প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   কোর’আন কী? হাদীস কী?

কোর’আন কী? হাদীস কী?

২৭ জুন ২০১৭ ০৪:০৪ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

আমরা সবাই সাধারণভাবে একটা কথা জানি যে, জিব্রাইল (আ.) এর মাধ্যমে আল্লাহ তাঁর রসুল (স:) এর উপরে যে ওহি নাজেল করেছেন তারই সংকলিত রূপ পবিত্র কোর’আন। অন্যদিকে রসুল (সা.) এর কথা, কাজ ও সম্মতিই হচ্ছে হাদিস। এটা খুব সাধারণ বিষয় যা সবাই জানে। কিন্তু এ বিষয়টি আরো ভালো করে বোঝার প্রয়োজনীয়তার প্রশ্ন উঠল কেন? কারণ কোর’আনের দু-একটি আয়াত তুলে এনে, দু-একটি হাদিস তুলে এনে ইসলামের নাম ব্যবহার করে বহু ধ্বংসাত্মক কর্মকা- ঘটানো হচ্ছে। তাই মুসলমানদেরকে প্রকৃতপক্ষে কোর’আন কী হাদীস কী তা বিস্তারিতভাবে এবং ভালোভাবে বুঝে নেওয়ার দরকার আছে।
রসুলাল্লাহর সময়ে উম্মতে মোহাম্মদী জাতিটির যে অবস্থা ছিল সেই অবস্থা এখন নেই। কোর’আন ও হাদিসের প্রত্যেকটি হুকুমের সঙ্গে স্থান-কাল-পাত্র অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। তাই আমাদেরকে সেই হুকুমগুলোকে পালনের ক্ষেত্রে সেই স্থান-কাল-পাত্রের সাথে আমাদের বর্তমান পরিস্থিতি ও প্রেক্ষাপটকে অবশ্যই বিবেচনায় নিতে হবে। যে হুকুম যে সময়ে বা যে ব্যক্তির জন্য প্রযোজ্য সেটা অন্য সময়ে প্রযোজ্য কিনা সেটা অবশ্যই ইসলামকে সম্যকভাবে বুঝে, চিন্তা ও জ্ঞান দ্বারা উপলব্ধি করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আমরা আল্লাহর রসুলের হাতে গড়া উম্মতে মোহাম্মদী আর আজকের উম্মতে মোহাম্মদীর দাবিদারদের মধ্যে প্রেক্ষাপটগত সবচেয়ে বড় যে বৈপরীত্যটি দেখছি তা হলো- তাঁরা ছিলেন একজন নেতার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ, তাঁদের সামগ্রীক জীবনব্যবস্থা ছিল আল্লাহর হুকুমের উপর প্রতিষ্ঠিত, তাঁদের জীবনের লক্ষ্য ছিল মানবতার কল্যাণে নিজেদের জীবন ও সম্পদকে উৎসর্গ করে সমগ্র পৃথিবীতে ন্যায়, শান্তি, সুবিচার প্রতিষ্ঠা করা। ইসলাম সম্পর্কে এর উদ্দেশ্য সম্পর্কে প্রত্যেকের আকিদা ছিল এক; সবচেয়ে বড় বিষয় হচ্ছে আজ মুসলমান নামক জাতি বিচ্ছিন্ন, বিক্ষিপ্ত, লক্ষ্যচ্যুত, উদ্দেশ্যহীন, আকিদাহীন। তারা বহু আগেই আল্লাহর হুকুম প্রত্যাখ্যান করে দাজ্জালের হুমুক মেনে নিয়েছে, অন্য মানুষের কল্যাণে জীবন-সম্পদ উৎসর্গ করার পরিবর্তে স্বার্থপর আত্মকেন্দ্রিক হয়েছে, ফলে কয়েক শতাব্দী আগেই এরা পাশ্চাত্য সভ্যতার গোলাম হয়েছে। আর বর্তমানে তো সর্বত্র লাঞ্ছিত, অপমানিত, উদ্বাস্তু, ভিক্ষুক।
