প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   মসজিদের উদ্দেশ্য কি শুধুই নামাজ...

মসজিদের উদ্দেশ্য কি শুধুই নামাজ পড়া?

২০ মার্চ ২০২৬ ০১:২৬ পিএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

রিয়াদুল হাসান:
আল্লাহর রসুল (সা.) হিজরতের পথে মদিনার উপকণ্ঠে অবস্থিত কুবা পল্লীতে তিন-চার দিন ছিলেন। এখানে তিনি প্রথম যে কাজটি করেছিলেন, তা হলো একটি মসজিদ নির্মাণ। এরপর মদিনায় এসে, নিজের বসবাসের জন্য বাড়ি নির্মাণের আগে তিনি প্রথমে মসজিদে নববী নির্মাণ করেন। ইসলামের শুরুর যুগ থেকেই যে কোনো জায়গায় ইসলাম প্রতিষ্ঠা হওয়ার সাথে সাথে মুসলিমরা প্রথমেই মসজিদ নির্মাণ করতেন। এর কারণ কী? শুধুই কি নামাজ পড়ার জন্য?

মসজিদ অর্থ সেজদার স্থান। আল্লাহর উদ্দেশে ভূমিতে মাথা ঠেকানোই কেবল সেজদা নয়। সেজদা শব্দের অর্থ আনুগত্য করা। নামাজের সেজদা হচ্ছে সর্বান্তকরণে আল্লাহর আনুগত্য করার অনুশীলন। জমিনে মাথা ঠেকানোর নাম সেজদাহ হলে আল্লাহ এটা বলতেন না যে, নভোমণ্ডলে ও ভূ-মণ্ডলে যা কিছু আছে ইচ্ছায় অথবা অনিচ্ছায় আল্লাহকে সেজদা করে (সুরা রাদ ১৩:১৫)। অথবা ‘তারকারাজি ও বৃক্ষকূল আল্লাহকে সেজদা করে (সুরা রহমান ৫৫:৬, সুরা নাহল ১৬: ৪৯) )। কারণ তারা কেউ জমিনে মাথা ঠেকায় না।

ইসলাম অন্যান্য ধর্মের মত নয়। ইসলামের প্রতিটি আমলের পিছনে আধ্যাত্মিক ও চরিত্র অর্জনের যেমন উদ্দেশ্য রয়েছে তেমনি জাগতিক জীবনঘনিষ্ঠ উদ্দেশ্যও রয়েছে। তাই ইসলামের মসজিদ কেবল কোনো আধ্যাত্মিক কেন্দ্র বা নামাজের স্থান নয়, এটি মুসলিম সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থার প্রশাসনিক কার্যালয়। এ কারণেই রসুলাল্লাহ মদিনায় হিজরত করার পর প্রথমেই মসজিদ নির্মাণ করলেন। এই মসজিদই ছিল ইসলামের সামাজিক, রাজনৈতিক, সামরিক ও আধ্যাত্মিক কার্যক্রমের কেন্দ্রবিন্দু। ফলে সেই মসজিদ ছিল কর্মমুখর। বর্তমানে মসজিদকে শুধু নামাজের ঘর হিসাবে ব্যবহার করা হয়, নামাজের সময়টুকু ছাড়া মসজিদ তালাবদ্ধই থাকে। এভাবে শত শত বছর থেকে সামাজিক, শিক্ষা, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, বিচারিক কার্যক্রম থেকে মসজিদকে পৃথক করে ফেলার দরুন সাধারণ মানুষের কাছে মসজিদের উদ্দেশ্য সম্পর্কে ধারণা হারিয়ে গেছে এবং মসজিদ সকল কার্যক্রম হারিয়ে কেবল নামাজের স্থানে পরিণত হয়েছে। আসুন আমরা মসজিদের আসল উদ্দেশ্য ও বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে আলোচনা করি।

আরও পড়ুন

পুলিশকে রাতে একা চলাচলে নিষেধ, কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে নিরাপত্তা? – কথক দা

পুলিশকে রাতে একা চলাচলে নিষেধ, কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে নিরাপত্তা? – কথক দা

