প্রচ্ছদ    বিশেষ নিবন্ধ   বাড়ছে বকধার্মিকতা

বাড়ছে বকধার্মিকতা

১৭ এপ্রিল ২০২৪ ০৭:৩৪ এএম
বজ্রশক্তি ডেস্ক

বকধার্মিকতার ভিড়ে হারিয়ে যেতে বসেছে ধর্মের প্রকৃত রূপ, ধর্মের আসল সৌন্দর্য। ধর্মেরই লেবাসে সমাজে ক্রমেই বেড়ে চলেছে অধর্মের চাষবাস। চলুন, তার কিছু নমুনা দেখে আসি।
ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন থেকে শুরু করে জাতীয় নির্বাচন, প্রতিটি নির্বাচনের আগে কিছু ধার্মিক লোকের আত্মপ্রকাশ ঘটে। জীবনে খুব বেশি ধর্মকর্ম তারা করেন না, কিন্তু নির্বাচনের আগে হঠাৎ করেই ধার্মিক হয়ে যান। নিয়মিত মসজিদে আসা-যাওয়া শুরু করেন, এতিমখানায় খাবার বিতরণ করেন, মোল্লা-মৌলভীদেরকে বাড়িতে ডেকে আপ্যায়ন করেন। সারা জীবন পরের হক নষ্ট করে আসা লোকটিও নির্বাচনের আগে হঠাৎ করে দানশীল হয়ে ওঠেন। গরীব-দুঃখী মানুষের প্রতি দরদে তার হৃদয় উতলে ওঠে। রমজান, ঈদ, শীত, বন্যায় ছুটে যান মানুষের পাশে, বিতরণ করেন খাবার, শাড়ি, লুঙ্গি, গামছা, কম্বল ইত্যাদি। আর এসব ‘ভালো কাজ’ তারা করেন বেশ ঢাক-ঢোল পিটিয়ে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছবি আপলোড করেন, কেউ কেউ টাকা খরচ করে সাংবাদিক ডেকে এনে মিডিয়াতে প্রচারও করেন।
এতক্ষণ যাদের কথা বললাম তারা হচ্ছে ‘উঠতি ধার্মিক’। রাজনীতি পাড়ায় কিছু ‘পুরানো ধার্মিক’ও আছে যারা নামাজ পড়তে পড়তে কপালে দাগ ফেলে দেন। দাড়ি লম্বা করে মেহেদী লাগিয়ে রীতিমতো আল্লাহ-ওয়ালা বনে যান। অথচ গরীবের হক নষ্ট করা, সরকারের বিভিন্ন খাতের টাকা আত্মসাৎ করা, রাস্তা-ব্রিজ-কালভার্টের টাকা লুটপাট করা, অর্থের বিনিময়ে বিচার-সালিশ করা, চাকরি পাইয়ে দেয়ার কথা বলে মধ্যবিত্তের টাকা মেরে দেয়া সহ এহেন অন্যায় পন্থা নাই যা তারা অবলম্বন করেন না। ধার্মিকের ছদ্দবেশে এই মানুষগুলো যুগ যুগ ধরে সমাজের একটি বিশেষ মর্যাদার আসনে বসে ‘অত্যন্ত গাম্ভীর্যের সাথে’ এই অধর্মগুলো করে যান। কেউ প্রকাশ্যে, কেউ বা লোকচক্ষুর আড়ালে।
রাজনীতি পাড়ার এই বকধার্মিকদের মতো আরো একটি শ্রেণির দেখা মেলে সরকারি অফিস, থানা-পুলিশ ও ব্যাংক পাড়ায়। তারাও নিয়মিত নামাজ পরেন, গায়ে আরবীয় খুশবু মাখেন। বিশেষ করে রমজান মাস এলে তারা রীতিমতো পীর দরবেশ হয়ে ওঠেন। এক ওয়াক্ত নামাজ কাজা করেন না, একটা রোজা ভাঙেন না। আরবীয় খেজুর ছাড়া ইফতার করেন না, পাঞ্জাবি না পরে অফিস করেন না। অথচ ষুষ না পেলে একটা ফাইলও এই টেবিল থেকে ওই টেবিলে সরান না। রমজান মাসেও তাদের এই খাই-খাই প্রবণতা এতটুকু কমে না, বরং আরো বাড়ে। বাড়তি উৎকোচের কারণ- আমাদেরও তো বউ-বাচ্চা আছে, আমাদেরকেও তো ঈদ করতে হবে, আমাদেরও তো রমজান মাসে একটা বাড়তি খরচ আছে! পাক্কা ঈমানদার এই মানুষগুলো রোজা না রাখলে গুনাহগার হোন, কিন্তু মানুষকে হয়রানি করে সুবিধা আদায় করলে কোনো গুনাহ নাই। বরং এটাকে তারা নিজেদের ‘হক’ মনে করেন।
