প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   সময়ের দুয়ারে কড়া নাড়ছে নতুন...

সময়ের দুয়ারে কড়া নাড়ছে নতুন রেনেসাঁ

১৪ এপ্রিল ২০১৯ ০৬:২৬ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

অন্যায়ের দুর্গ যতই মজবুত হোক সত্যের আঘাতে তার পতন অবশ্যম্ভাবী। আল্লাহ ইব্রাহিম (আ.) কে দিয়ে মহাশক্তিধর বাদশাহ নমরুদের জুলুমবাজির শাসনব্যবস্থার পতন ঘটালেন। সেটা ছিল প্রাচীন ব্যবিলনীয় সভ্যতা যার নিদর্শন আজও হারিয়ে যায়নি। তৎকালে সেটাই ছিল বিশ্বের শীর্ষ সভ্যতা। তারা অহঙ্কারে এতটাই স্ফীত হয়েছিল যে উঁচু মিনার তৈরি করে তারা আল্লাহর আরশ দেখতে চাইত। তারা ঝুলন্ত উদ্যান নির্মাণ করেছিল। কিন্তু যখনই সেখানে মানবতা ভুলুণ্ঠিত হয়েছে তখনই তা অর্ধম হিসাবে সাব্যস্ত হয়েছে। তখন মহান আল্লাহ ইব্রাহিম (আ.) কে পাঠালেন পুরাতন জীর্ণ পরম্পরার জাহেলিয়াতের বিনাশ সাধন করে আল্লাহর তওহীদের ভিত্তিতে একটি নতুন সভ্যতা গড়ে তোলার জন্য। তিনি সেটা করলেন। আল্লাহ তাঁকে মিল্লাতের পিতা বলে অভিহিত করলেন (সুরা ইব্রাহিম ৭৮)। তিনি আল্লাহর তওহীদের শিক্ষা দান করলেন তাঁর পুত্রগণকে। পুত্র ইসমাইল (আ.) কে নিয়ে তিনি মিল্লাতের ঐক্যের কেন্দ্র হিসাবে কাবাগৃহ পুনর্ণিমাণ করলেন। প্রবর্তন করলেন হজ্বের। সমস্ত শেরক কুফরের মূলোৎপাটন করলেন তিনি। বললেন, আমি আমার পূর্ণ মনোযোগ একনিষ্ঠভাবে (হানিফ) তাঁরই দিকে নিবদ্ধ করেছি, যিনি আকাশসমূহ ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন। আর আমি মোশরেকদের অন্তর্ভুক্ত নই (সুরা আন’আম ৮০)।

কিন্তু তাঁর সাড়ে তিন হাজার পর এসে সেই তওহীদভিত্তিক দীন আবারও শেরক ও কুফরে সম্পূর্ণ নিমজ্জিত হয়ে গেল। যেই মূর্তি ভাঙার দরুন ইব্রাহিম (আ.) কে আগুনে নিক্ষেপ করা হয়েছিল আবারও বনি ইসমাইল কাবা প্রাঙ্গণে ৩৬০ টি মূর্তি স্থাপন করল। তারা ধর্মের নামে অধর্ম আর ধর্মান্ধতার চর্চা শুরু করল। উলঙ্গ হয়ে মানুষকে হজ্ব করতে বাধ্য করা হলো। ধর্মের নামে হাজার রকমের বিধিনিষেধ আরোপ করল ধর্মব্যবসায়ী আবু জাহেলরা। মানুষ যখন অন্ধত্বে ডুবে গেল তখন ন্যায় অন্যায়ের আর কোনো পার্থক্য থাকল না। সভ্যতা ও জ্ঞান বিজ্ঞানের চর্চা থেকে তারা ছিটকে গেল। ওদিকে গড়ে উঠল রোমান সভ্যতা, পারস্য সভ্যতা, চৈনিক সভ্যতা। কিন্তু আরবরা সেদিকে গেল না, তারা পরিচিত হলো মারামারি আর কামড়া-কামড়িতে ব্যাপৃত একটি বিশৃঙ্খল জনগোষ্ঠী হিসেবে। তাদের যুগের নাম দেওয়া হলো আইয়্যামে জাহেলিয়াত বা অজ্ঞতার যুগ। যে জাহেলিয়াতকে ইব্রাহীম (আ.) দূর করেছিলেন সেই জাহেলিয়াত যখন আবার পুনর্বাসিত হলো আল্লাহ তাঁর শেষ নবীকে পাঠালেন। সেই জাহেলিয়াতকে নির্মূল করার জন্য তাঁকে সকল অজ্ঞতার মস্তকে প্রচ- বেগে আঘাত করতে হয়েছে।

