প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   মসজিদের উদ্দেশ্য কি শুধুই নামাজ...

মসজিদের উদ্দেশ্য কি শুধুই নামাজ পড়া?

২০ মার্চ ২০২৬ ০১:২৬ পিএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

রিয়াদুল হাসান:
আল্লাহর রসুল (সা.) হিজরতের পথে মদিনার উপকণ্ঠে অবস্থিত কুবা পল্লীতে তিন-চার দিন ছিলেন। এখানে তিনি প্রথম যে কাজটি করেছিলেন, তা হলো একটি মসজিদ নির্মাণ। এরপর মদিনায় এসে, নিজের বসবাসের জন্য বাড়ি নির্মাণের আগে তিনি প্রথমে মসজিদে নববী নির্মাণ করেন। ইসলামের শুরুর যুগ থেকেই যে কোনো জায়গায় ইসলাম প্রতিষ্ঠা হওয়ার সাথে সাথে মুসলিমরা প্রথমেই মসজিদ নির্মাণ করতেন। এর কারণ কী? শুধুই কি নামাজ পড়ার জন্য?

মসজিদ অর্থ সেজদার স্থান। আল্লাহর উদ্দেশে ভূমিতে মাথা ঠেকানোই কেবল সেজদা নয়। সেজদা শব্দের অর্থ আনুগত্য করা। নামাজের সেজদা হচ্ছে সর্বান্তকরণে আল্লাহর আনুগত্য করার অনুশীলন। জমিনে মাথা ঠেকানোর নাম সেজদাহ হলে আল্লাহ এটা বলতেন না যে, নভোমণ্ডলে ও ভূ-মণ্ডলে যা কিছু আছে ইচ্ছায় অথবা অনিচ্ছায় আল্লাহকে সেজদা করে (সুরা রাদ ১৩:১৫)। অথবা ‘তারকারাজি ও বৃক্ষকূল আল্লাহকে সেজদা করে (সুরা রহমান ৫৫:৬, সুরা নাহল ১৬: ৪৯) )। কারণ তারা কেউ জমিনে মাথা ঠেকায় না।

ইসলাম অন্যান্য ধর্মের মত নয়। ইসলামের প্রতিটি আমলের পিছনে আধ্যাত্মিক ও চরিত্র অর্জনের যেমন উদ্দেশ্য রয়েছে তেমনি জাগতিক জীবনঘনিষ্ঠ উদ্দেশ্যও রয়েছে। তাই ইসলামের মসজিদ কেবল কোনো আধ্যাত্মিক কেন্দ্র বা নামাজের স্থান নয়, এটি মুসলিম সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থার প্রশাসনিক কার্যালয়। এ কারণেই রসুলাল্লাহ মদিনায় হিজরত করার পর প্রথমেই মসজিদ নির্মাণ করলেন। এই মসজিদই ছিল ইসলামের সামাজিক, রাজনৈতিক, সামরিক ও আধ্যাত্মিক কার্যক্রমের কেন্দ্রবিন্দু। ফলে সেই মসজিদ ছিল কর্মমুখর। বর্তমানে মসজিদকে শুধু নামাজের ঘর হিসাবে ব্যবহার করা হয়, নামাজের সময়টুকু ছাড়া মসজিদ তালাবদ্ধই থাকে। এভাবে শত শত বছর থেকে সামাজিক, শিক্ষা, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, বিচারিক কার্যক্রম থেকে মসজিদকে পৃথক করে ফেলার দরুন সাধারণ মানুষের কাছে মসজিদের উদ্দেশ্য সম্পর্কে ধারণা হারিয়ে গেছে এবং মসজিদ সকল কার্যক্রম হারিয়ে কেবল নামাজের স্থানে পরিণত হয়েছে। আসুন আমরা মসজিদের আসল উদ্দেশ্য ও বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে আলোচনা করি।

