রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে দলটির নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনায় দুই হাজার জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।
সংঘর্ষে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় এবং আশপাশের এলাকা থেকে আটক ৪৭৩ নেতাকর্মীর নামোল্লেখ করে অজ্ঞাতপরিচয়সহ দেড় থেকে দুই হাজার জনকে আসামি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৮ নভেম্বর) দুপুরে ডিএমপির পল্টন থানায় মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মতিঝিল বিভাগের অতিরিক্ত কমিশনার (এসি) এনামুল হক মিঠু।
ইসলামী ব্যাংক দখলের পর এখন বেদখল হওয়ার যাতনা স্বাভাবিক: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দলীয় কার্যালয়ে বিস্ফোরক সামগ্রী রাখা, পুলিশের ওপর হামলা এবং নাশকতার ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করা হয়।
এডিসি এনামুল হক মিঠু বলেন, পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের পরে কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে এবং আশপাশের এলাকা থেকে বিএনপির ৪৭৩ নেতাকর্মীকে আটক করা হয়েছে। তাদের নামোল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও দেড় থেকে দুই হাজার নেতাকর্মীকে আসামি করে একটি মামলা করা হয়েছে।
পুলিশের ওপর হামলা ও বিস্ফোরকদ্রব্য আইনে এই মামলা করা হয়েছে বলে জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।
মামলায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক আবদুস সালাম, উত্তর কমিটির আহ্বায়ক আমানউল্লাহ আমান, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, খালেদা জিয়ার বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস ও কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানিকে আসামি করা হয়েছে।
এর আগে, বৃহস্পতিবার (৮ ডিসেম্বর) সকালে ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার (অপারেশসনস) বিপ্লব কুমার সরকার জানান, বিএনপির যেসব নেতাকর্মীকে আমরা আটক করেছি তাদের নামে মামলা হবে। আবার কারো কারো বিরুদ্ধে আগে গ্রেফতারি পরোয়ানা ছিল, তাদেরকে সেসব মামলায় গ্রেফতার দেখানো হবে। তবে সবার নামেই নতুন করে মামলা হবে। এসব মামলায় অজ্ঞাত আসামি করা হবে আরো অনেককে।
বুধবার (৭ ডিসেম্বর) নয়াপল্টনে সংঘর্ষের পর পুলিশি অভিযানে বিএনপির প্রায় তিনশতাধিক নেতাকর্মীকে আটক করা হয়েছে। যেখানে কেন্দ্রীয় প্রায় ৮ জন নেতা রয়েছেন। পরে বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত বিএনপি কার্যালয় থেকে ককটেল ও বিস্ফোরকদ্রব্য উদ্ধার করে পুলিশ।
















