শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি:
গাজীপুরের শ্রীপুরে ভীমরুলের কামড়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় স্বপন দাস (৫০) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। একই ঘটনায় মুমূর্ষু অবস্থায় তার স্ত্রীকে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে ঢাকার উত্তরার শিন শিন জাপান হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় তার স্ত্রী রত্না দাসও গুরুতর অসুস্থ হয়ে ওই হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
নিহত স্বপন দাস শ্রীপুর পৌর বাজার সার্বজনীন দুর্গাপূজা কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি প্রয়াত নরেন্দ্র দাসের ছেলে।
প্রথমবার প্রকাশ্যে গণনা, লালনের মাজারের দানবাক্সে মিলল ৬ লাখ টাকা!

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার সকাল ৭টার দিকে নিজ বাড়ির পাশে বাঁশ কাটতে যান স্বপন দাস। এ সময় বোলতার চাক ভেঙে গেলে বোলতা ছড়িয়ে পড়ে। এতে স্বপন দাস, তার স্ত্রী রত্না দাস ও ভাগনে সজীব দাসসহ আশপাশে থাকা কয়েকজন বোলতার কামড়ের শিকার হন।
পরে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর স্বপন দাস ও তার স্ত্রীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য গাজীপুর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে তাকে ঢাকার উত্তরার শিন শিন জাপান মেডিকেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১১টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
আজ শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে স্বপন দাসের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন শ্রীপুর পৌর বাজার সার্বজনীন দুর্গাপূজা কমিটির সভাপতি দুলাল চৌহান। তিনি বলেন, “বোলতার কামড়ে স্বপন দাস গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। হাসপাতালে নেওয়ার পর তাকে উন্নত চিকিৎসা দেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। তার স্ত্রী রত্না দাস বর্তমানে আইসিইউতে মুমূর্ষু অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।”
তিনি আরও জানান, মুমূর্ষু স্ত্রীর চিকিৎসার কাজে স্বজনেরা ব্যস্ত থাকায় স্বপন দাসের মরদেহ ফ্রিজিং অ্যাম্বুলেন্সে রাখা হয়েছে। এই অবস্থায় ৪ থেকে ৫ দিন থাকার পর দাফন বা সৎকার সংক্রান্ত পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
স্বপন দাসের মৃত্যুর খবরে স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তার স্বজন, পরিচিতজন ও স্থানীয়রা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে শ্রীপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহীনুর আলম বলেন, “বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে দেখছি।”
















