প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   জেহাদ, কেতাল ও সন্ত্রাস: পার্থক্য...

জেহাদ, কেতাল ও সন্ত্রাস: পার্থক্য কোথায়?

১০ জুন ২০২৫ ০৭:২৯ পিএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

মো. মশিউর রহমান:
মানুষের জীবনের সর্ব অঙ্গনে আল্লাহর দীন প্রতিষ্ঠার প্রসঙ্গ আসলেই মুসলিম জনগোষ্ঠীর একটি অংশ ভীত ও চিন্তিত হয়ে পড়েন। তারা হচ্ছে সেই অংশটি যারা কিছুতেই জাতীয় জীবনে আল্লাহর দীন প্রতিষ্ঠা হোক তা চান না। যারাই আল্লাহর দেওয়া দীন প্রতিষ্ঠার কথা বলে, এই শ্রেণিটি তাদের সবাইকে এক পাল্লায় ফেলে তাদের কর্ম-প্রচেষ্টাকে সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ইত্যাদি বলে প্রচার করে মানুষের কাছে তাদেরকে হেয় প্রতিপন্ন করতে চান। ইসলামে জেহাদ, কেতালের যে আলোচনা রয়েছে সেটাকেই তারা সন্ত্রাস বলে চিহ্নিত করতে চান। কিন্তু জেহাদ আর সন্ত্রাস এক জিনিস নয়, সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়।

জেহাদ শব্দের অর্থ সংগ্রাম, সর্বাত্মক সংগ্রাম, প্রচেষ্টা। দীন প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তা মানুষকে মুখে বলে, লিখে, বক্তৃতা করে, যুক্তি উপস্থাপন করে, বুঝিয়ে ইত্যাদি সবই জেহাদের অন্তর্ভুক্ত। আর কেতাল একেবারে ভিন্ন শব্দ যার অর্থ সশস্ত্র যুদ্ধ। জেহাদ ব্যক্তি, দল, গোষ্ঠী ইত্যাদির পর্যায়ে এবং কেতাল রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী বা দল যদি দীন প্রতিষ্ঠার জন্য অস্ত্র হাতে নেয় তবে সেটা হবে মারাত্মক ভুল। তাদের কাজ হবে মানুষকে যুক্তি দিয়ে কোর’আন-হাদিস দেখিয়ে, বই লিখে, বক্তৃতা করে মানুষকে এ কথা বোঝানো যে পৃথিবীতে নিরংকুশ শান্তি, নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচারের মধ্যে বাস করতে হলে একমাত্র পথ- যিনি আমাদের সৃষ্টি করেছেন তাঁর দেয়া জীবন বিধান মোতাবেক আমাদের জীবন পরিচালনা করা। এই কাজ কি জোর করে করাবার কাজ? এটাতো সাধারণ জ্ঞানেই বোঝা যায় যে জোর করে, শক্তি প্রয়োগ করে মানুষকে কোন কিছু বিশ্বাস করানো অসম্ভব।

হেযবুত তওহীদ এই কাজটাই করার সংকল্প করেছে এবং করছে মানুষকে বুঝিয়ে, যুক্তি দিয়ে। প্রকৃত ইসলামের স্বরূপ তুলে ধরাই হচ্ছে বিকৃত ইসলামের কুফল থেকে সমাজকে রক্ষা করার একমাত্র পথ। হেযবুত তওহীদ তাই আল্লাহর সার্বভৌমত্বে মানুষকে ফিরে আসার আহ্বান করছে এবং জঙ্গিবাদের ভ্রান্তিগুলো রসুলের জীবন থেকে, কোর’আন হাদিস থেকে তুলে ধরছে। এই সত্য প্রচার ও প্রতিষ্ঠার কাজটি করার জন্য হেযবুত তওহীদ প্রক্রিয়া গ্রহণ করেছে আল্লাহর রসুলের প্রক্রিয়া। তিনি কী করেছিলেন? মক্কী জীবনের তের বছর তাঁর আহ্বান অর্থাৎ বালাগ ছিল ব্যক্তি ও দলগত পর্যায়ে। তাই তিনি ও তাঁর দল সর্বপ্রকার অত্যাচার, মিথ্যা দোষারোপ, নির্যাতন সহ্য করেছেন- কোনো প্রতিঘাত করেননি। হেযবুত তওহীদের মোজাহেদরাও আজ ৩০ বছর ধরে মানুষকে তওহীদের, আল্লাহর সার্বভৌমত্বের দিকে আহ্বান জানিয়ে আসছে, এটা করতে যেয়ে তারা বিরুদ্ধবাদীদের গালাগালি খাচ্ছে, অপমানিত হচ্ছে, মার খাচ্ছে প্রচণ্ডভাবে নির্যাতিত হচ্ছে, এমনকি আমাদের পাঁচজন সদস্য শহীদ হয়েছেন।

