প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   ইরান যুদ্ধ: মুসলিম দেশগুলোর বাঁচার...

ইরান যুদ্ধ: মুসলিম দেশগুলোর বাঁচার উপায় কী?

২০ মার্চ ২০২৬ ০১:১৫ পিএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

ইরানে সাম্প্রতিক হামলার ঘটনায় বিশ্বজুড়ে বিস্ময়, ক্ষোভ ও প্রতিবাদের ঢেউ দেখা গেলেও বাস্তবতা হলো- এ ধরনের প্রতিক্রিয়া মূল সমস্যার স্থায়ী সমাধান দিতে পুরোপুরিভাবে ব্যর্থ। ‘নিন্দা’, ‘মানববন্ধন’ কিংবা ‘বিবৃতি’ শক্তিধর রাষ্ট্রের নীতি বদলায় না বরং এসব প্রতীকী কার্যক্রম নির্দিষ্ট অবস্থানেই সীমাবদ্ধ থাকে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সমন্বিত এই হামলা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; এটি দীর্ঘদিন ধরে চলমান একটি ভূরাজনৈতিক কৌশলের ধারাবাহিক অংশ। চোখের সামনে যেখানে ফিলিস্তিনে দখলদারিত্ব, কাশ্মীরে দমন-পীড়ন, মিয়ানমারে জাতিগত নিধন চলছে; লিবিয়া, লেবানন ও আফগানিস্তানে পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদীদের নগ্ন সামরিক হস্তক্ষেপের ঘটনা ঘটছে- সেখানে ‘কে নিন্দা করল’ বা ‘কে প্রতিবাদ করল’ এটি কোনো জরুরী বিষয় নয়। এক্ষেত্রে আসল প্রশ্ন হচ্ছে, এই রুক্ষ বাস্তবতায় কার্যকর ও টেকসই সমাধানের পথ কোনটি?  

ইরানের ঘটনার প্রতিবাদে আমাদের দেশের ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে অনেককেই যে মিটিং-মিছিল, পথসভা, র‌্যালী ও প্রতিরোধ কর্মসূচি করতে দেখা যাচ্ছে তা একদিকে স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া হলেও প্রকৃতভাবে প্রচলিত ধারার রাজনৈতিক একটি কৌশল। আমাদের দেশের বহু ধর্মীয় সংগঠন ও রাজনৈতিক দল বহু আগে থেকেই ইস্যুভিত্তিক রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তাই তাদের কাছে এসব আন্তর্জাতিক ঘটনা প্রায়ই রাজনৈতিক পুঁজি হিসেবে কাজ করে। মূলত কর্মী ও সমর্থকদের সক্রিয় রাখার জন্য এ সকল ইস্যুভিত্তিক আন্দোলনকে তারা পুঁজি হিসেবে ব্যবহার করে। ফলে তাদের পক্ষ থেকে দেশজুড়ে এ সংক্রান্ত বিভিন্ন কর্মসূচী দেখতে পাওয়া যায়। কিন্তু আদৌতে মূল সংকট নিরসনে এ সকল ‘স্টান্টবাজি’ কোনো উপকারে আসে না।

ইসরায়েল ও পশ্চিমা বিশ্বের নীতিনির্ধারকদের কাছে মুসলিম বিশ্বের গতিপ্রকৃতি খুব চেনা। কোনো নির্দিষ্ট স্থানে হামলা হলে গণবিক্ষোভ, উত্তপ্ত স্লোগান কিংবা প্রতীকী প্রতিবাদের যে জোয়ার তৈরি হয়, তার চূড়ান্ত পরিণতি তাদের কাছে ইতোমধ্যেই স্পষ্ট। তারা খুব ভালো করেই জানে যে, সাময়িক এই উত্তেজনা অচিরেই ম্লান হয়ে যাবে। আর এ কারণেই তারা পরবর্তী আগ্রসনের ক্ষেত্রে পিছপা হয় না। অথচ আমাদের রাজনৈতিক নেতৃত্ব এ ক্ষেত্রে বরাবরই কৌশলী ও নিস্পৃহ ভূমিকা পালন করেন। তাদের কূটনৈতিক বক্তব্যের আড়ালে মূল সংকটের সমাধানটি সবসময়ই ধামাচাপা পড়ে থাকে। ফলস্বরূপ, মুসলিম উম্মাহর প্রতিক্রিয়া কেবল আবেগ আর মিছিলের গণ্ডিতেই ঘুরতে থাকে, কার্যকর কোনো পদক্ষেপ বা স্থায়ী সমাধানের দিকে তা এগোতে পারে না।

