প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   মহানবীর সমগ্র জীবনের উদ্দেশ্য কী...

মহানবীর সমগ্র জীবনের উদ্দেশ্য কী ছিল?

৮ ডিসেম্বর ২০১৭ ১১:৩৭ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

মোহাম্মদ আসাদ আলী:
যে সময়ের কথা বলছি তখনও রসুলাল্লাহ নবুয়তপ্রাপ্ত হন নি। আল্লাহর পক্ষ থেকে হেদায়াহ ও সত্যদ্বীন পাওয়ার অনেক আগের ঘটনা। সেই সময়েও আল্লাহর রসুল যুদ্ধ-রক্তপাত ও সহিংসতার বিরুদ্ধে কীভাবে অবদান রেখে গেছেন তা ‘সিরাতে ইবনে হিশাম’ এ বর্ণিত একটি ঘটনা থেকে বোঝা যায়।
রসুলাল্লাহর বয়স তখন পঁয়ত্রিশ বছর। এই সময় কুরাইশরা পবিত্র কাবার সংস্কারের সিদ্ধান্ত নেয়। সংস্কারকাজ তারা ভালোভাবেই শেষ করল, কিন্তু হাজরে আসওয়াদের স্থান পর্যন্ত দেয়াল নির্মাণ সম্পন্ন হলে হাজরে আসওয়াদকে যথাস্থানে কে স্থাপন করবে তা নিয়ে ঝগড়া-বিবাদ শুরু হলো। এ নিয়ে গোত্রগুলো সংঘবদ্ধ হতে লাগলো, এমনকি শেষ পর্যন্ত যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হয়ে গেল। বলা বাহুল্য, অনেক ছোটখাটো বিষয় নিয়েও প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে যুদ্ধ করে যাবার ইতিহাস তাদের ছিল। সে হিসেবে হাজরে আসওয়াদের বিষয়টি অনেক গুরুত্বপূর্ণ ছিল এবং বলার অপেক্ষা রাখে না যে, ঐ বিবাদের দ্রæত কোনো নিস্পত্তি না হলে ভয়াবহ যুদ্ধ শুরু হয়ে যেত। ইতিহাসে দেখি সেই ভয়াবহ যুদ্ধের হাত থেকে কুরাইশদেরকে  যিনি রক্ষা করলেন তিনি আর কেউ নন, বিশ্বনবী মোহাম্মদ (সা.)।
বর্ণিত আছে যে, ঐ সময় সমগ্র কুরাইশ সম্প্রদায়ের প্রবীণতম ব্যক্তি আবু উমাইয়া ইবনুল মুগীরা বললেন, ‘‘হে কুরাইশগণ, এই পবিত্র মসজিদের দরজা দিয়ে যে ব্যক্তি প্রথম প্রবেশ করবে, তাকেই তোমরা এই বিবাদের মীমাংসার দায়িত্ব দাও।’’ সবাই এ প্রস্তাবে সম্মত হলো। দৈবক্রমে তাদের সবার অত্যন্ত বিশ্বস্ত, আমানতদার, আল আমীন মোহাম্মদ (সা.) সেই দরজা দিয়ে প্রবেশ করলেন। সবাই বলে উঠল, ‘‘আরে এতো আমাদের আল আমীন মুহাম্মাদ। তাঁর ফয়সালাই আমরা মাথা পেতে নিব।’’ রসুল ঘটনা অবগত হয়ে বললেন, ‘‘তোমরা আমাকে একখানা কাপড় দাও।’’ কাপড় দেওয়া হলে তিনি তা বিছিয়ে হাজরে আসওয়াদকে কাপড়ের মাঝখানে বসিয়ে দিয়ে বললেন, ‘‘প্রত্যেক গোত্রকে এই কাপড়ের চারপাশে ধরতে হবে।’’ দেখা গেল সবাই তা ধরে উঁচু করে যথাস্থানে নিয়ে গেল। তারপর তিনি নিজ হাতে হাজরে আসওয়াদ তুলে যথাস্থানে রাখলেন এবং তার উপর গাঁথুনি দিলেন। এভাবে একটি ভয়াবহ যুদ্ধের উন্মাদনা অংকুরেই শেষ হয়ে গেল। বেঁচে গেল হাজারো মানুষের প্রাণ।
তারও আগের একটি ঘটনা দেখুন। আল্লাহর রসুল তখন তরুণ, পনেরো থেকে পঁচিশ বছরের মধ্যে বয়স। এই বয়সে তিনি ফিজারের যুদ্ধের ভয়াবহতা দেখে বিচলিত হয়ে পড়লেন। কী করা যায় তা নিয়ে গভীরভাবে ভাবতে লাগলেন। এত দাঙ্গা-হাঙ্গামা, গৃহযুদ্ধ, রক্তপাত, ঘৃণা ও বিদ্বেষের চর্চা তিনি কীভাবে বন্ধ করবেন? তাঁর বিবেকবোধ তাঁকে সমাজের অন্য দশজনের মত হাত গুটিয়ে বসে থাকতে দিল না। কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে তিনি একটি সংগঠন গড়ে তুললেন যার নাম ‘হিলফুল ফুজুল’। এই সংগঠনের লক্ষ্যগুলো কী ছিল খেয়াল করুন।
