প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   ইসলাম প্রতিষ্ঠায় ত্যাগী সংগঠনগুলোও ব্যর্থ...

ইসলাম প্রতিষ্ঠায় ত্যাগী সংগঠনগুলোও ব্যর্থ হচ্ছে কেন?

২ অক্টোবর ২০২২ ০৮:৪৩ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

রিয়াদুল হাসান:

জাতীয় জীবনে ইসলাম প্রতিষ্ঠাকামী দলগুলোর এমন অগণিত আন্তরিক কর্মী আছেন যাদের ত্যাগ সত্যিকার অর্থেই উদাহরণযোগ্য। ইসলামের জন্য তারা যে কোনো মুহূর্তে জীবন পর্যন্ত কোরবান করতে প্রস্তুত। তাদের উদ্দেশে আমরা সবিনয়ে দুটো কথা বলতে চাই।

প্রথম কথাটি হচ্ছে, ইসলাম হলো আল্লাহর দেওয়া দীন, এর নাম আল্লাহ দিয়েছেন সেরাতুল মোস্তাকীম বা সহজ-সরল পথ। সৃষ্টির সূচনালগ্নেই আল্লাহর সঙ্গে ইবলিসের যে চ্যালেঞ্জ হয়েছিল সেখানে ইবলিস বলেছিল যে, সে এই সেরাতুল মোস্তাকীমে মানুষকে থাকতে দেবে না, সে এই জীবনপদ্ধতিটি পৃথিবীতে প্রতিষ্ঠা করতে দেবে না। সে এই পথের ডানে-বামে, উপরে-নিচে ওঁৎ পেতে বসে থাকবে এবং মানুষকে আক্রমণ করে এই মহান পথ থেকে সরিয়ে দেবে। কাজেই সত্যদীন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে মানুষকে এমন এক প্রতিপক্ষের মোকাবেলা করতে হবে যাকে সে দেখতেই পায় না, যে বিভিন্ন রূপে এসে মানুষকে প্রতারিত করার ক্ষমতাপ্রাপ্ত। সুতরাং এই শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে জয়ী হতে হলে আল্লাহর সাহায্য তার জন্য অত্যাবশ্যকীয়। আল্লাহর সাহায্য ছাড়া কোনো শক্তি দিয়েই ইসলাম প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়।

আরও পড়ুন

কোরআনের প্রতিশ্রুতি বনাম বর্তমান মুসলিম বিশ্ব

ইসলামের দর্শন ও সংস্কৃতিচর্চার যোগসূত্র

দ্বিতীয়ত, আল্লাহ কাকে সাহায্য করবেন?

আল্লাহ সাহায্য করবেন কেবল তাকেই যে মো’মেন। পবিত্র কোর’আনে আল্লাহ যত ওয়াদা করেছেন সব মো’মেনদের জন্য, তাঁর সকল সাহায্যও মো’মেনদের জন্যই। তিনি বলেছেন, তোমরা নিরাশ হয়ো না, দুঃখ করো না, তোমরাই বিজয়ী হবে, যদি তোমরা মো’মেন হও (সুরা ইমরান ১৩৯)। মো’মেন কে সেটাও আল্লাহ জানিয়ে দিয়েছেন, “মো’মেন শুধুমাত্র তারাই যারা আল্লাহ ও রসুলের প্রতি ঈমান আনে, অতঃপর কোনো সন্দেহ করে না এবং সম্পদ ও জীবন দিয়ে আল্লাহর রাস্তায় জেহাদ (সর্বাত্মক সংগ্রাম করে)। তারাই হচ্ছে সত্যনিষ্ঠ (সুরা হুজরাত ১৫)। কাজেই যারা তওহীদের উপর অটল থেকে সত্যদীন প্রতিষ্ঠার জন্য জীবন-সম্পদ সব উজাড় করে দিয়ে সংগ্রাম করবে তারাই হলো মো’মেন। আল্লাহর সাহায্য শুধু তাদের জন্যই।