তিনি বাল্যকাল থেকেই সমাজ সম্পর্কে সচেতন ছিলেন, চিন্তাশীল মানুষ ছিলেন। যুক্তির বাইরে তিনি কোনো কিছু ভাবতে পারতেন না। চিন্তা না করে কিছু বলতেন না। তাঁর উপর প্রথম যে আয়াতটি নাজেল হলো সেটা হচ্ছে – ইক্বরা অর্থাৎ পড়। তিনি বললেন, ‘আমি তো পড়তে পারি না’। তিনবার তাঁকে পড়তে বলা হলো, তিনি প্রতিবার বললেন, ‘আমি তো পড়তে পারি না’ (আয়েশা রা. থেকে বোখারি)। কিন্তু তাকে ছাড় দেওয়া হলো না, তাঁকে পড়ার জ্ঞান দান করলেন আল্লাহ। সেই হেরাগুহার পাদদেশ থেকে নতুন ইতিহাসের সূচনা হলো। মানুষ জানি না বললে তাকে ছেড়ে দেওয়া হবে না। আল্লাহ পবিত্র কোর’আনে বলছেন, “আর যে বিষয় তোমার জানা নাই তার অনুসরণ করো না। নিশ্চয় কান, চোখ ও অন্তকরণ- এদের প্রতিটির ব্যাপারে সে জিজ্ঞাসিত হবে। (সুরা বনি ইসরাইল ৩৬)।