এই যখন জাতির অবস্থা তখন জাতির ভেতর থেকে বিভিন্ন ব্যক্তি বা সংগঠন সাধারণ মুসলমানদের সামনে বিভিন্ন শ্লোগান নিয়ে হাজির হয়েছে যে তারা ইসলাম প্রতিষ্ঠা করতে চায়। কেউ ‘আল্লাহর আইন’, কেউ ‘ইসলামী শাসনতন্ত্র’, কেউ ‘খেলাফত’, কেউ বা চরমপন্থায় ‘শরিয়াহ’, ‘ইসলামী হুকুমত’ প্রতিষ্ঠা করবে ইত্যাদি বলে প্রকাশ্যে বা গোপনে কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছে। আর বাকি বৃহত্তর জনসাধারণ ইসলামের ফরজ, ওয়াজিব, সুন্নত, নফল বুঝে যে যার সাধ্যমত পালন করছে। ঐ সমস্ত সংগঠনগুলো কোর’আন হাদীস দেখে দেখে সে মোতাবেক বহু চেষ্টা করেও ইসলাম প্রতিষ্ঠা করতে পারছে না এবং বাকি বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর কোর’আন হাদীস অনুসারে করা বিপুল আমলও সমাজে শান্তি আনয়ন করতে পারছে না। কারণ তারা উভয়ই কোর’আন আর হাদীস সম্পর্কে একটি মৌলিক ভ্রান্তির মধ্যে রয়েছে। সেই বুনিয়াদি ভ্রান্তি যা তাদের সব প্রচেষ্টাকে ব্যর্থ করে দিচ্ছে। সেটা কী?
আজ থেকে ১৪শ’ বছর আগে যখন সমগ্র মানব জাতির জীবনে এমন একটা সময় চলমান ছিল যখন তারা সকলেই অন্যায় অবিচার, হানাহানি, যুদ্ধ, রক্তপাত, হানাহানি ইত্যাদিতে নিমজ্জিত। সেই ক্ষণে মানুষকে শান্তি দেওয়ার জন্য আসলেন আখেরি নবী। তিনি এসে মানুষকে শুধু একটা কথায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান করলেন যে তোমরা বল- লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ। অর্থাৎ আল্লাহ ছাড়া কারো হুকুম মানবো না। এতেই তোমাদের মুক্তি, এতেই জান্নাত। প্রথম প্রথম তিনি প্রচ- বাধার সম্মুখীন হলেন, তবুও তিনি এই তওহীদের আহ্বান সকল গোত্রের কাছে পৌঁছাতে লাগলেন। অবশেষে একটি জনগোষ্ঠী এ কথার উপর ঐক্যবদ্ধ হলো যে তারা আল্লাহ ছাড়া কারো হুকুম মানবে না এবং রসুলাল্লাহকে তাদের নেতা হিসাবে মান্য করবে। যখন রসুল তাদের নেতা হলেন তখন স্বাভাবিক ভাবেই তাদের জীবনের নানাবিধ সমস্যা ও জটিলতাগুলোর ফায়সালা দেওয়ার ভার তাঁর উপরই বর্তালো। তিনি কেবল রসুলই ছিলেন না, তিনি ছিলেন একটি ঐক্যবদ্ধ জাতির জাগতিক ও আধ্যাত্মিক নেতা, ছিলেন বিচারক, সেনাপ্রধান, তিনি ছিলেন তাঁর পরিবারের কর্তা। এ সমস্ত অঙ্গনে