ইসলাম আজকে হাজারো রূপ নিয়ে আমাদের সামনে দাঁড়িয়ে আছে। এর যে কোনো একটি রূপকে প্রতিষ্ঠা করার সংগ্রাম করলেই কি মানুষ আল্লাহর দৃষ্টিতে মো’মেন হয়ে যাবে আর আল্লাহও সাহায্য করতে শুরু করে দিবেন? অবশ্যই না। যারা আল্লাহর নাজেল করা সেই প্রকৃত ইসলামের অনাবিল রূপটিকে বিশ্বময় প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করবে তারাই আল্লাহর দৃষ্টিতে মো’মেন বলে পরিগণিত হবেন। আর আল্লাহর নাজেল করা সেই সত্য ইসলামটিকে প্রতিষ্ঠার জন্যই আল্লাহ সাহায্য করবেন। ইবলিসের প্ররোচনায় পড়ে মুসলমান জাতি এখন হাজারো ফেরকা মাজহাবে তরিকায় বিভক্ত হয়ে যার যার ইচ্ছামত ইসলাম পালন করছে। সেই পথগুলো ইবলিসের পথ, সেগুলো সেরাতুল মোস্তাকীম নয়। সেগুলো প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা যতই সর্বস্ব কোরবান করি না কেন, যতই পাগলপারা হই না কেন সেখানে আল্লাহর কোনো সাহায্য আমরা পাবো না। কথা হলো, আজকে যারা ইসলামকে জাতীয় জীবনে প্রতিষ্ঠার জন্য আপ্রাণ সংগ্রাম করছেন তারা যে ইসলামটিকে প্রতিষ্ঠা করতে চাচ্ছেন সেটা আল্লাহ-রসুলের সেই প্রকৃত ইসলাম নয়, সেটা তেরশ বছরের বিকৃতির ফসল। যে ইসলামটি ১৪শ’ বছর আগে অর্ধেক দুনিয়ার মানুষের মন জয় করে নিয়েছিল, যে ন্যায়বিচার ও সাম্যের পরিচয় পেয়ে লাঞ্ছিত, বঞ্চিত, অধিকারহারা, দলিত মানুষ দলে দলে বাপ-দাদার ধর্ম ছেড়ে ইসলামকে আলিঙ্গন করে নিয়েছিল, আইয়্যামে জাহেলিয়াতের বর্বর মানুষগুলো যে পরশপাথরের ছোঁয়ায় রাতারাতি সোনার মানুষের পরিণত হয়েছিল সেই ইসলাম আজ এই সংগঠনগুলোর কাছে নেই। এগুলো হলো ফেকাহ-তাফসির নিয়ে কূটতর্কের ইসলাম, জটিল মাসলা-মাসায়েলের ইসলাম, ধর্মব্যবসায়ীদের দ্বারা স্বার্থের প্রয়োজনে শতভাবে বিকৃত ইসলাম।

তৃতীয়ত, আল্লাহ তাঁর রসুলকে সমগ্র পৃথিবীতে সত্য প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে একটি নিখুঁত ও শ্বাশ্বত কর্মসূচি দান করেছেন। শ্বাশ্বত বললাম এই জন্য যে, আল্লাহর রসুল এই কর্মসূচিটি বর্ণনা করার পূর্বেই বলে নিয়েছেন, “আল্লাহ আমাকে পাঁচটি কাজের আদেশ করেছেন। আমিও তোমাদেরকে সেই পাঁচটি কাজের জন্য আদেশ করছি।” তাহলে এই পাঁচটি কাজ কী? সেট হলো- আল্লাহর রসুল বললেন, “(১) তোমরা ঐক্যবদ্ধ থাকবে, (২) তোমরা সুশৃঙ্খল থাকবে, তোমাদের নেতার আদেশ শুনবে, (৩) তোমাদের নেতার আদেশ অক্ষরে অক্ষরে পালন করবে, (৪) সকল শেরক-কুফরকে পরিত্যাগ করবে অর্থাৎ হেজরত করবে, (৫) আল্লাহর রাস্তায় জীবন ও সম্পদ দিয়ে জেহাদ (সংগ্রাম) করবে।

