প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   সঙ্কটে আমরা, পরিত্রাণের উপায় কী?

সঙ্কটে আমরা, পরিত্রাণের উপায় কী?

২ অক্টোবর ২০১৭ ১১:৪২ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম:
গত এক মাসে পার্শ্ববর্তী দেশ মিয়ানমারের আচরণ লক্ষ করলে যে কোনো সচেতন মানুষই বলতে দ্বিধা করবেন না যে, ১৯৭১ সালে রক্ত দিয়ে স্বাধীন করা সোনার বাংলার নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়েছে। জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রী প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী এই পর্যন্ত ৮ লাখ রোহিঙ্গা মুসলমান বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। মিয়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলমানদেরকে সহস্র বছরের প্রাচীন পূর্ব পুরুষের ভিটে-মাটি থেকে সম্পূর্ণরূপে উচ্ছেদ করার জন্য মানবতাবিনাশী হেন অপকর্ম নেই যা সেনাবাহিনী করছে না। শিশু হত্যা, নারী ধর্ষণ, যুবকদের গুলি করে হত্যা ইত্যাদি তো আছেই, বাড়িঘর, সহায়-সম্পদ লুটপাট চালানোর পর একে একে গ্রামগুলো আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দিচ্ছে। এ যেন নব্য হালাকু খানদের পুনরাবির্ভাব হয়েছে। অনেকে পালিয়ে আসতে গিয়ে পথে আটকা পড়ে, না খেয়ে থেকে কিংবা নৌকা ডুবির শিকার হয়ে প্রাণ হারাচ্ছে। হাজার হাজার রোহিঙ্গা এখনও গহীন জঙ্গলে গা ঢাকা দিয়ে আছে। ঘাস পাতা খেয়ে বেঁচে আছে তারা। তারপরও নাফ নদী পেরিয়ে বিশাল সংখ্যক রোহিঙ্গা মুসলমান বাংলাদেশে আশ্রয় নিতে পেরেছে। আর সেই সাথেই সামরিক ঝুঁকির মুখে পড়েছে বাংলাদেশ।
মিয়ানমার সরকার ও সেনাবাহিনী রোহিঙ্গাদেরকে বাঙালি বলে অপপ্রচার চালাচ্ছে এবং সকলকে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হবার আহŸান জানাচ্ছে। তার মানে তারা বাঙালিদের বিরুদ্ধেই ঐক্যবদ্ধ হচ্ছে। দেশটিতে পরিকল্পিতভাবে মুসলিমবিদ্বেষী মনোভাব চাঙ্গা করে দেওয়া হয়েছে। আর সেই সুরেই কথা বলছে সরকার ও সেনাবাহিনী। তাদের সামরিক হেলিকপ্টার ১৯ বার বাংলাদেশের আকাশসীমা লঙ্ঘন করেছে। সীমানায় মাইন পুঁতে রেখেছে। মজবুত কাঁটা তারের বেড়া নির্মাণ করে সেখানে বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়েছে। কয়েকবার বাংলাদেশের সীমানায় গোলাগুলিও করেছে। বাংলাদেশের বহু সামরিক বিশ্লেষক মিয়ানমারের এই কর্মকাণ্ডকে দেখছেন সামরিক উস্কানী হিসেবে। এই অঞ্চলে একটি অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করার জন্য এই ধরনের উস্কানী মিয়ানমারের পক্ষ থেকে গত কয়েক বছর ধরেই দেওয়া হচ্ছে। এগুলো বিচ্ছিন্ন ঘটনা হতে পারে না, নিশ্চয়ই এগুলো মিয়ানমার সরকারের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার অংশ, যা বাংলাদেশের জন্য সামরিক ঝুঁকি তৈরি করছে।
এদিকে মুসলমানদের উপর এই বর্বরতম নির্যাতনের ঘটনাকে ইস্যু করে আন্তর্জাতিক জঙ্গিবাদী গোষ্ঠীগুলো সরব হচ্ছে। আল কায়েদা, আইএস, আবু সাইয়াফসহ পাকিস্তান, আফগানিস্তান, ফিলিপাইন ও মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক বহু গোষ্ঠী এখানে কথিত জেহাদ শুরু করার জন্য ঘোষণা দিয়েছে। বাংলাদেশের ভেতরকার উগ্রবাদী গোষ্ঠী যারা বহুদিন থেকে মোক্ষম ইস্যুর সন্ধান করছিল- তারাও একটি মওকা পেয়ে গেছে। যদি তারা সক্ষম হয় তবে পশ্চিমা সা¤্রাজ্যবাদী অস্ত্রব্যবসায়ী পরাশক্তি এখানে উড়ে আসবে এতে সন্দেহ নেই। তারপর কী হবে সেটার দৃষ্টান্তের তো অভাব নেই। ইরাক, সিরিয়া, আফগানিস্তান এর উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। অর্থাৎ এদিক দিয়েও আমাদের সামনে সামরিক ঝুঁকি উপস্থিত হয়েছে।