আদর্শ জীবনযাপন কীরূপে করতে হবে তা আল্লাহ অহির মাধ্যমে তাঁকে অবগত করতে লাগলেন। এভাবে আল্লাহ পর্যায়ক্রমে মুসলিম জাতিকে তাদের ব্যক্তিগত থেকে রাষ্ট্রীয় জীবনের সমস্যাদি যথা বিয়ে, তালাক, বিচার, দ-, য্দ্ধু, সন্ধি, চুক্তি, ব্যবসা, বাণিজ্য সব বিষয়ে এবং সেই জাতির শারীরিক মানসিক আত্মিক প্রশিক্ষণের জন্য বিভিন্ন ব্যবস্থা বা আমল যেমন নামাজ, রোজা, হজ্ব ইত্যাদির হুকুম নাজিল করলেন। এভাবে ২৩ বছর ধরে আল্লাহর সার্বভৌমত্বের উপর ঐক্যবদ্ধ একটা জাতিকে একে একে যে আদেশ, নিষেধ, উপদেশ, ভর্ৎসনা ইত্যাদি আল্লাহ পক্ষ থেকে এসেছে সেগুলোর সংকলিত রূপই হচ্ছে কোর’আন। আর আল্লাহর কোন হুকুম কীভাবে পালিত হবে, কার বেলায় কতটুকু প্রযোজ্য হবে, কোন সাহাবী কি কথা বলেছেন, রাসুল কি কথা বলেছেন আবেগ, অনুভূতি ইত্যাদির যে চর্চা রসুল ও তাঁর জাতি করেছেন সেগুলোই পরবর্তীতে হাদীস হিসাবে সংকলিত হয়েছে।
এখন কথা হচ্ছে, এই জনসংখ্যাতো বহু শতাব্দী আগেই আল্লাহর সার্বভৌমত্ব, তাঁর দীন, তাঁর হুকুমকে জাতীয় সামষ্টিক জীবন থেকে প্রত্যাখ্যান করেছে এবং তার পরিবর্তে তারা মানুষের রচিত জীবনবিধান বা দীন দিয়ে সামষ্টিক অর্থনৈতিক সকল ক্ষেত্রগুলো পরিচালনা করছে। কাজেই তারা তওহীদের ঘোষণা থেকেই সরে গেছে, ফলে ইসলাম থেকেই বহিষ্কৃত হয়েছে, কাজেই তাদের বাকি আমলের আর কোনো মূল্য থাকে না। যারা তওহীদে নেই তারা তো মুসলিমই থাকে না।
আর যারা জোর করে, সন্ত্রাস সৃষ্টি করে তাদের ধ্যানধারণা মোতাবেক একটি ইসলামকে মানুষের উপর চাপিয়ে দিতে চায়, অথবা প্রচলিত ধাপ্পাবাজির রাজনীতির পথ বেয়ে কোনোভাবে ক্ষমতা দখল করে শরিয়তি আকিদাকে প্রতিষ্ঠা করতে চায় তারা ইসলামের দৃষ্টিতেও সম্পূর্ণ বে-আইনী কাজ করেছেন এবং অযোক্তিক, অনর্থক কাজ করেছেন। কারণ, যে জনগোষ্ঠির মধ্যে তারা ‘শরিয়াহ’ প্রতিষ্ঠা করতে চান, সেই জনগণ তো সেই ‘শরিয়াহ’র শাসনকে চায় না। এর প্রমাণ তারা বহু আগেই অন্য একটি জীবনবিধান পছন্দ করে নিজেদের জীবনে সেটার চর্চা করছে। এজন্য তারা একটি সংবিধান রচনা করেছে। সেই সংবিধানকে রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বিচার ব্যবস্থা, আদালত প্রতিষ্ঠা করেছে, আদালতের সিদ্ধান্তকে কার্যকর করার জন্য সরকার, প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী রয়েছে। জনগণ নির্দিষ্ট সময় পরপর ভোট দিয়ে তাদের সরকার নির্বাচিত