প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   ইসলাম কী কী পরিবর্তন এনেছিল...

ইসলাম কী কী পরিবর্তন এনেছিল আরবের?

২২ মার্চ ২০২৬ ০৫:২৭ পিএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

মোহাম্মদ আসাদ আলী:
আল্লাহর রসুল যখন আরবে ইসলাম প্রচার শুরু করলেন তখনকার আরব সমাজে চলছিল অজ্ঞানতার যুগ, অন্ধকারের যুগ, আরবিতে যাকে বলা হয় আইয়্যামে জাহেলিয়াত। পৃথিবীর সবচেয়ে পশ্চাৎপদ জনগোষ্ঠী ছিল আরবরা। রোমান ও পারস্যের শাসকরা আরবদেরকে দেখত অবহেলার চোখে। সেই আরবদের মধ্যে যখন ইসলামের আবির্ভাব ঘটল, ইতিহাসের মোড় ঘুরে গেল। অবহেলিত আরবসন্তানরা জেগে উঠল নতুন প্রাণের উল্লাসে! তাদের মাঝে এমন যুগান্তকারী সভ্যতার উন্মেষ ঘটল যার সম্মুখে সমসাময়িক সকল আদর্শ, সকল মতবাদ আবেদন হারিয়ে বর্ণহীন হয়ে গেল। সম্ভাবনাহীন একটি উপাদান বা শূন্য (পি. কে হিট্টির দ্য অ্যারাবস্) থেকে জন্ম হলো বিরাট এক বটবৃক্ষের। সেই বৃক্ষের ছায়াতলে আসলো অর্ধ দুনিয়া। আসুন জেনে নেয়া যাক- প্রকৃত ইসলাম আরবদের মধ্যে কী পরিবর্তন সাধন করেছিল।

ঐক্য প্রতিষ্ঠা: ইসলাম অনৈক্য-হানাহানিতে লিপ্ত দাঙ্গাবাজ আরবদেরকে ইস্পাতকঠিন ঐক্যবদ্ধ করেছিল। বংশানুক্রমিক শত্রুতা আর রক্তপাতে নিমজ্জিত আরব জাতিকে একে অপরের ভাই বানিয়ে দিয়েছিল।

শৃঙ্খলা আনয়ন: বিশৃঙ্খল ও উচ্ছৃঙ্খল আরবদেরকে শৃঙ্খলা শিক্ষা দিয়েছিল ইসলাম। যাদের জীবনযাপনে এতদিন শৃঙ্খলার কোনো লেশমাত্রও ছিল না, তারা ইসলামের আদর্শ গ্রহণের পর পুরোপুরি বদলে গিয়েছিল। তাদের ব্যক্তিগত জীবন, পারিবারিক জীবন, পোশাক-আশাক, খাদ্যগ্রহণ, পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা, সামাজিকতা, জাতীয় ও সামরিক কর্মকাণ্ডের পুরোটাই ছিল সুশৃঙ্খল ও সুপরিকল্পিত।

আরও পড়ুন

পুলিশকে রাতে একা চলাচলে নিষেধ, কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে নিরাপত্তা? – কথক দা

পুলিশকে রাতে একা চলাচলে নিষেধ, কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে নিরাপত্তা? – কথক দা

একক নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা: আরবদের ব্যাপারে একটা কথা প্রচলিত ছিল যে, তারা নিজ গোত্রের বাইরে কস্মিনকালেও অন্য কারো নেতৃত্ব মানতে পারে না ও আনুগত্য করতে পারে না। মূলত আরবদের এই চরিত্রের দরুন অনেকে চেষ্টা করেও আরবের রাজা-বাদশাহ হতে পারেনি। কিন্তু ইসলাম আরবদের এই চারিত্রিক দুর্বলতা ঘুঁচিয়ে এতটাই আনুগত্যশীল করে তোলে যে, ওই আরবরাই বিশ্বনবীর প্রত্যেকটি হুকুম অক্ষরে অক্ষরে পালন করতেন এবং তা করতে গিয়ে জীবন দিতেও দ্বিধা করতেন না। শুধু রসুলাল্লাহর হুকুমই নয়, যিনিই আমিরের দায়িত্বে থাকতেন, তার আদেশ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে “আসমাউ ওয়া আত্তাবিয়্যু” অর্থাৎ “শুনলাম এবং পালন করবই” বলে ঝাঁপিয়ে পড়তেন আদেশ বাস্তবায়নের কাজে।