এমন ভণ্ডামি শুধু সরকারি অফিস পাড়াতে ঘুরলেই দেখা যায় তা নয়, বরং কমবেশি সব জায়গাতেই এর দেখা মেলে। মানুষের ¶তি হবে জেনেও খাবারে ভেজাল মেশান যে দোকানি, কিংবা আড়ৎদার, তিনিও ঘটা করে নামাজ পড়েন এই রমজানে। যে ব্যবসায়ী লোকটি সিন্ডিকেট করে পণ্যের দাম বাড়িয়ে দেন, তিনিও পাক্কা মুসল্লি হয়ে ওঠেন এই রমজানে। সরকারের যে দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের ব্যর্থতায় এই রমজানে মানুষের নাভিশ্বাস, ঘরে ঘরে হাহাকার, তাদেরকেও দেখা যায়, মক্কা শরীফে ইমাম সাহেবের ঠিক পাশে ইতেকাফে বসতে!
আরেক ধরনের প্রকাশ্য বকধার্মিকতা দেখা যায় মসজিদ ও ঈদগাহ মাঠে। সমাজে যারা সবচেয়ে বেশি অর্থবিত্তের মালিক, তারা শুক্রবারে বা ঈদের জামাতে সবার আগে নামাজে আসেন, একেবারে প্রথম কাতারে বসেন। মসজিদের ইমাম, সভাপতি, সেক্রেটারি সহ দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা তাদেরকে খুব সম্মান ও সমাদর করেন। নামাজের ফাঁকে ‘দান বাক্স’ যখন কাতারে কাতারে ঘুরে বেড়ায় কিংবা মাইকে ঘোষণা দিয়ে যখন ‘কালেকশন’ করা হয়, তখন এই হোমড়া-চোমড়া শ্রেণিটি সবচেয়ে বেশি দান-খয়রাত করেন। তাদের মোটা অংকের দানের ঘোষণার সাথে সাথে ‘মারহাবা!’ ‘মাশাল্লাহ’ ধ্বনিতে মসজিদ গমগম করে ওঠে। অথচ খোঁজ নিলে দেখা যাবে, এদের অধিকাংশই অর্থবিত্তের মালিক হয়েছে এমন পন্থায়, যা ধর্মস্বীকৃত নয়, ধর্মের চোখে বৈধ পন্থা নয়। কিন্তু এ ব্যাপারে প্রশ্ন তোলে না। বরং আয়ের উৎস যাই হোক না কেন, যে যত বেশি দান করেন, তার জন্য তার পরিবারের জন্য, এমনকি তার পরলোকগত পূর্বপুরুষের জন্য তত লম্বা করে দোয়া করা হয়। এভাবে কালো টাকা সাদা করে সমাজে সম্মানিত হওয়ার একেকটি মেশিন বসিয়ে রাখা হয় মসজিদগুলোতে।
এভাবে উদাহরণ দিতে গেলে দেখা যাবে, কোথাও বাদ নেই। প্রশ্ন হচ্ছে, সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে মিশে থাকা এই বকধার্মিকতা, এই ভণ্ডামির শেষ কোথায়?