করছে। এই ব্যবস্থা তো জনগণের উপর চাপিয়ে দেওয়া হয় নি, তারা স্বেচ্ছায় সজ্ঞানে এই ব্যবস্থাকে পালন করছে। এমন একটি অবস্থায় অন্য আরেকটি ব্যবস্থা থেকে নিয়ম কানুন বা আইন-বিধান জোর করে এই জনগণের উপর জোর করে চাপিয়ে দেওয়ার কী যুক্তি আছে? গণতান্ত্রিক পুঁজিবাদী জীবনব্যবস্থায় যেভাবে সমাজতন্ত্রের অর্থনীতি প্রয়োগের চেষ্টা করা অযৌক্তিক ও অন্যায় তেমনি ইসলামও আরেকটি দীন, জীবনব্যবস্থা যার মধ্য থেকে একটি আয়াত বা একটি হাদিস তুলে এনে সেটা এই পশ্চিমা রাষ্ট্রব্যবস্থার কাঠামোর মধ্যে প্রবেশ করানো কোনোভাবেই যুক্তিযুক্ত বা সুফলদায়ী হতে পারে না। এটা এক প্রকার দ্বৈতশাসন যা রসুলাল্লাহর সুন্নাহ বা জীবনচর্চার সাথেও সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তিনি নেতা হিসাবে জনগণ কর্তৃক স্বীকৃত হওয়ার পূর্বে তৎকালীন সমাজের উপর কোনো বিধি-বিধান চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন নি। সুতরাং এসময় কোর’আন থেকে হাদীস থেকে বিচ্ছিন্ন বিধি-নিষেধ, মূল্যবোধ রাষ্ট্র ও নাগরিকদের উপর চাপিয়ে দেওয়া চেষ্টা করার কোনো নৈতিক অধিকার, আইনগত বৈধতা, শরিয়তসম্মত অধিকার বা যৌক্তিকতা নেই।
এই সাধারণ ভুলটাই ইসলাম প্রতিষ্ঠাকামী দলগুলোর সবাই করেছে, ফলে তাদের কর্মক্ষমতা, ঈমানী চেতনা, উদ্যম, শক্তি যা অমূল্য সম্পদ হতে পারত সেগুলো অনর্থক ও ভুল জায়গায় ব্যয় হয়ে যাচ্ছে। এতে না হচ্ছে ইসলামের উপকার, না হচ্ছে মানুষের কোনো উপকার। আমাদের বক্তব্য হলো বৃহত্তর জনগণকে, সাধারণ মানুষকে এখন এ কথাটাই বোঝাতে হবে যে, তুমি আল্লাহর খলিফা, তোমার ভিতরে আল্লাহর রূহ রয়েছে, তোমার পৃথিবীতে আগমনের একটা মহান উদ্দেশ্য রয়েছে, তোমার একজন ¯্রষ্টা রয়েছেন, তুমি কোন পথে চললে শান্তিতে থাকতে পারবে সেই পথও তিনি দিয়েছেন। নবী রসুলগণ সেই পথ নিয়ে এসেছেন। আখেরী নবী কঠোর অধ্যবসায় আর অক্লান্ত পরিশ্রম করে তোমাদেরকে সেরাতুল মোস্তাকিমে, সরল পথে, তওহীদে উঠিয়ে দিয়ে গেছেন। কিন্তু তোমরা মুসলিম দাবিদাররা গত কয়েক শতাব্দী পূর্বেই সেই পথ ত্যাগ করেছো। সেই পথ ত্যাগ করে সা¤্রাজ্যবাদীদের ভোগবাদী, জড়বাদী ¯্রষ্টাহীন জীবন ব্যবস্থাকে অনুসরণ করছ। আত্মাহীন সেই ব্যবস্থা অনুসরণের ফল কী হয়েছে তা তোমরা দেখতেই পাচ্ছ, সমগ্র পৃথিবী আজ অন্যায় অশান্তিতে পরিপূর্ণ। তারা যেমন চূড়ান্ত ধ্বংসের মধ্যে