ন্যায়-অন্যায়ের মানদণ্ড পরিবর্তন: ইসলাম আরবদের গোত্রপ্রীতি ও সাম্প্রদায়িক মনোভাব দূরে করে ফেলেছিল। শেষ নবীর আগমনের আগে আরবরা মূলত গোত্রের জন্য লড়াই করত, গোত্রের জন্য জীবন দিত, গোত্রের জন্যই শত্রুতা ও মিত্রতা করত। এখানে ন্যায়-অন্যায়ের কোনো ব্যাপার ছিল না। নিজের গোত্রের লোক অন্যায় করলে, অন্যরাও সেই অন্যায়ের পক্ষেই দাঁড়িয়ে যেত। ইসলামের আদর্শ প্রতিষ্ঠা হবার পর সমাজ থেকে গোত্রভিত্তিক সাম্প্রদায়িকতা মুছে গেল। সবাই মিলে অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে গেল। তারা লড়াই করতে লাগল ন্যায়ের জন্য, সত্যের জন্য, মানবতার কল্যাণের জন্য। অন্যায়কারী বাবা, মা ও ভাইয়ের বিরুদ্ধেও অস্ত্রধারণ করতে দ্বিধা করেননি সাহাবায়ে কেরামগণ।

মর্যাদার মানদণ্ড পরিবর্তন: আরব-অনারব, আশরাফ-আতরাফ, ধনী-দরিদ্র, শিক্ষিত-নিরক্ষরের আকাশ-পাতাল মর্যাদার ব্যবধান দূর করেছিল ইসলাম। মর্যাদার একমাত্র মানদণ্ড নির্ধারিত হয় তাকওয়া অর্থাৎ ন্যায়ের পক্ষে থেকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকা। যিনি যত ন্যায়ের পক্ষাবলম্বনকারী, তিনি ছিলেন তত মর্যাদাবান।

মানবতার জয়গান: যে সমাজে দাসদেরকে মানুষ মনে করা হত না, সেই সমাজের ক্রীতদাস বেলালকে (রা.) (মক্কা বিজয়ের দিনে) ক্বাবার ঊর্ধ্বে উঠিয়ে আজান দিতে বলেছিলেন আল্লাহর রসুল। আল্লাহর রসুল বুঝিয়ে দিলেন- সবার ঊর্ধ্বে মানুষ, সবার উপরে মানবতার স্থান। আল্লাহর কাছে একজন সত্যনিষ্ঠ মানুষের মূল্য তাঁর ক্বাবার চেয়েও অধিক। একইভাবে ক্রীতদাস যায়েদ ও তার পুত্র উসামাকে সেনাপ্রধান বানিয়ে রসুল (সা.) প্রমাণ করলেন- যোগ্যতা ও তাকওয়ায় যে শ্রেষ্ঠ সেই প্রকৃত শ্রেষ্ঠত্বের অধিকারী। বংশ-আভিজাত্যের শ্রেষ্ঠত্ব প্রকৃত শ্রেষ্ঠত্ব নয়। এই সাম্যবাদী আদর্শ লাখ লাখ বেলাল, যায়েদদের অন্তরে মুক্তির তুফান সৃষ্টি করেছিল তা নিঃসন্দেহে বলা যায়।