এই কর্মসূচিটির বাইরে ইসলাম নেই। যে যত বড় সংগঠনই করুক না কেন, সংগঠন যতই প্রাচীন হোক না কেন, তাদের জনসমর্থন যত বেশিই হোক না কেন, এই কর্মসূচি হচ্ছে রসুলের কর্মসূচি যা তিনি উম্মাহর উপর অর্পণ করে গেছেন, এই কর্মসূচিকে গ্রহণ না করে, নিজেদের মনগড়া কর্মসূচি বানিয়ে নিয়ে কোনোভাবেই আল্লাহর দৃষ্টিতে মো’মেন হওয়া সম্ভব নয়, সাহায্যের উপযুক্ত হওয়াও সম্ভব নয়। এটা আমাদের কথা নয়, স্বয়ং রসুল এই হাদিসটিতে পাঁচটি কাজের তালিকা বলার পর বলছেন, “যারা এই ঐক্যবন্ধনী থেকে আধহাত পরিমাণও বহির্গত হয়ে যাবে তাদের গলদেশ থেকে ইসলামের বন্ধন ছিন্ন হয়ে যাবে। আর যারা জাহেলিয়াতের কোনো কিছুর দিকে আহ্বান করবে (অর্থাৎ ভিন্ন কর্মসূচির দিকে বা ভিন্ন মতবাদের দিকে) তারা জাহান্নামের জ্বালানি পাথর হবে, যদিও তারা নামাজ পড়ে, রোজা রাখে এমন কি নিজেদেরকে মুসলিম বলে বিশ্বাসও করে। (হাদিস- হারিস আল আশয়ারি (রা.) থেকে আহমদ, তিরমিজি, বাব-উল-ইমারত, ইবনে মাজাহ)।

যে কর্মসূচি আল্লাহ দেন নি সেই কর্মসূচির অনুসারীদের প্রতি আল্লাহ বিজয় প্রদান করতে, সাহায্য প্রদান করতে দায়বদ্ধ নন, তিনি স্বতঃপ্রণোদিতভাবে দায়বদ্ধ তাঁর প্রদত্ত কর্মসূচির অনুসারীদের প্রতি। আমাদের ভুললে চলবে না, রসুলাল্লাহর জীবনের সবচেয়ে তাৎপর্যবাহী দিন হচ্ছে মক্কাবিজয়ের দিন। সেই মহাবিজয়ের দিনে তিনি তাঁর সাহাবিদের উদ্দেশে যে ভাষণ দিয়েছেন সেখানে তিনি বলেছিলেন, “এই যে বিজয় তোমরা দেখছ, এটা আল্লাহ একা করেছেন। আল্লাহ একা করেছেন।” সেই বিজয়ের পেছনে রসুলাল্লাহর কত রক্ত গেছে, কত সাহাবীদের শহীদ হতে হয়েছে, কী পরিমাণ নির্যাতন নিপীড়ন তাঁরা সয়ে তিলে তিলে এই বিজয়ের দিনটি নির্মাণ করেছে সবই আমরা জানি। কিন্তু রসুলাল্লাহ তাঁর ও তাঁর সাহাবিদের কোনো ত্যাগের কথা, কোনো অবদানের কথাই স্বীকার করলেন না, বললেন “আল্লাহ একা করেছেন।” হ্যাঁ। এটাই সত্য। আল্লাহ যদি তাঁকে এই সংগ্রামে সাহায্য না করতেন, তাহলে উম্মাহর এই বিজয় স্বপ্নই থেকে যেত। কারণ নব্যুয়তের প্রথম দিন থেকে শুরু করে ঐ দিন পর্যন্ত এমন বহু ঘটনা ঘটেছে যেখানে গোটা জাতিই ধ্বংসের উপক্রম হয়েছিল। হিজরতে আল্লাহর সাহায্য, বদরে আল্লাহর সাহায্য, আহযাবের দিন আল্লাহর সাহায্য, হোদায়বিয়ার সন্ধিতে আল্লাহর সাহায্য যদি না থাকতো তাহলে উম্মাহ নিশ্চিহ্ন হয়ে যেত। কাজেই আল্লাহর সাহায্য ছাড়া কোনো ইসলামি আন্দোলন ইসলাম প্রতিষ্ঠা করতে পারবে না, তাদের পাহাড়প্রমাণ ত্যাগ থাকলেও পারবে না।