আরও পড়ুন

ফিলিস্তিনের বেদনাহত ইতিহাস

Screenshot 1

আল্লাহর রসুলের তের বছরের মক্কী জীবনও ছিল শুধু এক তরফা নির্যাতন। তারপর মদীনার মানুষ যখন তাঁর তওহীদের ডাক গ্রহণ করল, তখন তিনি হিজরত করে সেখানে যেয়ে রাষ্ট্র গঠন করলেন। যেই রাষ্ট্র গঠন করলেন তখনই নীতি বদলে গেল। কারণ রাষ্ট্র কোনোদিন ব্যক্তি বা দলের নীতিতে টিকে থাকতে পারে না। তিনি যখন মদিনাবাসীর অবিসংবাদিত নেতা হলেন তখন তাঁকে বিচারক হিসাবে বিবাদের মীমাংসা করতে হল, অপরাধীদের বিচার করতে হল, শাসক হিসাবে বিভিন্ন এলাকায় প্রশাসনিক দপ্তর (মসজিদ) প্রতিষ্ঠা করতে হল, সেখানে প্রশাসক নিয়োগ দিতে হল। আল্লাহর রসুল হিসাবে তিনি তাদেরকে কোর’আন শিক্ষা দিতেন এবং তাদের আত্মিক ও শারীরিক উপযুক্ততা সৃষ্টির জন্য প্রশিক্ষণ প্রদান করতেন। ভূখণ্ডের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব নিশ্চিত করার জন্য তখন তাঁর প্রয়োজন হবে অস্ত্রের, সৈনিকের, যুদ্ধের প্রশিক্ষণের। নবগঠিত রাষ্ট্রের সেনাপ্রধান হিসাবে আল্লাহর রসুলও প্রয়োজনীয় সামরিক পদক্ষেপ নিলেন। তিনি অপরাপর রাষ্ট্রনায়কদের মতোই জাতির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য যুদ্ধ করলেন, প্রয়োজনে সন্ধি করলেন। এগুলো সবই করলেন যখন তাঁর হাতে একটি জাতি তাদেরকে পরিচালনার দায়িত্ব তুলে দিয়েছিল তারপর অর্থাৎ রাষ্ট্রপ্রধান হওয়ার পর। সুতরাং রসুলাল্লাহর প্রদর্শিত পথ মোতাবেক তওহীদ ভিত্তিক এই সত্যদীন প্রচার ও প্রতিষ্ঠায় ব্যক্তি গোষ্ঠী বা দলগতভাবে কোনো কেতাল অর্থাৎ সশস্ত্র যুদ্ধ নেই, আছে শুধু তওহীদের, আল্লাহর সার্বভৌমত্বের আহ্বান, বালাগ দেয়া। ঠিক তেমনি রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে আছে সশস্ত্র যুদ্ধ। রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে অস্ত্র, যুদ্ধ ইত্যাদি যদি আইনসম্মত না হয় তবে পৃথিবীর সব দেশের সামরিক বাহিনীই বে-আইনি, সন্ত্রাসী। কোর’আন ও হাদিসে যে জেহাদ ও কেতালের কথা আছে তা রাষ্ট্রগত। বিভিন্ন সময়ে যেসব মুফতিরা ইসলামবিদ্বেষীদেরকে হত্যার ফতোয়া দিচ্ছেন আর যারা চাপাতি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে এই হত্যাকে রসুলাল্লাহর করা সামরিক অভিযানের সঙ্গে এক করে দেখাতে চাচ্ছে তারা কি এই দণ্ড প্রদানের জন্য জাতি কর্তৃক মনোনীত বিচারক, নাকি গাঁয়ে মানে না আপনি মোড়ল? বিচারক হিসাবে নিয়োগ দেওয়া দূরের কথা জাতি যাদেরকে চেনেই না, তারা কোন অধিকারে, কোন ক্ষমতাবলে অপরকে কতলের রায় প্রদান করছেন? তারা কি মাদ্রাসায় কিছু মাসলা মাসায়েল শিখে নিজেদেরকে নিজেরাই রাষ্ট্রের ‘কাজী’ বলে সাব্যস্ত করছেন?

