প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   শিক্ষিতদের দুর্নীতিতে ধর্মহীন শিক্ষাব্যবস্থার দায়

শিক্ষিতদের দুর্নীতিতে ধর্মহীন শিক্ষাব্যবস্থার দায়

১ জুলাই ২০২৪ ০২:৫২ পিএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

ইলিয়াস আহমেদ:
আমাদের দেশে সাধারণ মানুষকে দুর্নীতির ব্যাপারে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেয়ার প্রয়োজন নেই। সরকারি এমন কোনো সেবাখাত নেই যেখানে অনিয়ম-ঘুষ ছাড়াই নির্বিঘ্নে সেবা নিতে পারছে সাধারণ মানুষ। ইউনিয়নের ভূমি অফিস থেকে শুরু করে, পাসপোর্ট অধিদপ্তর, সরকারি হাসপাতালসহ প্রত্যেক সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে দুর্নীতির ছড়াছড়ি। জনগণের ভ্যাট-ট্যাক্সের অর্থায়নে এই প্রতিষ্ঠানগুলো যেখানে বিনামূল্যে পরিষেবা দিতে বাধ্য, সেখানে অতিরিক্ত অর্থ ছাড়া সেবা পাচ্ছে না সাধারণ মানুষ। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এই অতিরিক্ত টাকা না দেয়ার কারণে উল্টো সেবাগ্রহীতারা হেনস্থার শিকার হচ্ছেন। দুর্নীতির কালো টাকায় ফুলে-ফেঁপে উঠেছে দুর্নীতিবাজরা।

আর পরিতাপের বিষয় হলো: এই দুর্নীতির সাথে জড়িত যারা, তারা আর কেউ নয়, প্রচলিত শিক্ষায় শিক্ষিত শ্রেণিটি। দেশের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে বসে কলমের খোঁচায় অনিয়ম আর অন্যায়ভাবে সাধারণ মানুষের সেবা পাওয়ার অধিকার ক্ষুণ্ন করছে, অনেক ক্ষেত্রে জালিয়াতির মাধ্যমে ফাঁদে ফেলে অর্থ-সম্পদও হাতিয়ে নিচ্ছে। প্রায়শ পত্রিকার খবরে দেখা যায়, এসব দুর্নীতিগ্রস্ত সরকারি কর্মচারী-কর্মকর্তার মাসিক বেতনের চাইতেও কয়েকগুণ বেশি তাদের জীবনযাত্রার ব্যয়। দশ-বিশ হাজার টাকার বেতনের কর্মচারী এরই মধ্যে গড়ে তুলেছে আলিশান বহুতল ভবন। ঘুষ-অনিয়মের মাধ্যমে অবৈধ টাকা উপার্জনে এখন আর রাখঢাক নেই। ‘বাড়তি উপার্জন কিংবা ‘স্পিডমানি’-র নামে একরকম বৈধতার স্বীকৃতিও দিয়েছে এই দুর্নীতিবাজ শ্রেণিটি।

জার্মানির বার্লিনভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল-এর ২০২৩ সালের জন্য দুর্নীতির ধারণাসূচক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, দুর্নীতির মাত্রা বিশ্বের যেসব দেশে সবচেয়ে বেশি, তার মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান দশম। আর দুর্নীতি বিরোধী আন্তর্জাতিক সংস্থা টিআইবি-এর ২০২২ সালের রিপোর্ট অনুসারে দেশের সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত
শীর্ষ তিন খাতে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, পাসপোর্ট অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এর তথ্যানুসারে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থায় ৭৪ শতাংশের বেশি সংখ্যক পরিবার দুর্নীতির শিকার হয়েছে। অনুরূপভাবে, পাসপোর্ট অধিদপ্তরে ৭০.৫ শতাংশ, বিআরটিএ কার্যালয়ে ৬৮.৩ শতাংশ, বিচারিক সেবাখাতে ৫৬.৮ শতাংশ, সরকারি স্বাস্থ্য সেবায় ৪৮.৭ শতাংশ, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে ৪৬.৬ শতাংশ এবং ভূমি সেবায় ৪৬.৩ শতাংশ পরিবার দুর্নীতির শিকার হয়েছে বলে গবেষণায় উঠে এসেছে।