এসেছে তাদের দেখাদেখি তোমরাও এখন চুড়ান্ত ধ্বংসের মুখে এসে দাঁড়িয়েছ। এখন এখান থেকে তোমাদের মুক্তির একটাই রাস্তা, তোমরা যদি সবাই মিলে এই সিদ্ধান্ত নাও যে, আমরা আল্লাহর হুকুম ছাড়া কারো হুকুম মানবো না অর্থাৎ যাবতীয় অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ- ভাই ভাই, তবেই তোমাদের মুক্তি আসবে। এই কথাটি যুক্তি দলিল প্রমাণ ইত্যাদিসহ তাদের সামনে তুলে ধরতে হবে। তারপর তারা যদি তাদের ভুল বুঝতে পেরে স্বেচ্ছায় তওহীদে আসে তখন তাদের একজন নেতা বা এমাম (খবধফবৎ) থাকবেন। তখন একটি নতুন ব্যবস্থার উন্মেষ হবে। ঐ নেতার নির্দেশে তখন কোর’আনের কোন আয়াত, রসুলাল্লাহর কোন হাদীস, কোন প্রেক্ষাপটে রসুল কী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, সেটা বর্তমানে প্রযোজ্য কিনা বা হলে কীভাবে সেটা প্রযুক্ত হবে তা নির্ধারিত হবে। জাতির সামগ্রীক কল্যাণে গণমানুষের স্বার্থের অনুকূলে জনগণ তখন সেটা পালন করতে বাধ্য থাকবে, এটা হবে একটি জাতীয় সিদ্ধান্ত। আর অন্যদিকে ঐ জাতির আত্মিক, মানসিক, শারীরিক আধ্যাত্মিক প্রশিক্ষণের জন্য, তারা যেন ঐক্যবদ্ধ থাকে, শৃংখলাবদ্ধ হয়, আনুগত্যশীল থাকে, দানশীল পরোপকারী হয়, ভোগবাদী না হয়ে ত্যাগী হয় সে লক্ষ্যে আল্লাহ কর্তৃক প্রদত্ত গাইডলাইন, নির্দেশনা বা প্রশিক্ষণ রয়েছে। সেগুলোই হচ্ছে সালাহ, যাকাহ, হজ্জ, সওমসহ আরো বহুবিধ আমল। এখনতো জাতি তওহীদেই নেই। এখন কোন আমলের মূল্য নেই, জোর করে হোক বা অন্য কোনো কলাকৌশলের মাধ্যমে হোক- অন্যান্য আইন-হুকুম, বিধান, ফতোয়া কার্যকর করা তো দূরের কথা।
এমতাবস্থায় কোন্ মসজিদের কোন্ ইমাম, মাদ্রাসার কোন্ মুফতি অথবা কোনো দলের জঙ্গিনেতা একটা ফতোয়া দিল আর অমনি ঐ ফতোয়া এই জনগোষ্ঠীর আনাচে কানাচে প্রয়োগ করা শুরু করে দিল, অমুকের বাড়ি ভাঙো, অমুক মন্দিরে আগুন দাও, অমুক জায়গায় বোমা মারো, অমুক কাফের-মুরতাদ-নাস্তিক, তাকে চাপাতি মারো ইত্যাদি ইত্যাদি, এই অধিকার তারা কোথায় পেল? আল্লাহর ইসলাম কি এর বৈধতা দেয় নাকি দেশের আইনে এর বৈধতা দেয় নাকি এ দেশের জনগণ তাদেরকে এ কাজের দায়িত্ব প্রদান করেছে? কিছুই না। সম্পূর্ণ ফাঁকার উপরে, মানুষের ধর্মবিশ্বাসকে প্রতারণা করে ছিনতাই করে এই সব কর্মকা- একটা শ্রেণী চালিয়ে যাচ্ছেন। এর ধর্ম ছিনতাইয়ের বিরুদ্ধে প্রতিটি মানুষকে সোচ্চার হয়ে ওঠা সময়ের দাবি।