আমরা কোর’আন-হাদিস দেখিয়ে, যুক্তি দিয়ে, প্রমাণ দিয়ে মানুষকে বোঝাতে চেষ্টা করছি যে তওহীদ ভিত্তিক দীন, জীবনব্যবস্থা ছাড়া মানুষের জীবনের শান্তি ও নিরাপত্তার আর কোনো বিকল্প পথ নেই। বর্তমান অশান্ত পৃথিবীই তার প্রমাণ। এখানে জোর জবরদস্তির কোনো স্থান নেই, মানুষকে জোর করে কোনো কিছু বোঝানো যায় না এটা সাধারণ জ্ঞান। মানুষ যদি একে গ্রহণ করে তবে দেশে তওহীদ ভিত্তিক জীবনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হবে, তারা পার্থিব ও পরকাল দুই জীবনে শান্তি ও গৌরবের অধিকারী হবে। আর যদি মানুষ আমাদের ডাকে সাড়া না দেয়, মানুষের সার্বভৌমত্বকেই আঁকড়ে ধরে থাকে তাহলে তারা এর পরিণাম ভোগ করবে। তবে প্রচলিত সিস্টেমের ধারক-বাহক-অনুসারীরা আমাদের যতই বিরোধিতা করুক, আল্লাহর সত্যদীনকে সমুন্নত করার প্রচেষ্টা আমাদের চালিয়ে যেতেই হবে।

[যোগাযোগ: ০১৭১১০০৫০২৫, ০১৬২১৪৩৪২১৩, ০১৭৮৩৫৯৮২২২]

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

নদীভাঙনে ছোট হচ্ছে বরিশালের মানচিত্র: বছরে বাস্তুহারা লক্ষাধিক মানুষ

নদীভাঙনে ছোট হচ্ছে বরিশালের মানচিত্র: বছরে বাস্তুহারা লক্ষাধিক মানুষ
নদীবেষ্টিত জেলা বরিশালের চারদিক দিয়ে বয়ে চলেছে কীর্তনখোলা, পদ্মা ও মেঘনাসহ অসংখ্য নদী। এসব নদীর অব্যাহত ভাঙনে প্রতি বছর বদলে যাচ্ছে জেলার মানচিত্র। মাইলের পর…
 ১০ জুন ২০২৬    নির্বাচিত

ইসরায়েল-ইরান সংঘাত থামার আগেই শুরু হলো যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের নতুন উত্তেজনা

ইসরায়েল-ইরান সংঘাত থামার আগেই শুরু হলো যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের নতুন উত্তেজনা
ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সাম্প্রতিক হামলা ও পাল্টা হামলার পর পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হলেও নতুন করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা শুরু…
 ১০ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

ইসলামী ব্যাংক দখলের পর এখন বেদখল হওয়ার যাতনা স্বাভাবিক: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ইসলামী ব্যাংক দখলের পর এখন বেদখল হওয়ার যাতনা স্বাভাবিক: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ইসলামী ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে জাতীয় সংসদে কঠোর বক্তব্য দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মঙ্গলবার বাজেট অধিবেশনে বিরোধী দলীয় নেতার আনা একটি নোটিশের ওপর আলোচনায়…
 ৯ জুন ২০২৬    জাতীয়

সরিষাবাড়িতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা বিতরণ

সরিষাবাড়িতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা বিতরণ
সরিষাবাড়ি (জামালপুর) প্রতিনিধি: জামালপুরের সরিষাবাড়িতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বিশেষ উন্নয়ন সহায়তা কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন সামগ্রী ও শিক্ষাবৃত্তি বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে প্রশাসনিক…
 ৯ জুন ২০২৬    ঢাকা

জৈনা বাজার ঔষধ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির নতুন কমিটি গঠন

জৈনা বাজার ঔষধ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির নতুন কমিটি গঠন
শ্রীপুর প্রতিনিধি: গাজীপুরের শ্রীপুরে জৈনা বাজার ঔষধ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন এবং পরিচিতি সভা হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১১টায় উপজেলার জৈনা বাজারে সমিতির নিজস্ব…
 ৯ জুন ২০২৬    ঢাকা

ইরানের হুঁশিয়ারি উপেক্ষা করে লেবাননে ইসরায়েলের হামলা, নিহত ৮

ইরানের হুঁশিয়ারি উপেক্ষা করে লেবাননে ইসরায়েলের হামলা, নিহত ৮
লেবাননে হামলা চললে কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিল ইরান। তবে সেই সতর্কবার্তা উপেক্ষা করেই মঙ্গলবার সকালে দক্ষিণ লেবাননের তায়ের বন্দর নগরীতে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি…
 ৯ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

