জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন-২৩ শূন্য হলে সেটি যে দল বা জোটের জন্য বরাদ্দ ছিল, সেই দল বা জোটই নতুন সদস্য মনোনয়ন দেবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। আইন অনুযায়ী, আসনটি শূন্য ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশনকে অবহিত করার পর ৯০ দিনের মধ্যে উপনির্বাচনের মাধ্যমে তা পূরণ করা হবে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ।
তিনি বলেন, সংসদীয় আসনটি শূন্য ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশনকে জানানো হলে আইন অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উপনির্বাচন আয়োজন করা হবে। এ জন্য তফসিলও ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন। একটি আসনের বিপরীতে একাধিক প্রার্থী থাকলে ভোটগ্রহণ হবে। আর একক প্রার্থী থাকলে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হবেন।
মাদক নির্মূলে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সামাজিক পরিবর্তনও জরুরি: ববি হাজ্জাজ

নির্বাচন কমিশনার মাছউদ আরও বলেন, যে দল বা জোটের জন্য সংরক্ষিত আসনটি বরাদ্দ করা হয়েছিল, শূন্য হওয়ার পরও আসনটি সেই দল বা জোটেরই থাকবে। অর্থাৎ, আসনটি যে দলের কোটায় ছিল, সেই দল বা জোটের মনোনীত প্রার্থীর মধ্য থেকেই নতুন সদস্য নির্বাচিত হবেন।
ইসি জানিয়েছে, শূন্য হতে যাওয়া সংরক্ষিত নারী আসনটি বিএনপি জোটেরই থাকছে। তফসিল ঘোষণার পর বিএনপি যাকে মনোনয়ন দেবে, তিনিই নতুন সংসদ সদস্য হওয়ার সুযোগ পাবেন।
বর্তমান সংসদে বিএনপি ও তাদের মিত্রদের সংরক্ষিত নারী আসন রয়েছে ৩৬টি। জামায়াতের জোট পেয়েছে ১৩টি এবং স্বতন্ত্র জোট পেয়েছে একটি আসন।
সংরক্ষিত নারী আসন নির্বাচন আইনের ১৬ ধারায় বলা হয়েছে, কোনো সংরক্ষিত নারী আসন শূন্য হলে যে রাজনৈতিক দল বা জোটের অনুকূলে আসনটি বণ্টিত হয়েছিল, সেই দল বা জোটের মনোনীত প্রার্থীদের মধ্য থেকেই শূন্য আসনটি পূরণ করতে হবে।

