(১) শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা,
(২) বিভিন্ন গোত্রের মধ্যে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ বন্ধ করা,
(৩) অত্যাচারিতকে অত্যাচারীর হাত থেকে রক্ষা করা,
(৪) দুর্বল, অসহায় ও এতিমদের সাহায্য করা,
(৫) বিদেশি বণিকদের জান ও মালের নিরাপত্তা বিধান করা এবং
(৬) সর্বোপরি সব ধরনের অন্যায় ও অবিচার অবসানের চেষ্টা করা।
এভাবে বিশ্বনবী মুহাম্মদ (সা.) নবুয়তপ্রাপ্তির আগেই যুদ্ধ-রক্তপাতের বিরুদ্ধে অগ্রদূত হিসেবে পৃথিবীর বুকে আত্মপ্রকাশ করেন। কিন্তু এতকিছুর পরেও যখন দেখলেন অশান্তি বন্ধ হচ্ছে না, যুদ্ধবিগ্রহ থামছে না, তিনি বুঝতে পারলেন এভাবে সফল হওয়া যাবে না। তাই সঠিক পথের সন্ধানে ধ্যানমগ্ন হলেন। নিজের সবটুকু আকুলতা ঢেলে দিলেন পরম করুণায় স্রষ্টার প্রতি। আল্লাহ তাঁর প্রিয় হাবিবের ডাক উপেক্ষা করলেন না। জিবরাইল (আ.) এসে পাঠ করে শোনালেন মুক্তির অমিয় বাণী। পৃথিবী থেকে সমস্ত অন্যায়, অবিচার, যুদ্ধ, রক্তপাত বন্ধ করার সঠিক পথ পাওয়া গেল। এই ঘটনা একদিকে রসুলাল্লাহর চিত্তকে প্রশান্ত করলেও, আরেকদিকে একটি দুশ্চিন্তার ছাপ থেকে গেল যে, কোরাইশরা সত্য গ্রহণ করবে তো? কিছুকাল পরে আল্লাহর পক্ষ থেকে নির্দেশ এল- যে সত্য আপনি পেয়েছেন সেটা প্রকাশ্যে প্রচার করুন। আল্লাহর রসুল প্রচার করতে লাগলেন। তিনি সকল গোত্রের মানুষকে ডেকে আনুষ্ঠানিকভাবে মুক্তির পথ তুলে ধরলেন, সবাইকে তওহীদের ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ হবার আহ্বান জানালেন। সাধারণ জনগণ, গোত্রপতি, পুরোহিত সবার দারে দারে গেলেন, সমাজের উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদেরকে বাড়িতে দাওয়াত দিয়ে পশু জবাই করে আপ্যায়ন করলেন এবং আল্লাহর দেওয়া হেদায়াহ তাদের সামনে উপস্থাপন করলেন। কিন্তু কী ঘটল সে ইতিহাস কারো অজানা নয়। তারা তাদের স্বভাবজাত নৈরাজ্য, রক্তপাত, হানাহানি চালিয়ে যেতে থাকল। শাসিতের উপর শাসকের অবিচার চলতেই থাকল। গোত্রে-গোত্রে অনৈক্য, দস্যুবৃত্তি, রেষারেষি ও নিরাপত্তাহীনতা রয়েই গেল। গোত্রপতি ও পুরোহিতরা তাদের কায়েমী স্বার্থে আঘাত মনে করে নিজেরাও হেদায়াহ গ্রহণ করল না, সাধারণ জনগণকেও করতে দিল না। যে মুষ্ঠিমেয় মানুষ তওহীদ গ্রহণ করল তাদের অমানসিক নির্যাতনের শিকার হতে হলো। কয়েকজনকে তো হত্যাই করে ফেলল। শেষাবধি রসুলাল্লাহকে পর্যন্ত হত্যার চক্রান্ত করল কোরাইশরা। অগত্যা রসুলাল্লাহর সামনে যুদ্ধ ভিন্ন অন্য কোনো পথ খোলা রইল না।