বাকস্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা: নির্যাতিত-নিপীড়িত, শোষিত মানুষ, যারা বেঁচে থাকত গোত্রপতি, সমাজপতি ও যাজক-পুরোহিতদের কৃপাগুণে, যাদের কোনো অধিকার ছিল না, সম্মান ছিল না, যাদের মাথাকাটা যাবার জন্য সমাজপতিদের একটি সিদ্ধান্তই যথেষ্ট ছিল, ইসলাম তাদের অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছিল। এমন সমাজব্যবস্থা তৈরি হয়েছিল যে, ওই দাসশ্রেণির মানুষই এক সময় তাদের ‘আমিরুল মু’মিনিনের’ গায়ের জামা কীভাবে বানানো হলো তার কৈফিয়ত জানতে চেয়েছে, জনসম্মুখে কৈফিয়ত দিতে হয়েছে অর্ধ-পৃথিবীর শাসককে। শুধু ওই সময়ের পৃথিবীতেই নয়, এমন দৃষ্টান্ত আজকের যুগেও কেউ স্থাপন করতে পারে না।

আর্থিক নিরাপত্তা: অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠী ছিল আরব। ছিল না খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসার নিশ্চয়তা। খাবারের কষ্টে ধুকে ধুকে মরত হাজারও মানুষ। দেখার কেউ ছিল না, তাদের কষ্ট উপলব্ধির কেউ ছিল না। আল্লাহর রসুল এলেন তাদের মুক্তিদূত হয়ে। ইসলামের আদর্শ প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সঙ্গে হতদরিদ্র মানুষের মুখে হাসি ফোটা আরম্ভ হলো। মাত্র কয়েক বছরের মধ্যেই আরবের মৌলিক সঙ্কটগুলো একে একে বিদায় নেওয়া শুরু করল। ইসলাম ক্ষুধার্তকে খাদ্য দিয়েছে, বাস্তুহারাকে বাস্তু দিয়েছে। কে কোথায় কী সমস্যায় পড়ে আছে তার সমাধান করার জন্য রাতের আঁধারে রাস্তাঘাটে, অলি-গলিতে ঘুরে বেড়িয়েছেন ইসলামের খলিফা, অর্ধপৃথিবীর শাসনকর্তা। যারা কিছুদিন আগেও অর্ধাহারে অনাহারে দিন কাটানোকেই নিয়তি বলে ধরে নিয়েছিল, ইসলাম তাদের ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়ে দিল। ইসলাম প্রতিষ্ঠার পর তাদের অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতা এই পর্যন্ত পৌঁছায় যে, ধনী ব্যক্তিরা যাকাতের সম্পদ উটের পিঠে বোঝাই করে রাস্তায় ঘুরে বেড়াত, যাকাত গ্রহণ করার মতো হতদরিদ্র লোক খুঁজে পাওয়া যেত না।

শাসনকার্যে স্বচ্ছতা: ইসলাম জনগণকে জোর-জবরদস্তির শাসন ও শোষণ থেকে উদ্ধার করেছিল। এমন স্বচ্ছ শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেছিল যে, অর্ধপৃথিবীর শাসনকর্তা একটি খেজুরপাতার ছাউনি দেয়া মসজিদে বসে রাজ্য শাসন করতেন। যার আবার একটির বেশি জামা ছিল না। যিনি সর্বদা তটস্থ থাকতেন তার শাসনের অধীনে কেউ কোথাও কষ্ট পাচ্ছে কিনা, একটি কুকুরও না খেয়ে থাকছে কিনা সেই দুশ্চিন্তায়। ঘুম এলে গাছের নিচে ঘুমিয়ে পড়তেন। যার যখন ইচ্ছা খলিফার সাথে দেখা করত, সমস্যা বলত, সমাধান হয়ে যেত।

