গাজীপুরে পোশাকশ্রমিক তৌফিক হোসেনের মৃত্যুর ঘটনায় গায়েবানা জানাজার আয়োজন করে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাকর্মীরা। তবে নগরীর চান্দনা চৌরাস্তা মোড়ে কর্মসূচি চলাকালে তাদের ধাওয়া দিয়ে সরিয়ে দেয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এ সময় সাউন্ড গ্রেনেডও নিক্ষেপ করা হয়। পুলিশের বাধায় কর্মসূচি পণ্ড হয়ে যায়। তবে এ ঘটনায় আহতের সংখ্যা নিয়ে এনসিপি ও পুলিশের বক্তব্যে ভিন্নতা পাওয়া গেছে।
বুধবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে গাজীপুর মহানগরীর চান্দনা চৌরাস্তা মোড়ে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, পোশাকশ্রমিক তৌফিক হোসেনের মৃত্যুর ঘটনায় বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ওই এলাকায় গায়েবানা জানাজার কর্মসূচি ঘোষণা করেন এনসিপির কেন্দ্রীয় মুখ্য সংগঠক আলী নাসের খান।
জীবননগরে রেলপথ অবরোধ, ৭২ ঘণ্টার আলটিমেটাম!

পরে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কয়েকজন নেতাকর্মীকে সঙ্গে নিয়ে তিনি চান্দনা চৌরাস্তা মোড়ে উপস্থিত হন। এ সময় গায়েবানা জানাজার একটি ব্যানার নিয়ে নেতাকর্মীরা বক্তব্য শুরু করেন। এনসিপি ও জাতীয় শ্রমিক শক্তির কয়েকজন নেতা বক্তব্য দেওয়ার পর আলী নাসের খান বক্তব্য দেন। তার বক্তব্য শেষে জানাজা না পড়ে মোনাজাত শুরু করেন তারা।
একপর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা নেতাকর্মীদের ধাওয়া দেন এবং সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেন।
এ বিষয়ে এনসিপির কেন্দ্রীয় মুখ্য সংগঠক আলী নাসের খান অভিযোগ করেন, পুলিশ তাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বাধা দিয়েছে। তারা পোশাকশ্রমিক তৌফিকের মৃত্যুর বিচার এবং শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি মেনে নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছিলেন।
তিনি আরও দাবি করেন, পুলিশের হামলায় জাতীয় শ্রমিক শক্তির সভাপতি এবং এনসিপির গাজীপুর জেলা কমিটির নেতাসহ অন্তত ২০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে বাসন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হারুনর রশীদ জানান, এনসিপির নেতাকর্মীরা গাজীপুর চৌরাস্তার মূল সড়কে জানাজার আয়োজন করছিলেন। এ সময় প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের পাশের কোনো মসজিদ, ঈদগাহ মাঠ অথবা খেলার মাঠে জানাজা পড়ার অনুরোধ জানানো হয়। কিন্তু তারা তা না মেনে সড়কে কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ায় বাধ্য হয়ে তাদের সরিয়ে দেওয়া হয়।
ওসি আরও জানান, এ ঘটনায় কেউ আহত হননি।
















