প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   ইসলাম বিদ্বেষের জবাব – মহানবী...

ইসলাম বিদ্বেষের জবাব – মহানবী (সা.) এর আগমনের উদ্দেশ্য কী?

৯ এপ্রিল ২০১৮ ১০:১৩ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

কাজী আব্দুল্লাহ আল মাহফুজ

বর্তমানের শতধাবিচ্ছিন্ন বিক্ষিপ্ত, হানাহানিতে লিপ্ত, হাজারো রকমের আকিদায় বিভক্ত, অন্য জাতির দ্বারা লাঞ্ছিত অপমানিত আক্রান্ত মুসলমান জাতির এ বিষয়টি জানা খুবই জরুরি হয়ে পড়েছে যে তারা নিজেদেরকে যাঁর উম্মত বলে বিশ্বাস করেন তাঁর অর্থাৎ মোহাম্মদ (সা.) এর আগমনের উদ্দেশ্য কী ছিল? এটা যদি মুসলমানদের কাছে সু¯পষ্ট থাকে তাহলে তাঁর হাদিসের রেফারেন্স দিয়ে সাম্প্রদায়িকতা, জঙ্গিবাদী কর্মকা-, ধর্মব্যবসা, অপরাজনীতি করার কোনো সুযোগ থাকবে না। তাঁর সমগ্র জীবনের এই যে কোরবানি, সাহাবিদের কোরবানি, শাহাদাত সব কিছুর বিনিময়ে তিনি কী করতে চেয়েছেন, তাঁর পবিত্র জীবনকে প্রথম দিন থেকে শেষ দিন পর্যন্ত পুরো ঘটনা সামগ্রিকভাবে এক দৃষ্টিতে দেখার নাম আকিদা। খ-িতভাবে, বিক্ষিপ্তভাবে দেখলে হবে না।
তিনি কি সাম্রাজ্যবিস্তার করতে এসেছেন, তিনি কি অন্য ধর্মের লোকদেরকে জোর করে ধর্মান্তরিত করতে এসেছেন, অন্যদের ধন সম্পদ জোরপূর্বক দখল করতে এসেছেন, নাকি অন্য কোনো কামনা-বাসনা চরিতার্থ করতে এসেছেন? (নাউযুবিল্লাহ!) যে বিষয়গুলো নিয়ে গত কয়েক শতাব্দী থেকে ইসলামের শত্রুরা বিষোদ্গার করে এসেছে, মিথ্যা বানোয়াট আজগুবি সব মতবাদ প্রচার করে দিয়ে ঘৃণা বিস্তার করে সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপপ্রয়াস করছে।
কাজেই আমাদের পরিষ্কারভাবে জানা দরকার যে আমাদের শেষ রসুল আসলে কী জন্য এসেছেন? হ্যাঁ, তিনি সেনাবাহিনী গঠন করেছেন, যুদ্ধ করেছেন, সন্ধি করেছেন, আদেশ-উপদেশ দিয়েছেন, বিচার করেছেন, ব্যবসা বাণিজ্য করেছেন, সাংসারিক জীবনযাপনও করেছেন। তিনি ছিলেন একাধারে একটি ঐক্যবদ্ধ উদীয়মান জাতির জাগতিক ও আধ্যাত্মিক নেতা, ছিলেন বিচারক, ছিলেন সেনাপ্রধান, ছিলেন পরিবারের কর্তা। এই যে তার প্রচ- গতিময়, কর্মব্যস্ত জীবন, সেখানে তিনি কোন কাজ কখন কেন কোন পরিপ্রেক্ষিতে করেছেন এবং ঐ কাজগুলোর উদ্দেশ্য কী ছিল এটা সম্পর্কে সামগ্রিকভাবে জানাই হচ্ছে তাঁর আগমনের উদ্দেশ্য ও সুন্নাহ সম্পর্কে প্রকৃত আকিদা।
ইসলামের শত্রুরা তাদের উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য তাঁর কর্মময় জীবনের এখান থেকে একটি ঘটনা, ওখান থেকে একটি ঘটনা এনে গোজামিল, জোড়াতালি দিয়ে রসুল সম্পর্কে একটি ভ্রান্ত ধারণা দাঁড় করিয়ে দেয়। তারা এটা করেন মুসলিম জাতির ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে আর ধর্মের ধ্বজাধারীরা, ধর্মব্যবসায়ীরা করেন নিজেদের ক্ষুদ্র স্বার্থ উদ্ধারের জন্য। তারা রসুলাল্লাহর জীবনের অতি ব্যক্তিগত ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র বিষয়গুলোকে মহাগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে পরিণত করে জাতির দৃষ্টি থেকে রসুলাল্লাহর আগমনের মূল উদ্দেশ্যকেই আড়াল করে ফেলেছেন। তাঁর আল্লাহ প্রদত্ত উপাধি কী লক্ষ করুন- রহমাতাল্লিল আলামিন, সমস্ত বিশ্বজাহানের জন্য রহমতস্বরূপ। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বিশ্বের সমস্ত মানুষকে সুখ শান্তিময়, শোষণ-অবিচারহীন একটি জীবন উপহার দেওয়াই তাঁর আগমনের উদ্দেশ্য।