মসীহ উর রহমান

আমীর, হেযবুত তওহীদ

আরও পড়ুন

পুলিশকে রাতে একা চলাচলে নিষেধ, কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে নিরাপত্তা? – কথক দা

পুলিশকে রাতে একা চলাচলে নিষেধ, কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে নিরাপত্তা? – কথক দা

ফোন: ০১৭১১০০৫০২৫, ০১৯৩৩৭৬৭৭২৫,
০১৭৮২১৮৮২৩৭, ০১৬৭০১৭৪৬৪৩

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

৯ মাসের বিরতি শেষে শুটিংয়ে ফিরলেন তানিয়া বৃষ্টি!

৯ মাসের বিরতি শেষে শুটিংয়ে ফিরলেন তানিয়া বৃষ্টি!
মস্তিষ্কে টিউমার শনাক্ত হওয়া, অস্ত্রোপচার ও দীর্ঘ চিকিৎসার কারণে প্রায় নয় মাস অভিনয় থেকে দূরে ছিলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টি। দীর্ঘ এই বিরতি কাটিয়ে অবশেষে…
 ৩১ অক্টোবর ২০২৬    বিনোদন

চিরকুটে শিক্ষককে দায় দিয়ে না ফেরার দেশে এইচএসসি ফেল করা শিক্ষার্থী!

চিরকুটে শিক্ষককে দায় দিয়ে না ফেরার দেশে এইচএসসি ফেল করা শিক্ষার্থী!
সাতক্ষীরার তালায় এইচএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ার পর হৃদয় সরদার (১৯) নামে এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (৩১ অক্টোবর) দুপুরে নিজ বাড়ি থেকে…
 ৩১ অক্টোবর ২০২৬    খুলনা

বিনা অনুমতিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিত, চাকরি হারালেন ডিবির সাবেক হারুন!

বিনা অনুমতিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিত, চাকরি হারালেন ডিবির সাবেক হারুন!
বিনা অনুমতিতে দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। বিভাগীয় তদন্তে…
 ৩১ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

অর্ণবের রেশ কাটতে না কাটতেই বঙ্গোপসাগরে নতুন ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা!

অর্ণবের রেশ কাটতে না কাটতেই বঙ্গোপসাগরে নতুন ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা!
ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের প্রভাব কাটতে না কাটতেই বঙ্গোপসাগরে নতুন করে আরেকটি ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট একটি নিম্নচাপ দ্রুত শক্তি সঞ্চয় করছে। আগামী…
 ৩১ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

জুনিয়র বন্ধু থেকে হত্যা মামলার আসামি দীপ, ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন পুলিশের!

জুনিয়র বন্ধু থেকে হত্যা মামলার আসামি দীপ, ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন পুলিশের!
রাজধানীর উত্তরখানে তুরাগ নদ থেকে তাহসিফের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় তার জুনিয়র বন্ধু শাহরিয়ার রেজা দীপকে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তাহসিফের বাবা কে এম এনায়েতুল…
 ৩১ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

দাবি না মানলে সরকারকে চরম মূল্য দিতে হবে: জামায়াত আমির

দাবি না মানলে সরকারকে চরম মূল্য দিতে হবে: জামায়াত আমির
সাত দফা দাবি মেনে নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তা না হলে চরম পরিণতি ভোগ করতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা.…
 ৩১ অক্টোবর ২০২৬    নির্বাচিত

সৌদির তেলসমৃদ্ধ অঞ্চলসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা লক্ষ্য করে একের পর এক ড্রোন হামলা!

সৌদির তেলসমৃদ্ধ অঞ্চলসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা লক্ষ্য করে একের পর এক ড্রোন হামলা!
সৌদি আরবের তেলসমৃদ্ধ পূর্বাঞ্চল, দক্ষিণাঞ্চল ও পবিত্র নগরী মদিনার আকাশে একের পর এক ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসব হামলার মধ্যে কয়েকটি ড্রোন শনাক্ত করে ভূপাতিত…
 ৩১ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

‘তিন-চারটি প্রজন্ম নষ্ট করে দিয়েছেন ড. ইউনূস’: ফজলুর রহমান

‘তিন-চারটি প্রজন্ম নষ্ট করে দিয়েছেন ড. ইউনূস’: ফজলুর রহমান
অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কঠোর সমালোচনা করেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. ফজলুর রহমান। তার অভিযোগ, ড.…
 ৩১ অক্টোবর ২০২৬    নির্বাচিত