আরও পড়ুন

কোরআনের প্রতিশ্রুতি বনাম বর্তমান মুসলিম বিশ্ব

ইসলামের দর্শন ও সংস্কৃতিচর্চার যোগসূত্র

সরকারি কার্যালয়গুলোতে যে দুর্নীতি হচ্ছে, দুদক সেটি স্বীকার করে গবেষণার রিপোর্টে উল্লেখ করেছে, ২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত শতাধিক দুর্নীতির মামলায় প্রায় ৩৭৪ জনকে আসামি করা হয়েছে, যাদের অর্ধেকই সরকারি চাকরিজীবী। দুদকের কমিশনার মো. জহুরুল হক বিবিসিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘সরকারি সেবাখাতে যে দুর্নীতি হচ্ছে, সেটা অস্বীকার করার উপায় নেই। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অনেকেই যে অবৈধ সম্পদের মালিক হচ্ছেন, সেটাই বাস্তবতা’। এসব দুর্নীতিবাজ সরকারি চাকরিজীবীরা শুধু দুর্নীতি করেই ক্ষান্ত নয়, তাদের বিরুদ্ধে বিদেশে অর্থপাচারের অভিযোগ অনেক আগে থেকেই । কানাডায় অর্থপাচার করে বাংলাদেশি নাগরিকদের বাড়ি-গাড়ি কেনার বিষয়ে ২০২০ সালে তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল কালাম আব্দুল মো’মেন গণমাধ্যমকে বলেছিলেন, ‘আমাদের সচরাচর ধারণা যে, এগুলো হয়তো রাজনীতিবিদরা করেন। কিন্তু, সেখানে দেখা গেল এদের অধিক সংখ্যক সরকারি চাকরি করেন।’ ২০২১ সালে নন-ব্যাংকিং একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মামলার শুনানিকালে হাইকোর্ট বাংলাদেশ ব্যাংকের দিকে ইঙ্গিত করে বলেছেন, ‘সেখানে কয়েক বছর অনেক চোর-ডাকাত বসে ছিল। ২০০২ সাল থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের যত জিএম (জেনারেল ম্যানেজার), ডিজিএম (ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার), এজিএম (অ্যাসিস্ট্যান্ট জেনারেল ম্যানেজার) ছিল, তারা ওখানে বসে বসে মধু পেত। বসে বসে মধু খেয়েছে তারা।’ এই যে চোর-ডাকাত, দুর্নীতিবাজদের কথা বলা হলো, যারা দেশের কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করে বিদেশে অর্থ-পাচার করেছে, তারা কিন্তু আমাদের শিক্ষিত শ্রেণিরই একটা অংশ এবং দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোর উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তা। তারা সকলেই আমাদের শিক্ষাব্যবস্থায় উচ্চশিক্ষিত। এখন প্রশ্ন হলো, যে শিক্ষিত শ্রেণিটি মননে-মেধায় দেশের সেবার লক্ষ্যে সৎভাবে দায়িত্ব পালন করার কথা, তারা কেনো দুর্নীতিতে জড়িত, তাদেরকে কেনো চোর-ডাকাত বলে সম্বোধন করা হচ্ছে?

শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য কেবল পড়তে পারা বা লিখতে পারার মধ্যে সীমিত নয়। শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য একজন মানুষকে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় শিক্ষিত করার পাশাপাশি তার মধ্যে মূল্যবোধ, নৈতিকতা, আদর্শ ও মনুষ্যত্ববোধ জাগ্রত করা; এগুলোর সুষ্ঠু বিকাশ করা। আমাদের প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় শিক্ষিত ঠিকই করতে পারছে এবং প্রতিবছরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো থেকে হাজার হাজার স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রীধারী শিক্ষার্থী বের হচ্ছে। কিন্তু মানুষ করে বের করতে পারছে কি? চাকরিপ্রার্থীদের পছন্দসই চাকরি নির্বাচনে লক্ষ্য করা যায়, যে সকল চাকরিতে ঘুষ-আর্থিক সুবিধা ও ক্ষমতার অপব্যবহারের সুযোগ বেশি সে সব চাকরিকে প্রাধান্য দেয়ার প্রবণতা বেশি। এই চিত্র দিনকে দিন প্রবলতর হচ্ছে। অর্থাৎ আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা নৈতিক ও আদর্শ মানুষ তৈরি করতে অনেকটাই ব্যর্থ এবং এর দায় এড়িয়ে যেতে পারে না। যখন একটি ব্যবস্থায় শিক্ষিত-অশিক্ষিত সকলেই অন্যায়ের কাছে মাথা নত করে এবং সেই নীতিহীন ব্যবস্থা মেনে নেয়, তখন একমাত্র সুশিক্ষাই পারে সেই ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনতে। কিন্তু সমস্তরকম পরিসংখ্যান বলছে, দেশে যে হারে শিক্ষার হার বাড়ছে, শিক্ষিতের সংখ্যা বাড়ছে, সে হারে দুর্নীতি কমছেই না বরং উল্টো বাড়ছে। তাই আমাদের দৃষ্টিপাত করতে হবে এই শিক্ষাব্যবস্থার গলদ কোথায়?

এই গলদটি কোথায় তা চিহ্নিত করতে হলে আমাদের দেশে প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থা কী লক্ষ্য নিয়ে সৃষ্টি করা হয়েছিল সেটা বিবেচনায় নিতে হবে। ভারতবর্ষের ইতিহাসে আমরা দেখি, ইউরোপীয় সাম্রাজ্যবাদীরা বণিকের বেশে ভারতে প্রবেশ করে এবং ক্রমে তারা ছলে বলে কৌশলে এদেশের শাসন ক্ষমতা ছিনিয়ে নেয়। আমাদেরকে পদানত করার পর চিরকালের জন্য গোলাম বানিয়ে রাখতে ব্রিটিশরা একটি চক্রান্ত করল। তারা দুই ধরনের শিক্ষাব্যবস্থা চালু করল- একটি সাধারণ ধর্মনিরপেক্ষ শিক্ষা, আরেকটি মাদ্রাসা শিক্ষা। এই দুটো শিক্ষাব্যবস্থার মধ্যে চিন্তা-চেতনায় মৌলিক ব্যবধান ও বৈপরীত্য রয়েছে। এখানেই তারা আমাদের জাতিটিকে মানসিকভাবে ও বাস্তবে বিভক্ত করে দিয়েছে। ব্রিটিশ পণ্ডিতরা অনেক গবেষণা করে ষড়যন্ত্রমূলক মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থা তৈরি করলো যেখানে অংক, ভূগোল, বিজ্ঞান, অর্থনীতি, প্রযুক্তি ও কারিগরি শিক্ষা ইত্যাদির কোনো কিছুই রাখা হলো না। এগুলো বাদ দিয়ে  ব্যক্তিগত জীবনের মাসলা-মাসায়েল, ফতোয়া, দোয়া-কালাম, মিলাদের উর্দু-ফার্সি পদ্য, বিশেষ করে দীনের যে বিষয়গুলো সম্পর্কে আগে থেকেই বিভিন্ন মাজহাবের ফকীহদের মধ্যে বহু মতবিরোধ সঞ্চিত ছিল সেগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করলো। সেই ইসলামটিকে জাতির মনে-মগজে গেড়ে দেওয়ার জন্য বড়লাট লর্ড ওয়ারেন হেস্টিংস ১৭৮০ সনে ভারতের তদানীন্তন রাজধানী কোলকাতায় আলিয়া মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করল। সেখানে নিজেরা অধ্যক্ষ থেকে পর পর ২৬ জন খ্রিষ্টান (প্রথম খ্রিষ্টান অধ্যক্ষ এ.এইচ. স্প্রিঙ্গার এম.এ. এবং শেষ খ্রিষ্টান অধ্যক্ষ এ. এইচ. হার্টি এম.এ.)  ১৯২৭ সন পর্যন্ত ১৪৬ বছর ধরে মুসলিম জাতিকে সেই বিকৃত ইসলামটি শেখাল। [দেখুন- আলীয়া মাদ্রাসার ইতিহাস, মূল- আঃ সাত্তার, অনুবাদ- মোস্তফা হারুন, ইসলামী ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ এবং Reports on Islamic Education and Madrasah Education in Bengal by Dr. Sekander Ali Ibrahimy (Islami Foundation Bangladesh)]।