আরও পড়ুন

কোরআনের প্রতিশ্রুতি বনাম বর্তমান মুসলিম বিশ্ব

ইসলামের দর্শন ও সংস্কৃতিচর্চার যোগসূত্র

১. প্রশাসনিক ও সামাজিক কেন্দ্র:
ইসলামের শুরুর যুগ থেকে মসজিদগুলো সমাজের সকলের জন্য একাধারে একটি সামাজিক কেন্দ্র ও প্রশাসনিক কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হতো। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সকল মো’মেন মসজিদে উপস্থিত হতেন। তখনও যে কোনো কথা জাতিকে অবগত করা হতো। দীনের শিক্ষা ও সামাজিক নিয়ম-কানুনের শিক্ষাও সহজে সকলের কাছে পৌঁছাত। যে কোনো জরুরি বিষয় থাকলে রসুলাল্লাহ যে কোনো সময় সবাইকে মসজিদে একত্রিত হওয়ার জন্য বলতেন। ইসলামের মসজিদকেন্দ্রীক সমাজ শাসককে জনগণের কাছাকাছি থাকার সুযোগ দিত। ফলে সমাজে কোনো প্রকার গুজবের বিস্তার হওয়া সম্ভব হতো না। বিশেষ করে জুমার খোতবার মাধ্যমে জাতিকে ইমামের পক্ষ থেকে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা প্রদান করা হতো। মসজিদে বসেই ব্যক্তিগত ও সামাজিক সমস্যার সমাধান করা হতো। মসজিদে বসে আলোচনা ও পরামর্শের মাধ্যমে মুসলিমরা যেকোনো সংকট সহজে সমাধান করত।

২. অর্থনৈতিক কার্যালয়:
প্রকৃত ইসলামের মসজিদ ছিল রাষ্ট্রের নির্ধারিত কর ও দানের অর্থ সংগ্রহের একটি প্রধান মাধ্যম। রাষ্ট্রীয় কর সংগ্রহ করে তা কেন্দ্রীয় বায়তুল মালে পাঠানো হতো। আর মানুষ আল্লাহর রাস্তায় সদকা বা দান করলে, সেই অর্থ স্থানীয় দরিদ্র ও অসহায়দের মধ্যে বণ্টন করা হতো। মসজিদের ইমামগণ যেমন নামাজের ইমাম ছিলেন, তেমনি সমাজেরও নেতা ছিলেন। তারা রাষ্ট্রের নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। রাষ্ট্র থেকেই তাদের ও খতিবদের বেতন-ভাতা প্রদান করা হতো। এর ফলে মসজিদের ইমাম, খতিব ও সংশ্লিষ্ট কর্মচারীরা জনগণের দানের উপর নির্ভরশীল থাকতেন না। তাদেরকে মসজিদ নির্মাণের নামে রাস্তায় দানবাক্স নিয়ে বসতে হতো না।

৩. বিচারালয়:
বিচারব্যবস্থাকে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে জামে মসজিদকে বিচার-সালিশ কেন্দ্র হিসেবেও ব্যবহার করা হতো। এখানে সালিশি পদ্ধতির মাধ্যমে বিনা অর্থব্যয়ে সামাজিক বিরোধের ফায়সালা করা হতো। বিচারকগণ মসজিদ কমপ্লেক্সের নির্ধারিত স্থানে সপ্তাহজুড়ে বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করতেন, শুনানি গ্রহণ করতেন, রায় দিতেন এবং রায় কার্যকর করতেন। যেহেতু জুমার দিনে সবাই মসজিদে একত্রিত হতো, সেদিন কিছু দৃষ্টান্তমূলক দণ্ড জনসম্মুখে কার্যকর করা হতো। ইসলামের বিচার প্রক্রিয়া ছিল স্বচ্ছ। এতে করে ন্যায়বিচারের প্রতি মানুষের আস্থা বৃদ্ধি পেয়েছিল। তবে জটিল ও গুরুতর বিষয়গুলো উচ্চ আদালতে প্রেরণ করা হতো। অধিকাংশ অভিযোগ স্থানীয় পর্যায়েই মীমাংসা হয়ে যেত। আবু বকরের (রা.) খেলাফতকালে প্রধান বিচারপতি ছিলেন হজরত ওমর (রা.)। এক বছরে তাঁর কাছে বলতে গেলে অপরাধ সংক্রান্ত কোনো মামলাই আসেনি। এর অন্যতম কারণ ছিল, স্থানীয় মসজিদেই অধিকাংশ অভিযোগ নিষ্পত্তি হয়ে যেত। আল্লাহর দীন প্রতিষ্ঠিত থাকার ফলে সমাজে অন্যায়-অপরাধও প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছিল। অথচ বর্তমানে বাংলাদেশের উচ্চ থেকে নিম্ন আদালতে প্রায় ৪৬ লাখ ৫২ হাজার মামলা বিচারাধীন রয়েছে (ডেইলি স্টার- ৫ জুলাই ২০২৫)। যদি এখন আবারও সেই মসজিদভিত্তিক বিচারকাঠামো আবার বাস্তবায়ন করা যায়, তাহলে মামলার এই জট থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব হবে।