পরাশক্তির আত্মপ্রকাশ: ইসলামপূর্ব যুগে আরবরা নিজেদেরকে রোমান পারস্যের সেনাদের তুলনায় দুর্বল ও ভীরু মনে করত। কোনোদিন রোমান পারস্যের সেনাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে এই কল্পনাও তাদের মাথায় আসেনি, বিজয় অর্জন তো পরের কথা। সেই আরবদের মধ্যেই ইসলাম এমন অনুপ্রেরণা, শক্তি ও সাহস সঞ্চার করল যে, রোমান পারস্যের অত্যাচারী শাসন থেকে মানুষকে উদ্ধারের জন্য তলোয়ার হাতে আরবভূমি থেকে বেরিয়ে পড়ল আরব সন্তানরা। একইসঙ্গে রোমান ও পারস্যশক্তিকে আক্রমণ করে বসল এবং পরাজিত করল। সেই উম্মতে মোহাম্মদী আরবরা পৃথিবীর যেখানেই অন্যায় হতে দেখেছেন, অবিচার হতে দেখেছেন, দুর্বলের উপর সবলের অত্যাচার হতে দেখেছেন, ছুটে গেছেন ন্যায়ের তরবারি হাতে।

নারীর সম্মান প্রতিষ্ঠা: যে সমাজে নারীদেরকে জীবন্ত কবর দেওয়া হতো, নারীদেরকে ভোগ্যবস্তু মনে করা হতো, নারীদের কোনো অধিকার স্বীকার করা হতো না, সেই সমাজেই ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হবার পর নারীরা অধিকার ফিরে পেল। সমাজের সর্বাঙ্গনে নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হলো। এমনকি নারীরা যুদ্ধক্ষেত্রে শত্রুর মোকাবেলা করে সাহস ও যোগ্যতার প্রমাণ রাখলেন। রসুলাল্লাহর যুগে এমন কোনো জাতীয়, অর্থনৈতিক, সামাজিক, ধর্মীয় কর্মকাণ্ড ছিল না, যেখানে নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়নি।

মূল কথা হচ্ছে ইসলাম মানুষের বাস্তব সমস্যার বাস্তব সমাধান করতে পেরেছিল। যখন মানুষের সমস্যা ছিল অধিকারহীনতা, অন্যায়, অবিচার, নির্যাতন, স্বাধীনতাহরণ, শোষণ, বঞ্চনা, দারিদ্র; তখন ইসলাম মানুষকে মুক্তির সন্ধান দিতে এগিয়ে এসেছিল। প্রতিষ্ঠা করেছিল ন্যায়, শান্তি, সুবিচার ও নিরাপত্তা। এতে সন্দেহের অবকাশ নেই যে, ওই ন্যায় ও শান্তি দেখেই পৃথিবীর কোটি কোটি মানুষ ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট হয়েছিল।

কিন্তু আফসোস! প্রকৃত ইসলামের সেই প্রাঞ্জল আদর্শ আজ নেই। ফলে এককালে যে মুসলিমরা অর্ধদুনিয়াকে ন্যায়, শান্তি ও সুবিচারের অলঙ্কারে সাজিয়ে তুলেছিল সেই মুসলিমরাই আজ সারা পৃথিবীতে সবচেয়ে অবজ্ঞাত, উপেক্ষিত, নির্যাতিত ও অপমানিত জনগোষ্ঠীতে পরিণত হয়েছে। যে তওহীদের ভিত্তিতে এই জাতি ইস্পাতের ন্যায় ঐক্যবদ্ধ থাকত, সেই তওহীদ হারিয়ে বহু শতাব্দী পূর্বেই এই জাতি হাজার হাজার মত-পথ, ফেরকা-মাজহাব-তরিকায় বিভক্ত হয়ে খণ্ড-বিখণ্ড হয়ে গেছে। অথচ তারা ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রকৃত ইসলামকে ধারণ করতে পারলে আবারও উন্নতি-সমৃদ্ধিতে বিশ্বের বিস্ময়ে পরিণত হত।

[লেখক: লেখক ও কলামিস্ট।
যোগাযোগ: ০১৬৭০১৭৪৬৪৩, ০১৭১১০০৫০২৫, ০১৭১১৭৫১৫৮১।
facebook/asadaliht95; asadali0605@gmail.com]

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

সামাজিক মাধ্যমে ২১ লাখ অনুসারী, নির্বাচনে পেলেন মাত্র ৩৩ ভোট!