আরও পড়ুন

কোরআনের প্রতিশ্রুতি বনাম বর্তমান মুসলিম বিশ্ব

ইসলামের দর্শন ও সংস্কৃতিচর্চার যোগসূত্র

সাফা পর্বতের পাদদেশে যেদিন তিনি প্রথম প্রকাশ্যে তওহীদের আহ্বান জানালেন সেদিনই শুরু হলো পাথর নিক্ষেপ। বর্ষিত হলো গালি। তিনি সত্যের মশাল নিয়ে এগিয়ে চললেন। বজ্রনিনাদে ঘোষণা করলেন – লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আল্লাহ ছাড়া কোনো হুকুমদাতা নেই। তখন ধর্মব্যবসায়ী গোষ্ঠীটি ঐ সমাজকে কুরে কুরে খাচ্ছে। শোষণ করছে জোঁকের মতো। গোত্রপতিরা শাসন করছে নিজেদের মর্জিমত। রসুলাল্লাহর চাচা আবু তালিবের কাছে প্রস্তাব দেয়া হলো তাকে থামানোর জন্য। এজন্য তাকে সম্পদ, ক্ষমতা, নারী সবকিছুর লোভই দেখানো হলো। কিন্তু তিনি কোনো প্রলোভনে দুর্বল হলেন না, আত্মসমর্পণ করলেন না। পাহাড়ের মতো অটলভাবে বললেন, “যদি আমার এক হাতে চাঁদ, আরেক হাতে সূর্যও তুলে দাও, তবু আমি আমার এ পথ পরিত্যাগ করব না। এতে হয় আল্লাহ আমাকে বিজয়ী করবেন, নয়তো মোহাম্মদ (সা.) ধ্বংস হয়ে যাবে।” (সিরাতে রসুলুল্লাহ সা.- ইবনে ইসহাক)।
পরিশেষে আল্লাহর বিজয় হলো, মানবতার বিজয় হলো। আল্লাহর বিজয় কীসে? মানবতার বিজয়ের মধ্যেই আল্লাহর বিজয়। আল্লাহর রসুল এমন একটি সমাজ প্রতিষ্ঠা করলেন যেখানে এমন নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠিত হলো – একজন নারী একা শত শত মাইল পথ দিনে রাতে হেঁটে যেতে পারতেন। তখন একা একটা মেয়ে রাতের বেলায় হেটে যেতে পারতেন। যে বেলালদের মানবেতর জীব বলে গণ্য করা হতো, হাটে বাজারে বিক্রি করা হতো, সেই বেলালকে(রা:) তিনি কাবার উপরে ওঠিয়ে আল্লাহর বিজয়ের ঘোষণা প্রচার করলেন। ধর্মব্যবসা চিরতরে বন্ধ হয়ে গেল। ক্রমান্বয়ে বিক্ষুব্ধ বঞ্চিত অবদমিত মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে গেল। ঐশী নেতৃত্ব পেয়ে গেল আল্লাহর পক্ষ থেকে। একটি রেনেসাঁর সৃষ্টি হলো। একটি মহাজাগরণ বিশ্বকে কাঁপিয়ে দিল। সেই রেনেসাঁর প্রথম আঘাতে শেরক আর কুফরের মস্তক মরুর বালুতে লুটিয়ে পড়ল। মূর্তির নামে চলা হুকুমত ধ্বংস হয়ে গেল। আরবের মানুষগুলো ঐক্যবদ্ধ হলো। যারা অপরিচ্ছন্ন থাকত তারা পাঁচ ওয়াক্ত ওজু করতে শিখল। যারা বিশৃঙ্খল ছিল তারা এক কাতারে দাঁড়িয়ে সালাহ কায়েম (নামাজ) করতে শিখল। বিবদমান মানুষগুলো ভাই ভাই হয়ে গেল। যারা ছিল চিন্তাহীন, কাঠ পাথরের মূর্তির সামনে মাথা নোয়ানোর জাতি, তারা চিন্তায় ও কর্মে, বিজ্ঞানে ও প্রযুক্তিতে, আবিষ্কারে ও গবেষণায়, ধনে ও শক্তিতে বিশ্বের সকল জাতির শীর্ষে চলে গেল। তাদের সমাজ থেকে সকল অন্যায় দূরীভূত হয়ে গেল। সেই রেনেসাঁর ঢেউ আছড়ে পড়ল বাকি দুনিয়ায়। গোটা মানবজাতিই সমৃদ্ধ হয়ে উঠল ইসলামের উদ্বোধনে (সুবাহানাল্লাহ)।

কিন্তু সব সভ্যতার ধারকদেরই পদস্খলন হয়। রসুলাল্লাহর সামনে বসে যে সাহাবিরা ইসলাম সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করেছিলেন, সেই সাহাবিরা যখন একে একে ধরাপৃষ্ঠ থেকে বিদায় নিলেন, তখন প্রকৃত ইসলামের আকিদা বিকৃত হতে শুরু করল। রসুলাল্লাহর বিদায়ের ৬০/৭০ বছর পর জাতি তার লক্ষ্য ভুলে গেল। জাতির নেতৃত্ব উম্মতে মোহাম্মদীর নীতি আদর্শ থেকে বিচ্যুত হলো। তাদের উপর দায়িত্ব ছিল সমগ্র পৃথিবীকে এই শান্তি-সুখের আওতায় নিয়ে আসার জন্য সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়া। তারা সেই সংগ্রাম ত্যাগ করল। ফলে জাতি শক্তি হারিয়ে ফেলল। তারা অন্তর্কলহে খ- বিখ- হয়ে গেল। ওদিকে শত্রুরা হয়ে উঠল শক্তিশালী, সুযোগসন্ধানী ও প্রতিশোধ-পরায়ণ। তারা হামলা চালাতে লাগল একটার পর একটা। তাদের সঙ্গে পেরে উঠতে না পেরে মুসলিম জাতি ইউরোপীয় জাতিগুলোর দাসে পরিণত হলো।