বর্তমানে আমাদের সরকার চেষ্টা করছে কূটনৈতিক পদক্ষেপের মাধ্যমে মিয়ানমার সরকারের উপর আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টি করতে যেন মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা অধিবাসীরা নিজেদের ভিটেমাটিতে গিয়ে বসবাস করতে পারে এবং তাদের উপর চলা নির্যাতন-নিপীড়ন থেকে মুক্ত হতে পারে। কূটনৈতিক এই উদ্যোগ সরকারের দায়িত্ব এবং সরকার তা পালন করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু এই পরিস্থিতিতে আমাদের জনগণের কী দায়িত্ব রয়েছে তাও ভেবে দেখা দরকার।
তাদের প্রথম দায়িত্ব হচ্ছে সঙ্কটটা অনুধাবন করা। কত ভয়াবহ সঙ্কট এটা! একে খাটো করে দেখার অবকাশ নেই। প্রায় দশ লক্ষ রোহিঙ্গা মুসলমান তাদের পৈত্রিক ভিটেমাটি থেকে উদ্বাস্তু হয়েছে গণহত্যার শিকার হন। খুব দূরে নয়, একেবারে আমাদের বাড়ির কাছের ঘটনা। যাদের ভাষা আমরা বুঝি। যাদের মর্মস্পর্শী দুঃসহ অভিজ্ঞতা প্রতিনিয়ত আমাদের সংবাদমাধ্যমে প্রচারিত হচ্ছে, আমরা প্রত্যহ সংবাদগুলো দেখছি। এগুলো সিরিয়া-ইরাকের সংবাদ নয়, আফ্রিকার সংবাদ নয়, সুদূরের ফিলিস্তিনিদেরও নয়। ঘরের কাছের সংবাদ। এই তো সেদিনও এই মানুষগুলোর ধন-সম্পত্তি ছিল, বাড়িঘর ছিল, অনেকে জনপ্রতিনিধি ছিলেন, শিক্ষিত উচ্চবিত্ত ছিলেন। তারা আজ পথের ভিখিরির মত দিনাতিপাত করছেন। তাদের আত্মীয়-স্বজন ছিল, পিতা-মাতা, ভাই-বোন ছিল, এখন সবাই কাউকে না কাউকে হারিয়েছে। কেউ পুরো পরিবার হারিয়ে সর্বশান্ত হয়েছে। প্রায় দেড় হাজার শিশু বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে যাদের পরিবারের কেউ বেঁচে নেই। কচি কচি শিশুগুলো পেটের ক্ষুধা নিবারণের জন্য ত্রাণবাহী ট্রাকের পিছে দৌড়াচ্ছে। এতবড় ভয়াবহ সঙ্কট কি পাশ কাটিয়ে যাওয়া সম্ভব?
আমরা হেযবুত তওহীদ বহু বছর যাবৎ বলে আসছি যে, মুসলমানদের ভূখণ্ডগুলোকে পরিকল্পিতভাবে একটার পর একটা ধ্বংস করে ফেলা হচ্ছে। আজকে যে দৃশ্য আমরা মিয়ানমারে দেখছি সেই একই দৃশ্য আমরা সিরিয়া ইরাক আফগানিস্তানে ফিলিস্তিনে লিবিয়াসহ উত্তর আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে দেশে দেখে এসেছি। এই ধ্বংসযজ্ঞ কতদূর পৌঁছতে পারে আমরা তা হয়ত কল্পনাও করতে পারছি না। আজ আমরা দর্শকের ভূমিকায় থাকলেও কাল যে আমরাও খবরের শিরোনাম হব না তার নিশ্চয়তা কী? সুতরাং কেবল চোখে দেখে আর কানে শুনে বসে থাকলে চলবে না আমাদের, হৃদয় দিয়েও উপলব্ধি করতে হবে পরিস্থিতিকে।
বিশ্বে চলছে ‘মাইট ইজ রাইট’ এর শাসন। দুর্বলের উপর সবলের অত্যাচারটাই স্বাভাবিক হয়ে দাঁড়িয়েছে। সবলেরা দেখেছে মুসলমানরা দুর্বল। তাদেরকে ইচ্ছে হলেই গণহত্যা করা যায়, স্বদেশ থেকে উচ্ছেদ করা যায়। তাদের নেই কোনো অভিভাবক, নেই কোনো কর্তৃপক্ষ। আজকে পৃথিবীতে ১৬০ কোটি মুসলমান। তাদের কিসের অভাব? সংখ্যার অভাব নেই, সম্পদের অভাব নেই। শিক্ষারও অভাব নেই। লক্ষ লক্ষ তাদের আলেম ওলামা। লক্ষ লক্ষ তাদের আইনজ্ঞ, বিশেষজ্ঞ, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার। কেবল দুর্বলতা একটা জায়গায়- এদের ঐক্য নেই। ফলে তাদের অনৈক্যের সুযোগ নিচ্ছে অত্যাচারী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলো। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীও এই কথা বলেছেন। এটা তো ইতিহাস থেকে প্রমাণিত যে, মুসলমানরা নির্যাতিত হলে কোনো সংস্থা, কোনো পরাশক্তি, কোনো জাতিসংঘ পাশে দাঁড়ায় না। বরং মুসলমানদেরকে নিশ্চিহ্ন করতেই নীল নকশা প্রনয়ণ করে। তাহলে কেন আমরা অন্য কারো কৃপাপ্রার্থী হয়ে পড়ে থাকব? সঙ্কট আমাদের, সমাধানও আমাদেরকেই করতে হবে। সেটা হতে পারে দু’টি উপায়ে-
প্রথমত, এই ঝুঁকিটি আমরা ইসলাম দিয়েই মোকাবেলা করতে পারি। কীভাবে? সেটা হচ্ছে ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা। আল্লাহর রসুল ১৪শ’ বছর আগে আরবের আইয়ামে জাহেলিয়াতের জাতিটিকে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন। তারা হানাহানি, অন্ধত্ব, কলহ-বিবাদ, অজ্ঞতার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল। ফলে তারা হয়েছিল শক্তিশালী শ্রেষ্ঠ জাতি। যে জাতি ঐক্যের শক্তিতে শক্তিশালী, তারা যে কোনো সংকটই মোকাবেলা করতে পারে।
দ্বিতীয়ত হচ্ছে দেশপ্রেম। মদীনাকে রক্ষা করার জন্য রসুল ও তাঁর সাহাবীরা কীভাবে না খেয়ে, পেটে পাথর বেঁধে খন্দক খুড়েছিলেন, পাহারা দিয়েছিলেন সে ইতিহাস আমাদের জন্য শিক্ষণীয়। আমরা এই দেশের কাছে আজন্ম ঋণী। এই ঋণ শোধ করার এখন সময় এসেছে। আমরা বাংলায় কথা বলি, এখনে আমাদের পূর্বপুরুষের অস্থিমজ্জা মিশে আছে। এই স্বাধীন ভূখণ্ড আছে বিধায় আমরা নিজেদের পরিচয় নিয়ে বাস করি, চাকরি বাকরি করি, ধর্মপালন করি। ভূখণ্ড না থাকলে আমাদের পরিচয় থাকবে না, আমরা হবো উদ্বাস্তু। উদ্বাস্তুর কোনো অধিকার থাকে না, সম্মান থাকে না, ধর্মও থাকে না। এসব থাকার জন্য ভূখণ্ড থাকা জরুরি। এজন্য আল্লাহ মানুষকে ভূখণ্ডের উপর সৃষ্টিগত অধিকার দিয়েছেন। মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা বাঙালিরা একটি স্বাধীন  ভূখণ্ড পেয়েছি। কিন্তু স্বাধীনের পর থেকে একটা দিনও শান্তিতে থাকতে পারি নি দুটি কারণে। ধর্ম ব্যবসায়ী একটা শ্রেণি যারা ধর্মের নামে বিভিন্ন ফতোয়া দিয়ে জাতির মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করেছে। ধর্মীয় অনুভূতিকে ব্যবহার করে মানুষের ঈমানকে হাইজ্যাক করে বারবার জাতি বিনাশী কর্মকাণ্ড ঘটিয়েছে। আর একটি শ্রেণি হলো স্বার্থান্বেষী রাজনৈতিক গোষ্ঠি। তারা ঔপনিবেশিক আমলের সেই স্বার্থের রাজনীতি এদেশে কায়েম করেছে। স্বার্থের রাজনীতি আর ধর্মের অপব্যবহার এই উভয় প্রকার অপশক্তির কারণে আমরা একদিনের জন্য ঐক্যবদ্ধ থাকতে পারি নাই। এখনও যদি এই অবস্থা চলতে থাকে তাহলে আমাদের পূর্বপুরুষরা যুদ্ধ করে যে ভূখণ্ড দিয়ে গেছেন, সেটা আমরা রক্ষা করতে পারব না। সুতরাং ঐক্যবদ্ধ হতে হবে অস্তিত্বের প্রয়োজনে। এক্ষেত্রে কারো ধর্মপরিচয়, নৃতাত্তি¡ক পরিচয় মুখ্য নয়, বাংলাদেশের প্রত্যেকটি মানুষের এই দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিতে হবে। তাদের জাতি হবে একটি, নেতা হবে একজন, সিদ্ধান্ত হবে একটি। সবাই মিলে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করবে। সেই লক্ষ্যেই সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে হেযবুত তওহীদ।
যোগাযোগ: ০১৭১১০০৫০২৫, ০১৯৩৩৭৬৭৭২৫, ০১৭৮২১৮৮২৩৭, ০১৬৭০১৭৪৬৪৩

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

ফেনীতে লালপোলে স্টার লাইন কাউন্টারের সামনে থেকে ৭ কেজি গাঁজাসহ ২ নারী গ্রেফতার

ফেনীতে লালপোলে স্টার লাইন কাউন্টারের সামনে থেকে ৭ কেজি গাঁজাসহ ২ নারী গ্রেফতার
ফেনী প্রতিনিধি: ফেনী সদর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৭ কেজি গাঁজাসহ দুই নারী মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুর…
 ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬    চট্টগ্রাম

দেশের বাজারে ফের বাড়লো স্বর্ণের দাম

দেশের বাজারে ফের বাড়লো স্বর্ণের দাম
দেশের বাজারে টানা তিন দফা স্বর্ণের দাম কমার পর এবার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভ্যাটসহ প্রতি ভরি সোনার দাম সর্বোচ্চ ৫…
 ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬    অর্থনীতি

ইফার মউশিক প্রকল্প পরিচালকের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অসত্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত

ইফার মউশিক প্রকল্প পরিচালকের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অসত্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত
ইসলামিক ফাউন্ডেশন (ইফা) পরিচালিত ‘নৈতিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ উন্নয়নে মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম’ (মউশিক) প্রকল্পের পরিচালক (যুগ্মসচিব) এস এম তরিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে সম্প্রতি একটি…
 ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬    জাতীয়

মাদারীপুরে একাধিক মানবপাচার মামলার আসামি এনামুল গ্রেফতার, পলাতক ভাইয়ের খোঁজে তল্লাশি

মাদারীপুরে একাধিক মানবপাচার মামলার আসামি এনামুল গ্রেফতার, পলাতক ভাইয়ের খোঁজে তল্লাশি
মাদারীপুর প্রতিনিধি: মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার বদরপাশা এলাকা থেকে একাধিক মানবপাচার মামলার আসামি এনামুল মাতুব্বরকে গ্রেফতার করেছে মাদারীপুর জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট)…
 ১৫ আগস্ট ২০২৬    ঢাকা

​প্রধানমন্ত্রীর নিকট হেফাজতের অন্যায্য দাবির তীব্র প্রতিবাদ ও প্রত্যাখ্যান হেযবুত তওহীদের

​প্রধানমন্ত্রীর নিকট হেফাজতের অন্যায্য দাবির তীব্র প্রতিবাদ ও প্রত্যাখ্যান হেযবুত তওহীদের
​ঢাকা: মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিকট হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ কর্তৃক হেযবুত তওহীদকে নিষিদ্ধ করার অন্যায্য ও অগণতান্ত্রিক দাবির তীব্র নিন্দা, প্রতিবাদ ও তা সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান…
 ১০ আগস্ট ২০২৬    জাতীয়

মাদারীপুরের আলোচিত গৃহবধূ লামিয়া হত্যা মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার

মাদারীপুরের আলোচিত গৃহবধূ লামিয়া হত্যা মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার
মাদারীপুর জেলার আলোচিত গৃহবধূ লামিয়া হত্যা মামলার তিন আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মাদারীপুর জেলা পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমানের নির্দেশনায় এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল)…
 ২১ জুলাই ২০২৬    ঢাকা

মাদারীপুর সরকারি কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের ঘোষণা এমপি জাহান্দার আলীর

মাদারীপুর সরকারি কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের ঘোষণা এমপি জাহান্দার আলীর
মাদারীপুর সরকারি কলেজের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের নবীনবরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আজ মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে…
 ১৪ জুলাই ২০২৬    ঢাকা

শ্রীপুরে পোশাক কারখানায় হঠাৎ অর্ধশতাধিক শ্রমিক অসুস্থ, ছুটি ঘোষণা

শ্রীপুরে পোশাক কারখানায় হঠাৎ অর্ধশতাধিক শ্রমিক অসুস্থ, ছুটি ঘোষণা
গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের টেপিরবাড়ি এলাকায় অবস্থিত ‘কালার অ্যান্ড কোং লিমিটেড কারখানায় প্রায় অর্ধশতাধিক শ্রমিক হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। পরে পরিস্থিতি বিবেচনায় কর্তৃপক্ষ আজ কারখানার…
 ৭ জুলাই ২০২৬    ঢাকা

টাঙ্গাইলে পরিত্যক্ত কূপে ছাগলছানা বাঁচাতে গিয়ে বাবা-ছেলেসহ চারজনের মৃত্যু

টাঙ্গাইলে পরিত্যক্ত কূপে ছাগলছানা বাঁচাতে গিয়ে বাবা-ছেলেসহ চারজনের মৃত্যু
টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলায় একটি পরিত্যক্ত কূপে পড়ে যাওয়া ছাগলছানা উদ্ধার করতে গিয়ে একই পরিবারের ও প্রতিবেশীদের চারজন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। আজ শনিবার (২০…
 ২০ জুন ২০২৬    ঢাকা

কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপে স্বর্ণপদক জিতলেন পটুয়াখালীর নুর-ই-জান্নাত

কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপে স্বর্ণপদক জিতলেন পটুয়াখালীর নুর-ই-জান্নাত
পটুয়াখালী প্রতিনিধি: ঢাকার শহীদ নূর হোসেন জাতীয় ভলিবল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘শিহান হুমায়ুন কবির জুয়েল মেমোরিয়াল ৫ম কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬’-এ স্বর্ণপদক জিতেছেন পটুয়াখালীর মেয়ে নুর-ই-জান্নাত। শুক্রবার (১৯…
 ২০ জুন ২০২৬    বরিশাল

বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থার ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থার ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন
বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থা বাংলাদেশের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ৫১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে। নবগঠিত এই কমিটিতে শওকত সরদারকে সভাপতি, সোলায়মান পলাশকে সাধারণ সম্পাদক…
 ১৯ জুন ২০২৬    জাতীয়

মহাখালীতে সাবেক ছাত্রনেতাদের আলোচনা ও দোয়া মাহফিল

মহাখালীতে সাবেক ছাত্রনেতাদের আলোচনা ও দোয়া মাহফিল
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকারের সাফল্য কামনা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসাধীন বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও সাবেক সংসদ সদস্য নাজিমুদ্দিন আলমের সুস্থতা কামনায় আলোচনা ও দোয়া…
 ১৯ জুন ২০২৬    ঢাকা

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক: যা থাকছে ১৪ দফার চুক্তিতে

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক: যা থাকছে ১৪ দফার চুক্তিতে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি সম্প্রসারণের লক্ষ্যে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত এবং কার্যকর হয়েছে। ফ্রান্সের এভিয়ান-লে-বাঁ এলাকায় অনুষ্ঠিত জি৭ সম্মেলনে অংশ নেওয়ার সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট…
 ১৮ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

কুমিল্লায় কোদালের কোপে বড় ভাইকে হত্যা, ছোট ভাই গ্রেফতার

কুমিল্লায় কোদালের কোপে বড় ভাইকে হত্যা, ছোট ভাই গ্রেফতার
কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় পারিবারিক বিরোধের জেরে বড় ভাইকে কোদাল দিয়ে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার আপন ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে। বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে উপজেলার জগতপুর…
 ১৮ জুন ২০২৬    চট্টগ্রাম

বিশ্ববাজারে আবার ঊর্ধ্বমুখী স্বর্ণের দাম, নেপথ্যে যে কারণ

বিশ্ববাজারে আবার ঊর্ধ্বমুখী স্বর্ণের দাম, নেপথ্যে যে কারণ
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্পাদিত অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তির জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমেছে। এর ফলে বিশ্ববাজারে মূল্যস্ফীতির চাপ কমার ঘুরে দাঁড়িয়েছে স্বর্ণের বাজার। আজ…
 ১৮ জুন ২০২৬    অর্থনীতি