প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   আকাবার বায়াত; বিবাদের শ্মশানে উড়ল...

আকাবার বায়াত; বিবাদের শ্মশানে উড়ল ঐক্যের নিশান

৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ০২:০৩ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

আমিনুল কবির:
প্রাক ইসলামিক আরবের যাবতীয় অন্যায়-অবিচার এবং সীমাহীন অশান্তির পেছনের অন্যতম কারণ ছিল আরবদের অনৈক্য। তদানীন্তন আরবরা গোত্র, বংশ, দল-উপদলে এমনভাবে বিভক্ত ছিল এবং এক গোত্র বা বংশ থেকে অপর গোত্রের প্রাধান্য বিস্তারের প্রতিযোগিতা এমন চরম আকার ধারণ করেছিল যে নিষিদ্ধ চারটি মাস ব্যতীত এমন একটি দিনও বাদ যেতোনা যেদিন কোন যুদ্ধ-রক্তপাত বা দাঙ্গা-হাঙ্গামা হত না। এই অবস্থা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল যে – বাকি পৃথিবীর মানুষ আরবদেরকে দেখতো অসভ্য, বর্বর একটি জাতি হিসেবে। তারা ছিল বাকি পৃথিবীর ঘৃণার পাত্র।
এমনই অস্থিতিশীল পরিবেশে আরবদের মাঝে আবির্ভুত হন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব, সমস্ত পৃথিবীর জন্য আল্লাহর প্রেরিত বিশেষ রহমত বিশ্বনবী মোহাম্মদ (সা.)। আল্লাহ তাঁর রসুলকে দায়িত্ব দিলেন সত্যদ্বীন প্রতিষ্ঠা করে মানবজাতির মধ্যকার যাবতীয় অন্যায়-অবিচার, অশান্তি নির্মূল তথা শান্তি স্থাপন করার। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়- নবুয়ত পাবার মুহূর্ত থেকে ওফাত পর্যন্ত জীবনের প্রতিটিক্ষণ তিনি এই একটি কাজেই ব্যয় করেছেন। তাঁর নবী জীবনের দীর্ঘ ১৩ টি বছর কেটেছে জন্মভূমি মক্কার মানুষকে দাওয়াত দিয়ে। তিনি চেষ্টা করেছিলেন মক্কার শতধা-বিচ্ছিন্ন গোত্রগুলিকে ভ্রাতৃঘাতী লড়াই বন্ধ করে একসূত্রে গাঁথতে; চেষ্টা করেছিলেন যাবতীয় অন্যায়-অবিচার, নিজেরা নিজেরা কৃত যুদ্ধ-রক্তপাত বন্ধ করে আল্লাহর হুকুমের ভিত্তিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করতে। কিন্তু মক্কা তাঁর আহ্বান শুনল না। তারা রসুলাল্লাহর এই ঐক্যের আহ্বানকে প্রত্যাখ্যান করে আগের মতই ফেতনা-ফাসাদে নিমজ্জিত হয়ে থাকলো। তবে রসুলাল্লাহ তাঁর আহ্বান এক মুহূর্তের জন্যও বন্ধ রাখলেন না। যখন যেখানে সুযোগ পাওয়া যায় সেখানেই মানবজাতির ঐক্যের পথ, মুক্তির পথ পেশ করতে থাকলেন। শত নির্যাতন, আঘাত, বাধা-বিপত্তি সত্ত্বেও পিছু হঠলেন না।