পবিত্র কোর’আনের অন্তত তিনটি আয়াতে আল্লাহ বলেছেন, “তিনি হেদায়াহ ও সত্যদীন সহকারে স্বীয় রসুল প্রেরণ করেছেন যেন তিনি একে অন্যান্য সকল জীবনব্যবস্থা, দীনের উপর বিজয়ী করেন (সুরা সফ ৯, সুরা তওবা ৩৩, সুরা ফাতাহ ২৮)। সুতরাং বোঝা গেল আল্লাহর প্রেরিত হেদায়াহ (সঠিক পথ) ও সত্যদীনকে সমগ্র মানবজাতির জীবনে প্রতিষ্ঠা করা তাঁর আগমনের উদ্দেশ্য। এ লক্ষ্যে তিনি সর্বপ্রথম কী করলেন? সবাইকে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ অর্থাৎ মানুষকে এক আল্লাহর হুকুমের ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার জন্য আহ্বান করতে লাগলেন। শুরুতেই কাবাকেন্দ্রিক পুরোহিত ও ধর্মব্যবসায়ীদের অপপ্রচারের দরুন তিনি প্রচ- বিরোধিতার সম্মুখীন হলেন।
একদিন রসুলাল্লাহর চাচা তাঁকে ডেকে বললেন, “আমার কাছে মক্কার নেতারা এসেছিলেন। তাদের দাবি হচ্ছে তুমি মানুষকে যা বলছ সেগুলো আর বলবে না। তার বিনিময়ে তারা তোমাকে তিনটি প্রস্তাব দিয়েছে। তুমি কি আরবের বাদশাহ হতে চাও? তারা তোমাকে আরবের বাদশাহ বানিয়ে দেবে। তুমি যদি চাও তারা তোমাকে আরবের শ্রেষ্ঠ সুন্দরী নারীকে এনে দেবে। অথবা তুমি যদি চাও তোমাকে আরবের সবচেয়ে ভালো চিকিৎসক দিয়ে তোমার চিকিৎসা করাবো। আর যদি তুমি তাদের প্রস্তাবে সম্মত না হও, তাহলে তারাই আগামীকাল তোমার ব্যাপারে ফায়সালা করবে (অর্থাৎ হত্যা করবে)।
এ প্রস্তাবনা শুনে রসুলাল্লাহ দৃপ্তস্বরে উত্তর দিলেন, “চাচা, আপনি তাদের বলে দিবেন, তারা যদি আমার এক হাতে চন্দ্র আর আরেক হাতে সূর্যও এনে দেয় তবু আমি আমার এ পথ ছাড়ব না। হয় আল্লাহর বিজয় হবে নয় এ পথে মোহাম্মদ শেষ হয়ে যাবে।” (সিরাত ইবনে ইসহাক)
লক্ষ্য করুন, এখানে আল্লাহর রসুলের জীবনের উদ্দেশ্যটি প্রকাশিত হয়েছে। তিনি যদি ক্ষমতা চাইতেন, ভোগবিলাস চাইতেন তো বাদশাহী ও সুন্দরী নারীর প্রস্তাব গ্রহণ করতে পারতেন। কিন্তু তিনি সেগুলো প্রত্যাখ্যান করলেন এবং বললেন সেটা হচ্ছে আল্লাহর বিজয়। তিনি মৃত্যুভয়কে উপেক্ষা করলেন, বিপদসঙ্কুল সংগ্রামী জীবন বেছে নিলেন। প্রশ্ন হচ্ছে আল্লাহর বিজয় হবে কীসে? অপর দুটো ঘটনায় এ প্রশ্নের উত্তর আমরা খুঁজে পাব।
একজন নির্যাতিত সাহাবী রসুলের কাছে এসে বললেন, ইয়া রসুলাল্লাহ! আর সহ্য করতে পারছি না। আপনি দোয়া করেন তারা যেন ধ্বংস হয়ে যায়। কিন্তু রসুল কাফেরদের ধ্বংস কামনা করেন নি। এখানেই প্রমাণ হয়ে যায় যে তিনি মানুষকে ধ্বংস করার জন্য আসেন নি, তিনি তাদেরকে দুর্দশা থেকে উদ্ধার করতে এসেছেন। তিনি জবাবে বললেন, শোনো, সেদিন বেশি দূরে না, যেদিন একজন যুবতী সুন্দরী মেয়ে সারা গায়ে অলঙ্কার পরিহিত অবস্থায় সানা থেকে হাদরামাউত পর্যন্ত পথ রাতের অন্ধকারে হেঁটে যাবে। তার মনে আল্লাহ ও বন্যপ্রাণীর ভয় ছাড়া আর বিপদের আশঙ্কাও জাগ্রত হবে না। অর্থাৎ রসুলাল্লাহ একটি শান্তিময় সমাজব্যবস্থার ভবিষ্যদ্বাণী করলেন। একটি সমাজের শান্তিময়তা বোঝার জন্য এর চেয়ে বড় কোনো নির্দেশক থাকতে পারে না। মক্কা বিজয়ের দিন তিনি পরম শত্রুকেও ক্ষমা করে দিলেন। তারপর তিনি বেলালকে (রা.) কাবার উপরে উঠিয়ে আজান দেওয়ালেন। সেই বেলাল কোন বেলাল? সেই কোরায়েশদের দ্বারা অত্যাচারিত নিপীড়িত বেলাল, যার কোনো বলার অধিকার ছিল না, বিনোদনের অধিকার ছিল না, যাকে জন্তুর মতই ব্যবহার করা হতো। তিনি ছিলেন সমগ্র বিশ্বের বঞ্চিত, দাসত্বের শৃঙ্খলে আবদ্ধ মানুষের প্রতীক। সেই ক্রীতদাস বেলালকে তিনি কাবার উপরে উঠালেন। উঠিয়ে প্রমাণ করে দিলেন মানুষ ঊর্ধ্বে মানবতা ঊর্ধ্বে। মানুষকে সর্বোচ্চ আসনে উঠানোর জন্যই তিনি এসেছিলেন। এখানেই ঘটেছে রসুলাল্লাহর ‘রহমতাল্লিল আলামীন’ নামের বহিঃপ্রকাশ।
বিদায় হজ্বের ভাষণে তিনি বললেন, আরবের উপর অনারবের শ্রেষ্ঠত্ব নাই। সমস্ত বৈষম্যের উঁচু নিচু দেয়াল তিনি ভেঙ্গে দিলেন। তিনি বললেন, তোমরা যা খাবে তোমাদের অধীনস্থদেরও তাই খাওয়াবে, যা পরবে তা-ই তাদেরকে পরাবে। গোটা জাতিকে তিনি ঐক্যবদ্ধ করলেন, সুশৃঙ্খল করলেন, সত্যের পক্ষে সংগ্রামে অবতীর্ণ করলেন। তিনি যেমন সমাজ প্রতিষ্ঠা করলেন তার ফল হলো যে একজন মেয়ে একা রাতের অন্ধকারে হেঁটে যেতে পারত। মানুষ উটের পিঠভর্তি করে খাদ্য, সম্পদ নিয়ে দরিদ্র মানুষের সন্ধানে পথে পথে ঘুরে বেড়াত। রাস্তায় একটি মূল্যবান বস্তু হারিয়ে ফেললে সেটা খুঁজে যথাস্থানেই পাওয়া যেত। দোকান খোলা রেখে মানুষ মসজিদে যেত, বছরের পর বছর আদালতে কোনো অপরাধসংক্রান্ত মামলা আসত না। সেখানে পথচারীদের খাওয়ার জন্য রেস্তোরা বসানো হতো না, বসানো হতো সরাইখানা। স্থানীয় লোকেরা তাদের উৎপাদিত খাদ্যশস্য, ফলফলাদি, গৃহপালিত পশু সরাইখানাতে দিয়ে যেত যেন মুসাফির আর ক্ষুধার্তরা এসে খেতে পায়। একজন নিঃস্ব মানুষ দেশ ভ্রমণে বের হতো, কোথায় তার আশ্রয়ের সঙ্কটে পড়া তো দূরের কথা, সে মানুষের কাছ থেকে উপহার উপঢৌকন নিয়ে ধনী মানুষ হয়ে বাড়ি ফিরত।
রসুলাল্লাহ এন্তেকালের সময় পার্থিব সম্পদ হিসাবে কী রেখে গেছেন সেটা সর্বজনবিদিত। সেগুলো হচ্ছে (১) ১টি চাটাই, (২) ১ টি বালিশ (খেজুরের ছাল দিয়ে ভর্তি) ও (৩) কয়েকটি মশক। আরও রেখে যানÑ (১) ৯টি তরবারী, (২) ৫টি বর্শা, (৩) ১টি তীরকোষ, (৪) ৬টি ধনুক, (৫) ৭টি লৌহবর্ম, (৬) ৩টি জোব্বা (যুদ্ধের), (৭) ১টি কোমরবন্ধ, (৮) ১টি ঢাল এবং (৯) ৩টি পতাকা। (তথ্যসূত্র:- সিরাতুন্নবী- মওলানা শিবলী নোমানী)। তিনি যদি পার্থিব কোনো স্বার্থে সংগ্রাম করতেন তাহলে তাঁর ইন্তেকালের পর সেটার অবশ্যই নমুনা পাওয়া যেত। কিন্তু সিরাত গ্রন্থগুলো থেকে আমরা দেখি- সারা জীবন তিনি যে অন্যায়ের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে গেছেন সেই সংগ্রামের হাতিয়ার আর পার্থিব সম্পদ বলতে কেবল চাটাই, বালিশ আর মশক পাওয়া যায়, যা একেবারেই নিত্য ব্যবহার্য। সোনাদানা, হীরা, জহরত কিছুই তিনি রেখে যান নি।
সুতরাং মানুষের মুক্তিই হচ্ছে রসুলাল্লাহর (সা.) আগমনের উদ্দেশ্য, সকল নবী রসুলের আগমনের উদ্দেশ্য। এটাই ইসলামের উদ্দেশ্য। এই উদ্দেশ্য (আকিদা) যার সামনে থাকবে, সে আর ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র বিষয় নিয়ে বাড়াবাড়ি করবে না, সন্ত্রাসী কর্মকা- করে ইসলামের নাম বলে চালিয়ে দিতে পারবে না। পাশাপাশি ইসলাম বিদ্বেষীদের সকল অপপ্রচারও ভিত্তিহীন ও যুক্তিহীন হয়ে যাবে। তাই এখন সকলের জন্যই রসুলাল্লাহর আগমনের সঠিক উদ্দেশ্যটি জানা অত্যন্ত জরুরি।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

একসময়ের প্রাণচাঞ্চল্য আজ নীরব: আক্কেলপুরের জাফরপুর রেলস্টেশনে দুর্ভোগে এলাকাবাসী

একসময়ের প্রাণচাঞ্চল্য আজ নীরব: আক্কেলপুরের জাফরপুর রেলস্টেশনে দুর্ভোগে এলাকাবাসী
জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার জাফরপুর রেলস্টেশন একসময় ছিল আশপাশের গ্রামের মানুষের যাতায়াত ও জীবিকার অন্যতম কেন্দ্র। ট্রেনের অপেক্ষায় যাত্রীদের ভিড়, স্টেশন ঘিরে হোটেল ও দোকানপাটের ব্যস্ততা…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    রাজশাহী

সংবাদ প্রকাশের জেরে আমার দেশ প্রতিনিধির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার অভিযোগ, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

সংবাদ প্রকাশের জেরে আমার দেশ প্রতিনিধির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার অভিযোগ, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি
গাজীপুর সংবাদদাতা:সংবাদ প্রকাশের জেরে হয়রানির শিকার হওয়ার অভিযোগ তুলে নিজের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন দৈনিক আমার দেশ-এর শ্রীপুর প্রতিনিধি এস এম…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

কালিয়াকৈরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে বুলডোজার দিয়ে ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ

কালিয়াকৈরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে বুলডোজার দিয়ে ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ
গাজীপুরের কালিয়াকৈরে জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে বুলডোজার দিয়ে প্রতিপক্ষের ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কালিয়াকৈর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

গাইবান্ধায় ২৪ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার

গাইবান্ধায় ২৪ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার
গাইবান্ধা পৌর এলাকার সবুজপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২৪ পিস ইয়াবাসহ দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে ২৪…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    রংপুর

দুর্গাপূজায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা, ধামরাইয়ে মন্দির পরিদর্শন শেষে বিভাগীয় কমিশনার

দুর্গাপূজায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা, ধামরাইয়ে মন্দির পরিদর্শন শেষে বিভাগীয় কমিশনার
শারদীয় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপন নিশ্চিত করতে বিভিন্ন কমিটির নেতাকর্মী ও রাজনৈতিক দলগুলো মাঠপর্যায়ে অত্যন্ত সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা বিভাগীয়…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

কুড়িগ্রামে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও সংবাদ সম্মেলন করেছে এসআরবি ১৩

কুড়িগ্রামে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও সংবাদ সম্মেলন করেছে এসআরবি ১৩
কুড়িগ্রামে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গোৎসব যথাযথভাবে উদযাপন করতে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ রাখতে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও সংবাদ সম্মেলন করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) ১৩। আজ…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    রংপুর

নীলফামারীতে হেযবুত তওহীদের নারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত

নীলফামারীতে হেযবুত তওহীদের নারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত
ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে নীলফামারীতে হেযবুত তওহীদের উদ্যোগে জেলা নারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ রবিবার (১৮ অক্টোবর) সকালে নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলায় এই সম্মেলন…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    রংপুর

ধস্তাধস্তির ঘটনায় শিক্ষক দম্পতিকে বদলি দুই প্রান্তের দুই বিদ্যালয়ে!

ধস্তাধস্তির ঘটনায় শিক্ষক দম্পতিকে বদলি দুই প্রান্তের দুই বিদ্যালয়ে!
ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়ায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে ধস্তাধস্তির ঘটনায় শিক্ষক দম্পতিকে একই উপজেলার দুই প্রান্তের দুটি বিদ্যালয়ে বদলি করা হয়েছে। এর আগে সহকারী শিক্ষক আছমা খাতুনকে…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    ময়মনসিংহ

সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি!

সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি!
গাজীপুর প্রতিনিধি:  গাজীপুরের শ্রীপুরে সংবাদ প্রকাশের জেরে হয়রানির শিকার হওয়ার অভিযোগ তুলে নিজের বিরুদ্ধে দায়ের করা একটি ফৌজদারি মামলার নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন দৈনিক আমার…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    ঢাকা

জুলাই সনদ ছাড়া রাষ্ট্র চালানো ফিটনেসবিহীন গাড়িতে ওঠার মতো: হাসনাত

জুলাই সনদ ছাড়া রাষ্ট্র চালানো ফিটনেসবিহীন গাড়িতে ওঠার মতো: হাসনাত
জুলাই সনদ ছাড়া রাষ্ট্র পরিচালনাকে ফিটনেসবিহীন গাড়িতে ওঠার সঙ্গে তুলনা করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আব্দুল্লাহ। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেছেন,…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    নির্বাচিত

শর্ত মানলেই সাত দিনের মধ্যে খুলবে হরমুজ প্রণালি: আরাগচি

শর্ত মানলেই সাত দিনের মধ্যে খুলবে হরমুজ প্রণালি: আরাগচি
যুক্তরাষ্ট্র ইরানের শর্ত মেনে নিলে ছয় দিনের মধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া সম্ভব বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে দেওয়া সাত…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    আন্তর্জাতিক

তিন বছরের অপেক্ষার অবসান, যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ড পেলেন মৌসুমী!

তিন বছরের অপেক্ষার অবসান, যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ড পেলেন মৌসুমী!
ঢালিউডের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা মৌসুমীর যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ড পাওয়ার খবর সামনে এসেছে। দীর্ঘ তিন বছরের অপেক্ষার পর দেশটিতে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ তৈরি হয়েছে তার। তবে গ্রিন…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    বিনোদন

মা ইলিশ সংরক্ষণে ৩৮ জেলার ১১১ এমপিকে মন্ত্রীর নির্দেশনা!

মা ইলিশ সংরক্ষণে ৩৮ জেলার ১১১ এমপিকে মন্ত্রীর নির্দেশনা!
মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান সফল করা এবং জনসচেতনতা বাড়াতে ৩৮ জেলার ১১১ জন সংসদ সদস্যকে ডিও লেটার দিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

বাংলাদেশের পর্যটন খাতে ১.২ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা জাপানের!

বাংলাদেশের পর্যটন খাতে ১.২ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা জাপানের!
বাংলাদেশের পর্যটন ও আতিথেয়তা খাতে প্রাথমিকভাবে ১ দশমিক ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন জাপানি বিনিয়োগকারীরা। এ প্রস্তাব আনুষ্ঠানিকভাবে জমা দেওয়া হলে দ্রুত…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    জাতীয়

বিমানবন্দরে ফিফা সভাপতির সঙ্গে বাফুফের বৈঠক, মিলল আর্থিক সহায়তার আশ্বাস!

বিমানবন্দরে ফিফা সভাপতির সঙ্গে বাফুফের বৈঠক, মিলল আর্থিক সহায়তার আশ্বাস!
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি তাবিথ আউয়ালসহ চার সহ-সভাপতি। ঘণ্টাব্যাপী আলোচনায় বাংলাদেশের ফুটবলের…
 ১৮ অক্টোবর ২০২৬    খেলাধুলা