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন নিয়ে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করছে সরকার: জামায়াত আমির

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন নিয়ে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করছে সরকার: জামায়াত আমির
গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন না করে বিএনপি সরকার জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করছে বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, সরকার জনগণের…
 ৩১ অক্টোবর ২০২৬    নির্বাচিত

‘উপনির্বাচনে প্রমাণ হয়েছে বিরোধী দলের জনপ্রিয়তায় ধস নেমেছে’: ফরহাদ আজাদ

‘উপনির্বাচনে প্রমাণ হয়েছে বিরোধী দলের জনপ্রিয়তায় ধস নেমেছে’: ফরহাদ আজাদ
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনের ফলাফল বিরোধী দলের জনপ্রিয়তা কমে যাওয়ার প্রমাণ বলে মন্তব্য করেছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। তিনি বলেছেন, নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী প্রায় ১…
 ৩১ অক্টোবর ২০২৬    নির্বাচিত

‘কলকাতায় গ্যাস ১ হাজার, বাংলাদেশে ২ হাজার ৫০০ টাকা কেন’: আখতার!

‘কলকাতায় গ্যাস ১ হাজার, বাংলাদেশে ২ হাজার ৫০০ টাকা কেন’: আখতার!
কলকাতায় এক হাজার টাকায় এলপিজি গ্যাস পাওয়া গেলে বাংলাদেশে কেন একই গ্যাস ২ হাজার ৫০০ টাকায় কিনতে হবে, এমন প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি)…
 ৩১ অক্টোবর ২০২৬    নির্বাচিত

সৌদিতে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৭ বাংলাদেশির মরদেহ দেশে পৌঁছেছে!

সৌদিতে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৭ বাংলাদেশির মরদেহ দেশে পৌঁছেছে!
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে সোফা তৈরির কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত বাকি সাত বাংলাদেশি শ্রমিকের মরদেহ দীর্ঘ অপেক্ষার পর দেশে পৌঁছেছে। ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে পরিচয় শনাক্তের…
 ৩১ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

‘অনিবার্য বিপ্লব দরজায় টোকা দিচ্ছে’, সরকারকে হুঁশিয়ারি শফিকুর রহমানের!

‘অনিবার্য বিপ্লব দরজায় টোকা দিচ্ছে’, সরকারকে হুঁশিয়ারি শফিকুর রহমানের!
অনিবার্য বিপ্লব দরজায় টোকা দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। একই সঙ্গে বৃহত্তর ত্যাগের জন্য…
 ৩১ অক্টোবর ২০২৬    নির্বাচিত

কড়া নিরাপত্তায় রূপপুরে পৌঁছাল ইউরেনিয়ামের চতুর্থ চালান

কড়া নিরাপত্তায় রূপপুরে পৌঁছাল ইউরেনিয়ামের চতুর্থ চালান
সিয়াম রহমান, ঈশ্বরদী: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য রাশিয়া থেকে আসা ইউরেনিয়ামের তৃতীয় চালান প্রকল্প এলাকায় পৌঁছেছে। শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ৭টা ১৭ মিনিটে…
 ৩১ অক্টোবর ২০২৬    রাজশাহী

১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-খুলনা লংমার্চ শুরু, সরকারকে কঠোর হুঁশিয়ারি!

১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-খুলনা লংমার্চ শুরু, সরকারকে কঠোর হুঁশিয়ারি!
ঢাকা থেকে খুলনা, যশোর, ঝিনাইদহ হয়ে কুষ্টিয়া অভিমুখে ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ শুরু হয়েছে। জুলাই সনদ বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন দাবিতে আয়োজিত এ কর্মসূচির আগে রাজধানীর বায়তুল…
 ৩১ অক্টোবর ২০২৬    নির্বাচিত