সামাজিক মাধ্যমে ২১ লাখ অনুসারী, নির্বাচনে পেলেন মাত্র ৩৩ ভোট!
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনুসারী ২১ লাখের বেশি, অথচ নির্বাচনে ভোট পেয়েছেন মাত্র ৩৩টি! ভারতের রাজস্থানে পঞ্চায়েত নির্বাচনে সরপঞ্চ পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে এমনই ফল পেয়েছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের…
 ২৭ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগ, জামায়াত নেতার চার পদে অব্যাহতি!

প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগ, জামায়াত নেতার চার পদে অব্যাহতি!
চট্টগ্রামে এক প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কে জড়িত থাকার অভিযোগে জামায়াত নেতা মোহাম্মদ ইসমাইলকে সাংগঠনিক চারটি পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। দলীয় তদন্তে অভিযোগের সত্যতা…
 ২৭ অক্টোবর ২০২৬    নির্বাচিত

‘আওয়ামী লীগের নির্দোষ কর্মীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে বাধা নেই’: শফিকুর রহমান

‘আওয়ামী লীগের নির্দোষ কর্মীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে বাধা নেই’: শফিকুর রহমান
আওয়ামী লীগের নির্দোষ কর্মীরা স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবেন বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তবে অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের…
 ২৭ অক্টোবর ২০২৬    নির্বাচিত

ভারতে বিতর্কের মধ্যেই ভোটার তালিকা থেকে বাদ প্রায় ১ কোটি নাম!

ভারতে বিতর্কের মধ্যেই ভোটার তালিকা থেকে বাদ প্রায় ১ কোটি নাম!
ভারতের কর্ণাটক রাজ্যে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পর খসড়া তালিকার তুলনায় ভোটারের সংখ্যা প্রায় ১ কোটি কমেছে। খসড়া তালিকা থেকে ১ কোটি ৭ লাখের বেশি…
 ২৭ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের প্রতারণায় যুদ্ধে পাঠিয়েছে রাশিয়া: জাতিসংঘ

বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের প্রতারণায় যুদ্ধে পাঠিয়েছে রাশিয়া: জাতিসংঘ
বাংলাদেশসহ বিশ্বের ২৯টি দেশের নাগরিকদের প্রতারণা ও চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে রুশ সেনাবাহিনীতে নিয়োগ দিয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে পাঠানোর সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পেয়েছে জাতিসংঘের স্বাধীন তদন্ত কমিশন। উচ্চ…
 ২৭ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

দেশেই আছেন রুমি, পাল্টা মামলায় চাইলেন আগাম জামিন

দেশেই আছেন রুমি, পাল্টা মামলায় চাইলেন আগাম জামিন
দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার কথা বললেও প্রকৃতপক্ষে দেশেই রয়েছেন টঙ্গীর মাদরাসায় যৌন নিপীড়নের অভিযোগে আলোচিত শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমি। তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের করা মারধর, হত্যাচেষ্টা…
 ২৭ অক্টোবর ২০২৬    রাজধানী

বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে জাপানি ফাউন্ডেশনের প্রতি ডা. জুবাইদার আহ্বান!

বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে জাপানি ফাউন্ডেশনের প্রতি ডা. জুবাইদার আহ্বান!
বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবা, স্বাস্থ্য গবেষণা, মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য এবং আধুনিক চিকিৎসা অবকাঠামোর উন্নয়নে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ও চিকিৎসক ডা. জুবাইদা রহমান। জাপানের টোকিওতে…
 ২৭ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

যুবদলের কর্মসূচিতে রাজধানীজুড়ে যানজট, চরম ভোগান্তিতে নগরবাসী!