১. প্রশাসনিক ও সামাজিক কেন্দ্র:
ইসলামের শুরুর যুগ থেকে মসজিদগুলো সমাজের সকলের জন্য একাধারে একটি সামাজিক কেন্দ্র ও প্রশাসনিক কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হতো। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সকল মো’মেন মসজিদে উপস্থিত হতেন। তখনও যে কোনো কথা জাতিকে অবগত করা হতো। দীনের শিক্ষা ও সামাজিক নিয়ম-কানুনের শিক্ষাও সহজে সকলের কাছে পৌঁছাত। যে কোনো জরুরি বিষয় থাকলে রসুলাল্লাহ যে কোনো সময় সবাইকে মসজিদে একত্রিত হওয়ার জন্য বলতেন। ইসলামের মসজিদকেন্দ্রীক সমাজ শাসককে জনগণের কাছাকাছি থাকার সুযোগ দিত। ফলে সমাজে কোনো প্রকার গুজবের বিস্তার হওয়া সম্ভব হতো না। বিশেষ করে জুমার খোতবার মাধ্যমে জাতিকে ইমামের পক্ষ থেকে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা প্রদান করা হতো। মসজিদে বসেই ব্যক্তিগত ও সামাজিক সমস্যার সমাধান করা হতো। মসজিদে বসে আলোচনা ও পরামর্শের মাধ্যমে মুসলিমরা যেকোনো সংকট সহজে সমাধান করত।

২. অর্থনৈতিক কার্যালয়:
প্রকৃত ইসলামের মসজিদ ছিল রাষ্ট্রের নির্ধারিত কর ও দানের অর্থ সংগ্রহের একটি প্রধান মাধ্যম। রাষ্ট্রীয় কর সংগ্রহ করে তা কেন্দ্রীয় বায়তুল মালে পাঠানো হতো। আর মানুষ আল্লাহর রাস্তায় সদকা বা দান করলে, সেই অর্থ স্থানীয় দরিদ্র ও অসহায়দের মধ্যে বণ্টন করা হতো। মসজিদের ইমামগণ যেমন নামাজের ইমাম ছিলেন, তেমনি সমাজেরও নেতা ছিলেন। তারা রাষ্ট্রের নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। রাষ্ট্র থেকেই তাদের ও খতিবদের বেতন-ভাতা প্রদান করা হতো। এর ফলে মসজিদের ইমাম, খতিব ও সংশ্লিষ্ট কর্মচারীরা জনগণের দানের উপর নির্ভরশীল থাকতেন না। তাদেরকে মসজিদ নির্মাণের নামে রাস্তায় দানবাক্স নিয়ে বসতে হতো না।

৩. বিচারালয়:
বিচারব্যবস্থাকে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে জামে মসজিদকে বিচার-সালিশ কেন্দ্র হিসেবেও ব্যবহার করা হতো। এখানে সালিশি পদ্ধতির মাধ্যমে বিনা অর্থব্যয়ে সামাজিক বিরোধের ফায়সালা করা হতো। বিচারকগণ মসজিদ কমপ্লেক্সের নির্ধারিত স্থানে সপ্তাহজুড়ে বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করতেন, শুনানি গ্রহণ করতেন, রায় দিতেন এবং রায় কার্যকর করতেন। যেহেতু জুমার দিনে সবাই মসজিদে একত্রিত হতো, সেদিন কিছু দৃষ্টান্তমূলক দণ্ড জনসম্মুখে কার্যকর করা হতো। ইসলামের বিচার প্রক্রিয়া ছিল স্বচ্ছ। এতে করে ন্যায়বিচারের প্রতি মানুষের আস্থা বৃদ্ধি পেয়েছিল। তবে জটিল ও গুরুতর বিষয়গুলো উচ্চ আদালতে প্রেরণ করা হতো। অধিকাংশ অভিযোগ স্থানীয় পর্যায়েই মীমাংসা হয়ে যেত। আবু বকরের (রা.) খেলাফতকালে প্রধান বিচারপতি ছিলেন হজরত ওমর (রা.)। এক বছরে তাঁর কাছে বলতে গেলে অপরাধ সংক্রান্ত কোনো মামলাই আসেনি। এর অন্যতম কারণ ছিল, স্থানীয় মসজিদেই অধিকাংশ অভিযোগ নিষ্পত্তি হয়ে যেত। আল্লাহর দীন প্রতিষ্ঠিত থাকার ফলে সমাজে অন্যায়-অপরাধও প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছিল। অথচ বর্তমানে বাংলাদেশের উচ্চ থেকে নিম্ন আদালতে প্রায় ৪৬ লাখ ৫২ হাজার মামলা বিচারাধীন রয়েছে (ডেইলি স্টার- ৫ জুলাই ২০২৫)। যদি এখন আবারও সেই মসজিদভিত্তিক বিচারকাঠামো আবার বাস্তবায়ন করা যায়, তাহলে মামলার এই জট থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব হবে।

