর্শীদের পুঞ্জিভূত ক্ষোভ চূড়ান্তভাবে যুদ্ধের সূচনা করেছে। পশ্চিমা জোট দেশটির ভাগ্য নিয়ে নতুন খেলা আরম্ভ করেছে। আর সে খেলায় ক্রীড়নকের ভূমিকা পালন করছে সৌদি আরবসহ পশ্চিমা কৃপাভাজন আরব রাষ্ট্রগুলো। সব মিলিয়ে ইয়েমেন পরিণত হতে যাচ্ছে নতুন সিরিয়া, লিবিয়া, ইরাক বা আফগানিস্তানে। বিশ্লেষকরা এই সব কিছুর জন্য দেশটির বহু বছর ধরে লালিত জাতীয় অনৈক্য, ঐক্যপ্রচেষ্টায় উদাসীনতা, এক পক্ষ কর্তৃক অপর পক্ষকে দমন-পীড়ন-নির্যাতন এবং পশ্চিমা ষড়যন্ত্রকে দায়ী করছেন।
মধ্যপ্রাচ্যের এই ঘটনাপূঞ্জি থেকে আমাদেরকে শিক্ষাগ্রহণ করতে হবে। বাংলাদেশেও আজকে কথিত গণতন্ত্রের দাবিতেই সরকারবিরোধীরা আন্দোলন করে যাচ্ছে। তাদের আন্দোলনও বিভিন্ন সময় নাশকতায় রূপ নিচ্ছে। হতাহত হচ্ছে শত-সহস্র নিরীহ-নিরপরাধ সাধারণ মানুষ। চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে সহিংস সরকারবিরোধী আন্দোলনে শুধু আগুনে পুড়েই নির্মমভাবে প্রাণ হারিয়েছে একশ’রও বেশি মানুষ। জীবন্ত দগ্ধ হয়ে হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে কাতরাচ্ছে অনেকেই। আর সরকার যথারীতি সিরিয়া, লিবিয়া, ইয়েমেনের পদাঙ্ক অনুসরণ করে কঠোরহস্তে বিরোধীদের দমনের চেষ্টা করে যাচ্ছে। গণপিটুনি ও ক্রসফায়ারের নামে চলছে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড। কেউ কাউকে এতটুকু ছাড় দিতে প্রস্তুত নয়। কেউ উগ্রতা দেখায় গণতান্ত্রিক অধিকারের জন্য, কেউ দেখায় জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য। উভয়ই চলে জনতার নামে। সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বর্তমানে বিরোধীপক্ষটি সহিংস কর্মসূচি থেকে বিরত রয়েছে, কিন্তু তার মানেই এই নয় যে, সকল সমস্যার সমাধান হয়ে গেছে। ভুলে গেলে চলবে না বাংলাদেশের এই সহিংসতা সংঘটনকারী দলগুলোকে পরোক্ষভাবে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে পশ্চিমা রাষ্ট্র ও সংস্থাগুলো।
সিরিয়া, ইরাক বা ইয়েমেনের সাথে বাংলাদেশের পার্থক্য হচ্ছে আমাদের এখানে সহিংসতার পটভূমি রচিত হয়েছে রাজনীতিকে ঘিরে, ধর্মীয় বিষয় এখানে মুখ্য নয়। কিন্তু এটাও মনে রাখতে হবে, বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষিতে রাজনৈতিক ইস্যুকে ধর্মীয় ইস্যুতে কনভার্ট করতেও খুব বেশি কাঠখড় পোড়াতে হবে না। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, শাহবাগ আন্দোলন ও হেফাজতে ইসলামের আত্মপ্রকাশ, আস্তিক-নাস্তিক বিরোধ এবং ক্রমাগত নাস্তিক ব্লগার হত্যার মতো ঘটনা এটাই প্রমাণ করে যে, বিভিন্ন রাজনীতিক ইস্যুর পাশাপাশি বাংলাদেশে ধর্মীয় ইস্যুও সুপ্ত আগ্নেয়গিরির মতো ভেতরে ভেতরে ক্রিয়াশীল আছে, যা যে কোনো সময় যে কোনো দিকে প্রবাহিত হতে পারে।
আজ আমাদের রাজনীতিকরা এক অশুভ দানবের ইশারায় ক্রীড়নক হয়ে খেলছেন মাত্র। জাতির ভবিষ্যতকে তারা কোন দিকে নিয়ে যাচ্ছেন সে দিকে কোনো খেয়াল নেই তাদের। আজ যদি এই রাজনীতিবিদ, সুশীল সমাজ, পাশাপাশি সর্বস্তরের জনগণ নিজেদের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে এতটাই অপরিণামদর্শী থেকে যান, দেশের স্বার্থ চিন্তা না করে কেবলই নগদ স্বার্থের হিসাব করেন, তাহলে অদূর ভবিষ্যতে হয়তো আমাদেরও কেউ একজন সুজলা, সুফলা, শস্য-শ্যামলা বাংলার ধ্বংসস্তুপের উপর দাঁড়িয়ে মারওয়ান কাবালানের ন্যায় বলবেন, “আমরা কেউই আসলে ভাবতে পারিনি এ সংকট আমাদের আজকের এই মহাবিপর্যয়কর পরিস্থিতিতে নিয়ে আসবে। আজ এখান থেকে উত্তরণের কোনো আশার আলোই আর নেই।”