৪. শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র:
সালাত (নামাজ) হচ্ছে আল্লাহর দেওয়া উম্মতে মোহাম্মদির প্রধান চারিত্রিক প্রশিক্ষণ। এটি জাতিকে ঐক্য, শৃঙ্খলা, আনুগত্য, সময়ানুবর্তিতা, দলগত কাজ (ঞবধস ড়িৎশ), ধৈর্যশীলতা, আত্মনিয়ন্ত্রণ, মনোযোগ এবং আধ্যাত্মিকতার প্রশিক্ষণ প্রদান করে। পাঁচ ওয়াক্ত সালাত ছাড়াও রসুলাল্লাহর মসজিদ ছিল জাতির নারী-পুরুষ সকলের জন্য একটি শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের কেন্দ্র। রসুলাল্লাহর পরবর্তী যুগে মসজিদে বসে দীনের বিজ্ঞ আলেমরা আধ্যাত্মিক এবং জাগতিক নানা বিষয়ে মানুষকে শিক্ষা দিতেন। মসজিদ থেকে বিনা বেতনে কোর’আন শিক্ষা, প্রয়োজনীয় হাদিসের জ্ঞান, দৈনন্দিন মাসলা-মাসায়েল, রাষ্ট্রীয় শৃঙ্খলা, দীনের মৌলিক আকিদা ও ইসলামি সংস্কৃতি সম্পর্কিত শিক্ষা দেওয়া হতো। তবে ইসলামী সভ্যতায় মসজিদের বাইরেও পৃথক বিদ্যালয়, বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিশেষায়িত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছিল যেগুলোকে মাদ্রাসা বলা হতো। কেবল জ্ঞানচর্চাই নয়, রসুলাল্লাহর সময় মসজিদ প্রাঙ্গণে শরীরচর্চা, খেলাধুলা, দৌড় প্রতিযোগিতা, কুস্তি, তীর-ধনুক, বর্শা নিক্ষেপের মতো শারীরিক কর্মকাণ্ডও করা হতো। রসুলাল্লাহ (সা.) সপরিবারে এসব খেলা উপভোগ করতেন এবং কখনো কখনো এতে অংশও নিতেন। এর মাধ্যমে যেমন বিনোদন লাভ হত, তেমনি জাতির তারুণ্যশক্তি হয়ে উঠত গতিময়, প্রাণবন্ত, পরিশ্রমী ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে সংগ্রামের জন্য সদাপ্রস্তুত।

৫. আবাসন ব্যবস্থা:
ইসলামের সোনালি সভ্যতার যুগে মসজিদকে কেন্দ্র করে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন গড়ে তোলা হতো। সেখানে প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বসবাস করতেন। আল্লাহর রসুল স্বয়ং মসজিদের সন্নিকটে বাস করতেন এবং একদল নিবেদিতপ্রাণ সাহাবি মসজিদেই বসবাস করতেন যাদেরকে আসহাবে সুফ্ফা (বারান্দার অধিবাসী) বলা হত। বিভিন্ন গোত্র বা রাজ্য থেকে আগত প্রতিনিধিদেরও আবাসন বন্দোবস্ত মসজিদেই করা হত। পরবর্তী খলিফা ও সুলতানদের যুগে একেকটি মসজিদ কমপ্লেক্স বিশাল জায়গা নিয়ে তৈরি হত। যেমন আব্বাসী খলিফা আল-মুতাওয়াক্কিলের নির্মিত (৮৫৪ খ্রি.) ইরাকের সাম্বার মসজিদের আয়তন ছিল ২,০০,০০০ বর্গমিটার। মসজিদ চত্বরের সন্নিকটে সরাইখানা স্থাপিত হত, যেখানে পথচারী, মুসাফির, দুর্গত মানুষেরা খাবার ও আশ্রয় পেত। এসব সরাইখানাগুলো (ঈড়সসঁহরঃু ঈধহঃববহ) মূলত স্থানীয় অবস্থাসম্পন্ন পরিবারগুলোর দান, সাদকা, ফসলের উশর ইত্যাদি উৎস থেকে প্রাপ্ত অর্থ ও দ্রব্যাদি দ্বারা পরিচালিত হত। বর্তমান সময়ের মতো জমকালো হোটেলব্যবসা ইসলামের সভ্যতায় দেখা যেত না, যেখানে অর্থ ছাড়া মানুষ মানুষকে চিনে না। না খেয়ে থাকলেও কেউ কাউকে দুটো ভাত খেতে দেয় না। এমন একটি মানবতাহীন সমাজকে পরিবর্তন করতে আল্লাহর দেওয়া জীবনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার কোনো বিকল্প নেই।

