প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   বাড়াবাড়ির এক দৃষ্টান্ত ইরান

বাড়াবাড়ির এক দৃষ্টান্ত ইরান

৫ ডিসেম্বর ২০২২ ০২:০৪ পিএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

ইসলামি বিপ্লবের চার বছর পরে ১৯৮৩ সালে ইরানে হিজাব সংক্রান্ত আইন চালু করা হয়। তখন থেকেই প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক নারীকে মাথা ঢেকে হিজাব পরা বাধ্যতামূলক করা হয়। এই বিধিগুলো তদারক করার জন্য রয়েছে দেশটির ‘নৈতিকতাবিষয়ক’ পুলিশ। দীর্ঘদিন এই আইন মেনে চললেও, গত ১৬ সেপ্টেম্বের মাহসা আমিনি নামে এক কুর্দি তরুণীর হিজাব আইনে গ্রেপ্তারের পরে মৃত্যুর ঘটনায় ইরানজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয় যা এখনও চলমান (এএফপি)।
গত শনিবার (৩ ডিসেম্বর) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে, ইরানের একটি নিরাপত্তা সংস্থা দেশজুড়ে বিক্ষোভের জেরে গত সেপ্টেম্বর থেকে ২০০ মানুষ নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে (রয়টার্স)। ইরানের ইসলামি রেভুল্যশনারি গার্ডের শীর্ষ জেনারেল আমির আলী হাজিজাদেহ বলেছেন, সম্প্রতি দাঙ্গায় ৩০০ জন ‘শহীদ ও নিহত’ হয়েছে। তবে বিদেশি মানবাধিকারভিত্তিক সংগঠনের হিসাবে নিহতের সংখ্যা চারশর বেশি। এছাড়া শুধু গত সপ্তাহে শিশুসহ কমপক্ষে ১৪ হাজার মানুষ বিক্ষোভের জেরে গ্রেপ্তার হয়েছে।
অন্যদিকে ইরানের বার্তা সংস্থা মেহরের প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের রাজধানী তেহরানের কাছে অবস্থিত কোম প্রদেশের এক ব্যাংক ম্যানেজার বৃহস্পতিবার হিজাব না পরা এক নারীকে ব্যাংক সেবা দেন। পরে ওই ব্যাংক ম্যানেজারকে তার পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় বলে জানায় কোম প্রদেশের ডেপুটি গভর্নর আহমাদ হাজিজাদেহ।
ইসলামের পর্দা সংক্রান্ত বিধান নিয়ে বাড়াবাড়ি ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যে র্দীঘদিনের। কিন্তু একটি বিধানের জের ধরে কেন এত সহিংসতা? ইসলামে কি সত্যিই এমন কোনো বিধান আছে যা মানুষের মনে এত রোষানল তৈরি করতে পারে?
ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হওয়ার অর্থই শান্তি, নিরাপত্তা ও সুবিচার। ইসলাম ভারসাম্যপূর্ণ জীবনব্যবস্থা। মুসলিম ভারসাম্যপূর্ণ জাতি। ইসলামের সামগ্রিক জীবন ভারসাম্যনীতির ওপর প্রতিষ্ঠিত। ইসলাম গোঁড়ামি, চরমপন্থা, প্রান্তিকতা, একপেশে নীতি বা একদেশদর্শিতার নীতিকে অনুমোদন দেয় না। ফলে ইসলামের কোথাও বৈসাদৃশ্য কোনো কিছুই খোঁজে পাওয়া যায় না। আর জটিলতা যদি কিছু থেকেই থাকে, সেটা মানুষেরই তৈরি। আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘আর এভাবেই আমি তোমাদেরকে একটি মধ্যমপন্থী উম্মতে পরিণত করেছি, যাতে তোমরা দুনিয়াবাসীদের ওপর সাক্ষী হতে পারো এবং রসুলের হতে পারেন তোমাদের ওপর সাক্ষী (সূরা বাকারা ১৪৩)।’ এমনকি আল্লাহ দীনে নিয়ে বাড়াবাড়ি নিষিদ্ধ করেছেন (সুরা আন নিসা ১৭১, সুরা আল মায়েদা ৭৭)। শুধু তাই নয়, দীনের বিষয়ে কাউকে জোরজবরদস্তি করাও নিষিদ্ধ, লা ইকরাহা ফিদ্দিন (সুরা বাকারা ২৫৬)।