আরবের ঐতিহ্যগত কারণে নিষিদ্ধ চারটি মাস তারা যাবতীয় যুদ্ধ-রক্তপাত বন্ধ রাখত। সেই সময় চিরশত্রুকেও হাতের কাছে পেলে তাকে কেউ আঘাত করত না। এই সময়টিতে তারা হজ্ব ও ওমরা পালন করত। দূর-দূরান্ত থেকে হজ্বের কাফেলা আসত মদীনায়। আল্লাহর রসুল প্রতিটি কাফেলায় গিয়ে তাদেরকে ঐক্যের মূলমন্ত্র তওহীদের দিকে আহ্বান করতেন। একদিন মদীনা থেকে আগত খাজরাজ গোত্রের একটি কাফেলার সাথে রসুলাল্লাহর সাক্ষাৎ হলো আকাবা নামক স্থানে, মক্কা থেকে আনুমানিক তিন মাইল দূরে। অন্যান্যর মত মদীনাও (তৎকালীন সময়ে ইয়াছরিব) ছিল গোত্র-বংশ, দল-উপদলে বিভক্ত এবং হানাহানি-যুদ্ধ, রক্তপাতে নিমজ্জিত। কিছুদিন আগেই মদীনায় দুইটি গোত্র আওস ও খাজরাজের মধ্যে যুদ্ধ হয় এবং সে যুদ্ধে খাজরাজ গোত্র জয়ী হয়। মদীনা থেকে আগত কাফেলাটি ছিল এই খাজরাজ গোত্রের। সেখানে উপস্থিত ছয়জন ব্যক্তি রসুলাল্লাহর আহ্বান গ্রহণ করে নিলেন। এই ছয়জন বিশুদ্ধচিত্ত মো’মেনের দ্বারা পরবর্তীতে মদীনার আওস ও খাজরাজ গোত্রে রসুলাল্লাহর নাম ছড়িয়ে পড়ল। সেখানে তওহীদের প্রচার শুরু হলো এবং ঐ ছয়জন ছাড়াও আরো কয়েকজন ইসলাম গ্রহণ করলেন। মদীনায় যখন এই অবস্থা- তখন মক্কায় যথারীতি মো’মেনদের উপর চলছে অবর্ণনীয় নির্যাতন। নবুয়তের দ্বাদশ বর্ষে হজ্ব মওসুমে আওস ও খাজরাজ গোত্রের বারো জন (আগের বারের ৬ জন সহ) পুনরায় মক্কার আকাবায় এলেন এবং রসুলাল্লাহর হাতে বায়াত নিলেন। এটাই ইতিহাসে প্রথম আকাবার বায়াত নামে পরিচিত। তারা যে বিষয়গুলোর উপর বায়াত করেছিলেন তা এই যে,
আমরা এক আল্লাহর দাসত্ব করব এবং তাঁর সাথে আর কাউকে শরীক করব না।
চুরি ও ব্যভিচার থেকে বিরত থাকব।
নিজেদের সন্তানদের (কন্যা সন্তানদের) হত্যা করব না।
কারো বিরুদ্ধে অপবাদ রটনা করব না এবং কারো নিন্দাও করব না।
যাবতীয় ভালো কাজে রসুলাল্লাহর অনুগত থাকব।
বায়াত শেষে রসুলাল্লাহ তাদের সাথে একজনকে মদীনায় পাঠালেন তওহীদের দাওয়াত সকলের কাছে পরিপূর্ণভাবে পৌঁছে দেওয়ার জন্য। অল্প কিছুদিনের মধ্যে সাদ বিন মু’আজ এবং উসায়দ বিন হুযায়রের (রা.) মত মদীনার গোত্রপতিরা তওহীদ গ্রহণ করলেন। গোত্রপতিদের সমর্থন পেয়ে দলে দলে মানুষ ঐক্যবদ্ধ হতে লাগল। যাবতীয় বিভেদ-অনৈক্য ভুলে গিয়ে ইসলামের ‘এক জাতি-এক নেতা’ মূলমন্ত্রকে সাদরে গ্রহণ করে নিল। রসুলাল্লাহ মক্কা থেকে যাকে মদীনায় ইসলাম প্রচারের জন্য পাঠিয়েছিলেন অর্থাৎ মুস’আব (রা:) তাঁর প্রচারের কাজ অত্যন্ত সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করে মক্কায় ফিরে গেলেন এবং রসুলাল্লাহকে সবকিছু অবহিত করলেন। পরের বছর মদীনা থেকে রসুলের সাথে সাক্ষাৎ করতে আসা ব্যক্তির সংখ্যা দাঁড়াল তেহাত্তর জন। তারা রসুল (সা.) কে মদীনায় হেজরত করার জন্য আমন্ত্রণ জানালেন। রসুলাল্লাহ তাদের অভিপ্রায় শুনলেন এবং তাদের কাছে দুইটি বিষয়ে বায়াত নিলেন-
আপনারা কি সত্য প্রতিষ্ঠায় আমাকে পুরোপুরি সাহায্য করবেন?
আপনারা কি আপনাদের শহরে আমার এবং আমার সঙ্গীদের ঠিক সেরূপ যতœ নেবেন, যেরূপ নেন আপনাদের নিজস্ব আত্মীয়স্বজন এবং পরিবারবর্গের?
আগন্তুকরা হ্যাঁবোধক উত্তর দিলেন এবং আল্লাহর রসুলও চিরদিন তাদের পাশে থাকার অঙ্গীকার করলেন। দীর্ঘ ১৩ বছর অত্যন্ত ধৈর্য্যরে সাথে যাবতীয় জুলুম-নির্যাতন সহ্য করার পর এভাবেই মো’মেনদের জন্য একটি আশ্রয়স্থলের ব্যবস্থা করে দিলেন। যেখানে মক্কা এবং তায়েফের অধিকাংশ নেতৃস্থানীয়রা সত্যকে প্রত্যাখ্যান করেছিল সেখানে আওস ও খাজরাজ গোত্র এটাকে পরম সোহাগভরে নিয়েছিল নিজেদের মাথায় তুলে। এই সাহায্য করার কারণেই তারা ‘আনসার’ উপাধিতে ভূষিত হলেন।
এরপরের ঘটনা সংক্ষেপে এই যে, সাহাবিরা রসুলাল্লাহর অনুমিতপ্রাপ্ত হয়ে মদীনায় হেজরত করা শুরু করলেন এবং একদিন রসুলাল্লাহও মদীনায় হেজরত করলেন। হেজরত করা সাহাবিদেরকে মদীনার আনসাররা বুকে টেনে নিল এবং তাদের নিরাপত্তা, থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থাসহ যাবতীয় দায়-দায়িত্ব তাদের নিজেদের কাঁধে তুলে নিল। আল্লাহ রসুল মদীনার সকল গোত্র-ধর্ম-বর্ণের মানুষকে একটি কথার ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ করলেন যে, আমরা থাকব যাবতীয় অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ। দেখা গেল মক্কার মোহাজের আর মদীনার আনসারদের সমন্বয়ে মদীনাতে মো’মেনরা এমন অখ- শক্তিতে পরিণত হলো যারা স্থাপন করেছিলেন পারস্পরিক ¯েœহ-মায়া-ভালোবাসা এবং ভ্রাতৃত্বের এক নজীরবিহীন দৃষ্টান্ত। যে মদীনায় নিজ নিজ গোত্রের মধ্যেও হানাহানি-রক্তপাত ঘটতো, যারা সামান্য বিষয়ের জের ধরে বিভক্ত হয়ে পরস্পরঘাতী ষড়যন্ত্র-হত্যা-রক্তপাতের মত ঘটনা ঘটাতো তারাই ন্যায়ের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হয়ে অল্প কিছুদিনের মধ্যে হয়ে উঠল একদেহ-একপ্রাণ। শরীরের এক অংশে আঘাত করলে যেমন সম্পূর্ণ শরীরেই ব্যথা অনুভূত হয় তেমনি এই ন্যায় ও সত্যের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ মানুষগুলোর একজনের কষ্ট সবাইকে ব্যথিত করত, এক জনের সুখ সবাইকে আনন্দিত করত। এতদিন যে মানুষগুলোর মত-পথ, সিদ্ধান্ত ছিল আলাদা, যাদের নেতা ছিল ভিন্ন ভিন্ন, যাদের হাতে আপন সন্তানও নিরাপদ ছিল না তারাই হয়ে গেল একে অপরের জীবন-সম্পদের পাহারাদার। তাদের নেতা হলো একজন, দীন হলো একটি, উদ্দেশ্যও হয়ে গেল একটি। ঐক্য, শৃঙ্খলা এবং আনুগত্যের সংমিশ্রণে তারা এমন একটি বজ্রশক্তিতে পরিণত হলেন যাদের গড়া ভিত্তির উপর নির্মিত হলো অর্ধপৃথিবীর ইসলামী সভ্যতা।
কিন্তু দুর্ভাগ্য আমাদের, সেই ঐক্যের ধারাবাহিকতা আমরা রক্ষা করতে পারিনি। গত ১৩০০ বছরের জাতির ইতিহাস শুধুই অনৈক্যের ইতিহাস, বিভেদের ইতিহাস। অর্ধ-পৃথিবীজুড়ে যে মুসলিম নামক জাতিটি মৃত লাশের মত পড়ে আছে তাদের অধঃপতনের অন্যতম কারণই হলো ‘ঐক্যহীনতা’। সেদিনের ঐ মক্কার আইয়্যামে জাহেলিয়াত আজ পৃথিবীব্যাপী বিস্তার লাভ করেছে। মুসলিম নামধারী জাতিগুলোও এই নব্য জাহেলিয়াতের বাইরে নেই বরং সত্য কথা বলতে গেলে এটাই বলতে হয় যে, অন্যান্য জাতিগোষ্ঠিগুলোর তুলনায় আজ এই মুসলিম নামধারী জনসংখ্যাটিই বেশি অনৈক্য-হানাহানি, মারামারি, বোমাবাজি, যুদ্ধ-রক্তপাতে আপাদমস্তক নিমজ্জিত হয়ে আছে। রসুলাল্লাহ যে ঐক্যের বন্ধনে মদীনার মানুষকে বেঁধেছিলেন এবং যে ঐক্যের উপর ভিত্তি করে এই জাতিটি একসময় বিশ্বের পরাশক্তিতে পরিণত হয়েছিল সেই ঐক্যের শিক্ষা থেকে আজকের মুসলিম নামধারীরা অনেক দূরে অবস্থান করছে।
অন্যদের কথা বাদ দেই, আমাদের এই ৫৬ হাজার বর্গমাইলের বাংলাদেশটি আমরা ঐক্যবদ্ধ সংগ্রামের মাধ্যমে অর্জন করেছিলাম চার দশক হয়ে গেল। কিন্তু যে স্বপ্ন বুকে ধরে দেশকে স্বাধীন করা হয়েছিল তা আজও স্বপ্নই রয়ে গেছে এবং তার অন্যতম কারণ – অনৈক্য। যতই দিন যাচ্ছে ততই অনৈক্যের জন্ম হচ্ছে সেই সাথে বাড়ছে অস্থিতিশীলতা। দেশের ১৬ কোটি মানুষ আজ বিভিন্ন দল, মত, পথ, সিদ্ধান্তে বিভক্ত হয়ে ইসলামপূর্ব আরবদের মত ভ্রাতৃঘাতী সংঘাত-হত্যা, মারামারি, হানাহানিতে লিপ্ত রয়েছে। যতই দিন যাচ্ছে এই অনৈক্যের প্রবণতা ততই বাড়ছে। পারিবারিক, সামাজিক বা রাষ্ট্র্রীয় প্রতিটি অঙ্গনেই আমরা শত-সহস্র মত-পথ-শ্রেণিতে বিভক্ত হয়ে আছি। পশ্চিমা সভ্যতার তৈরি ভারসাম্যহীন সিস্টেমকে গ্রহণ করার দরুন রাজনৈতিকভাবে আজ আমরা কমপক্ষে ৫০টির মত রাজনৈতিক দলে বিভক্ত হয়ে একে অপরকে নিশ্চিহ্ন করার অপচেষ্টায় মেতে আছি। রাজনৈতিক অধিকারের নামে হরতাল, অবরোধ, জ্বালাও-পোড়াও, ভাঙচুর, জান-মালের ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে নিজেরাই নিজেদেরকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছি। বাকি পৃথিবী আমাদেরকে নিয়ে ঠাট্টার হাসি হাসছে। ১৪০০ বছর আগের আরবদের মত আমরাও বহির্বিশ্বে অসভ্য-বর্বর হিসেবে চিত্রায়িত হচ্ছি। অন্যদিকে ধর্মের নামে বিভিন্ন ফেরকা-মাজহাব, দল-উপদল, তরিকায় বিভক্ত হয়ে একে অপরকে কাফের, মুরতাদ আখ্যা দিয়ে ভ্রাতৃঘাতী সংঘাতে জড়িয়ে আছি। এই রাজনৈতিক হানাহানি ও ধর্মীয় বিভক্তি একটি দিনের জন্যও দেশকে শান্তিতে থাকতে দেয় নি। এখনও কি আমাদের ঐক্যের শপথ নেবার সময় আসে নি? আকাবার বায়াতের প্রেরণা নিয়ে আমরা কি পারি না একটি কথার ভিত্তিতে দল-মত-ফেরকা-মাজহাব নির্বিশেষে সকলে ঐক্যবদ্ধ হতে যে, আমরা যে বিশ্বাসের অনুসারী হই, যে ফেরকা-মাজহাবের অনুসারী হই, যে রাজনৈতিক মতাদর্শের অনুসারী হই, আমরা থাকব যাবতীয় অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ?

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

একসময়ের প্রাণচাঞ্চল্য আজ নীরব: আক্কেলপুরের জাফরপুর রেলস্টেশনে দুর্ভোগে এলাকাবাসী

একসময়ের প্রাণচাঞ্চল্য আজ নীরব: আক্কেলপুরের জাফরপুর রেলস্টেশনে দুর্ভোগে এলাকাবাসী
জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার জাফরপুর রেলস্টেশন একসময় ছিল আশপাশের গ্রামের মানুষের যাতায়াত ও জীবিকার অন্যতম কেন্দ্র। ট্রেনের অপেক্ষায় যাত্রীদের ভিড়, স্টেশন ঘিরে হোটেল ও দোকানপাটের ব্যস্ততা…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    রাজশাহী

সংবাদ প্রকাশের জেরে আমার দেশ প্রতিনিধির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার অভিযোগ, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

সংবাদ প্রকাশের জেরে আমার দেশ প্রতিনিধির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার অভিযোগ, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি
গাজীপুর সংবাদদাতা:সংবাদ প্রকাশের জেরে হয়রানির শিকার হওয়ার অভিযোগ তুলে নিজের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন দৈনিক আমার দেশ-এর শ্রীপুর প্রতিনিধি এস এম…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

কালিয়াকৈরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে বুলডোজার দিয়ে ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ

কালিয়াকৈরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে বুলডোজার দিয়ে ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ
গাজীপুরের কালিয়াকৈরে জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে বুলডোজার দিয়ে প্রতিপক্ষের ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কালিয়াকৈর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

গাইবান্ধায় ২৪ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার

গাইবান্ধায় ২৪ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার
গাইবান্ধা পৌর এলাকার সবুজপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২৪ পিস ইয়াবাসহ দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে ২৪…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    রংপুর

দুর্গাপূজায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা, ধামরাইয়ে মন্দির পরিদর্শন শেষে বিভাগীয় কমিশনার

দুর্গাপূজায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা, ধামরাইয়ে মন্দির পরিদর্শন শেষে বিভাগীয় কমিশনার
শারদীয় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপন নিশ্চিত করতে বিভিন্ন কমিটির নেতাকর্মী ও রাজনৈতিক দলগুলো মাঠপর্যায়ে অত্যন্ত সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা বিভাগীয়…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

কুড়িগ্রামে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও সংবাদ সম্মেলন করেছে এসআরবি ১৩

কুড়িগ্রামে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও সংবাদ সম্মেলন করেছে এসআরবি ১৩
কুড়িগ্রামে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গোৎসব যথাযথভাবে উদযাপন করতে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ রাখতে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও সংবাদ সম্মেলন করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) ১৩। আজ…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    রংপুর

নীলফামারীতে হেযবুত তওহীদের নারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত

নীলফামারীতে হেযবুত তওহীদের নারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত
ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে নীলফামারীতে হেযবুত তওহীদের উদ্যোগে জেলা নারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ রবিবার (১৮ অক্টোবর) সকালে নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলায় এই সম্মেলন…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    রংপুর

ধস্তাধস্তির ঘটনায় শিক্ষক দম্পতিকে বদলি দুই প্রান্তের দুই বিদ্যালয়ে!

ধস্তাধস্তির ঘটনায় শিক্ষক দম্পতিকে বদলি দুই প্রান্তের দুই বিদ্যালয়ে!
ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়ায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে ধস্তাধস্তির ঘটনায় শিক্ষক দম্পতিকে একই উপজেলার দুই প্রান্তের দুটি বিদ্যালয়ে বদলি করা হয়েছে। এর আগে সহকারী শিক্ষক আছমা খাতুনকে…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    ময়মনসিংহ

সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি!

সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি!
গাজীপুর প্রতিনিধি:  গাজীপুরের শ্রীপুরে সংবাদ প্রকাশের জেরে হয়রানির শিকার হওয়ার অভিযোগ তুলে নিজের বিরুদ্ধে দায়ের করা একটি ফৌজদারি মামলার নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন দৈনিক আমার…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

জুলাই সনদ ছাড়া রাষ্ট্র চালানো ফিটনেসবিহীন গাড়িতে ওঠার মতো: হাসনাত

জুলাই সনদ ছাড়া রাষ্ট্র চালানো ফিটনেসবিহীন গাড়িতে ওঠার মতো: হাসনাত
জুলাই সনদ ছাড়া রাষ্ট্র পরিচালনাকে ফিটনেসবিহীন গাড়িতে ওঠার সঙ্গে তুলনা করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আব্দুল্লাহ। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেছেন,…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    নির্বাচিত

শর্ত মানলেই সাত দিনের মধ্যে খুলবে হরমুজ প্রণালি: আরাগচি

শর্ত মানলেই সাত দিনের মধ্যে খুলবে হরমুজ প্রণালি: আরাগচি
যুক্তরাষ্ট্র ইরানের শর্ত মেনে নিলে ছয় দিনের মধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া সম্ভব বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে দেওয়া সাত…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

তিন বছরের অপেক্ষার অবসান, যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ড পেলেন মৌসুমী!

তিন বছরের অপেক্ষার অবসান, যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ড পেলেন মৌসুমী!
ঢালিউডের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা মৌসুমীর যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ড পাওয়ার খবর সামনে এসেছে। দীর্ঘ তিন বছরের অপেক্ষার পর দেশটিতে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ তৈরি হয়েছে তার। তবে গ্রিন…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    বিনোদন

মা ইলিশ সংরক্ষণে ৩৮ জেলার ১১১ এমপিকে মন্ত্রীর নির্দেশনা!

মা ইলিশ সংরক্ষণে ৩৮ জেলার ১১১ এমপিকে মন্ত্রীর নির্দেশনা!
মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান সফল করা এবং জনসচেতনতা বাড়াতে ৩৮ জেলার ১১১ জন সংসদ সদস্যকে ডিও লেটার দিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

বাংলাদেশের পর্যটন খাতে ১.২ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা জাপানের!

বাংলাদেশের পর্যটন খাতে ১.২ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা জাপানের!
বাংলাদেশের পর্যটন ও আতিথেয়তা খাতে প্রাথমিকভাবে ১ দশমিক ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন জাপানি বিনিয়োগকারীরা। এ প্রস্তাব আনুষ্ঠানিকভাবে জমা দেওয়া হলে দ্রুত…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

বিমানবন্দরে ফিফা সভাপতির সঙ্গে বাফুফের বৈঠক, মিলল আর্থিক সহায়তার আশ্বাস!

বিমানবন্দরে ফিফা সভাপতির সঙ্গে বাফুফের বৈঠক, মিলল আর্থিক সহায়তার আশ্বাস!
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি তাবিথ আউয়ালসহ চার সহ-সভাপতি। ঘণ্টাব্যাপী আলোচনায় বাংলাদেশের ফুটবলের…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    খেলাধুলা