তবে হ্যাঁ, কোনো কারণে কোনো ভূখণ্ডে যদি রাজনৈতিক, যুদ্ধাবস্থা বা আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপটে এমন পরিস্থিতি হয় যে কোনো একটি ইসলামি দল বা জোট ক্ষমতায় যেতে পারল (যেমনটা আফগানে হয়েছিল, ইরাক সিরিয়ার কিছু অংশে হয়েছিল, তিউনেশিয়া, মিশরে হয়েছিল) কিন্তু সেই ক্ষমতা তারা টিকতে পারবে না। কারণ বিশ্বকে নিয়ন্ত্রণ করছে এখন দাজ্জাল অর্থাৎ পাশ্চাত্যের বস্তুবাদী সভ্যতা যার অন্যতম লক্ষ্যই হলো ইসলামকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া। তারা ইসলামি দল বা জোটকে ক্ষমতায় থাকতে দেবে না, নির্বাচনে জিতে আসলেও দেবে না, সশস্ত্র বিপ্লবের মাধ্যমে ক্ষমতায় গেলেও দেবে না। এই দলগুলো যে কয়দিন ক্ষমতার চর্চা করতে পেরেছে, তাদের হাতে থাকা শরিয়তের শাসন কায়েম করেছে ততদিন কি মানুষ ইসলামের শান্তি লাভ করেছে? ইসলামি দলগুলোয় যোগ দেওয়ার জন্য ঐ সব এলাকার নর-নারীদের মধ্যে বাধভাঙা জোয়ার সৃষ্টি হয়েছে? না। বরং উল্টো হয়েছে। মানুষ তাদের আরোপ করা ‘ইসলাম’কে প্রত্যাখ্যান করেছে। নিরাপত্তা ও শান্তির পরিবর্তে তারা ভীত ও আতঙ্কিত হয়েছে। ইসলাম সম্পর্কে অমুসলিম তো বটেই মুসলিম জনগোষ্ঠীর মধ্যেও একটি বিরাট অংশ বিদ্বেষপ্রবণ হয়ে উঠেছে যার পেছনে কেবল পাশ্চাত্যের প্রোপাগান্ডাই একচেটিয়াভাবে দায়ী নয়, এর দায় ঐ ইসলামী দলগুলোর ধর্মান্ধতা, শরিয়তের বাড়াবাড়ি, জবরদস্তি, ফতোয়াবাজি, শিল্প-সংস্কৃতির বিরুদ্ধবাদিতা, নারীদের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি, বিধর্মী ও ভিন্নমতের সঙ্গে বর্বর নৃশংসতার প্রদর্শনী ইত্যাদিও সমধিক দায়ী।

অথচ হওয়া উচিত ছিল সম্পূর্ণ উল্টোটা অর্থাৎ মানুষ দলে দলে সত্যকে আলিঙ্গন করে নেবে এবং তাদের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ হয়ে বিশ্ববাসীর সামনে ইসলামের সৌন্দর্যকে পুষ্পিত করে তুলবে। সেটা হয় নি কারণ ১৪ শ’ বছর আগের সেই ইসলাম তাদের কাছে নেই। তাই তারা পুরো পৃথিবীর অধিকাংশ মানুষকে হত্যা করেও শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারবে না, তাদের কোরবানি যতই বৃহৎ হোক, নিয়ত যতই সহীহ হোক, নিজেদেরকে তারা যতই শহীদ মনে করুক।
আমাদের এই কথা যদি তাদের বিশ্বাস না হয় তাহলে তারা কয়েক শত বছর ধরে যেমন চেষ্টা করে যাচ্ছেন তেমনিভাবে আরো হাজার বছর সবাই মিলে চেষ্টা করে দেখতে পারেন, কিন্তু কোনো লাভ হবে না। কারণ তারা যে ইসলামটিকে প্রতিষ্ঠা করতে চেষ্টা করছেন সেটাও আল্লাহ-রসুলের প্রকৃত ইসলাম নয়, এমন কি তাদের অনুসৃত কর্মসূচিও আল্লাহর দেওয়া কর্মসূচি নয়। এই কারণে আল্লাহর সাহায্য তাদের সঙ্গে নেই। এখন আল্লাহর সাহায্য লাভ করতে হলে তাদেরকে মোমেন হতে হবে, ইসলামের প্রকৃত আকিদাকে ধারণ করতে হবে এবং আল্লাহর দেওয়া যে কর্মসূচি রসুলাল্লাহ নিজে অনুসরণ করে গেছেন এবং তাঁর নিজ হাতে গড়া উম্মাহকে দান করে গেছেন সেই কর্মসূচির মাধ্যমে সংগ্রাম পরিচালিত করতে হবে, নিজেদের জীবন ও সম্পদ সেই সঠিক পথে ব্যয় করতে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

