কোরবানির পশু জবাই ও মাংস কাটার সময় আহত হয়ে ঈদের দিন ও পরের দিন মিলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ২৭২ জন চিকিৎসা নিয়েছেন। এদের মধ্যে ঈদের প্রথম দিনে ১৭৭ জন এবং দ্বিতীয় দিনে আরও ৯৫ জন হাসপাতালের জরুরি বিভাগ থেকে সেবা নিয়েছেন।
ঢামেক হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. আশরাফুল আলম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আহতদের বেশিরভাগই পশু জবাই করার সময় অসাবধানতাবশত কিংবা মাংস কাটার সময় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে জখম হয়েছেন। এছাড়া অনেকের শরীরে কোরবানির পশুর লাথি বা শিংয়ের আঘাতের চিহ্ন ছিল।
হাসপাতাল সূত্র জানায়, ঈদের প্রথম দিন বৃহস্পতিবার রাত ১০টা পর্যন্ত ১৭৭ জন রোগী এসেছিলেন। আর দ্বিতীয় দিন শুক্রবার সকাল থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত আরও ৯৫ জন চিকিৎসা নিয়েছেন। যাতায়াতের ধরন এবং জরুরি সেবার প্রয়োজন বিবেচনায় তাদের দ্রুত সেবা দেওয়া হয়েছে।
সড়কে বর্জ্য দেখে ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী, দুই সিটি কর্মকর্তা বরখাস্ত

নারায়ণগঞ্জ থেকে চিকিৎসা নিতে আসা ফারুক মোল্লা জানান, গরু জবাইয়ের সময় তিনি পশুর মাথা ধরে রেখেছিলেন। হঠাৎ গরু নড়ে ওঠায় কসাইয়ের ছুরির আঘাতে তার হাত কেটে যায়। প্রথমে তাকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হলেও পরে ভালো চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেলে পাঠানো হয়েছিল।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আহতদের মধ্যে অধিকাংশকেই প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে কয়েকজনের জখম গুরুতর হওয়ায় তাদের প্রয়োজনীয় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছিল। প্রতি বছরই কোরবানির সময় এমন অসাবধানতার কারণে অনেক মানুষ আহত হয় বলে চিকিৎসকরা উল্লেখ করেন। মূলত পশু সামলানোর সময় অসতর্ক থাকাই এই ধরণের দুর্ঘটনার প্রধান কারণ।
