ধর্ম এসেছে মানবতার কল্যাণে। সমাজে ন্যায়, শান্তি ও সুবিচার প্রতিষ্ঠার জন্য, মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য যুগে যুগে মহামানবেরা এসেছেন স্রষ্টার বিধান নিয়ে। সেই বিধানের সমষ্টিই হচ্ছে ধর্ম। যেমন ইসলাম ধর্মের কথা যদি বলা হয়, তাহলে এর মূলগ্রন্থ পবিত্র কোর’আনে বলা হয়েছে মানুষ কিভাবে তার ব্যক্তিগত জীবন থেকে শুরু করে পারিবারিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাষ্ট্রীয় জীবন পরিচালনা করবে। জীবনের প্রতিটি অঙ্গনের মূলনীতি সেখানে দেয়া হয়েছে। হুকুম দেয়া হয়েছে- সত্য বলো, ন্যায়ের পথে চলো, গরীবের হক আদায় করো, সুদ খেও না, ঘুষ নিও না, এতিমের অধিকার নষ্ট করো না, প্রতিবেশীকে না খাইয়ে রেখে নিজে পেট পুরে খেও না, পণ্যে ভেজাল মিশিও না, অন্যায়ভাবে পরের সম্পদ ভক্ষণ করিও না ইত্যাদি। মুসলিম সমাজে যখন স্রষ্টার দেয়া এই হুকুম-বিধানগুলো মানা হয়, তখন সেই সমাজে অবধারিত ফল হিসেবে শান্তি ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়। এ জন্য এই ধর্মের নাম দেয়া হয়েছে ‘ইসলাম’, আ¶রিক অর্থেই যার মানে হলো ‘শান্তি’। সমাজের প্রতিটি মানুষ যদি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পরে, প্রাপ্তবয়স্ক প্রতিটি মানুষও যদি রমজানে টানা ৩০ দিন রোজা রাখে, প্রত্যেকে মাথায় টুপি দিয়ে লম্বা দাড়ি রেখে পাক্কা মুসল্লির বেশ ধরে, অথচ স্রষ্টার দেয়া উপরোক্ত হুকুমগুলো না মানে, তাহলে কস্মিনকালেও সমাজে শান্তি তথা ‘ইসলাম’ আসবে না। কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে আমরা দেখি, সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠার সাথে সরাসরি যোগসূত্র যে হুকুমগুলোর, যে বিধানগুলোর, সেগুলোকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে অগণিত মানুষ ধার্মিক সেজে বসে আছে!
সমাজের এই বকধার্মিকতার বিস্তারে আমাদের ‘অতিধার্মিক’ পুরোহিত মোল্লা সাহেবরা দায় নিবেন কি না আমি জানি না। তবে বাস্তবতা এই যে, তারা যখন মোটা হাদিয়ার বিনিময়ে একজন পাপাচারীর জন্য লম্বা করে দোয়া করেন, মসজিদ-মাদ্রাসায় বড় অংকের দান খয়রাতের বিনিময়ে আল্লাহর দরবারে খাস দিলে ফরিয়াদ করেন, তখন সবচেয়ে পাপাচারী মানুষটিও নিজেকে পরিশুদ্ধ ভাবতে শুরু করে। নিজের সারা জীবনের পাপ ঢাকা পরে যায় ওই একদিনের দান-খয়রাতের নিচে। এভাবে অতিধার্মিকরা বকধার্মিকদেরকে ‘ধার্মিক’ সার্টিফিকেট দিয়ে যাচ্ছেন, টাকার বিনিময়ে। এই দুটি শ্রেণিকে মানুষ যতদিন না বয়কট করবে, ততদিন তারা ধর্মের আসল চেহারা দেখতে পাবে না। ততদিন ধর্মের সহজ-সরল, অনাবিল, শ্বাশত, সুন্দর রূপটি তাদের কাছে অধরা থেকে যাবে। আল্লাহ তা’আলা আমাদের সবাইকে ধর্মের প্রকৃত শিক্ষা উপলব্ধি করার তওফিক দান করুন। আমিন।