দুইশ বছর দাসত্বের পর এ জাতি আবারও মূর্খের জাতিতে পরিণত হলো। আবারও তারা ধর্মান্ধ হলো। তাদের কাছে কোন পীর কী বলল, কোন দরবেশ কী বলল, কোন মৌলভি কী বলল সেটাই ধর্ম হয়ে দাঁড়িয়েছে। আবার তাদের কাছে মানবতার চেয়ে মাসলা-মাসায়েল বড় হয়ে দাঁড়ালো। মানুষ নিষ্পেষিত হতে লাগল ধর্মের যাঁতাকলে। তিন কোটি ভারতবাসী রাস্তাঘাটে না খেয়ে মারা গেল। এভাবেই দিন যাচ্ছে। ইজ্জত হারাচ্ছে নারীরা, অগ্নি সংযোগে প্রাণ হারাচ্ছে নুসরাতরা। একটি বৃক্ষ যখন অতি বৃদ্ধ হয় তখন তার পতন হয়। এই সভ্যতারও পতনের সময় এসে গেছে। এখন তাকে মরতে হবে। এই মৃত্যুর প্রাক্কালে নতুন সভ্যতার বীজ আল্লাহ ধরাপৃষ্ঠে রোপণ করেছেন। সৃষ্টি হচ্ছে নতুন রেনেসাঁ।

সুখবর এই যে, আজ দিকে দিকে সেই নতুন রেনেসাঁর ঢেউ লেগেছে। আবারো লাখো কণ্ঠে মানুষ বলছে, এই অন্ধত্বের দেওয়াল ভাঙতে হবে। এই কূপম-ূকতার চর্চা, ধর্মের এই অপব্যবহার আমরা আর চাই না। আমরা চাই ধর্মের প্রকৃত শিক্ষা ও যুক্তি-বুদ্ধি, জ্ঞান ও মানবতার প্রতিষ্ঠা। আল্লাহ যা বলেছেন রসুল যা করেছেন, সেটাই হবে ইসলাম। এখানে আর কারো খবরদারি চলবে না। আমরা ধর্মব্যবসায়ীদের দেখেছি, তাদের কথা শুনেছি। তোমরা এখন আর আল্লাহর খেলাফত করছ না। তোমরা শয়তানের খেলাফত করছ। তোমরা ধর্মকে স্বার্থের কল বানিয়ে নিয়েছ। তোমরা যা বলো মিথ্যা বলো। তোমাদের ধবধবে লেবাসের অন্তরালে যে কুৎসিত চেহারা লুকায়িত আছে, আমরা তা দেখেছি। আমরা আর তোমাদের মানব না। আমরা সবাই বলব, আল্লাহ ছাড়া কোনো হুকুমদাতা নাই – লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, মোহাম্মাদুর রাসুলাল্লাহ (সা.)। আল্লাহর হক সত্য, তার হুমুকও হক সত্য। কিন্তু তোমরা সত্য নও। আমরা তোমাদের প্রত্যাখ্যান করলাম। এখন সত্যকে ধারণ করে আমরা হবো মো‘মেন, আমরা হবো উম্মতে মোহাম্মদী।

 

[লেখক: এমাম, হেযবুত তওহীদ, ফোন: ০১৬৭০১৭৪৬৪৩, ০১৭১১০০৫০২৫, ফেসবুক পেইজ: facebook.com/emamht]

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

মাদারীপুরের আলোচিত গৃহবধূ লামিয়া হত্যা মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার

মাদারীপুরের আলোচিত গৃহবধূ লামিয়া হত্যা মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার
মাদারীপুর জেলার আলোচিত গৃহবধূ লামিয়া হত্যা মামলার তিন আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মাদারীপুর জেলা পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমানের নির্দেশনায় এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল)…
 ২১ জুলাই ২০২৬    ঢাকা

মাদারীপুর সরকারি কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের ঘোষণা এমপি জাহান্দার আলীর

মাদারীপুর সরকারি কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের ঘোষণা এমপি জাহান্দার আলীর
মাদারীপুর সরকারি কলেজের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের নবীনবরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আজ মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে…
 ১৪ জুলাই ২০২৬    ঢাকা

শ্রীপুরে পোশাক কারখানায় হঠাৎ অর্ধশতাধিক শ্রমিক অসুস্থ, ছুটি ঘোষণা

শ্রীপুরে পোশাক কারখানায় হঠাৎ অর্ধশতাধিক শ্রমিক অসুস্থ, ছুটি ঘোষণা
গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের টেপিরবাড়ি এলাকায় অবস্থিত ‘কালার অ্যান্ড কোং লিমিটেড কারখানায় প্রায় অর্ধশতাধিক শ্রমিক হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। পরে পরিস্থিতি বিবেচনায় কর্তৃপক্ষ আজ কারখানার…
 ৭ জুলাই ২০২৬    ঢাকা

টাঙ্গাইলে পরিত্যক্ত কূপে ছাগলছানা বাঁচাতে গিয়ে বাবা-ছেলেসহ চারজনের মৃত্যু

টাঙ্গাইলে পরিত্যক্ত কূপে ছাগলছানা বাঁচাতে গিয়ে বাবা-ছেলেসহ চারজনের মৃত্যু
টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলায় একটি পরিত্যক্ত কূপে পড়ে যাওয়া ছাগলছানা উদ্ধার করতে গিয়ে একই পরিবারের ও প্রতিবেশীদের চারজন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। আজ শনিবার (২০…
 ২০ জুন ২০২৬    ঢাকা

কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপে স্বর্ণপদক জিতলেন পটুয়াখালীর নুর-ই-জান্নাত

কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপে স্বর্ণপদক জিতলেন পটুয়াখালীর নুর-ই-জান্নাত
পটুয়াখালী প্রতিনিধি: ঢাকার শহীদ নূর হোসেন জাতীয় ভলিবল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘শিহান হুমায়ুন কবির জুয়েল মেমোরিয়াল ৫ম কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬’-এ স্বর্ণপদক জিতেছেন পটুয়াখালীর মেয়ে নুর-ই-জান্নাত। শুক্রবার (১৯…
 ২০ জুন ২০২৬    বরিশাল

বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থার ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থার ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন
বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থা বাংলাদেশের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ৫১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে। নবগঠিত এই কমিটিতে শওকত সরদারকে সভাপতি, সোলায়মান পলাশকে সাধারণ সম্পাদক…
 ১৯ জুন ২০২৬    জাতীয়

মহাখালীতে সাবেক ছাত্রনেতাদের আলোচনা ও দোয়া মাহফিল

মহাখালীতে সাবেক ছাত্রনেতাদের আলোচনা ও দোয়া মাহফিল
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকারের সাফল্য কামনা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসাধীন বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও সাবেক সংসদ সদস্য নাজিমুদ্দিন আলমের সুস্থতা কামনায় আলোচনা ও দোয়া…
 ১৯ জুন ২০২৬    ঢাকা

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক: যা থাকছে ১৪ দফার চুক্তিতে

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক: যা থাকছে ১৪ দফার চুক্তিতে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি সম্প্রসারণের লক্ষ্যে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত এবং কার্যকর হয়েছে। ফ্রান্সের এভিয়ান-লে-বাঁ এলাকায় অনুষ্ঠিত জি৭ সম্মেলনে অংশ নেওয়ার সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট…
 ১৮ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