৪. শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র:
সালাত (নামাজ) হচ্ছে আল্লাহর দেওয়া উম্মতে মোহাম্মদির প্রধান চারিত্রিক প্রশিক্ষণ। এটি জাতিকে ঐক্য, শৃঙ্খলা, আনুগত্য, সময়ানুবর্তিতা, দলগত কাজ (ঞবধস ড়িৎশ), ধৈর্যশীলতা, আত্মনিয়ন্ত্রণ, মনোযোগ এবং আধ্যাত্মিকতার প্রশিক্ষণ প্রদান করে। পাঁচ ওয়াক্ত সালাত ছাড়াও রসুলাল্লাহর মসজিদ ছিল জাতির নারী-পুরুষ সকলের জন্য একটি শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের কেন্দ্র। রসুলাল্লাহর পরবর্তী যুগে মসজিদে বসে দীনের বিজ্ঞ আলেমরা আধ্যাত্মিক এবং জাগতিক নানা বিষয়ে মানুষকে শিক্ষা দিতেন। মসজিদ থেকে বিনা বেতনে কোর’আন শিক্ষা, প্রয়োজনীয় হাদিসের জ্ঞান, দৈনন্দিন মাসলা-মাসায়েল, রাষ্ট্রীয় শৃঙ্খলা, দীনের মৌলিক আকিদা ও ইসলামি সংস্কৃতি সম্পর্কিত শিক্ষা দেওয়া হতো। তবে ইসলামী সভ্যতায় মসজিদের বাইরেও পৃথক বিদ্যালয়, বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিশেষায়িত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছিল যেগুলোকে মাদ্রাসা বলা হতো। কেবল জ্ঞানচর্চাই নয়, রসুলাল্লাহর সময় মসজিদ প্রাঙ্গণে শরীরচর্চা, খেলাধুলা, দৌড় প্রতিযোগিতা, কুস্তি, তীর-ধনুক, বর্শা নিক্ষেপের মতো শারীরিক কর্মকাণ্ডও করা হতো। রসুলাল্লাহ (সা.) সপরিবারে এসব খেলা উপভোগ করতেন এবং কখনো কখনো এতে অংশও নিতেন। এর মাধ্যমে যেমন বিনোদন লাভ হত, তেমনি জাতির তারুণ্যশক্তি হয়ে উঠত গতিময়, প্রাণবন্ত, পরিশ্রমী ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে সংগ্রামের জন্য সদাপ্রস্তুত।

৫. আবাসন ব্যবস্থা:
ইসলামের সোনালি সভ্যতার যুগে মসজিদকে কেন্দ্র করে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন গড়ে তোলা হতো। সেখানে প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বসবাস করতেন। আল্লাহর রসুল স্বয়ং মসজিদের সন্নিকটে বাস করতেন এবং একদল নিবেদিতপ্রাণ সাহাবি মসজিদেই বসবাস করতেন যাদেরকে আসহাবে সুফ্ফা (বারান্দার অধিবাসী) বলা হত। বিভিন্ন গোত্র বা রাজ্য থেকে আগত প্রতিনিধিদেরও আবাসন বন্দোবস্ত মসজিদেই করা হত। পরবর্তী খলিফা ও সুলতানদের যুগে একেকটি মসজিদ কমপ্লেক্স বিশাল জায়গা নিয়ে তৈরি হত। যেমন আব্বাসী খলিফা আল-মুতাওয়াক্কিলের নির্মিত (৮৫৪ খ্রি.) ইরাকের সাম্বার মসজিদের আয়তন ছিল ২,০০,০০০ বর্গমিটার। মসজিদ চত্বরের সন্নিকটে সরাইখানা স্থাপিত হত, যেখানে পথচারী, মুসাফির, দুর্গত মানুষেরা খাবার ও আশ্রয় পেত। এসব সরাইখানাগুলো (ঈড়সসঁহরঃু ঈধহঃববহ) মূলত স্থানীয় অবস্থাসম্পন্ন পরিবারগুলোর দান, সাদকা, ফসলের উশর ইত্যাদি উৎস থেকে প্রাপ্ত অর্থ ও দ্রব্যাদি দ্বারা পরিচালিত হত। বর্তমান সময়ের মতো জমকালো হোটেলব্যবসা ইসলামের সভ্যতায় দেখা যেত না, যেখানে অর্থ ছাড়া মানুষ মানুষকে চিনে না। না খেয়ে থাকলেও কেউ কাউকে দুটো ভাত খেতে দেয় না। এমন একটি মানবতাহীন সমাজকে পরিবর্তন করতে আল্লাহর দেওয়া জীবনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার কোনো বিকল্প নেই।