আর অন্যদিকে সাধারণ শিক্ষাব্যবস্থায় (General Education System) দীন সম্পর্কে প্রায় কিছুই শিক্ষা দেওয়া হয়নি। বরং সুদভিত্তিক অংক, ব্রিটিশ রাজা- রাণীর ইতিহাস, ভূগোল, বিজ্ঞান, গণিত, পাশ্চাত্যের ধর্মহীন রাষ্ট্রব্যবস্থা, পাশ্চাত্য বস্তুবাদী দর্শন ইত্যাদি শিক্ষার পাশাপাশি ধর্ম সম্পর্কে, বিশেষ করে ইসলাম সম্পর্কে একটা বিদ্বেষভাব শিক্ষার্থীদের মনে প্রবেশ করানো হলো। এই শিক্ষাব্যবস্থা থেকে লক্ষ লক্ষ কথিত আধুনিক শিক্ষিত লোক বের হচ্ছেন যারা চরম আত্মকেন্দ্রিক ও স্বার্থপর। নিজেদের বৈষয়িক উন্নতি ছাড়া আর কিছুই তারা ভাবেন না। সময় ও শাসনের প্রেক্ষাপটে এই সাধারণ শিক্ষাব্যবস্থার পরিবর্তন-পরিমার্জন আসলেও উদ্দেশ্যগত ও আদর্শের দিক থেকে একই রয়ে গেছে, যার ফল আমাদের চোখের সামনে স্পষ্ট। নীতি-নৈতিকতাকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েছে শিক্ষিত শ্রেণিটি।

তাই যদি আমরা দেশকে বারবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়নের লজ্জা থেকে রক্ষা করতে চাই, আমাদের শিক্ষিত শ্রেণিটিকে সত্যিকারের মানুষ হিসেবে তৈরি করতে চাই, দেশ ও দেশের মানুষকে দুর্নীতি ও অর্থপাচারের হাত থেকে রক্ষা করতে চাই, তবে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানোর বিকল্প নেই। ভিন্ন ভিন্ন শিক্ষাব্যবস্থার পরিবর্তে দেশে একমুখী শিক্ষাব্যবস্থার প্রস্তাব করা যেতে পারে, যেখানে আধুনিক ও ধর্মীয় শিক্ষার ভারসাম্যপূর্ণ সমন্বয় থাকবে। শুধু ধর্মহীন সেক্যুলার শিক্ষা দিয়ে হবে না। মানুষের দেহ যেমন আছে তেমনি আত্মা তথা বিবেকও আছে। সে বিবেকের দাবি পূরণ করার জন্য বিভিন্নভাবে এদিক ওদিক যেতে চাইবে। আবার বাস্তব জীবনের সমস্যাগুলোকে এড়িয়ে কেবল মাসলা-মাসায়েল, দোয়া কালাম, ফতোয়াবাজির ইসলাম যা কেবল পরকালীন সওয়াবমুখী, সেটা দিয়েও হবে না। প্রস্তাবিত এই একমুখী শিক্ষাব্যবস্থা থেকে ছাত্ররা এমন মানুষ হয়ে বের হবে যারা ধর্মান্ধ নয়, ধর্মবিদ্বেষী নয়, যারা প্রগতিশীল, বিজ্ঞানমনস্ক, যুক্তিবোধসম্পন্ন, দেশপ্রেমিক, রুচিশীল, মার্জিত, অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার, জাগ্রতবিবেক, স্রষ্টার আদেশ-নিষেধ, ন্যায়-অন্যায় সম্পর্কে সজাগ ও সচেতন। তারা স্বার্থপর, আত্মকেন্দ্রিক, দাম্ভিক, অহঙ্কারী না হয়ে বিনীত ও নম্র  হবে, মানুষের কল্যাণে নিবেদিতপ্রাণ হবে। প্রতিটি মানুষ হবে আলোকিত, সত্য ও ন্যায়ের ধারক। মানুষের ক্ষতি হয় এমন কোনো কাজ তারা ঘুণাক্ষরেও চিন্তা করবে না। এমন মানুষ তৈরি করতে পারে একটি ভারসাম্যমূলক শিক্ষাব্যবস্থা। এ ছাড়া চলমান দুর্নীতি ও অবক্ষয়ের কোনো সমাধান নেই।