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

যোদ্ধাজাতির পাঠ: বাঁচতে হলে মরতে শিখো -এম আর হাসান

যোদ্ধাজাতির পাঠ: বাঁচতে হলে মরতে শিখো -এম আর হাসান
দ্বিতীয় হিজরির রমজান মাস। মদিনা থেকে কিছুটা পথ পেরিয়ে মুসলিম বাহিনী যাত্রাবিরতি করেছে ‘বুয়ুতুস সুকয়া’ প্রান্তরে। সুকয়ার কূপে তাঁবু ফেলে রাসুলুল্লাহ (সা.) এক এক করে…
 ২ নভেম্বর ২০২৬    বিশেষ নিবন্ধ

আল্লাহর দেওয়া জীবনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার ডাক -রিয়াদুল হাসান

আল্লাহর দেওয়া জীবনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার ডাক -রিয়াদুল হাসান
আজকের দিনে সাধারণ মানুষের কাছে দেশের সার্বিক পরিস্থিতি কিংবা জীবনযাত্রার হালচাল জানতে চাইলে অধিকাংশের মুখ থেকেই শোনা যাবে এক গভীর সংকটের বিবরণ। কেউ বলবেন অর্থনৈতিক…
 ২ নভেম্বর ২০২৬    বিশেষ নিবন্ধ

সৌদি-হুতি সংঘাত: কার স্বার্থে জ্বলছে মধ্যপ্রাচ্য, মূল্য দিচ্ছে কারা? -হাসান মাহদী

সৌদি-হুতি সংঘাত: কার স্বার্থে জ্বলছে মধ্যপ্রাচ্য, মূল্য দিচ্ছে কারা? -হাসান মাহদী
মধ্যপ্রাচ্যকে ঘিরে আবর্তিত হচ্ছে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ মানবিক সংকট। এই অঞ্চলে দশকের পর দশক ধরে সংঘাত ও যুদ্ধ চলমান। কখনো ইরাক, সিরিয়া, লিবিয়া, ফিলিস্তিন, আবার…
 ২ নভেম্বর ২০২৬    বিশেষ নিবন্ধ

সরকার তুমি কার, জনগণের না আমলার? -কথক দা

সরকার তুমি কার, জনগণের না আমলার? -কথক দা
সরকার কি কেবল সরকারি কর্মচারীদের? সরকারি কর্মচারীরাই কি কেবল জনগণ? অন্যান্য শ্রমিকরা কি এদেশের সিটিজেন নয় নাকি তারা মানুষই নয়? -এই প্রশ্নগুলো পুরনো হলেও নতুন…
 ২ নভেম্বর ২০২৬    বিশেষ নিবন্ধ

‘সবার জন্য বাংলাদেশ’ এর কেন্দ্রীয় কার্যালয় উদ্বোধন

‘সবার জন্য বাংলাদেশ’ এর কেন্দ্রীয় কার্যালয় উদ্বোধন
ওবায়দুল হক বাদল:রাজধানী ঢাকায় অরাজনৈতিক ও অসাম্প্রদায়িক সামাজিক সংগঠন ‘সবার জন্য বাংলাদেশ’-এর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের শুভ সূচনা ও কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২ নভেম্বর) বিকাল…
 ২ নভেম্বর ২০২৬    জাতীয়

আন্দোলন নয়, বিরোধী দলকে সংসদে এসে বক্তব্য দেওয়ার আহ্বান চিফ হুইপের!

আন্দোলন নয়, বিরোধী দলকে সংসদে এসে বক্তব্য দেওয়ার আহ্বান চিফ হুইপের!
বিরোধী দলকে রাজপথে আন্দোলনের পরিবর্তে জাতীয় সংসদে এসে নিজেদের বক্তব্য ও দাবি তুলে ধরার আহ্বান জানিয়েছেন সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। তিনি বলেছেন, গণতান্ত্রিক…
 ২ নভেম্বর ২০২৬    জাতীয়

তোশকের নিচে হেরোইন রেখে ধর্মীয় নেতাকে ফাঁসানোর অভিযোগ পুলিশের এএসআইয়ের বিরুদ্ধে!