এরই মধ্যে মদীনা নামক এক চিলতে ভূখণ্ড আল্লাহ তাঁর রসুলের হাতে তুলে দিলেন। সেখানকার ইহুদি, পৌত্তলিক, মুসলিম সবাইকে নিয়ে আল্লাহর রসুল চুক্তি করলেন যে, আমরা যে ধর্মেরই হই, যে গোত্রের হই, যে মতাদর্শের হই, আমরা সর্বদা থাকব ঐক্যবদ্ধ। আজ থেকে আমরা এক জাতি। আমাদের মধ্যে কেউ আক্রান্ত হলে সবাই মিলে তাকে হেফাজত করব। কেউ অন্যায় করলে সবাই মিলে তাকে প্রতিহত করব। একজন অপরজনের বিরুদ্ধে, এক গোত্র অপর গোত্রের বিরুদ্ধে, এক ধর্মের অনুসারী অপর ধর্মের অনুসারীর বিরুদ্ধে কোনো শত্রæতা করব না, যুদ্ধ-রক্তপাত করব না। এই ঘোষণার ভিত্তিতে মদীনায় ঐক্য, শৃঙ্খলা, আনুগত্য ও ভ্রাতৃত্বের সমন্বয়ে গড়ে উঠল একটি নিরাপদ সমাজ। কিন্তু তখনও আরব উপদ্বীপের সর্বত্র অনৈক্য, দাঙ্গা-হাঙ্গামা, যুদ্ধ-রক্তপাত চলছেই। সেগুলোও বন্ধ করতে হবে। মদীনার নিরাপত্তা ছড়িয়ে দিতে হবে পুরো আরব উপদ্বীপ হয়ে সারা বিশ্বে। আর তা করজোড়ে অনুনয়-বিনয়ের মাধ্যমে যে হবে না তা তো প্রমাণিত। কাজেই মাত্র ১০ বছরের মধ্যে ছোটবড় মিলিয়ে ১০৭টি যুদ্ধ করলেন আল্লাহর রসুল। কঠোর সংগ্রাম চালিয়ে সমস্ত আরব উপদ্বীপ থেকে অন্যায়, অবিচার, যুদ্ধ, রক্তপাত, দাঙ্গা-হাঙ্গামা এক কথায় অনিরাপত্তা ও অশান্তি দূর করে এই বিশাল এলাকায় ঐক্য, শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা করলেন। নবুয়তের পূর্বে যে নিরাপদ আরবের স্বপ্ন তিনি দেখেছিলেন নবুয়তের মাত্র ২৩ বছরের মধ্যে ঠিক সেই স্বপ্নই সত্যে পরিণত হলো।
এক শ্রেণির ইসলামবিদ্বেষী আছেন দিবারাত্রি তারা আল্লাহর রসুলকে খাটো করার জন্য, তাঁর সংগ্রামী জীবনকে বিতর্কিত করার জন্য কতই না ছল-চাতুরির আশ্রয় নেন। রসুলের পুরো জীবনের অসংখ্য ঘটনা ও ভিন্ন ভিন্ন পরিস্থিতি-প্রেক্ষাপটকে আঁধারে রেখে নির্দিষ্ট কিছু ঘটনার উপর আলো ফেলেন- যেমন রসুলের নেতৃত্বে পরিচালিত যুদ্ধগুলো। কখনও সামগ্রিক ইতিহাস থেকে কেবল যুদ্ধের বিষয়টিকে আলাদা করে আবার কখনও অনেকগুলো যুদ্ধের ধারাবাহিকতা থেকে কেবল একটি বা দুইটি ঘটনাকে আলাদা করে নিয়ে তার চুলচেরা বিশ্লেষণ শুরু করেন এবং দেখানোর প্রয়াস পান আল্লাহর রসুল কত নির্মম ছিলেন! তাদেরকে বলব ইতিহাসকে যেন তারা ইতিহাসের জায়গা থেকে ব্যাখ্যা করেন এবং খণ্ডিত ইতিহাসের চর্চা ছেড়ে পূর্ণাঙ্গ ইতিহাসের উপর আলো ফেলেন। তা করতে পারলে আমাদেরকে আর কিছু বলতে হবে না, তারা নিজেরাই ১৪০০ বছর পূর্বের সেই আইয়ামে জাহেলিয়াতে নিমজ্জমান মানুষগুলোর মধ্যে এমন একজন মহামানবের বৈপ্লবিক জীবন খুঁজে পাবেন, যাঁকে অধঃপতনের মাঝসাগর থেকে আস্ত একটি জাহাজকে একাই তীরে টেনে তুলতে হয়েছে। তাঁর জীবনীতে কোমলতা আছে, কঠোরতাও আছে, ক্ষমা আছে, দণ্ডও আছে, ধ্বংস আছে, নির্মাণও আছে। কিন্তু এইসবকিছুই নির্দিষ্ট লক্ষ্যকে সামনে রেখে, এমন সমাজ নির্মাণের স্বপ্নকে সামনে রেখে, যে সমাজে হানাহানি থাকবে না, রক্তারক্তি থাকবে না, দাঙ্গা-হাঙ্গামা থাকবে না, অনিরাপত্তা ও অস্থিতিশীলতা থাকবে না এবং সেই সমাজ তিনি নির্মাণ করেই দেখিয়েছেন।
লেখক: সহকারী সাহিত্য সম্পাদক, হেযবুত তওহীদ।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

