পশ্চিমবঙ্গের আরজি কর হাসপাতালে চিকিত্সক তরুণীকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় গোটা রাজ্য তথা ভারত জুড়ে আলোড়ন তৈরি হয়েছে। এর মধ্যেই আবারও ধর্ষণ এবং হত্যার ঘটনা। এবার নৃশংসতার বলি ৩৩ বছর বয়সী এক নার্স। এ ঘটনায় ইতোমধ্যে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
জানা গেছে, নিহত নার্স নৈনিতালরের গদরপুর, ইসলামনগরের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি একটি বেসরকারি হাসপাতালে কর্মরত ছিলেন। ১১ বছর বয়সী কিশোরী কন্যাকে নিয়ে বিশালপুর কলোনীতে থাকতেন তিনি। গত ৩১ জুলাই নিহত নার্সের বোন থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন। তারপরেই খোঁজাখুঁজি শুরু করে পুলিশ।
এক সপ্তাহেরও বেশি সময় পরে একটি ফাঁকা জায়গা থেকে উদ্ধার হয় নার্সের মরদেহ। অভিযোগ উঠেছে, তাকে প্রথমে ধর্ষণ করা হয় ও পরে শ্বাসরোধ করে হত্যার করা হয়।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক: যা থাকছে ১৪ দফার চুক্তিতে

এমনকি অভিযোগ উঠেছে, ওই নার্সের কাছ থেকে টাকাপয়সা, গয়নাসহ সমস্ত মূল্যবান জিনিস লুট করে নেয় দুষ্কৃতকারী। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।
সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজসহ অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতে রাজস্থানের যোধপুর থেকে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেন তদন্তকারীরা। ওই ব্যক্তি উত্তরপ্রদেশে শ্রমিকের কাজ করতেন।
