আরও পড়ুন

ফিলিস্তিনের বেদনাহত ইতিহাস

Screenshot 1

মুসলিম উম্মাহকে যদি একটি অখণ্ড জাতিসত্তা হিসেবে বিবেচনা করা হয়, তবে সে জাতির একটি সঠিক আদর্শ ও ভিত্তি থাকতে হবে। আর সে মূল ভিত্তি হচ্ছে তওহীদ- “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ”- এক আল্লাহর হুকুম ছাড়া আমরা আর কারো হুকুম মানি না- অর্থাৎ, সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক একমাত্র আল্লাহ। পুরো মুসলিম বিশ্বকে এ মৌলিক ঐক্যের জায়গায় অবস্থান করার কথা থাকলেও বাস্তবে সেটা হয়নি। আমরা আজ শতাধিকভাগে বিভক্ত। শিয়া-সুন্নি দ্বন্দ্ব কিংবা মাযহাবী বিতর্কের অন্তহীন গোলকধাঁধায় আমরা আজ আমাদের সর্বস্ব হারাতে বসেছি। আমাদের বোধশক্তি এতটাই লোপ পেয়েছে যে, এই আত্মঘাতী অনৈক্য একটি জাতির জন্য কতটা দুর্ভাগ্যজনক, সেটাও আমারা বুঝতে পারছি না। আর যখন আমরা অভ্যন্তরীণ কলহ আর ভ্রাতৃঘাতী সংঘাতে লিপ্ত রয়েছি তখন অন্যান্য জাতি তাদের ইচ্ছেমত আমাদের সাথে সব ধরনের অন্যায় করে যাচ্ছে এবং আমাদের সমূলে ধ্বংস করে দিচ্ছে। আগ্রাসী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলো জানে যে, আমরা একক কোনো শক্তি নই, বরং বিচ্ছিন্ন ও দুর্বল কতগুলো গোষ্ঠী মাত্র, তাই আমাদেরকে এক এক করে ধ্বংস করা খুবই সহজ কাজ। অথচ একটি ছোট্ট ভূখণ্ড আক্রমণ হওয়ার সাথে সাথেই মুসলমানদের উচিত ছিল সকল ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে এক ও অভিন্ন জাতিসত্ত্বায় রূপান্তরিত হওয়া। কিন্তু আফসোসের সাথে বলতে হয় সংখ্যায় এত বিশাল মুসলিম জাতির জনগণ ও নেতৃবৃন্দ আজ এ সহজ সত্যকে উপলব্ধি করতে পারছেনা। তবে আমাদের উপলব্ধিতে না আসলেও বহির্বিশ্বের কাছে সমগ্র মুসলিম উম্মাহ আজও একটি একক সত্তা হিসেবেই বিবেচিত। সেখানে সুন্নি-শিয়া, হানাফি-হাম্বালি, জামায়াত-চরমোনাই, আহলে কোর’আন-আহলে হাদিস ইত্যাদি আলাদা আলাদা কোনো পরিচয় নেই। তাদের কাছে আমাদের একটাই পরিচয় আমরা মুসলমান আর তারা তাদের স্বার্থোদ্ধারের জন্য আমাদের সকলকেই তাদের ইচ্ছানুযায়ী পরিচালিত করছে।

অথচ মুসলমানরা যদি সত্যিকারভাবেই ঐক্যবদ্ধ থাকত, তবে ইসরায়েল বা অন্য কোনো পশ্চিমা শক্তির পক্ষে এত সহজে আগ্রাসন চালানো সম্ভব হতো না। অথচ আমরা দেখতে পাই একটি মুসলিম দেশকে ধ্বংস করার জন্য তারা আরেকটি মুসলিম দেশের সহায়তা নিচ্ছে। এক মুসলিম দেশ তার পার্শ্ববর্তি আরেকটি মুসলিম দেশকে সহায়তা না করে সে দেশকে ধ্বংস করার জন্য পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদীদের নিজের দেশে ঘাঁটি গড়ার অনুমোদন দিয়ে রেখেছে। এ ধরনের আত্মঘাতি ঘটনা ইতোপূর্বে কোনো জাতি করেছে কিনা তা ইতিহাসেও নজিরবিহীন।

