প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   আরবরাও আল্লাহকে উপাস্য মানত

আরবরাও আল্লাহকে উপাস্য মানত

২২ নভেম্বর ২০১৭ ১২:০৬ পিএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

মোহাম্মদ আসাদ আলী:
অনেকে মনে করেন যাদের মধ্যে বিশ্বনবী এসেছিলেন তারা বোধহয় আল্লাহর অস্তিত্বে বিশ্বাস করত না, আল্লাহকে উপাস্য বলে মানত না। আসলে কিন্তু তা নয়। তারাও আল্লাহকে বিশ্বাস করত, তাঁকে সমস্ত সৃষ্টির স্রষ্টা বলে জানত। এ কথার সাক্ষ্য স্বয়ং আল্লাহ দিচ্ছেন। তিনি তাঁর রসুলকে বলছেন- তুমি যদি তাদের (আরবের অধিবাসীদের) জিজ্ঞাসা কর আসমান ও যমীন কে সৃষ্টি করেছেন? তবে তারা অবশ্যই জবাব দেবে- সেই সর্বশক্তিমান মহাজ্ঞানী (আল্লাহ) (কোরান- সুরা যখরুফ, আয়াত ৯)। অন্যত্র বলছেন- তুমি যদি তাদের প্রশ্ন কর আকাশ ও পৃথিবী কে সৃষ্টি করেছেন এবং কে সূর্য ও চাঁদকে (তাদের কর্তব্যকাজে) নিয়োজিত ও নিয়ন্ত্রণ করছেন? তবে তারা অবশ্যই বলবে, আল্লাহ (সুরা আন্কাবুত, আয়াত ৬১)। আল্লাহ আবার বলছেন- যদি তুমি তাদের জিজ্ঞাসা কর- মাটি (পানির অভাবে শুকিয়ে যেয়ে) মরে যাবার পর আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করে কে তাকে আবার পুনর্জীবন দান করেন? তবে তারা অবশ্যই বলবে- আল্লাহ (সুরা আন্কাবুত, আয়াত ৬৩)। তিনি আবার বলছেন তাঁর রসুলকে- যদি তাদের প্রশ্ন কর- কে এই মহাকাশ ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন? তবে তারা অবশ্যই জবাব দেবে- আল্লাহ (সুরা লোকমান, আয়াত ২৫)। প্রশ্ন আসতে পারে আল্লাহর প্রতি এতই যখন বিশ্বাস তাহলে তারা মূর্তি বানিয়ে পূজা করত কেন? এর জবাবও আল্লাহ দিয়েছেন। তারা লাত, মান্নাত, হুবাল ইত্যাদিকে স্রষ্টা মনে করত না। এসব দেব-দেবীর মূর্তি বানিয়ে পূজা করত এই আশায় যে, এরা আল্লাহর কাছে তাদের জন্য সুপারিশ করবে (সুরা ইউনুস, আয়াত ১৮)।
তারা ইবরাহীমকে (আ.) আল্লাহর নবী বলে বিশ্বাস করত; নিজেদের মিল্লাতে ইবরাহীম বলে বিশ্বাস করত; ইবরাহীম (আ.) দ্বারা পুনর্নির্মিত কাবাকে আল্লাহর ঘর বলে বিশ্বাস করত; কাবার দিকে মুখ করে ইবরাহীমের (আ.) শেখানো পদ্ধতিতে সালাহ (নামাজ) কায়েম করত; কাবাকে কেন্দ্র করে বছরে একবার হজ্ব করত; কাবা তওয়াফ (পরিক্রমা) করত; সেখানে যেয়ে আল্লাহর রাস্তায় পশু কোরবানি করত; বছরে একমাস, রমাদান মাসে সওম (রোযা) পালন করত; এমন কি প্রত্যেকে ইবরাহীমের (আঃ) শেখান খাত্না করত। তারা প্রতি কাজে আল্লাহর নাম নিত, দলিল ইত্যাদি লিখতে বিয়ে-শাদীর কাবিন লিখতে তারা প্রথমেই ওপরে আল্লাহর নাম লিখে আরম্ভ করত। আমরা যেমন এখন লেখি ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’, তারা লেখত ‘বিসমিকা আল্লাহুম্মা’। একই অর্থ। কিন্তু এতকিছুর পরও তারা কাফের, মোশরেক ছিল কারণ তারা তাদের সর্বময় জীবনে আল্লাহর সার্বভৌমত্বের বদলে ক্বাবার ঐ তিনশ’ ষাটটি মূর্তির পুরোহিতদের সার্বভৌমত্ব মেনে নিয়েছিল। পুরোহিতরা যে হুকুম দিত তারা সেটাই পালন করত। ফলে অন্যায়, অবিচার, চুরি, ডাকাতি, যুদ্ধ, রক্তপাতে ভরে গিয়েছিল তাদের সমাজ। আল্লাহর রসুল এসে যখন ঘোষণা দিলেন- আল্লাহ ছাড়া কোনো হুকুমদাতা (ইলাহ) নেই, তখন ঐ পুরোহিতদের কায়েমী স্বার্থে আঘাত লাগল। সমাজপতিরা, ধর্মের ধ্বজাধারীরা উত্তেজিত হয়ে উঠল। আল্লাহর রসুল ও তাঁর মুষ্ঠিমেয় অনুসারীর উপর অকথ্য নির্যাতন নিপীড়ন চলতে থাকল। সেদিন আল্লাহর রসুল যদি সর্বাঙ্গীন জীবনের তওহীদের দিকে আহ্বান না করে আজকের বিকৃত আকীদায় আমরা যেমন আল্লাহকে কেবল ব্যক্তিগত জীবনের উপাস্য বলে মনে করি কিন্তু জাতীয় জীবনে কার হুকুম চলছে সেটা নিয়ে মাথা ঘামাই না- আল্লাহর রসুলও যদি তেমন ব্যক্তিগত জীবনের উপাসনার দিকে ডাকতেন তাহলে আর যাই হোক তাঁকে ও তাঁর অনুসারীদেরকে নির্যাতিত হতে হত না।
ঐ আরবদের মধ্যেই কিছু লোক ছিল তারা মূর্তিপূজা করাকে ঘৃণ্য কাজ মনে করত যেমনটা আমরা বর্তমানে মনে করি। তাদের মধ্যে একজনের নাম জায়েদ ইবনে আমর। ইবনে ইসহাক রসুলাল্লাহর জীবনীগ্রন্থে এই জায়েদ ইবনে আমর সম্পর্কে লিখেছেন যে, ‘তিনি নিজের বাপ-দাদার ধর্মবিশ্বাস পরিত্যাগ করে মূর্তি, মৃত প্রাণী ও রক্ত ভক্ষণ এবং প্রতিমাকে অর্ঘ্যদান ইত্যাদি বিষয় থেকে বিরত থাকতেন। বলতেন, তিনি কেবল ইবরাহিমের উপাস্যকে পূজা করেন। নিজের লোকজনকে প্রকাশ্যে তিনি তাদের আচার-আচরণের জন্য নিন্দা করতেন।’ কই, এই ব্যক্তিকে তো ওতবা, শায়বা, আবু জাহেলরা কিছু বলত না। অন্যদিকে বিশ্বনবীকে সমস্ত রকমের নির্যাতন তো বটেই, শেষাবধি হত্যার সিদ্ধান্ত পর্যন্ত নিল। এর কারণ খুব সোজা- জায়েদ ইবনে আমর যেটা করেছিলেন আর আল্লাহর রসুল যেটা করেছিলেন এই উভয়ের মধ্যে আকাশ পাতাল তফাৎ রয়েছে। জায়েদ ডাকছিলেন উপাসনা, আরাধনার দিকে, ওটা পূর্ণাঙ্গ তওহীদ নয় যে তওহীদ নিয়ে যুগে যুগে আল্লাহর পক্ষ থেকে নবী-রসুলগণ এসেছেন, অন্যদিকে আখেরী নবী মানুষকে আহ্বান করছিলেন সেই প্রকৃত তওহীদ তথা আল্লাহর সার্বভৌমত্ব- ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’র দিকে, যে দাবিকে শয়তান সবচাইতে বেশি ভয় পায়, কারণ এই একটি দাবি গ্রহণ করে নিলেই মানুষের জীবন থেকে অন্যায়, অবিচার, যুদ্ধ, রক্তপাত ইত্যাদি নির্মূল হয়ে যাবে, মানুষকে পথভ্রষ্ট করার চ্যালেঞ্জে সে হেরে যাবে, আল্লাহ বিজয়ী হবেন।
চুরি ও ব্যাভিচারের মত অপরাধ করেও কেবল তওহীদের স্বীকৃতি দিলেই জান্নাতের প্রতিশ্রুতি (হাদিস) রসুলাল্লাহ কেন দিয়েছেন তার জবাবটা এখানে নিহিত আছে। কোনো সমাজের মানুষ তওহীদের স্বীকৃতি দেওয়ার অর্থ তারা আল্লাহর হুকুম মোতাবেক তাদের সমষ্টিগত জীবন পরিচালনা করতে সম্মতি জ্ঞাপন করল। চূড়ান্ত সিদ্ধান্তদাতা হিসেবে আল্লাহকে গ্রহণ করে নিল। আর এটা সাধারণ জ্ঞানেই বোঝা যায় যে, আল্লাহ ভুল সিদ্ধান্ত দিতে পারেন না। তিনি জানেন কোন নিয়মে এই জগত চলছে, কারণ তিনিই এসবের স্রষ্টা। কাজেই মানুষের সমষ্টিগত জীবন পরিচালনার ক্ষেত্রে তাঁর সিদ্ধান্ত যে নিখুঁত ও সঠিক হবে তাতে সন্দেহ নেই। কোনো জনসমষ্টি ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ ঘোষণা দেওয়ার অর্থ এই যে, তারা কার্যত নিজেদের ব্যক্তি, সমাজ ও জাতীয় জীবনের জন্য একটি ত্রুটিহীন জীবনব্যবস্থা নির্বাচন করল। এর প্রভাবে প্রথমত তাদের জাতীয় জীবন থেকে অন্যায়, অবিচার, দুর্নীতি, রক্তপাত নির্মূল হয়ে যাবে এবং দ্বিতীয়ত জাতীয় জীবনের প্রভাবে ব্যক্তিগত জীবনও পরিশুদ্ধ হয়ে অচিন্তনীয় শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে। তখন চুরি, ব্যাভিচারের সুযোগ থাকলেও মানুষ এসব গর্হিত কাজে জড়াবে না, যে পরিবেশ আজকে আমরা হাজারো আইন-কানুন, দণ্ডবিধি প্রনয়ণ করেও তৈরি করতে ব্যর্থ হচ্ছি। ব্যর্থ হচ্ছি তার কারণ আল্লাহ ও রসুল যে তওহীদকে সবার উপরে স্থান দিয়েছেন আমরা সেটাকে সবার নিচে নামিয়ে দিয়ে দ্বীনের খুঁটিনাটি, মাসলা-মাসায়েল ইত্যাদিকে উপরে স্থান দিয়েছি। আমরা উপাসনা-আরাধনায় আছি, খুব ভালোভাবেই আছি। আমাদের লক্ষ লক্ষ মসজিদ আছে। এসি মসজিদ, টাইলস মসজিদ, সোনার গম্বুজ বসানো মসজিদ। লক্ষ লক্ষ মাদ্রাসা আছে, সেখানে নিখুঁত আরবি শেখানো হয়, ব্যাকরণ শেখানো হয়, কোর’আন-হাদীস, ফেকাহ, মাসলা-মাসায়েল মুখস্ত করানো হয়। এসবের সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম জ্ঞান নিয়ে অসংখ্য আলেম, পণ্ডিত বের হন। মিলাদ, মাহফিল, ইজতেমা, হজ্ব ইত্যাদিতে লক্ষ লক্ষ মানুষের জমায়েত হয়। অনেকে নিয়মিত তাহাজ্জুদ পড়েন। পাড়া-মহল্লা কাঁপিয়ে জিকির করেন। কিন্তু একটি জায়গায় আমরা ধরা এবং সেই জায়গাটি দ্বীনের একেবারে মূলমন্ত্র, ভিত্তিমূল, যেখানে কোনো আপস চলে না। সেটা হচ্ছে আমরা আল্লাহকে সর্বাঙ্গীন জীবনের একমাত্র হুকুমদাতা, বিধানদাতা অর্থাৎ ইলাহ হিসেবে মানছি না। আমরা আল্লাহর দেওয়া জীবনবিধানকে কয়েক শ’ বছর পূর্বেই পরিত্যাগ করে পাশ্চাত্যের তৈরি বিধানকে কার্যকর করে নিয়েছি। পাশ্চাত্যের তৈরি রাজনৈতিক ব্যবস্থা, অর্থনৈতিক ব্যবস্থা, বিচারব্যবস্থা, শিক্ষাব্যবস্থা, আইন, কানুন, দণ্ডবিধি দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে আমাদের জাতীয় জীবন। অর্থাৎ আমাদের ইলাহ এখন আল্লাহ নেই, দ্বীন বা জীবনব্যবস্থাও ‘ইসলাম’ নেই। আখেরী যামানায় কি কি হবে সে সম্বন্ধে ভবিষ্যদ্বাণীতে আল্লাহর রসুল বলেছিলেন, তখন মসজিদসমূহ পূর্ণ হবে- সেখানে জায়গা পাওয়া যাবে না, কিন্তু সেখানে হেদায়াহ থাকবে না (বায়হাকী)। হেদায়াহ’ই হলো আল্লাহকে একমাত্র ইলাহ, হুকুমাদাতা বলে বিশ্বাস করা, মেনে নেওয়া অর্থাৎ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ। মুসল্লি দিয়ে ভর্ত্তি মসজিদগুলোতে যদি হেদায়াহ’ই না থেকে থাকে তবে সেখানে আর রইল কী? আল্লাহ বলেছেন, আল্লাহ যে আইন, বিধান নাযেল করেছেন তা দিয়ে যারা হুকুম করে না তারাই কাফের, জালেম, ফাসেক (সুরা মায়েদা- ৪৪, ৪৫, ৪৭)। পরিহাসের বিষয় হচ্ছে- আল্লাহর ভাষায় কার্যত কাফের, জালেম, ফাসেক হবার পরেও ব্যক্তিজীবনে আমরা খুব আমল করে যাচ্ছি, নামাজ পড়তে পড়তে কপালে কড়া ফেলে দিচ্ছি, আর ভাবছি- খুব বোধহয় সওয়াবের কাজ হচ্ছে। এই ঈমানহীন আমল যে আল্লাহ ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে আমাদেরকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করবেন সেটা বোঝার সাধারণ জ্ঞানটাও আমাদের লোপ পেয়েছে।
লেখক: সহকারী সাহিত্য সম্পাদক, হেযবুত তওহীদ।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

ফেনীতে লালপোলে স্টার লাইন কাউন্টারের সামনে থেকে ৭ কেজি গাঁজাসহ ২ নারী গ্রেফতার

ফেনীতে লালপোলে স্টার লাইন কাউন্টারের সামনে থেকে ৭ কেজি গাঁজাসহ ২ নারী গ্রেফতার
ফেনী প্রতিনিধি: ফেনী সদর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৭ কেজি গাঁজাসহ দুই নারী মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুর…
 ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬    চট্টগ্রাম

দেশের বাজারে ফের বাড়লো স্বর্ণের দাম

দেশের বাজারে ফের বাড়লো স্বর্ণের দাম
দেশের বাজারে টানা তিন দফা স্বর্ণের দাম কমার পর এবার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভ্যাটসহ প্রতি ভরি সোনার দাম সর্বোচ্চ ৫…
 ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬    অর্থনীতি

ইফার মউশিক প্রকল্প পরিচালকের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অসত্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত

ইফার মউশিক প্রকল্প পরিচালকের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অসত্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত
ইসলামিক ফাউন্ডেশন (ইফা) পরিচালিত ‘নৈতিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ উন্নয়নে মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম’ (মউশিক) প্রকল্পের পরিচালক (যুগ্মসচিব) এস এম তরিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে সম্প্রতি একটি…
 ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬    জাতীয়

মাদারীপুরে একাধিক মানবপাচার মামলার আসামি এনামুল গ্রেফতার, পলাতক ভাইয়ের খোঁজে তল্লাশি

মাদারীপুরে একাধিক মানবপাচার মামলার আসামি এনামুল গ্রেফতার, পলাতক ভাইয়ের খোঁজে তল্লাশি
মাদারীপুর প্রতিনিধি: মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার বদরপাশা এলাকা থেকে একাধিক মানবপাচার মামলার আসামি এনামুল মাতুব্বরকে গ্রেফতার করেছে মাদারীপুর জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট)…
 ১৫ আগস্ট ২০২৬    ঢাকা

​প্রধানমন্ত্রীর নিকট হেফাজতের অন্যায্য দাবির তীব্র প্রতিবাদ ও প্রত্যাখ্যান হেযবুত তওহীদের

​প্রধানমন্ত্রীর নিকট হেফাজতের অন্যায্য দাবির তীব্র প্রতিবাদ ও প্রত্যাখ্যান হেযবুত তওহীদের
​ঢাকা: মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিকট হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ কর্তৃক হেযবুত তওহীদকে নিষিদ্ধ করার অন্যায্য ও অগণতান্ত্রিক দাবির তীব্র নিন্দা, প্রতিবাদ ও তা সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান…
 ১০ আগস্ট ২০২৬    জাতীয়

মাদারীপুরের আলোচিত গৃহবধূ লামিয়া হত্যা মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার

মাদারীপুরের আলোচিত গৃহবধূ লামিয়া হত্যা মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার
মাদারীপুর জেলার আলোচিত গৃহবধূ লামিয়া হত্যা মামলার তিন আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মাদারীপুর জেলা পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমানের নির্দেশনায় এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল)…
 ২১ জুলাই ২০২৬    ঢাকা

মাদারীপুর সরকারি কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের ঘোষণা এমপি জাহান্দার আলীর

মাদারীপুর সরকারি কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের ঘোষণা এমপি জাহান্দার আলীর
মাদারীপুর সরকারি কলেজের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের নবীনবরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আজ মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে…
 ১৪ জুলাই ২০২৬    ঢাকা

শ্রীপুরে পোশাক কারখানায় হঠাৎ অর্ধশতাধিক শ্রমিক অসুস্থ, ছুটি ঘোষণা

শ্রীপুরে পোশাক কারখানায় হঠাৎ অর্ধশতাধিক শ্রমিক অসুস্থ, ছুটি ঘোষণা
গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের টেপিরবাড়ি এলাকায় অবস্থিত ‘কালার অ্যান্ড কোং লিমিটেড কারখানায় প্রায় অর্ধশতাধিক শ্রমিক হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। পরে পরিস্থিতি বিবেচনায় কর্তৃপক্ষ আজ কারখানার…
 ৭ জুলাই ২০২৬    ঢাকা

টাঙ্গাইলে পরিত্যক্ত কূপে ছাগলছানা বাঁচাতে গিয়ে বাবা-ছেলেসহ চারজনের মৃত্যু

টাঙ্গাইলে পরিত্যক্ত কূপে ছাগলছানা বাঁচাতে গিয়ে বাবা-ছেলেসহ চারজনের মৃত্যু
টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলায় একটি পরিত্যক্ত কূপে পড়ে যাওয়া ছাগলছানা উদ্ধার করতে গিয়ে একই পরিবারের ও প্রতিবেশীদের চারজন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। আজ শনিবার (২০…
 ২০ জুন ২০২৬    ঢাকা

কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপে স্বর্ণপদক জিতলেন পটুয়াখালীর নুর-ই-জান্নাত

কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপে স্বর্ণপদক জিতলেন পটুয়াখালীর নুর-ই-জান্নাত
পটুয়াখালী প্রতিনিধি: ঢাকার শহীদ নূর হোসেন জাতীয় ভলিবল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘শিহান হুমায়ুন কবির জুয়েল মেমোরিয়াল ৫ম কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬’-এ স্বর্ণপদক জিতেছেন পটুয়াখালীর মেয়ে নুর-ই-জান্নাত। শুক্রবার (১৯…
 ২০ জুন ২০২৬    বরিশাল

বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থার ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থার ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন
বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থা বাংলাদেশের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ৫১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে। নবগঠিত এই কমিটিতে শওকত সরদারকে সভাপতি, সোলায়মান পলাশকে সাধারণ সম্পাদক…
 ১৯ জুন ২০২৬    জাতীয়

মহাখালীতে সাবেক ছাত্রনেতাদের আলোচনা ও দোয়া মাহফিল

মহাখালীতে সাবেক ছাত্রনেতাদের আলোচনা ও দোয়া মাহফিল
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকারের সাফল্য কামনা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসাধীন বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও সাবেক সংসদ সদস্য নাজিমুদ্দিন আলমের সুস্থতা কামনায় আলোচনা ও দোয়া…
 ১৯ জুন ২০২৬    ঢাকা

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক: যা থাকছে ১৪ দফার চুক্তিতে

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক: যা থাকছে ১৪ দফার চুক্তিতে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি সম্প্রসারণের লক্ষ্যে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত এবং কার্যকর হয়েছে। ফ্রান্সের এভিয়ান-লে-বাঁ এলাকায় অনুষ্ঠিত জি৭ সম্মেলনে অংশ নেওয়ার সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট…
 ১৮ জুন ২০২৬    আন্তর্জাতিক

কুমিল্লায় কোদালের কোপে বড় ভাইকে হত্যা, ছোট ভাই গ্রেফতার

কুমিল্লায় কোদালের কোপে বড় ভাইকে হত্যা, ছোট ভাই গ্রেফতার
কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় পারিবারিক বিরোধের জেরে বড় ভাইকে কোদাল দিয়ে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার আপন ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে। বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে উপজেলার জগতপুর…
 ১৮ জুন ২০২৬    চট্টগ্রাম

বিশ্ববাজারে আবার ঊর্ধ্বমুখী স্বর্ণের দাম, নেপথ্যে যে কারণ

বিশ্ববাজারে আবার ঊর্ধ্বমুখী স্বর্ণের দাম, নেপথ্যে যে কারণ
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্পাদিত অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তির জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমেছে। এর ফলে বিশ্ববাজারে মূল্যস্ফীতির চাপ কমার ঘুরে দাঁড়িয়েছে স্বর্ণের বাজার। আজ…
 ১৮ জুন ২০২৬    অর্থনীতি