এই প্রাকৃতিক দীনটি পৃথিবীর বুকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য উম্মতে মোহাম্মদি জাতি জীবনের সর্বস্ব কোরবান করেছিলেন। এমনকি সশস্ত্র সংগ্রামে মুসলিম নারীদের ভূমিকাও ছিল অতুলনীয়। উম্মতে মোহাম্মদির দুর্র্ধষ যোদ্ধা নারীদের কথা স্মরণ করতে গেলে মনে পড়ে যায়, দীন প্রতিষ্ঠার জন্য আম্মা আয়েশা (রা.) ও উম্মে সালমার (রা.) ওহুদ যুদ্ধে অংশগ্রহণ; মহানবীর (সা.) ফুফু সুফিয়া বিনতে আবদিল মুত্তালিব (রা.) খায়বর যুদ্ধে অংশগ্রহণ; উম্মুল খায়ের, জুরকা বিনতে আদি, ইকরামা বিনতে আতরাশ ও উম্মে সিনান অসংখ্য যুদ্ধে প্রতিরক্ষামূলক কাজে সহযোগিতার কথা। মনে পড়ে যায় কীভাবে আজরা বিনতে হারিস বিন কালদা সেনাদলের নেতৃত্ব প্রদান ও আহলে বিসানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিলেন, উম্মে আম্মারা (রা.) ওহুদের যুদ্ধে কীভাবে মহানবীর (সা.) জীবন রক্ষায় প্রতিরক্ষা বলয় তৈরি করেছিলেন, খাওলা (রা.) কীভাবে তাবুর খুঁটি নিয়েই রোমানদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন সেই ইতিহাস।
অথচ আজ সেই মুসলিম নারীদের মধ্যে ভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। দীনের নামে যে বিধান তাদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে তার বিরুদ্ধে তারা রাজপথে নেমে এসেছেন। তাহলে এটা কোন ইসলাম? আল্লাহর রসুলের আনীত দীন প্রতিষ্ঠার জন্য নারীরা বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছেন আর আজ ইরানের নারীরা সেই দীনের বিধানই অস্বীকার করে রক্ত ঝড়াচ্ছেন। তাহলে এটা কি আল্লাহর রচিত বিধান হতে পারে? এটা কি ভারসাম্যপূর্ণ দীন হতে পারে? পর্দার নামে বাড়াবাড়ি করে তৈরিকৃত বিধান আবার জোরজবরদস্তি করে নারীদের উপর চাপিয়ে দেওয়া কোন ইসলাম? না, এটা আল্লাহর রসুলের ইসলাম হতে পারে না। প্রথমত, দীনে বাড়াবাড়ি করা নিষিদ্ধ। দ্বিতীয়ত, দীনের বিষয়ে কাউকে জোরজবরদস্তি করা নিষিদ্ধ। ইরানের ঠিক এমনটাই ঘটেছে। আল্লাহ তাঁর রসুলকে বলছেন, ‘মো’মেন নারীদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে নত রাখে এবং তাদের যৌনঅঙ্গের হেফাযত করে। তারা যেন যা সাধারণত প্রকাশমান, তা ছাড়া তাদের সৌন্দর্য প্রদর্শন না করে এবং তারা যেন তাদের মাথার ওড়না বক্ষ দেশে ফেলে রাখে (সুরা নূর ৩১)। এই সহজ সরল বিধানটি বিকৃত করে, বাড়াবাড়ি করে ভারসাম্যহীন করে ফেলা হয়েছে। পর্দার নামে নারীদেরকে বাক্সবন্দি করা হচ্ছে। দ্বিতীয়ত, মনগড়া বিধান নারীদের উপর জোরজবরদস্তি করে চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। দীনের মধ্যে যখন বিকৃতি ঢুকে যায় তখন স্বাভাবিকভাবে সেটা মানুষকে আর শান্তি দিতে পারে না, উল্টো বিষক্রিয়া শুরু হয়। ভেতরে ভেতরে দীনের ওপর থেকে মানুষের আস্থা উঠে যায়। মানুষ ইসলাম বিদ্বেষী হয়ে উঠে। আর প্রকৃতিগতভাবেই একদিন মানুষ সেই বিকৃতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে বাধ্য হয়, হারিয়ে যায় অগণিত প্রাণ।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