৯ মাসের বিরতি শেষে শুটিংয়ে ফিরলেন তানিয়া বৃষ্টি!

৯ মাসের বিরতি শেষে শুটিংয়ে ফিরলেন তানিয়া বৃষ্টি!
মস্তিষ্কে টিউমার শনাক্ত হওয়া, অস্ত্রোপচার ও দীর্ঘ চিকিৎসার কারণে প্রায় নয় মাস অভিনয় থেকে দূরে ছিলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টি। দীর্ঘ এই বিরতি কাটিয়ে অবশেষে…
 ৩১ অক্টোবর ২০২৬    বিনোদন

চিরকুটে শিক্ষককে দায় দিয়ে না ফেরার দেশে এইচএসসি ফেল করা শিক্ষার্থী!

চিরকুটে শিক্ষককে দায় দিয়ে না ফেরার দেশে এইচএসসি ফেল করা শিক্ষার্থী!
সাতক্ষীরার তালায় এইচএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ার পর হৃদয় সরদার (১৯) নামে এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (৩১ অক্টোবর) দুপুরে নিজ বাড়ি থেকে…
 ৩১ অক্টোবর ২০২৬    খুলনা

বিনা অনুমতিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিত, চাকরি হারালেন ডিবির সাবেক হারুন!

বিনা অনুমতিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিত, চাকরি হারালেন ডিবির সাবেক হারুন!
বিনা অনুমতিতে দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। বিভাগীয় তদন্তে…
 ৩১ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

অর্ণবের রেশ কাটতে না কাটতেই বঙ্গোপসাগরে নতুন ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা!

অর্ণবের রেশ কাটতে না কাটতেই বঙ্গোপসাগরে নতুন ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা!
ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের প্রভাব কাটতে না কাটতেই বঙ্গোপসাগরে নতুন করে আরেকটি ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট একটি নিম্নচাপ দ্রুত শক্তি সঞ্চয় করছে। আগামী…
 ৩১ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

জুনিয়র বন্ধু থেকে হত্যা মামলার আসামি দীপ, ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন পুলিশের!

জুনিয়র বন্ধু থেকে হত্যা মামলার আসামি দীপ, ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন পুলিশের!
রাজধানীর উত্তরখানে তুরাগ নদ থেকে তাহসিফের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় তার জুনিয়র বন্ধু শাহরিয়ার রেজা দীপকে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তাহসিফের বাবা কে এম এনায়েতুল…
 ৩১ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

দাবি না মানলে সরকারকে চরম মূল্য দিতে হবে: জামায়াত আমির

দাবি না মানলে সরকারকে চরম মূল্য দিতে হবে: জামায়াত আমির
সাত দফা দাবি মেনে নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তা না হলে চরম পরিণতি ভোগ করতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা.…
 ৩১ অক্টোবর ২০২৬    নির্বাচিত

সৌদির তেলসমৃদ্ধ অঞ্চলসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা লক্ষ্য করে একের পর এক ড্রোন হামলা!