[লেখক: প্রকৌশলী; যোগাযোগ: ০১৬৭০১৭৪৬৪৩, ০১৭১১৫৭১৫৮১, ০১৭১১০০৫০২৫]
 

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

ফেনীতে লালপোলে স্টার লাইন কাউন্টারের সামনে থেকে ৭ কেজি গাঁজাসহ ২ নারী গ্রেফতার

ফেনীতে লালপোলে স্টার লাইন কাউন্টারের সামনে থেকে ৭ কেজি গাঁজাসহ ২ নারী গ্রেফতার
ফেনী প্রতিনিধি: ফেনী সদর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৭ কেজি গাঁজাসহ দুই নারী মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুর…
 ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬    চট্টগ্রাম

দেশের বাজারে ফের বাড়লো স্বর্ণের দাম

দেশের বাজারে ফের বাড়লো স্বর্ণের দাম
দেশের বাজারে টানা তিন দফা স্বর্ণের দাম কমার পর এবার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভ্যাটসহ প্রতি ভরি সোনার দাম সর্বোচ্চ ৫…
 ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬    অর্থনীতি

ইফার মউশিক প্রকল্প পরিচালকের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অসত্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত

ইফার মউশিক প্রকল্প পরিচালকের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অসত্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত
ইসলামিক ফাউন্ডেশন (ইফা) পরিচালিত ‘নৈতিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ উন্নয়নে মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম’ (মউশিক) প্রকল্পের পরিচালক (যুগ্মসচিব) এস এম তরিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে সম্প্রতি একটি…
 ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬    জাতীয়

মাদারীপুরে একাধিক মানবপাচার মামলার আসামি এনামুল গ্রেফতার, পলাতক ভাইয়ের খোঁজে তল্লাশি

মাদারীপুরে একাধিক মানবপাচার মামলার আসামি এনামুল গ্রেফতার, পলাতক ভাইয়ের খোঁজে তল্লাশি
মাদারীপুর প্রতিনিধি: মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার বদরপাশা এলাকা থেকে একাধিক মানবপাচার মামলার আসামি এনামুল মাতুব্বরকে গ্রেফতার করেছে মাদারীপুর জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট)…
 ১৫ আগস্ট ২০২৬    ঢাকা

​প্রধানমন্ত্রীর নিকট হেফাজতের অন্যায্য দাবির তীব্র প্রতিবাদ ও প্রত্যাখ্যান হেযবুত তওহীদের

​প্রধানমন্ত্রীর নিকট হেফাজতের অন্যায্য দাবির তীব্র প্রতিবাদ ও প্রত্যাখ্যান হেযবুত তওহীদের
​ঢাকা: মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিকট হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ কর্তৃক হেযবুত তওহীদকে নিষিদ্ধ করার অন্যায্য ও অগণতান্ত্রিক দাবির তীব্র নিন্দা, প্রতিবাদ ও তা সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান…
 ১০ আগস্ট ২০২৬    জাতীয়

মাদারীপুরের আলোচিত গৃহবধূ লামিয়া হত্যা মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার

মাদারীপুরের আলোচিত গৃহবধূ লামিয়া হত্যা মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার
মাদারীপুর জেলার আলোচিত গৃহবধূ লামিয়া হত্যা মামলার তিন আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মাদারীপুর জেলা পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমানের নির্দেশনায় এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল)…
 ২১ জুলাই ২০২৬    ঢাকা

মাদারীপুর সরকারি কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের ঘোষণা এমপি জাহান্দার আলীর

মাদারীপুর সরকারি কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের ঘোষণা এমপি জাহান্দার আলীর
মাদারীপুর সরকারি কলেজের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের নবীনবরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আজ মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে…
 ১৪ জুলাই ২০২৬    ঢাকা