মাদারীপুরের আলোচিত গৃহবধূ লামিয়া হত্যা মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার

মাদারীপুরের আলোচিত গৃহবধূ লামিয়া হত্যা মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার
মাদারীপুর জেলার আলোচিত গৃহবধূ লামিয়া হত্যা মামলার তিন আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মাদারীপুর জেলা পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমানের নির্দেশনায় এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল)…
 ২১ জুলাই ২০২৬    ঢাকা

মাদারীপুর সরকারি কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের ঘোষণা এমপি জাহান্দার আলীর

মাদারীপুর সরকারি কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের ঘোষণা এমপি জাহান্দার আলীর
মাদারীপুর সরকারি কলেজের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের নবীনবরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আজ মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে…
 ১৪ জুলাই ২০২৬    ঢাকা

শ্রীপুরে পোশাক কারখানায় হঠাৎ অর্ধশতাধিক শ্রমিক অসুস্থ, ছুটি ঘোষণা

শ্রীপুরে পোশাক কারখানায় হঠাৎ অর্ধশতাধিক শ্রমিক অসুস্থ, ছুটি ঘোষণা
গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের টেপিরবাড়ি এলাকায় অবস্থিত ‘কালার অ্যান্ড কোং লিমিটেড কারখানায় প্রায় অর্ধশতাধিক শ্রমিক হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। পরে পরিস্থিতি বিবেচনায় কর্তৃপক্ষ আজ কারখানার…
 ৭ জুলাই ২০২৬    ঢাকা

টাঙ্গাইলে পরিত্যক্ত কূপে ছাগলছানা বাঁচাতে গিয়ে বাবা-ছেলেসহ চারজনের মৃত্যু

টাঙ্গাইলে পরিত্যক্ত কূপে ছাগলছানা বাঁচাতে গিয়ে বাবা-ছেলেসহ চারজনের মৃত্যু
টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলায় একটি পরিত্যক্ত কূপে পড়ে যাওয়া ছাগলছানা উদ্ধার করতে গিয়ে একই পরিবারের ও প্রতিবেশীদের চারজন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। আজ শনিবার (২০…
 ২০ জুন ২০২৬    ঢাকা

কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপে স্বর্ণপদক জিতলেন পটুয়াখালীর নুর-ই-জান্নাত

কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপে স্বর্ণপদক জিতলেন পটুয়াখালীর নুর-ই-জান্নাত
পটুয়াখালী প্রতিনিধি: ঢাকার শহীদ নূর হোসেন জাতীয় ভলিবল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘শিহান হুমায়ুন কবির জুয়েল মেমোরিয়াল ৫ম কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬’-এ স্বর্ণপদক জিতেছেন পটুয়াখালীর মেয়ে নুর-ই-জান্নাত। শুক্রবার (১৯…
 ২০ জুন ২০২৬    বরিশাল

বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থার ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থার ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন
বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থা বাংলাদেশের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ৫১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে। নবগঠিত এই কমিটিতে শওকত সরদারকে সভাপতি, সোলায়মান পলাশকে সাধারণ সম্পাদক…
 ১৯ জুন ২০২৬    জাতীয়

মহাখালীতে সাবেক ছাত্রনেতাদের আলোচনা ও দোয়া মাহফিল

মহাখালীতে সাবেক ছাত্রনেতাদের আলোচনা ও দোয়া মাহফিল
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকারের সাফল্য কামনা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসাধীন বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও সাবেক সংসদ সদস্য নাজিমুদ্দিন আলমের সুস্থতা কামনায় আলোচনা ও দোয়া…
 ১৯ জুন ২০২৬    ঢাকা