Photocard
টাইটেল সাইজ
লাইন স্পেস
অ্যাকশন
বামে বা ডানে সোয়াইপ করুন

মহেশপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত: র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

মহেশপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত: র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
মহেশপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি:ঝিনাইদহের মহেশপুরে ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৭ নভেম্বর) সকাল ১১টায় উপজেলা…
 ৭ নভেম্বর ২০২৬    খুলনা

গলাচিপায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত

গলাচিপায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত
গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:পটুয়াখালীর গলাচিপায় যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত হয়েছে। শনিবার (৭ নভেম্বর) সকাল ১০টায় উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলা প্রশাসনিক হলরুমে দিবসটি…
 ৭ নভেম্বর ২০২৬    বরিশাল

কাউনিয়ায় রতন হত্যা মামলার আসামিদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন

কাউনিয়ায় রতন হত্যা মামলার আসামিদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন
কাউনিয়া (রংপুর) প্রতিনিধি:রংপুরের কাউনিয়ায় এনজিও কর্মী ফখরুল আলম রতন হত্যাকাণ্ডে জড়িত সব আসামির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও দ্রুত ফাঁসি কার্যকরের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন…
 ৭ নভেম্বর ২০২৬    রংপুর

জিয়া পরিবারের নেতৃত্বেই বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে: যুবদল নেতা নয়ন

জিয়া পরিবারের নেতৃত্বেই বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে: যুবদল নেতা নয়ন
জিয়া পরিবারের নেতৃত্বেই বাংলাদেশ ভবিষ্যতে আরও এগিয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের সদস্যসচিব রবিউল ইসলাম নয়ন। তিনি বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের…
 ৭ নভেম্বর ২০২৬    নির্বাচিত

কুড়িগ্রামে যুবকের ছুরিকাঘাতে টাউন হলের কেয়ারটেকার নিহত, স্ত্রী আহত

কুড়িগ্রামে যুবকের ছুরিকাঘাতে টাউন হলের কেয়ারটেকার নিহত, স্ত্রী আহত
শাহ আলম, কুড়িগ্রাম:কুড়িগ্রাম পৌর টাউন হল মিলনায়তন চত্বরে এক যুবকের ছুরিকাঘাতে টাউন হলের কেয়ারটেকার নিহত এবং তার স্ত্রী আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত যুবককে গ্রেফতার…
 ৭ নভেম্বর ২০২৬    রংপুর

আওয়ামী লীগের পুনর্বাসনের আগে অতীতের অপরাধের বিচার নিশ্চিত করতে হবে: হাসনাত

আওয়ামী লীগের পুনর্বাসনের আগে অতীতের অপরাধের বিচার নিশ্চিত করতে হবে: হাসনাত
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, আওয়ামী লীগের অতীত শাসনামলে সংঘটিত অপরাধের বিচার নিশ্চিত না করে দলটিকে রাজনীতিতে…
 ৭ নভেম্বর ২০২৬    নির্বাচিত

মিঠাপুকুরে নববধূর রহস্যজনক মৃত্যু, শ্বশুরবাড়ির তিন সদস্যের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ

মিঠাপুকুরে নববধূর রহস্যজনক মৃত্যু, শ্বশুরবাড়ির তিন সদস্যের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ
রংপুর,প্রতিনিধি: রংপুরের মিঠাপুকুরে শিরিনা আক্তার (১৯) নামে এক নববধূর রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় নিহতের শ্বশুর, শাশুড়ি ও ননদের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার…
 ৭ নভেম্বর ২০২৬    রংপুর

বরিশালে হেযবুত তওহীদের নারী বিভাগের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

বরিশালে হেযবুত তওহীদের নারী বিভাগের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
আজিজুল ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টার: “জড়তা, অন্ধত্ব, সংকীর্ণতা, ধর্মব্যবসা ও বাড়াবাড়ির বিরুদ্ধে নারীকেই জাগতে হবে, জাগাতে হবে”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বরিশাল জেলায় হেযবুত তওহীদের নারী বিভাগের…
 ৭ নভেম্বর ২০২৬    বরিশাল

ঢাকা থেকে রিয়াদ-দাম্মামের ১৮০ ফ্লাইট বাতিল, আটকা ২৩ হাজার যাত্রী!