শ্রীপুরে পোশাক কারখানায় হঠাৎ অর্ধশতাধিক শ্রমিক অসুস্থ, ছুটি ঘোষণা

শ্রীপুরে পোশাক কারখানায় হঠাৎ অর্ধশতাধিক শ্রমিক অসুস্থ, ছুটি ঘোষণা
গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের টেপিরবাড়ি এলাকায় অবস্থিত ‘কালার অ্যান্ড কোং লিমিটেড কারখানায় প্রায় অর্ধশতাধিক শ্রমিক হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। পরে পরিস্থিতি বিবেচনায় কর্তৃপক্ষ আজ কারখানার…
 ৭ জুলাই ২০২৬    ঢাকা

টাঙ্গাইলে পরিত্যক্ত কূপে ছাগলছানা বাঁচাতে গিয়ে বাবা-ছেলেসহ চারজনের মৃত্যু

টাঙ্গাইলে পরিত্যক্ত কূপে ছাগলছানা বাঁচাতে গিয়ে বাবা-ছেলেসহ চারজনের মৃত্যু
টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলায় একটি পরিত্যক্ত কূপে পড়ে যাওয়া ছাগলছানা উদ্ধার করতে গিয়ে একই পরিবারের ও প্রতিবেশীদের চারজন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। আজ শনিবার (২০…
 ২০ জুন ২০২৬    ঢাকা

কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপে স্বর্ণপদক জিতলেন পটুয়াখালীর নুর-ই-জান্নাত

কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপে স্বর্ণপদক জিতলেন পটুয়াখালীর নুর-ই-জান্নাত
পটুয়াখালী প্রতিনিধি: ঢাকার শহীদ নূর হোসেন জাতীয় ভলিবল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘শিহান হুমায়ুন কবির জুয়েল মেমোরিয়াল ৫ম কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬’-এ স্বর্ণপদক জিতেছেন পটুয়াখালীর মেয়ে নুর-ই-জান্নাত। শুক্রবার (১৯…
 ২০ জুন ২০২৬    বরিশাল

বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থার ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থার ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন
বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থা বাংলাদেশের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ৫১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে। নবগঠিত এই কমিটিতে শওকত সরদারকে সভাপতি, সোলায়মান পলাশকে সাধারণ সম্পাদক…
 ১৯ জুন ২০২৬    জাতীয়

মহাখালীতে সাবেক ছাত্রনেতাদের আলোচনা ও দোয়া মাহফিল

মহাখালীতে সাবেক ছাত্রনেতাদের আলোচনা ও দোয়া মাহফিল
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকারের সাফল্য কামনা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসাধীন বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও সাবেক সংসদ সদস্য নাজিমুদ্দিন আলমের সুস্থতা কামনায় আলোচনা ও দোয়া…
 ১৯ জুন ২০২৬    ঢাকা

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক: যা থাকছে ১৪ দফার চুক্তিতে

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক: যা থাকছে ১৪ দফার চুক্তিতে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি সম্প্রসারণের লক্ষ্যে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত এবং কার্যকর হয়েছে। ফ্রান্সের এভিয়ান-লে-বাঁ এলাকায় অনুষ্ঠিত জি৭ সম্মেলনে অংশ নেওয়ার সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট…
 ১৮ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

কুমিল্লায় কোদালের কোপে বড় ভাইকে হত্যা, ছোট ভাই গ্রেফতার

কুমিল্লায় কোদালের কোপে বড় ভাইকে হত্যা, ছোট ভাই গ্রেফতার
কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় পারিবারিক বিরোধের জেরে বড় ভাইকে কোদাল দিয়ে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার আপন ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে। বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে উপজেলার জগতপুর…
 ১৮ জুন ২০২৬    চট্টগ্রাম

বিশ্ববাজারে আবার ঊর্ধ্বমুখী স্বর্ণের দাম, নেপথ্যে যে কারণ

বিশ্ববাজারে আবার ঊর্ধ্বমুখী স্বর্ণের দাম, নেপথ্যে যে কারণ
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্পাদিত অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তির জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমেছে। এর ফলে বিশ্ববাজারে মূল্যস্ফীতির চাপ কমার ঘুরে দাঁড়িয়েছে স্বর্ণের বাজার। আজ…
 ১৮ জুন ২০২৬    অর্থনীতি