কুমিল্লায় কোদালের কোপে বড় ভাইকে হত্যা, ছোট ভাই গ্রেফতার

কুমিল্লায় কোদালের কোপে বড় ভাইকে হত্যা, ছোট ভাই গ্রেফতার
কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় পারিবারিক বিরোধের জেরে বড় ভাইকে কোদাল দিয়ে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার আপন ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে। বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে উপজেলার জগতপুর…
 ১৮ জুন ২০২৬    চট্টগ্রাম

বিশ্ববাজারে আবার ঊর্ধ্বমুখী স্বর্ণের দাম, নেপথ্যে যে কারণ

বিশ্ববাজারে আবার ঊর্ধ্বমুখী স্বর্ণের দাম, নেপথ্যে যে কারণ
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্পাদিত অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তির জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমেছে। এর ফলে বিশ্ববাজারে মূল্যস্ফীতির চাপ কমার ঘুরে দাঁড়িয়েছে স্বর্ণের বাজার। আজ…
 ১৮ জুন ২০২৬    অর্থনীতি

নারীদের বৃহত্তর অংশগ্রহণে জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

নারীদের বৃহত্তর অংশগ্রহণে জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক সংকট ও মানবিক চ্যালেঞ্জের প্রেক্ষাপটে মানবিক সহায়তা জোরদার করা এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় নারীদের আরও বেশি অংশগ্রহণ নিশ্চিত…
 ১৮ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

নোয়াখালীতে বীর বিক্রম আবদুল মালেকের পরিবারের জমি দখলের চেষ্টা, থানায় অভিযোগ

নোয়াখালীতে বীর বিক্রম আবদুল মালেকের পরিবারের জমি দখলের চেষ্টা, থানায় অভিযোগ
নোয়াখালী প্রতিনিধি: নোয়াখালী সদর উপজেলার এওজবালিয়া ইউনিয়নে প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মালেক বীর বিক্রমের পরিবারের জমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা করার অভিযোগ উঠেছে। এই…
 ১৭ জুন ২০২৬    চট্টগ্রাম

এআইয়ের প্রভাব: চাকরির বাজারে মূল্যহীন ১২ হাজার ডিগ্রি বাতিল করল চীন

এআইয়ের প্রভাব: চাকরির বাজারে মূল্যহীন ১২ হাজার ডিগ্রি বাতিল করল চীন
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশের কারণে চীন তাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রায় ১২ হাজার কলা, মানবিক ও ভাষাবিষয়ক ডিগ্রি বাতিল করেছে। দেশটি এখন প্রযুক্তি ও এআইভিত্তিক…
 ১৭ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

প্রথমবার ইউএনএইচসিআর নির্বাহী কমিটির ব্যুরোর সভাপতির দায়িত্বে বাংলাদেশ

প্রথমবার ইউএনএইচসিআর নির্বাহী কমিটির ব্যুরোর সভাপতির দায়িত্বে বাংলাদেশ
জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনারের (ইউএনএইচসিআর) নির্বাহী কমিটির (এক্সকম) ব্যুরোর সভাপতি হিসেবে প্রথমবারের মতো দায়িত্ব গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ। জেনেভায় জাতিসংঘ কার্যালয়ে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত নাহিদা…
 ১৭ জুন ২০২৬    জাতীয়

আদিতমারীতে নিখোঁজ শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, সন্দেহভাজনের বাড়িতে আগুন

আদিতমারীতে নিখোঁজ শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, সন্দেহভাজনের বাড়িতে আগুন
লালমনিরহাটের আদিতমারীতে নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর নন্দিনী (৭) নামের এক শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকালে উপজেলার ভেলাবাড়ি ইউনিয়নের ফলিমারী…
 ১৬ জুন ২০২৬    রংপুর