সৌদির তেলসমৃদ্ধ অঞ্চলসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা লক্ষ্য করে একের পর এক ড্রোন হামলা!
সৌদি আরবের তেলসমৃদ্ধ পূর্বাঞ্চল, দক্ষিণাঞ্চল ও পবিত্র নগরী মদিনার আকাশে একের পর এক ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসব হামলার মধ্যে কয়েকটি ড্রোন শনাক্ত করে ভূপাতিত…
 ৩১ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

‘তিন-চারটি প্রজন্ম নষ্ট করে দিয়েছেন ড. ইউনূস’: ফজলুর রহমান

‘তিন-চারটি প্রজন্ম নষ্ট করে দিয়েছেন ড. ইউনূস’: ফজলুর রহমান
অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কঠোর সমালোচনা করেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. ফজলুর রহমান। তার অভিযোগ, ড.…
 ৩১ অক্টোবর ২০২৬    নির্বাচিত

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন নিয়ে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করছে সরকার: জামায়াত আমির

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন নিয়ে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করছে সরকার: জামায়াত আমির
গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন না করে বিএনপি সরকার জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করছে বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, সরকার জনগণের…
 ৩১ অক্টোবর ২০২৬    নির্বাচিত

‘উপনির্বাচনে প্রমাণ হয়েছে বিরোধী দলের জনপ্রিয়তায় ধস নেমেছে’: ফরহাদ আজাদ

‘উপনির্বাচনে প্রমাণ হয়েছে বিরোধী দলের জনপ্রিয়তায় ধস নেমেছে’: ফরহাদ আজাদ
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনের ফলাফল বিরোধী দলের জনপ্রিয়তা কমে যাওয়ার প্রমাণ বলে মন্তব্য করেছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। তিনি বলেছেন, নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী প্রায় ১…
 ৩১ অক্টোবর ২০২৬    নির্বাচিত

‘কলকাতায় গ্যাস ১ হাজার, বাংলাদেশে ২ হাজার ৫০০ টাকা কেন’: আখতার!

‘কলকাতায় গ্যাস ১ হাজার, বাংলাদেশে ২ হাজার ৫০০ টাকা কেন’: আখতার!
কলকাতায় এক হাজার টাকায় এলপিজি গ্যাস পাওয়া গেলে বাংলাদেশে কেন একই গ্যাস ২ হাজার ৫০০ টাকায় কিনতে হবে, এমন প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি)…
 ৩১ অক্টোবর ২০২৬    নির্বাচিত

সৌদিতে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৭ বাংলাদেশির মরদেহ দেশে পৌঁছেছে!

সৌদিতে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৭ বাংলাদেশির মরদেহ দেশে পৌঁছেছে!
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে সোফা তৈরির কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত বাকি সাত বাংলাদেশি শ্রমিকের মরদেহ দীর্ঘ অপেক্ষার পর দেশে পৌঁছেছে। ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে পরিচয় শনাক্তের…
 ৩১ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

‘অনিবার্য বিপ্লব দরজায় টোকা দিচ্ছে’, সরকারকে হুঁশিয়ারি শফিকুর রহমানের!

‘অনিবার্য বিপ্লব দরজায় টোকা দিচ্ছে’, সরকারকে হুঁশিয়ারি শফিকুর রহমানের!
অনিবার্য বিপ্লব দরজায় টোকা দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। একই সঙ্গে বৃহত্তর ত্যাগের জন্য…
 ৩১ অক্টোবর ২০২৬    নির্বাচিত

কড়া নিরাপত্তায় রূপপুরে পৌঁছাল ইউরেনিয়ামের চতুর্থ চালান

কড়া নিরাপত্তায় রূপপুরে পৌঁছাল ইউরেনিয়ামের চতুর্থ চালান
সিয়াম রহমান, ঈশ্বরদী: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য রাশিয়া থেকে আসা ইউরেনিয়ামের তৃতীয় চালান প্রকল্প এলাকায় পৌঁছেছে। শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ৭টা ১৭ মিনিটে…
 ৩১ অক্টোবর ২০২৬    রাজশাহী

১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-খুলনা লংমার্চ শুরু, সরকারকে কঠোর হুঁশিয়ারি!

১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-খুলনা লংমার্চ শুরু, সরকারকে কঠোর হুঁশিয়ারি!
ঢাকা থেকে খুলনা, যশোর, ঝিনাইদহ হয়ে কুষ্টিয়া অভিমুখে ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ শুরু হয়েছে। জুলাই সনদ বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন দাবিতে আয়োজিত এ কর্মসূচির আগে রাজধানীর বায়তুল…
 ৩১ অক্টোবর ২০২৬    নির্বাচিত