৬. নারীদের অংশগ্রহণ:
আল্লাহর ঘর মসজিদে নারীদের অংশগ্রহণের সুযোগ ছিল অবারিত। তারা দিনে রাতে যে কোনো সময় এবাদত বন্দেগিসহ যে কোনো সংকট সমাধান পাওয়ার জন্য মসজিদে যেতে পারতেন। আজকের মতো ‘মসজিদের পবিত্র রক্ষার্থে নারীদের প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ’ এমন কোনো ফতোয়া দেওয়ার কেউ তখন ছিল না। তারা সকল সালাতে, খোতবায়, বিচারিক কার্যক্রমে, বিয়ে-শাদি, আকিকা ইত্যাদি সামাজিক অনুষ্ঠানে, আলোচনা সভায় পুরুষদের মতই অংশ নিতেন। কোনো লিঙ্গ বৈষম্য সেই সমাজে ছিল না। ইসলামের প্রাথমিক যুগে এত বেশি সংখ্যক নারী মসজিদে যাতায়াত করতেন যে খলিফা ওমরের (রা.) সময় নারীদের জন্য আলাদা দরজা বানাতে হয়েছিল। সেই সোনালি যুগে নারীদের বসার জন্য পৃথক কোনো বন্দোবস্ত ছিল না, নারী পুরুষ এক জামাতেই নামাজ পড়তেন, একসাথে বসেই আলোচনা শুনতেন। তাদের মধ্যখানে কোনো কালো কাপড়ের পর্দা টাঙানো থাকতো এমন ইতিহাস কেউ দেখাতে পারবেন না।

৭. আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও সামরিক কার্যক্রম:
একটি জাতির আইন-শৃঙ্খলা ও সামরিক বিভাগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রসুলাল্লাহ (সা.) এবং তাঁর সাহাবিদের যুগে সামরিক কার্যক্রম পরিচালনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল মসজিদ। মসজিদের সম্মুখভাগে কিবলা নির্দেশক স্থানটিকে ‘মেহরাব’ বলা হয়, যার শাব্দিক অর্থ লড়াইয়ের মঞ্চ। কারণ সে সময় মুসল্লিরা তাদের তরবারিগুলো সেখানে রেখে সালাতে দাঁড়াতেন। আবার সালাতের পর সেখান থেকে নিয়ে যেতেন। জাতির যুদ্ধক্ষম সদস্যদের সামরিক শৃঙ্খলা, আনুগত্য, শরীরচর্চামূলক মৌলিক প্রশিক্ষণের স্থান হিসেবেও মসজিদ ও মসজিদ প্রাঙ্গণকে ব্যবহার করা হতো।

৮. সামাজিক অনুষ্ঠান ও সংস্কৃতির চর্চা:
প্রকৃত ইসলামের যুগে বিয়ে-শাদিসহ বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান মসজিদে সম্পন্ন করা হতো। রসুলাল্লাহ (সা.) এই অনুষ্ঠানগুলো মসজিদে সম্পন্ন করার ব্যাপারে নির্দেশ দিয়েছেন। মসজিদ ছিল ইসলামি সংস্কৃতি চর্চার অন্যতম কেন্দ্র। জাহেলিয়াতের যুগের অপসংস্কৃতির পরিবর্তে সুস্থ সংস্কৃতির চর্চায় মসজিদকেন্দ্রিক কর্মকাণ্ড ব্যাপক ভূমিকা রেখেছিল।