ঢাকা থেকে রিয়াদ-দাম্মামের ১৮০ ফ্লাইট বাতিল, আটকা ২৩ হাজার যাত্রী!
ঢাকা থেকে সৌদি আরবের রিয়াদ ও দাম্মামগামী ১৮০টি ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন হাজারো যাত্রী। এসব ফ্লাইটের যাত্রী হিসেবে মোট ২৩ হাজার ৮৫ জন আটকা…
 ৭ নভেম্বর ২০২৬    জাতীয়

সাংবাদিকদের প্রতিবাদে চট্টগ্রামের অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠান থেকে বাদ পরীমনি!

সাংবাদিকদের প্রতিবাদে চট্টগ্রামের অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠান থেকে বাদ পরীমনি!
সাংবাদিকের সঙ্গে সাম্প্রতিক বিরোধের জেরে চট্টগ্রামের একটি অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠান থেকে চিত্রনায়িকা পরীমনিকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আয়োজকরা। গণমাধ্যমকর্মীর সঙ্গে অসম্মানজনক আচরণের অভিযোগে চট্টগ্রামে কর্মরত সাংবাদিকদের…
 ৭ নভেম্বর ২০২৬    বিনোদন

‘হাসিনা দেশে ফিরবেন হাতকড়া পরে’: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

‘হাসিনা দেশে ফিরবেন হাতকড়া পরে’: তথ্য প্রতিমন্ত্রী
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে তাকে হাতকড়া পরেই ফিরতে হবে এবং তার বিরুদ্ধে ওঠা অপরাধের অভিযোগের বিচার করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও…
 ৭ নভেম্বর ২০২৬    ময়মনসিংহ

এক দিনেই ২১৩ রান হৃদয়ের, সাকিবের রেকর্ড ভেঙে নতুন ইতিহাস!

এক দিনেই ২১৩ রান হৃদয়ের, সাকিবের রেকর্ড ভেঙে নতুন ইতিহাস!
সিলেট টেস্টে ব্যাট হাতে ইতিহাস গড়েছেন বাংলাদেশের তাওহিদ হৃদয়। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্ট ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরিকে ডাবল সেঞ্চুরিতে রূপ দিয়েছেন এই ডানহাতি ব্যাটার। এক দিনেই…
 ৭ নভেম্বর ২০২৬    খেলাধুলা

পরাজিত শক্তি আবারও মাথাচাড়া দেওয়ার চেষ্টা করছে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

পরাজিত শক্তি আবারও মাথাচাড়া দেওয়ার চেষ্টা করছে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকারবিরোধী শক্তিগুলো আবারও ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে মাথাচাড়া দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি…
 ৭ নভেম্বর ২০২৬    জাতীয়

তাহসিফ হত্যা মামলা: তিন দফায় রিমান্ড শেষে কারাগারে দীপ!

তাহসিফ হত্যা মামলা: তিন দফায় রিমান্ড শেষে কারাগারে দীপ!
বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা এম তাহসিফ সাউরির মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার তার বন্ধুস্থানীয় ছোটভাই আহমেদ শাহরিয়ার রেজা দীপকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।…
 ৭ নভেম্বর ২০২৬    জাতীয়

৭ কিলোমিটার হেঁটে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান!

৭ কিলোমিটার হেঁটে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান!
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির আয়োজিত শোভাযাত্রায় অংশ নিয়ে নয়াপল্টন থেকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ পর্যন্ত প্রায় ৭ কিলোমিটার পথ হেঁটেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির…
 ৭ নভেম্বর ২০২৬    জাতীয়