টাঙ্গাইলে পরিত্যক্ত কূপে ছাগলছানা বাঁচাতে গিয়ে বাবা-ছেলেসহ চারজনের মৃত্যু

টাঙ্গাইলে পরিত্যক্ত কূপে ছাগলছানা বাঁচাতে গিয়ে বাবা-ছেলেসহ চারজনের মৃত্যু
টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলায় একটি পরিত্যক্ত কূপে পড়ে যাওয়া ছাগলছানা উদ্ধার করতে গিয়ে একই পরিবারের ও প্রতিবেশীদের চারজন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। আজ শনিবার (২০…
 ২০ জুন ২০২৬    ঢাকা

কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপে স্বর্ণপদক জিতলেন পটুয়াখালীর নুর-ই-জান্নাত

কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপে স্বর্ণপদক জিতলেন পটুয়াখালীর নুর-ই-জান্নাত
পটুয়াখালী প্রতিনিধি: ঢাকার শহীদ নূর হোসেন জাতীয় ভলিবল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘শিহান হুমায়ুন কবির জুয়েল মেমোরিয়াল ৫ম কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬’-এ স্বর্ণপদক জিতেছেন পটুয়াখালীর মেয়ে নুর-ই-জান্নাত। শুক্রবার (১৯…
 ২০ জুন ২০২৬    বরিশাল

বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থার ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থার ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন
বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থা বাংলাদেশের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ৫১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে। নবগঠিত এই কমিটিতে শওকত সরদারকে সভাপতি, সোলায়মান পলাশকে সাধারণ সম্পাদক…
 ১৯ জুন ২০২৬    জাতীয়

মহাখালীতে সাবেক ছাত্রনেতাদের আলোচনা ও দোয়া মাহফিল

মহাখালীতে সাবেক ছাত্রনেতাদের আলোচনা ও দোয়া মাহফিল
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকারের সাফল্য কামনা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসাধীন বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও সাবেক সংসদ সদস্য নাজিমুদ্দিন আলমের সুস্থতা কামনায় আলোচনা ও দোয়া…
 ১৯ জুন ২০২৬    ঢাকা

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক: যা থাকছে ১৪ দফার চুক্তিতে

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক: যা থাকছে ১৪ দফার চুক্তিতে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি সম্প্রসারণের লক্ষ্যে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত এবং কার্যকর হয়েছে। ফ্রান্সের এভিয়ান-লে-বাঁ এলাকায় অনুষ্ঠিত জি৭ সম্মেলনে অংশ নেওয়ার সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট…
 ১৮ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

কুমিল্লায় কোদালের কোপে বড় ভাইকে হত্যা, ছোট ভাই গ্রেফতার

কুমিল্লায় কোদালের কোপে বড় ভাইকে হত্যা, ছোট ভাই গ্রেফতার
কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় পারিবারিক বিরোধের জেরে বড় ভাইকে কোদাল দিয়ে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার আপন ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে। বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে উপজেলার জগতপুর…
 ১৮ জুন ২০২৬    চট্টগ্রাম

বিশ্ববাজারে আবার ঊর্ধ্বমুখী স্বর্ণের দাম, নেপথ্যে যে কারণ

বিশ্ববাজারে আবার ঊর্ধ্বমুখী স্বর্ণের দাম, নেপথ্যে যে কারণ
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্পাদিত অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তির জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমেছে। এর ফলে বিশ্ববাজারে মূল্যস্ফীতির চাপ কমার ঘুরে দাঁড়িয়েছে স্বর্ণের বাজার। আজ…
 ১৮ জুন ২০২৬    অর্থনীতি