আজকের বাস্তবতায় যদি আমরা আবার আল্লাহর দীন সমাজ ও রাষ্ট্রে প্রতিষ্ঠা করতে পারি, তবে দেশের লক্ষ লক্ষ মসজিদকে এসব বহুমুখী কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করা সম্ভব। তখন মসজিদ কেবল নামাজের স্থানে সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং প্রশাসন, শিক্ষা, বিচার, সামাজিক সমাধান ও মানবকল্যাণের কার্যকর প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে। মসজিদের দরজা থাকবে চব্বিশ ঘণ্টা খোলা- সেখানে আর তালা ঝুলবে না। এর ফলে একদিকে রাষ্ট্রের অতিরিক্ত অবকাঠামোগত ব্যয় হ্রাস পাবে, অন্যদিকে মানুষ তার বাড়ির কাছেই প্রয়োজনীয় সেবা পেয়ে উপকৃত হবে। ফলশ্রুতিতে সমাজে শৃঙ্খলা, ন্যায়বিচার ও পারস্পরিক সহমর্মিতার ভিত্তিতে একটি কল্যাণমুখী সমাজ গড়ে উঠবে।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

মাদারীপুর সরকারি কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের ঘোষণা এমপি জাহান্দার আলীর

মাদারীপুর সরকারি কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের ঘোষণা এমপি জাহান্দার আলীর
মাদারীপুর সরকারি কলেজের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের নবীনবরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আজ মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে…
 ১৪ জুলাই ২০২৬    ঢাকা

শ্রীপুরে পোশাক কারখানায় হঠাৎ অর্ধশতাধিক শ্রমিক অসুস্থ, ছুটি ঘোষণা

শ্রীপুরে পোশাক কারখানায় হঠাৎ অর্ধশতাধিক শ্রমিক অসুস্থ, ছুটি ঘোষণা
গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের টেপিরবাড়ি এলাকায় অবস্থিত ‘কালার অ্যান্ড কোং লিমিটেড কারখানায় প্রায় অর্ধশতাধিক শ্রমিক হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। পরে পরিস্থিতি বিবেচনায় কর্তৃপক্ষ আজ কারখানার…
 ৭ জুলাই ২০২৬    ঢাকা

টাঙ্গাইলে পরিত্যক্ত কূপে ছাগলছানা বাঁচাতে গিয়ে বাবা-ছেলেসহ চারজনের মৃত্যু

টাঙ্গাইলে পরিত্যক্ত কূপে ছাগলছানা বাঁচাতে গিয়ে বাবা-ছেলেসহ চারজনের মৃত্যু
টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলায় একটি পরিত্যক্ত কূপে পড়ে যাওয়া ছাগলছানা উদ্ধার করতে গিয়ে একই পরিবারের ও প্রতিবেশীদের চারজন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। আজ শনিবার (২০…
 ২০ জুন ২০২৬    ঢাকা

কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপে স্বর্ণপদক জিতলেন পটুয়াখালীর নুর-ই-জান্নাত

কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপে স্বর্ণপদক জিতলেন পটুয়াখালীর নুর-ই-জান্নাত
পটুয়াখালী প্রতিনিধি: ঢাকার শহীদ নূর হোসেন জাতীয় ভলিবল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘শিহান হুমায়ুন কবির জুয়েল মেমোরিয়াল ৫ম কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬’-এ স্বর্ণপদক জিতেছেন পটুয়াখালীর মেয়ে নুর-ই-জান্নাত। শুক্রবার (১৯…
 ২০ জুন ২০২৬    বরিশাল

বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থার ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থার ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন
বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থা বাংলাদেশের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ৫১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে। নবগঠিত এই কমিটিতে শওকত সরদারকে সভাপতি, সোলায়মান পলাশকে সাধারণ সম্পাদক…
 ১৯ জুন ২০২৬    জাতীয়

মহাখালীতে সাবেক ছাত্রনেতাদের আলোচনা ও দোয়া মাহফিল

মহাখালীতে সাবেক ছাত্রনেতাদের আলোচনা ও দোয়া মাহফিল
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকারের সাফল্য কামনা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসাধীন বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও সাবেক সংসদ সদস্য নাজিমুদ্দিন আলমের সুস্থতা কামনায় আলোচনা ও দোয়া…
 ১৯ জুন ২০২৬    ঢাকা

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক: যা থাকছে ১৪ দফার চুক্তিতে

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক: যা থাকছে ১৪ দফার চুক্তিতে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি সম্প্রসারণের লক্ষ্যে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত এবং কার্যকর হয়েছে। ফ্রান্সের এভিয়ান-লে-বাঁ এলাকায় অনুষ্ঠিত জি৭ সম্মেলনে অংশ নেওয়ার সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট…
 ১৮ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

