ঢাকা, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় শ্রমিক আন্দোলনকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে ৪০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তবে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের কেউই প্রকৃত শ্রমিক নন বলে জানিয়েছেন ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি মো. মোস্তাফিজুর রহমান। তার দাবি, শ্রমিকদের ন্যায্য আন্দোলনের সুযোগ নিয়ে একটি পক্ষ বিভিন্ন স্থানে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে ঢাকা রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ডিইপিজেড) ও আশুলিয়ার নরসিংহপুরে হামিম গ্রুপসহ বিভিন্ন শিল্পকারখানা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
ডিআইজি মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, শ্রমিকদের ন্যায্য আন্দোলনের সুযোগ নিয়ে কিছু দুষ্কৃতকারী শ্রমিকদের মধ্যে অনুপ্রবেশ করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে। তাদের চিহ্নিত করতে পুলিশ কাজ করছে। এ জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হচ্ছে। আন্দোলনের নামে কোনো বহিরাগত বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।
অপপ্রচারের শিকার উজিরপুরের ‘গয়েশ্বর’ খ্যাত পলাশ কুণ্ডু, প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

এ সময় প্রকৃত শ্রমিকদের সতর্ক ও সচেতন থাকার আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি ও বহিরাগতদের উসকানিতে সৃষ্ট বিশৃঙ্খলার মধ্যে পার্থক্য করার ওপর গুরুত্ব দেন।
অন্যদিকে, ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার শামীমা পারভীন বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যে বোরখা পরিহিত ও হেলমেটধারী একটি গোষ্ঠী শ্রমিকদের উসকানি দিচ্ছে। কারা তাদের অর্থের জোগান দিচ্ছে, সে বিষয়েও পুলিশের কাছে তথ্য রয়েছে বলে জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, শিল্পাঞ্চল সাভার ও আশুলিয়ার সার্বিক পরিস্থিতি বর্তমানে শান্ত রয়েছে। শ্রমিকরাও স্বাভাবিক পরিবেশে কাজ করছেন। তবে কেউ নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা করলে তাকে ছাড় দেওয়া হবে না।
এ সময় ঢাকার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাভার সার্কেল) রাকিবুল হাসান ইশান, আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলামসহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

