৬. নারীদের অংশগ্রহণ:
আল্লাহর ঘর মসজিদে নারীদের অংশগ্রহণের সুযোগ ছিল অবারিত। তারা দিনে রাতে যে কোনো সময় এবাদত বন্দেগিসহ যে কোনো সংকট সমাধান পাওয়ার জন্য মসজিদে যেতে পারতেন। আজকের মতো ‘মসজিদের পবিত্র রক্ষার্থে নারীদের প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ’ এমন কোনো ফতোয়া দেওয়ার কেউ তখন ছিল না। তারা সকল সালাতে, খোতবায়, বিচারিক কার্যক্রমে, বিয়ে-শাদি, আকিকা ইত্যাদি সামাজিক অনুষ্ঠানে, আলোচনা সভায় পুরুষদের মতই অংশ নিতেন। কোনো লিঙ্গ বৈষম্য সেই সমাজে ছিল না। ইসলামের প্রাথমিক যুগে এত বেশি সংখ্যক নারী মসজিদে যাতায়াত করতেন যে খলিফা ওমরের (রা.) সময় নারীদের জন্য আলাদা দরজা বানাতে হয়েছিল। সেই সোনালি যুগে নারীদের বসার জন্য পৃথক কোনো বন্দোবস্ত ছিল না, নারী পুরুষ এক জামাতেই নামাজ পড়তেন, একসাথে বসেই আলোচনা শুনতেন। তাদের মধ্যখানে কোনো কালো কাপড়ের পর্দা টাঙানো থাকতো এমন ইতিহাস কেউ দেখাতে পারবেন না।

৭. আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও সামরিক কার্যক্রম:
একটি জাতির আইন-শৃঙ্খলা ও সামরিক বিভাগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রসুলাল্লাহ (সা.) এবং তাঁর সাহাবিদের যুগে সামরিক কার্যক্রম পরিচালনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল মসজিদ। মসজিদের সম্মুখভাগে কিবলা নির্দেশক স্থানটিকে ‘মেহরাব’ বলা হয়, যার শাব্দিক অর্থ লড়াইয়ের মঞ্চ। কারণ সে সময় মুসল্লিরা তাদের তরবারিগুলো সেখানে রেখে সালাতে দাঁড়াতেন। আবার সালাতের পর সেখান থেকে নিয়ে যেতেন। জাতির যুদ্ধক্ষম সদস্যদের সামরিক শৃঙ্খলা, আনুগত্য, শরীরচর্চামূলক মৌলিক প্রশিক্ষণের স্থান হিসেবেও মসজিদ ও মসজিদ প্রাঙ্গণকে ব্যবহার করা হতো।

৮. সামাজিক অনুষ্ঠান ও সংস্কৃতির চর্চা:
প্রকৃত ইসলামের যুগে বিয়ে-শাদিসহ বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান মসজিদে সম্পন্ন করা হতো। রসুলাল্লাহ (সা.) এই অনুষ্ঠানগুলো মসজিদে সম্পন্ন করার ব্যাপারে নির্দেশ দিয়েছেন। মসজিদ ছিল ইসলামি সংস্কৃতি চর্চার অন্যতম কেন্দ্র। জাহেলিয়াতের যুগের অপসংস্কৃতির পরিবর্তে সুস্থ সংস্কৃতির চর্চায় মসজিদকেন্দ্রিক কর্মকাণ্ড ব্যাপক ভূমিকা রেখেছিল।

