বরিশালের বাকেরগঞ্জে অন্যের স্ত্রীর সঙ্গে বিয়ে ছাড়াই প্রায় সাত মাস ধরে বসবাসের অভিযোগ উঠেছে এক মসজিদের ইমামের বিরুদ্ধে। স্থানীয় বাসিন্দা ও ইমামের প্রথম স্ত্রীর স্বজনরা ওই ইমাম ও নারীকে আটক করার পর পুলিশ তাদের উদ্ধার করে। পরে কারও পক্ষ থেকে অভিযোগ না থাকায় মুচলেকা নিয়ে দুজনকে নিজ নিজ পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়।
বুধবার (৭ অক্টোবর) বাকেরগঞ্জ উপজেলার দাড়িয়াল ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত ইমামের নাম আব্দুল্লাহ তুহিন। তিনি পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের মোস্তফাপুর গ্রামের আব্দুল কাশেমের ছেলে। তিনি দাড়িয়াল ইউনিয়নের বাংলাবাজার জামে মসজিদে ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় পাঁচ বছর আগে আব্দুল্লাহ তুহিনের সঙ্গে পাশের গ্রামের এক নারীর বিয়ে হয়। পরে পটুয়াখালীর মজিদপুর গ্রামের একটি মসজিদে ইমামতি করার সময় ওই মসজিদের পাশের বাড়ির এক বিবাহিত নারীর সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
‘মাকে সঙ্গে দিলে সুইসাইড করব’, ইউএনওকে বললেন ছেলে!

স্থানীয়দের দাবি, একপর্যায়ে ওই নারী স্বামী ও সংসার ছেড়ে তুহিনের সঙ্গে চলে যান। এরপর প্রায় সাত মাস আগে তারা বাকেরগঞ্জের দাড়িয়াল ইউনিয়নে এসে বসবাস শুরু করেন। সেখানে বাংলাবাজার জামে মসজিদে ইমাম হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর মসজিদের পাশেই একটি বাসা ভাড়া নেন তুহিন। ওই বাসায় ওই নারীকে সঙ্গে নিয়ে বসবাস করছিলেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয় বাসিন্দা ও তুহিনের প্রথম স্ত্রীর স্বজনরা তাদের আটক করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুজনকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
বাকেরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আদিল হোসেন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই ইমাম ও নারীকে উদ্ধার করে। তাদের বিরুদ্ধে কারও কোনো অভিযোগ না থাকায় মুচলেকা নিয়ে নিজ নিজ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
তবে আব্দুল্লাহ তুহিনের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ সম্পর্কে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর বিষয়ে তার বক্তব্য জানা গেলে ঘটনার আরও বিস্তারিত চিত্র পাওয়া যেতে পারে।

