কুমিল্লায় কোদালের কোপে বড় ভাইকে হত্যা, ছোট ভাই গ্রেফতার

কুমিল্লায় কোদালের কোপে বড় ভাইকে হত্যা, ছোট ভাই গ্রেফতার
কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় পারিবারিক বিরোধের জেরে বড় ভাইকে কোদাল দিয়ে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার আপন ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে। বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে উপজেলার জগতপুর…
 ১৮ জুন ২০২৬    চট্টগ্রাম

বিশ্ববাজারে আবার ঊর্ধ্বমুখী স্বর্ণের দাম, নেপথ্যে যে কারণ

বিশ্ববাজারে আবার ঊর্ধ্বমুখী স্বর্ণের দাম, নেপথ্যে যে কারণ
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্পাদিত অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তির জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমেছে। এর ফলে বিশ্ববাজারে মূল্যস্ফীতির চাপ কমার ঘুরে দাঁড়িয়েছে স্বর্ণের বাজার। আজ…
 ১৮ জুন ২০২৬    অর্থনীতি

নারীদের বৃহত্তর অংশগ্রহণে জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

নারীদের বৃহত্তর অংশগ্রহণে জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক সংকট ও মানবিক চ্যালেঞ্জের প্রেক্ষাপটে মানবিক সহায়তা জোরদার করা এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় নারীদের আরও বেশি অংশগ্রহণ নিশ্চিত…
 ১৮ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

নোয়াখালীতে বীর বিক্রম আবদুল মালেকের পরিবারের জমি দখলের চেষ্টা, থানায় অভিযোগ

নোয়াখালীতে বীর বিক্রম আবদুল মালেকের পরিবারের জমি দখলের চেষ্টা, থানায় অভিযোগ
নোয়াখালী প্রতিনিধি: নোয়াখালী সদর উপজেলার এওজবালিয়া ইউনিয়নে প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মালেক বীর বিক্রমের পরিবারের জমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা করার অভিযোগ উঠেছে। এই…
 ১৭ জুন ২০২৬    চট্টগ্রাম

এআইয়ের প্রভাব: চাকরির বাজারে মূল্যহীন ১২ হাজার ডিগ্রি বাতিল করল চীন

এআইয়ের প্রভাব: চাকরির বাজারে মূল্যহীন ১২ হাজার ডিগ্রি বাতিল করল চীন
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশের কারণে চীন তাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রায় ১২ হাজার কলা, মানবিক ও ভাষাবিষয়ক ডিগ্রি বাতিল করেছে। দেশটি এখন প্রযুক্তি ও এআইভিত্তিক…
 ১৭ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

প্রথমবার ইউএনএইচসিআর নির্বাহী কমিটির ব্যুরোর সভাপতির দায়িত্বে বাংলাদেশ

প্রথমবার ইউএনএইচসিআর নির্বাহী কমিটির ব্যুরোর সভাপতির দায়িত্বে বাংলাদেশ
জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনারের (ইউএনএইচসিআর) নির্বাহী কমিটির (এক্সকম) ব্যুরোর সভাপতি হিসেবে প্রথমবারের মতো দায়িত্ব গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ। জেনেভায় জাতিসংঘ কার্যালয়ে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত নাহিদা…
 ১৭ জুন ২০২৬    জাতীয়

আদিতমারীতে নিখোঁজ শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, সন্দেহভাজনের বাড়িতে আগুন

আদিতমারীতে নিখোঁজ শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, সন্দেহভাজনের বাড়িতে আগুন
লালমনিরহাটের আদিতমারীতে নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর নন্দিনী (৭) নামের এক শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকালে উপজেলার ভেলাবাড়ি ইউনিয়নের ফলিমারী…
 ১৬ জুন ২০২৬    রংপুর

কোরআনের প্রতিশ্রুতি বনাম বর্তমান মুসলিম বিশ্ব

কোরআনের প্রতিশ্রুতি বনাম বর্তমান মুসলিম বিশ্ব
বর্তমান মুসলিম বিশ্বের এই করুণ পরিণতি কোনো নিয়তির নির্মম পরিহাস নয়, বরং তা আল্লাহর বিধান থেকে দূরে সরে যাওয়ারই অবশ্যম্ভাবী ফসল। আমরা নামের শেষে মুসলিম…
 ১৬ জুন ২০২৬    বিশেষ নিবন্ধ