তোশকের নিচে হেরোইন রেখে ধর্মীয় নেতাকে ফাঁসানোর অভিযোগ পুলিশের এএসআইয়ের বিরুদ্ধে!
ভারতের পাঞ্জাবে এক ধর্মীয় নেতাকে মাদক মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের এক সহকারী উপপরিদর্শকের (এএসআই) বিরুদ্ধে। বাড়িতে স্থাপন করা গোপন ক্যামেরায় ধারণ করা ভিডিওতে…
 ২ নভেম্বর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

ভারতে আন্দোলনে অংশ নেওয়ায় নিঃশর্ত ক্ষমা চাইলেন অভিনেতা ইমরান খান!

ভারতে আন্দোলনে অংশ নেওয়ায় নিঃশর্ত ক্ষমা চাইলেন অভিনেতা ইমরান খান!
ভারতে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) বিরোধী আন্দোলনে অংশ নেওয়ার জন্য নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন বলিউড অভিনেতা ইমরান খান। সোমবার (২ নভেম্বর) বোম্বে হাইকোর্টের তিরস্কারের…
 ২ নভেম্বর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

নোয়াখালীতে নতুন গ্যাসকূপের সন্ধান, মজুত ৯৭.৬৯ বিলিয়ন ঘনফুট!

নোয়াখালীতে নতুন গ্যাসকূপের সন্ধান, মজুত ৯৭.৬৯ বিলিয়ন ঘনফুট!
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় নতুন একটি গ্যাসকূপের সন্ধান পেয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স)। সুন্দলপুর সাউথ-১ নামের এ কূপের দুটি জোনে মোট ৯৭…
 ২ নভেম্বর ২০২৬    চট্টগ্রাম

প্রধানমন্ত্রীর কন্যা জাইমা রহমান ৭ বার রক্ত দিয়েছেন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর কন্যা জাইমা রহমান ৭ বার রক্ত দিয়েছেন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
স্বেচ্ছায় রক্তদানে মানুষকে আরও বেশি উৎসাহিত করার আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেছেন, রক্তদানে শরীরের ক্ষতি হয়—এমন ভুল ধারণা…
 ২ নভেম্বর ২০২৬    জাতীয়

শাহরাস্তিতে চোরাই মোটরসাইকেলসহ যুবক গ্রেফতার

শাহরাস্তিতে চোরাই মোটরসাইকেলসহ যুবক গ্রেফতার
চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে মোটরসাইকেল চুরি মামলার এজাহারভুক্ত আসামি ইমরান হোসেনকে (৩৬) চোরাই মোটরসাইকেলসহ গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রবিবার (১ নভেম্বর) শাহরাস্তি মডেল থানা পুলিশের একটি দল অভিযান…
 ২ নভেম্বর ২০২৬    চট্টগ্রাম

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নে ৩২৬৭ কোটি টাকা বরাদ্দ চেয়ে চিঠি!

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নে ৩২৬৭ কোটি টাকা বরাদ্দ চেয়ে চিঠি!
এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬ বাস্তবায়নে অতিরিক্ত ৩ হাজার ২৬৭ কোটি ৯০ লাখ টাকা বরাদ্দ চেয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে…
 ২ নভেম্বর ২০২৬    জাতীয়

শৈলকুপায় মুদি দোকানের পেছন থেকে ২৫ বস্তা বিএডিসি সার উদ্ধার

শৈলকুপায় মুদি দোকানের পেছন থেকে ২৫ বস্তা বিএডিসি সার উদ্ধার
ঝিনাইদহের শৈলকুপায় অভিযান চালিয়ে একটি মুদি দোকানের পেছনের কক্ষ থেকে ২৫ বস্তা বিএডিসি সার উদ্ধার করা হয়েছে। রবিবার (১ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার…
 ২ নভেম্বর ২০২৬    খুলনা

করিমগঞ্জে সমাজসেবক শিহাব উদ্দিন ভূঁইয়ার স্মরণে ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত

করিমগঞ্জে সমাজসেবক শিহাব উদ্দিন ভূঁইয়ার স্মরণে ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত
কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি:কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ অঞ্চলের বিশিষ্ট সমাজসেবক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব শিহাব উদ্দিন ভূঁইয়ার স্মরণে এক ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (১ নভেম্বর) বিকেল ৩টায়…
 ২ নভেম্বর ২০২৬    ঢাকা

বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনে বাধার প্রতিবাদে গাইবান্ধায় মানববন্ধন

বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনে বাধার প্রতিবাদে গাইবান্ধায় মানববন্ধন
গাইবান্ধা প্রতিনিধি:পিরোজপুরের বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনকাজে বাধা দেওয়ার ঘটনার প্রতিবাদে এবং এ ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে গাইবান্ধায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার…
 ২ নভেম্বর ২০২৬    রংপুর