শ্রীপুরের সাবেক মেয়র আনিছুর রহমানের মৃত্যু, শোকে মারা গেলে ছোট বোন

শ্রীপুরের সাবেক মেয়র আনিছুর রহমানের মৃত্যু, শোকে মারা গেলে ছোট বোন
শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি: গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র আনিছুর রহমান ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। রোববার দুপুরে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি শেষ…
 ৭ জুন ২০২৬    ঢাকা

সড়কে বর্জ্য দেখে ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী, দুই সিটি কর্মকর্তা বরখাস্ত

সড়কে বর্জ্য দেখে ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী, দুই সিটি কর্মকর্তা বরখাস্ত
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় কোরবানির পশুর বর্জ্য ও ময়লা জমে থাকায় ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের দুই আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। শুক্রবার…
 ৩০ মে ২০২৬    জাতীয়

দেশে হামে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৫৭৫

দেশে হামে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৫৭৫
দেশে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১০ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে দুই জন নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত ছিল এবং বাকি…
 ৩০ মে ২০২৬    জাতীয়

কোরবানির দুই দিনে আহত হয়ে ঢামেকে ২৭২ জনের চিকিৎসা

কোরবানির দুই দিনে আহত হয়ে ঢামেকে ২৭২ জনের চিকিৎসা
কোরবানির পশু জবাই ও মাংস কাটার সময় আহত হয়ে ঈদের দিন ও পরের দিন মিলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ২৭২ জন চিকিৎসা নিয়েছেন। এদের…
 ৩০ মে ২০২৬    জাতীয়

রাজধানীর আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ৬ শিশুর মৃত্যু

রাজধানীর আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ৬ শিশুর মৃত্যু
রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একসঙ্গে ছয় শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। বুধবার সকালে এই হৃদয়বিদারক খবরটি জানাজানি হওয়ার পর পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি…
 ২৭ মে ২০২৬    জাতীয়

মৃদু ভূমিকম্পে কাঁপল রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল

মৃদু ভূমিকম্পে কাঁপল রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল
রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আজ মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১১টা ৪১ মিনিটের দিকে এই ভূকম্পন হয়। হঠাৎ হওয়া এই কম্পনের ফলে সাধারণ…
 ২৬ মে ২০২৬    জাতীয়

সাভারে শিল্পাঞ্চলে ছুটি শুরু: বাড়তি ভাড়ায় নাজেহাল ঘরমুখো মানুষ

সাভারে শিল্পাঞ্চলে ছুটি শুরু: বাড়তি ভাড়ায় নাজেহাল ঘরমুখো মানুষ
পবিত্র ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে সাভার ও আশুলিয়ার বিভিন্ন পোশাক কারখানায় ছুটি শুরু হয়েছে। সোমবার দুপুরের পর থেকেই নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা মানুষের ভিড় বাড়তে…
 ২৫ মে ২০২৬    জাতীয়

পশ্চিমবঙ্গে পশুর হাটে মন্দা ও কোরবানি নিয়ে আতঙ্ক

পশ্চিমবঙ্গে পশুর হাটে মন্দা ও কোরবানি নিয়ে আতঙ্ক
পবিত্র ঈদুল আযহা ঘনিয়ে আসলেও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের পশুর হাটগুলোতে কেনাবেচা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। কলকাতার উপকণ্ঠে অবস্থিত বিশাল ধুলাগড় গরুর হাটে গিয়ে দেখা গেছে,…
 ২৫ মে ২০২৬    আন্তর্জাতিক
ভুয়া নওমুসলিম তৈরির গডফাদার

ধর্ম ও আবেগকে পুঁজি করে ভাইরাল সিদ্দিকের কোটি টাকার প্রতারণা!

ধর্ম ও আবেগকে পুঁজি করে ভাইরাল সিদ্দিকের কোটি টাকার প্রতারণা!
সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘ভাইরাল সিদ্দিক’ নামে পরিচিত আবু বকর সিদ্দিকের অন্ধকার জগতের নানা তথ্য সামনে এসেছে। ধর্মের লেবাস এবং মানুষের আবেগকে কাজে লাগিয়ে তিনি গত কয়েক…
 ২৩ মে ২০২৬    অন্যান্য