নারীদের বৃহত্তর অংশগ্রহণে জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

নারীদের বৃহত্তর অংশগ্রহণে জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক সংকট ও মানবিক চ্যালেঞ্জের প্রেক্ষাপটে মানবিক সহায়তা জোরদার করা এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় নারীদের আরও বেশি অংশগ্রহণ নিশ্চিত…
 ১৮ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

নোয়াখালীতে বীর বিক্রম আবদুল মালেকের পরিবারের জমি দখলের চেষ্টা, থানায় অভিযোগ

নোয়াখালীতে বীর বিক্রম আবদুল মালেকের পরিবারের জমি দখলের চেষ্টা, থানায় অভিযোগ
নোয়াখালী প্রতিনিধি: নোয়াখালী সদর উপজেলার এওজবালিয়া ইউনিয়নে প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মালেক বীর বিক্রমের পরিবারের জমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা করার অভিযোগ উঠেছে। এই…
 ১৭ জুন ২০২৬    চট্টগ্রাম

এআইয়ের প্রভাব: চাকরির বাজারে মূল্যহীন ১২ হাজার ডিগ্রি বাতিল করল চীন

এআইয়ের প্রভাব: চাকরির বাজারে মূল্যহীন ১২ হাজার ডিগ্রি বাতিল করল চীন
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশের কারণে চীন তাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রায় ১২ হাজার কলা, মানবিক ও ভাষাবিষয়ক ডিগ্রি বাতিল করেছে। দেশটি এখন প্রযুক্তি ও এআইভিত্তিক…
 ১৭ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

প্রথমবার ইউএনএইচসিআর নির্বাহী কমিটির ব্যুরোর সভাপতির দায়িত্বে বাংলাদেশ

প্রথমবার ইউএনএইচসিআর নির্বাহী কমিটির ব্যুরোর সভাপতির দায়িত্বে বাংলাদেশ
জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনারের (ইউএনএইচসিআর) নির্বাহী কমিটির (এক্সকম) ব্যুরোর সভাপতি হিসেবে প্রথমবারের মতো দায়িত্ব গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ। জেনেভায় জাতিসংঘ কার্যালয়ে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত নাহিদা…
 ১৭ জুন ২০২৬    জাতীয়

আদিতমারীতে নিখোঁজ শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, সন্দেহভাজনের বাড়িতে আগুন

আদিতমারীতে নিখোঁজ শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, সন্দেহভাজনের বাড়িতে আগুন
লালমনিরহাটের আদিতমারীতে নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর নন্দিনী (৭) নামের এক শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকালে উপজেলার ভেলাবাড়ি ইউনিয়নের ফলিমারী…
 ১৬ জুন ২০২৬    রংপুর

কোরআনের প্রতিশ্রুতি বনাম বর্তমান মুসলিম বিশ্ব

কোরআনের প্রতিশ্রুতি বনাম বর্তমান মুসলিম বিশ্ব
বর্তমান মুসলিম বিশ্বের এই করুণ পরিণতি কোনো নিয়তির নির্মম পরিহাস নয়, বরং তা আল্লাহর বিধান থেকে দূরে সরে যাওয়ারই অবশ্যম্ভাবী ফসল। আমরা নামের শেষে মুসলিম…
 ১৬ জুন ২০২৬    বিশেষ নিবন্ধ

পরীমনি-কাণ্ডে এডিসি সাকলায়েনকে বাধ্যতামূলক অবসর দিচ্ছে সরকার

পরীমনি-কাণ্ডে এডিসি সাকলায়েনকে বাধ্যতামূলক অবসর দিচ্ছে সরকার
চিত্রনায়িকা পরীমনির সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের কারণে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) ও বর্তমানে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. গোলাম সাকলায়েনকে বাধ্যতামূলক…
 ১৬ জুন ২০২৬    জাতীয়

একনেকে চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলসহ ৫ প্রকল্পের অনুমোদন

একনেকে চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলসহ ৫ প্রকল্পের অনুমোদন
চীনা অর্থনৈতিক ও শিল্পাঞ্চলের জন্য সহায়ক অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্পসহ নতুন ও সংশোধিত পাঁচটি উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। এসব প্রকল্প…
 ১৬ জুন ২০২৬    জাতীয়