যুবদলের কর্মসূচিতে রাজধানীজুড়ে যানজট, চরম ভোগান্তিতে নগরবাসী!
রাজধানীতে সকাল থেকে ধীরগতিতে চলেছে যানবাহন। দুপুরের দিকে যানজট তীব্র আকার ধারণ করায় বিভিন্ন সড়কে ভোগান্তিতে পড়েন নগরবাসী। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর…
 ২৭ অক্টোবর ২০২৬    রাজধানী

৩৯৬টি কবর খুঁড়ে বিদায়, অপূর্ণ রয়ে গেল হাফেজ শিকদারের ৪০০ ছোঁয়ার স্বপ্ন!

৩৯৬টি কবর খুঁড়ে বিদায়, অপূর্ণ রয়ে গেল হাফেজ শিকদারের ৪০০ ছোঁয়ার স্বপ্ন!
অন্যের শেষ ঠিকানা তৈরি করতে জীবনের দীর্ঘ সময় পার করেছেন পটুয়াখালীর কুয়াকাটার হাফেজ শিকদার। বিনা পারিশ্রমিকে নিজ হাতে খনন করেছেন ৩৯৬টি কবর। স্বপ্ন ছিল ৪০০টি…
 ২৭ অক্টোবর ২০২৬    বরিশাল

আইজিপির বক্তব্য দেশের ক্ষতি করবে, সরকারকে বিব্রত ও ভীত করবে: রিজভী

আইজিপির বক্তব্য দেশের ক্ষতি করবে, সরকারকে বিব্রত ও ভীত করবে: রিজভী
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, সস্তা বাহবা ও কৃতিত্ব নেওয়ার জন্য পুলিশের মহাপরিদর্শকের (আইজিপি) দেওয়া বক্তব্য দেশের ক্ষতি করবে…
 ২৭ অক্টোবর ২০২৬    নির্বাচিত

ভোটের জন্য নয়, মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে রাজনীতি করে বিএনপি: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

ভোটের জন্য নয়, মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে রাজনীতি করে বিএনপি: সমাজকল্যাণমন্ত্রী
সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এজেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, বিএনপি শুধু ভোট নেওয়ার জন্য রাজনীতি করে না, বরং সাধারণ মানুষের ভাগ্য উন্নয়ন এবং শ্রেণি-ধর্ম নির্বিশেষে সবার পাশে…
 ২৭ অক্টোবর ২০২৬    নির্বাচিত

এলিজা জামানের মনোনয়নপত্র বৈধ, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি হওয়ার পথে!

এলিজা জামানের মনোনয়নপত্র বৈধ, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি হওয়ার পথে!
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী এলিজা জামানের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ নির্বাচনে তিনি একক প্রার্থী হওয়ায় প্রার্থিতা…
 ২৭ অক্টোবর ২০২৬    নির্বাচিত

জাপানে নিটসু লজিস্টিকস হাব পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান!

জাপানে নিটসু লজিস্টিকস হাব পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান!
জাপান সফরের অংশ হিসেবে দেশটির চিবা প্রিফেকচারের ইচিকাওয়া শহরে অবস্থিত নিটসু লজিস্টিকস হাব পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা…
 ২৭ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

গলাচিপায় পটকা বিস্ফোরণে তরুণের বাঁ হাতের পাঁচ আঙুল বিচ্ছিন্ন!

গলাচিপায় পটকা বিস্ফোরণে তরুণের বাঁ হাতের পাঁচ আঙুল বিচ্ছিন্ন!
পটুয়াখালীর গলাচিপায় লক্ষ্মীপূজা উপলক্ষে পটকা ফোটাতে গিয়ে বিস্ফোরণে অমিত হাজারি (১৮) নামে এক তরুণের বাঁ হাতের পাঁচটি আঙুল বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। তাঁর হাতের টিস্যু ও…
 ২৭ অক্টোবর ২০২৬    বরিশাল

কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাবের ৫৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাবের ৫৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত
যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে কুড়িগ্রাম প্রেস ক্লাবের ৫৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে রবিবার (২৭ অক্টোবর) সকালে কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাব চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি…
 ২৭ অক্টোবর ২০২৬    রংপুর