আজকের বাস্তবতায় যদি আমরা আবার আল্লাহর দীন সমাজ ও রাষ্ট্রে প্রতিষ্ঠা করতে পারি, তবে দেশের লক্ষ লক্ষ মসজিদকে এসব বহুমুখী কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করা সম্ভব। তখন মসজিদ কেবল নামাজের স্থানে সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং প্রশাসন, শিক্ষা, বিচার, সামাজিক সমাধান ও মানবকল্যাণের কার্যকর প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে। মসজিদের দরজা থাকবে চব্বিশ ঘণ্টা খোলা- সেখানে আর তালা ঝুলবে না। এর ফলে একদিকে রাষ্ট্রের অতিরিক্ত অবকাঠামোগত ব্যয় হ্রাস পাবে, অন্যদিকে মানুষ তার বাড়ির কাছেই প্রয়োজনীয় সেবা পেয়ে উপকৃত হবে। ফলশ্রুতিতে সমাজে শৃঙ্খলা, ন্যায়বিচার ও পারস্পরিক সহমর্মিতার ভিত্তিতে একটি কল্যাণমুখী সমাজ গড়ে উঠবে।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

আমজনতার তারেককে নিয়ে সমালোচনার জবাব দিলেন প্রধানমন্ত্রী!

আমজনতার তারেককে নিয়ে সমালোচনার জবাব দিলেন প্রধানমন্ত্রী!
জাপান সফরে আমজনতা পার্টির সদস্যসচিব মো. তারেক রহমানকে সফরসঙ্গী করায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলা সমালোচনার জবাব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফরসঙ্গী হিসেবে তাঁর অবদান নিয়ে প্রশ্ন…
 ২৮ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

আক্কেলপুরে হেযবুত তওহীদের উঠান বৈঠকে উগ্রবাদীদের হামলার চেষ্টা, অনুষ্ঠান স্থগিত

আক্কেলপুরে হেযবুত তওহীদের উঠান বৈঠকে উগ্রবাদীদের হামলার চেষ্টা, অনুষ্ঠান স্থগিত
জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে হেযবুত তওহীদের উদ্যোগে নির্ধারিত একটি জনসচেতনতামূলক উঠান বৈঠক স্থানীয় উগ্র গোষ্ঠীর বাধার মুখে স্থগিত করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ‘তৌহিদী জনতা’র পরিচয়ে লোকজন…
 ২৮ অক্টোবর ২০২৬    রাজশাহী

জামায়াত-শিবিরের কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার অভিযোগে ছাত্রশক্তি নেতা তোফাজ্জল বহিষ্কার

জামায়াত-শিবিরের কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার অভিযোগে ছাত্রশক্তি নেতা তোফাজ্জল বহিষ্কার
সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে জাতীয় ছাত্রশক্তির পটুয়াখালী জেলা শাখার সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব তোফাজ্জল হোসেনকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে…
 ২৮ অক্টোবর ২০২৬    বরিশাল

ফরিদগঞ্জে বিএনপি নেতাকর্মীদের হাতে সাংবাদিক লাঞ্ছিত, সংবাদ বর্জনের ঘোষণা

ফরিদগঞ্জে বিএনপি নেতাকর্মীদের হাতে সাংবাদিক লাঞ্ছিত, সংবাদ বর্জনের ঘোষণা
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে সাংবাদিকদের ওপর বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মীর অব্যাহত অসদাচরণ, মারধর, লাঞ্ছনা ও প্রাণনাশের হুমকির প্রতিবাদে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সাংবাদিকরা। উদ্ভূত পরিস্থিতির প্রতিবাদে উপজেলার…
 ২৮ অক্টোবর ২০২৬    চট্টগ্রাম

‘সাপ নিয়ে নাড়াচাড়া করবেন না, ছোবল দিয়ে মেরে ফেলবে’: আওয়ামী লীগকে সতর্ক করলেন জামায়াত আমির!

‘সাপ নিয়ে নাড়াচাড়া করবেন না, ছোবল দিয়ে মেরে ফেলবে’: আওয়ামী লীগকে সতর্ক করলেন জামায়াত আমির!
দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে গুম, খুন ও নির্যাতন চালানোর অভিযোগ তুলে আওয়ামী লীগকে সতর্ক করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর…
 ২৮ অক্টোবর ২০২৬    নির্বাচিত

আইইডিসিআর পরিচালককে মারধর চিকিৎসাসেবার ইতিহাসে ‘কালো অধ্যায়’: জামায়াত আমির!