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক: যা থাকছে ১৪ দফার চুক্তিতে

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক: যা থাকছে ১৪ দফার চুক্তিতে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি সম্প্রসারণের লক্ষ্যে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত এবং কার্যকর হয়েছে। ফ্রান্সের এভিয়ান-লে-বাঁ এলাকায় অনুষ্ঠিত জি৭ সম্মেলনে অংশ নেওয়ার সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট…
 ১৮ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

কুমিল্লায় কোদালের কোপে বড় ভাইকে হত্যা, ছোট ভাই গ্রেফতার

কুমিল্লায় কোদালের কোপে বড় ভাইকে হত্যা, ছোট ভাই গ্রেফতার
কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় পারিবারিক বিরোধের জেরে বড় ভাইকে কোদাল দিয়ে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার আপন ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে। বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে উপজেলার জগতপুর…
 ১৮ জুন ২০২৬    চট্টগ্রাম

বিশ্ববাজারে আবার ঊর্ধ্বমুখী স্বর্ণের দাম, নেপথ্যে যে কারণ

বিশ্ববাজারে আবার ঊর্ধ্বমুখী স্বর্ণের দাম, নেপথ্যে যে কারণ
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্পাদিত অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তির জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমেছে। এর ফলে বিশ্ববাজারে মূল্যস্ফীতির চাপ কমার ঘুরে দাঁড়িয়েছে স্বর্ণের বাজার। আজ…
 ১৮ জুন ২০২৬    অর্থনীতি

নারীদের বৃহত্তর অংশগ্রহণে জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

নারীদের বৃহত্তর অংশগ্রহণে জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক সংকট ও মানবিক চ্যালেঞ্জের প্রেক্ষাপটে মানবিক সহায়তা জোরদার করা এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় নারীদের আরও বেশি অংশগ্রহণ নিশ্চিত…
 ১৮ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

নোয়াখালীতে বীর বিক্রম আবদুল মালেকের পরিবারের জমি দখলের চেষ্টা, থানায় অভিযোগ

নোয়াখালীতে বীর বিক্রম আবদুল মালেকের পরিবারের জমি দখলের চেষ্টা, থানায় অভিযোগ
নোয়াখালী প্রতিনিধি: নোয়াখালী সদর উপজেলার এওজবালিয়া ইউনিয়নে প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মালেক বীর বিক্রমের পরিবারের জমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা করার অভিযোগ উঠেছে। এই…
 ১৭ জুন ২০২৬    চট্টগ্রাম

এআইয়ের প্রভাব: চাকরির বাজারে মূল্যহীন ১২ হাজার ডিগ্রি বাতিল করল চীন

এআইয়ের প্রভাব: চাকরির বাজারে মূল্যহীন ১২ হাজার ডিগ্রি বাতিল করল চীন
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশের কারণে চীন তাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রায় ১২ হাজার কলা, মানবিক ও ভাষাবিষয়ক ডিগ্রি বাতিল করেছে। দেশটি এখন প্রযুক্তি ও এআইভিত্তিক…
 ১৭ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

প্রথমবার ইউএনএইচসিআর নির্বাহী কমিটির ব্যুরোর সভাপতির দায়িত্বে বাংলাদেশ

প্রথমবার ইউএনএইচসিআর নির্বাহী কমিটির ব্যুরোর সভাপতির দায়িত্বে বাংলাদেশ
জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনারের (ইউএনএইচসিআর) নির্বাহী কমিটির (এক্সকম) ব্যুরোর সভাপতি হিসেবে প্রথমবারের মতো দায়িত্ব গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ। জেনেভায় জাতিসংঘ কার্যালয়ে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত নাহিদা…
 ১৭ জুন ২০২৬    জাতীয়

আদিতমারীতে নিখোঁজ শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, সন্দেহভাজনের বাড়িতে আগুন

আদিতমারীতে নিখোঁজ শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, সন্দেহভাজনের বাড়িতে আগুন
লালমনিরহাটের আদিতমারীতে নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর নন্দিনী (৭) নামের এক শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকালে উপজেলার ভেলাবাড়ি ইউনিয়নের ফলিমারী…
 ১৬ জুন ২০২৬    রংপুর