তাহলে এখন এ সংকটপূর্ণ অবস্থান থেকে পরিত্রাণের উপায় কী? যদি সত্যিকার অর্থেই সমাধান করতে হয় তবে সর্বপ্রথম পুরো মুসলিম জাতিকে একটি শক্তিশালী ভিত্তির উপর ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আর সে শক্তিশালী ভিত্তি হচ্ছে তওহীদ- ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’- অর্থাৎ আল্লাহ ছাড়া আর কারো হুকুম বিধান মানি না। ভুললে চলবে না, আমাদের আল্লাহ এক, আমাদের রসুল এক, আমাদের কোর’আন এক- অতএব মুসলিম জাতিও হবে এক ও অভিন্ন। এ আদর্শিক ভিত্তি এখন মুসলমানদের গ্রহণ করতে হবে। মুসলিম উম্মাহর প্রকৃত লক্ষ্য হওয়া উচিত কোর’আনে আল্লাহ প্রদত্ত জীবন বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনা করা। আজ ৫৭টি মুসলিম রাষ্ট্র যে ভৌগলিক জাতিরাষ্ট্রের পরিচয়ে বিভক্ত, সে বিভক্তিকে দূরে করে আমাদের এক মুসলিম জাতিসত্ত্বার কথা চিন্তা করে এক ও অভিন্ন জাতিতে পরিণত হতে হবে।

দ্বিতীয়ত, প্রকৃত মো’মেন হিসেবে ঈমানের সঠিক চেতনা ও আল্লাহর রাস্তায় সংগ্রাম অর্থাৎ জেহাদের প্রকৃত রূপকে এ জাতির সামনে তুলে ধরতে হবে। আজ যেখানে ‘জেহাদ’ শব্দটিকে অপব্যাখ্যা দিয়ে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সাথে মিশিয়ে দেয়া হয় সে ভুল ব্যাখ্যাকে দূর করতে হবে। মুসলিম উম্মাহর সামনে জেহাদের প্রকৃত রূপ তুলে ধরতে হবে যাতে তারা বুঝতে পারে যে জেহাদ হচ্ছে আল্লাহর দীন প্রতিষ্ঠার জন্য নিজেদের জীবন ও সম্পদ দিয়ে আল্লাহ রাস্তায় সর্বাত্মক সংগ্রাম করা যার মাধ্যমে সমগ্র পৃথিবীতে শান্তি, ন্যায় ও সুবিচার প্রতিষ্ঠিত হবে।

তৃতীয়ত, আমাদের এ জেহাদ করার জন্য সঠিক কর্মসূচী গ্রহণ করতে হবে। আল্লাহ তাঁর রসুলকে যে কর্মসূচী দিয়েছিলেন এ শেষ দীনকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য আমাদেরও সে একই কর্মসূচী গ্রহণ করতে হবে। কর্মসূচীর বিষয়ে রসুল (সা.) বলেছেন, “আল্লাহ আমাকে পাঁচটি কাজের আদেশ দিয়েছেন, আমি তোমাদেরকে সেই পাঁচটি কাজের আদেশ করছি। ইসলামকে পৃথিবীতে প্রতিষ্ঠা করতে আল্লাহ যে নীতি রসুলকে দিয়েছেন সেই নীতির উপর ভিত্তি করা একটি পাঁচ দফা কর্মসূচি আল্লাহ তাঁর রসুলকে দান করলেন। এ পাঁচ দফা কর্মসূচি তিনি তাঁর উম্মাহর উপর অর্পণ করার সময় বলছেনÑ এ কর্মসূচি আল্লাহ আমাকে দিয়েছেন, (আমি সারাজীবন এ কর্মসূচি অনুযায়ী সংগ্রাম করেছি) এখন এটা তোমাদের হাতে অর্পণ করে আমি চলে যাচ্ছি। সেগুলো হল: ঐক্যবদ্ধ হও, (নেতার আদেশ) শোন, (নেতার ঐ আদেশ) পালন কর, হিজরত কর এবং (এ দীনুল হক কে পৃথিবীতে প্রতিষ্ঠার জন্য) আল্লাহর রাস্তায় সংগ্রাম, জেহাদ কর।

যে ব্যক্তি (কর্মসূচির) এ ঐক্যবন্ধনী থেকে এক বিঘত পরিমাণও বহির্গত হল, সে নিশ্চয়ই তার গলা থেকে ইসলামের রজ্জু (বন্ধন) খুলে ফেলল- যদি না সে আবার ফিরে আসে (তওবা করে) এবং যে ব্যক্তি অজ্ঞানতার যুগের (কোনও কিছুর) দিকে আহ্বান করল, সে নিজেকে মুসলিম বলে বিশ্বাস করলেও, নামায পড়লেও এবং রোযা রাখলেও নিশ্চয়ই সে জাহান্নামের জ্বালানী পাথর হবে [আল হারিস আল আশয়ারি (রা.) থেকে আহমদ, তিরমিযি, বাব উল এমারাত, মেশকাত]।”

সবশেষে এ কর্মসূচী পালনের জন্য যোগ্য নেতা ও তাঁর নেতৃত্ব প্রয়োজন। তাই মুসলিম উম্মাহকে একক নেতৃত্ব নিয়ে ভাবতে হবে। জনগণ যদি সিদ্ধান্ত গ্রহণ না করে এবং মুসলিম বিশ্বের নেতৃবৃন্দ যদি জাতিকে উত্তোরণের জন্য নিজেদের ব্যক্তিস্বার্থকে ত্যাগ করতে না পারেন তাবে যতই উদ্যোগ গ্রহণ করা হোক না কেন, এ জাতি বর্তমান সংকট থেকে বের হতে পারবে না। কাজেই এখন জনগণকে সিদ্ধান্তে আসতে হবে যে, তারা সত্যিকার অর্থেই পরিত্রাণের পথে এগোবে কিনা। যদি মুক্তির পথে হাঁটতে চায় তবে তওহীদের ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আল্লাহ প্রদত্ত দীনকে গ্রহণ করে এক নববিপ্লব সংঘটিত করা এখন সময়ের দাবী। সকল মুসলিম মন থেকে ইসলামের সঠিক আদর্শকে গ্রহণের মাধ্যমে এক নবজাগরণের সৃষ্টি করবে এবং সকল অপশক্তির বিরুদ্ধে এক নেতার নেতৃত্বে একযোগে বিপ্লবে ঝাঁপিয়ে পড়বে। ্আর তখনই মুসলমানদের বর্তমান সংকট থেকে পরিত্রাণ সম্ভব।

আমরা, হেযবুত তওহীদ, জনগণের সামনে আজ সে বার্তা নিয়েই দাঁড়িয়ে আছি।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

শ্রীপুরের সাবেক মেয়র আনিছুর রহমানের মৃত্যু, শোকে মারা গেলে ছোট বোন

শ্রীপুরের সাবেক মেয়র আনিছুর রহমানের মৃত্যু, শোকে মারা গেলে ছোট বোন
শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি: গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র আনিছুর রহমান ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। রোববার দুপুরে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি শেষ…
 ৭ জুন ২০২৬    ঢাকা

সড়কে বর্জ্য দেখে ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী, দুই সিটি কর্মকর্তা বরখাস্ত

সড়কে বর্জ্য দেখে ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী, দুই সিটি কর্মকর্তা বরখাস্ত
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় কোরবানির পশুর বর্জ্য ও ময়লা জমে থাকায় ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের দুই আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। শুক্রবার…
 ৩০ মে ২০২৬    জাতীয়

দেশে হামে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৫৭৫

দেশে হামে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৫৭৫
দেশে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১০ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে দুই জন নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত ছিল এবং বাকি…
 ৩০ মে ২০২৬    জাতীয়

কোরবানির দুই দিনে আহত হয়ে ঢামেকে ২৭২ জনের চিকিৎসা

কোরবানির দুই দিনে আহত হয়ে ঢামেকে ২৭২ জনের চিকিৎসা
কোরবানির পশু জবাই ও মাংস কাটার সময় আহত হয়ে ঈদের দিন ও পরের দিন মিলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ২৭২ জন চিকিৎসা নিয়েছেন। এদের…
 ৩০ মে ২০২৬    জাতীয়

রাজধানীর আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ৬ শিশুর মৃত্যু

রাজধানীর আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ৬ শিশুর মৃত্যু
রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একসঙ্গে ছয় শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। বুধবার সকালে এই হৃদয়বিদারক খবরটি জানাজানি হওয়ার পর পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি…
 ২৭ মে ২০২৬    জাতীয়

মৃদু ভূমিকম্পে কাঁপল রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল

মৃদু ভূমিকম্পে কাঁপল রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল
রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আজ মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১১টা ৪১ মিনিটের দিকে এই ভূকম্পন হয়। হঠাৎ হওয়া এই কম্পনের ফলে সাধারণ…
 ২৬ মে ২০২৬    জাতীয়

সাভারে শিল্পাঞ্চলে ছুটি শুরু: বাড়তি ভাড়ায় নাজেহাল ঘরমুখো মানুষ

সাভারে শিল্পাঞ্চলে ছুটি শুরু: বাড়তি ভাড়ায় নাজেহাল ঘরমুখো মানুষ
পবিত্র ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে সাভার ও আশুলিয়ার বিভিন্ন পোশাক কারখানায় ছুটি শুরু হয়েছে। সোমবার দুপুরের পর থেকেই নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা মানুষের ভিড় বাড়তে…
 ২৫ মে ২০২৬    জাতীয়

পশ্চিমবঙ্গে পশুর হাটে মন্দা ও কোরবানি নিয়ে আতঙ্ক

পশ্চিমবঙ্গে পশুর হাটে মন্দা ও কোরবানি নিয়ে আতঙ্ক
পবিত্র ঈদুল আযহা ঘনিয়ে আসলেও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের পশুর হাটগুলোতে কেনাবেচা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। কলকাতার উপকণ্ঠে অবস্থিত বিশাল ধুলাগড় গরুর হাটে গিয়ে দেখা গেছে,…
 ২৫ মে ২০২৬    আন্তর্জাতিক
ভুয়া নওমুসলিম তৈরির গডফাদার

ধর্ম ও আবেগকে পুঁজি করে ভাইরাল সিদ্দিকের কোটি টাকার প্রতারণা!

ধর্ম ও আবেগকে পুঁজি করে ভাইরাল সিদ্দিকের কোটি টাকার প্রতারণা!
সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘ভাইরাল সিদ্দিক’ নামে পরিচিত আবু বকর সিদ্দিকের অন্ধকার জগতের নানা তথ্য সামনে এসেছে। ধর্মের লেবাস এবং মানুষের আবেগকে কাজে লাগিয়ে তিনি গত কয়েক…
 ২৩ মে ২০২৬    অন্যান্য

ভ্যাপসা গরমে নাকাল জনজীবন: বৃষ্টির জন্য আরও কয়েক দিনের অপেক্ষা

ভ্যাপসা গরমে নাকাল জনজীবন: বৃষ্টির জন্য আরও কয়েক দিনের অপেক্ষা
গত কয়েক দিন ধরে অসহনীয় ভ্যাপসা গরমে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছিল। গত বুধবার থেকে শুরু হওয়া তাপপ্রবাহের কারণে বিশেষ করে কর্মজীবী মানুষের দুর্ভোগ অনেক বেড়েছিল।…
 ২৩ মে ২০২৬    জাতীয়
প্রধানমন্ত্রী

রামিসার হত্যাকারীদের এক মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ শাস্তি

রামিসার হত্যাকারীদের এক মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ শাস্তি
মিরপুরের শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের বিচার দ্রুত শেষ করে এক মাসের মধ্যেই সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ভবিষ্যতে কেউ…
 ২৩ মে ২০২৬    জাতীয়

শ্রীপুরে সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার

শ্রীপুরে সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার
শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি: গাজীপুরের শ্রীপুরে শাকিলা আক্তার নামের সাত মাসের এক অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় তার স্বামী রাজু আহাম্মদকে জিজ্ঞাসাবাদের…
 ২৩ মে ২০২৬    ঢাকা

হাম ও উপসর্গে মৃত্যু বেড়ে ৫০০ ছুঁই ছুঁই

হাম ও উপসর্গে মৃত্যু বেড়ে ৫০০ ছুঁই ছুঁই
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১১ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর ফলে এই রোগে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ৪৯৯ জনে…
 ২২ মে ২০২৬    জাতীয়

ফিলিস্তিনের বেদনাহত ইতিহাস

ফিলিস্তিনের বেদনাহত ইতিহাস
২০২৩ সালের পর এখন পর্যন্ত, গাজায় প্রায় ১ লক্ষ মানুষ নিহত হয়েছে, যাদের অধিকাংশাই শিশু ও নারী। আহত হয়েছে দেড় লাখের অধিক ফিলিস্তিনি। গাজার প্রায়…
 ২২ মে ২০২৬    বিশেষ নিবন্ধ

খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব বিইআরসির কারিগরি কমিটির

খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব বিইআরসির কারিগরি কমিটির
খুচরা পর্যায়ে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম গড়ে ১ টাকা ২৫ পয়সা বাড়ানোর সুপারিশ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) কারিগরি মূল্যায়ন কমিটি। বৃহস্পতিবার রাজধানীর কেআইবি…
 ২১ মে ২০২৬    জাতীয়