আইইডিসিআর পরিচালককে মারধর চিকিৎসাসেবার ইতিহাসে ‘কালো অধ্যায়’: জামায়াত আমির!
রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) পরিচালকের কার্যালয়ে ঢুকে তাঁকে মারধরের ঘটনাকে বাংলাদেশের চিকিৎসাসেবার ইতিহাসে ‘কালো অধ্যায়’ বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর…
 ২৮ অক্টোবর ২০২৬    নির্বাচিত

উন্নত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসী-দেশবাসীকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর!

উন্নত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসী-দেশবাসীকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর!
দেশের উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করতে প্রবাসী ও দেশবাসীকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের জন্য জাপানিসহ তৃতীয় ভাষা…
 ২৮ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

‘গাইড বই ছাপালে এবার নিশ্চিত ধরা খাবেন’, প্রকাশকদের সতর্ক করলেন শিক্ষামন্ত্রী!

‘গাইড বই ছাপালে এবার নিশ্চিত ধরা খাবেন’, প্রকাশকদের সতর্ক করলেন শিক্ষামন্ত্রী!
নোট-গাইড বই ছাপানো প্রকাশকদের সতর্ক করে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, এবার তাড়াহুড়া করে লাখ লাখ কপি গাইড বই ছাপালে ধরা…
 ২৮ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

হঠাৎ পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী: মুরাদনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ

হঠাৎ পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী: মুরাদনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ
কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে ৫ চিকিৎসককে দীর্ঘদিন ধরে অনুপস্থিত পেয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয়…
 ২৮ অক্টোবর ২০২৬    চট্টগ্রাম

ক্ষমতার হিসাব নয়, শিক্ষা-স্বাস্থ্য সংস্কার বেশি জরুরি: প্রধানমন্ত্রী

ক্ষমতার হিসাব নয়, শিক্ষা-স্বাস্থ্য সংস্কার বেশি জরুরি: প্রধানমন্ত্রী
রাজনীতিতে কার ক্ষমতা বাড়ল বা কমল, তার চেয়ে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের সংস্কার এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দেশের…
 ২৮ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

জামায়াত-শিবিরের কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার অভিযোগে ছাত্রশক্তির নেতা তোফাজ্জল বহিষ্কার!

জামায়াত-শিবিরের কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার অভিযোগে ছাত্রশক্তির নেতা তোফাজ্জল বহিষ্কার!
জুবায়ের আহমেদ, স্টাফ রিপোর্টার সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে জাতীয় ছাত্রশক্তির পটুয়াখালী জেলা শাখার সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব তোফাজ্জল হোসেনকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে…
 ২৮ অক্টোবর ২০২৬    চট্টগ্রাম

গোলাম পরওয়ার ফাটা বাঁশের চিপায় পড়েছেন: রাশেদ খাঁন

গোলাম পরওয়ার ফাটা বাঁশের চিপায় পড়েছেন: রাশেদ খাঁন
জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের সঙ্গে একটি দেশের গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তার বৈঠকের খবর নিয়ে দলটির বিবৃতি ও তাঁর বক্তব্যের সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক…
 ২৮ অক্টোবর ২০২৬    নির্বাচিত

মাকে হারালেন চিত্রনায়িকা পপি!

মাকে হারালেন চিত্রনায়িকা পপি!
ঢালিউডের একসময়ের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা সাদিকা পারভীন পপির মা মরিয়ম বেগম মারা গেছেন। মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১টার দিকে রাজধানীর মগবাজারের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষনিশ্বাস ত্যাগ…
 ২৮ অক্টোবর ২০২৬    বিনোদন

বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ!

বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ!
বাংলাদেশকে বিনিয়োগের আকর্ষণীয় গন্তব্য হিসেবে উল্লেখ করে দেশটিতে বিনিয়োগ বাড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ করেছে জাপান। একই সঙ্গে বাংলাদেশের সঙ্গে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে…
 ২৮ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

স্পেনে দুই দ্রুতগতির ট্রেনের ভয়াবহ সংঘর্ষ, নিহত অন্তত ১০!

স্পেনে দুই দ্রুতগতির ট্রেনের ভয়াবহ সংঘর্ষ, নিহত অন্তত ১০!
স্পেনের মধ্যাঞ্চলীয় টলেডো প্রদেশে দুটি উচ্চগতির যাত্রীবাহী ট্রেনের সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় বহু যাত্রী আহত হয়েছেন এবং প্রাণহানির সংখ্যা আরও বাড়তে…
 ২৮ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক